ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা


বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজে এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে।

এই সংবর্ধনা শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকালে কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক (সদর) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান, বিজিবিএমএস, সিপিএমএস, এনডিইউ, পিএসসি। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম, এমফিল, শ্রীউন্নতি, এইচএসসি।

আরও পড়ুন: মাউশি কর্তৃক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের ৪টি জরুরি নির্দেশনা

অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে প্রধান অতিথি তাঁদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। কৃতী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি তাঁদের সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকদেরও সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলা মাধ্যমের দুইজন এবং ইংরেজি ভার্সনের দুইজন কৃতী শিক্ষার্থী তাঁদের সাফল্যের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষক ও অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মমতাজুর রহমান কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, "ভালো ফলাফল শিক্ষাজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও এটিই শিক্ষার চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়।" অর্জিত সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে অবদান রাখতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক ব্যবহার, নিয়ম-শৃঙ্খলা, সততা, পরিশ্রম ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার আহ্বান জানান।

আরও পড়ুন: কৃষিতে নারীদের ক্যারিয়ার গঠনে বহুমুখী সুযোগ ও প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ

কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল ড. মো. তাজুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে কৃতী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের জন্য অভিভাবক ও শিক্ষকদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, "জিপিএ-৫ অর্জন একটি মাইলফলক। তবে জীবনের প্রকৃত সাফল্যের জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ।"

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে কলেজের শিক্ষার্থীরা গান, কবিতা, নৃত্যসহ বিভিন্ন সৃজনশীল পরিবেশনা উপস্থাপন করেন। বিশেষ আকর্ষণ ছিল লালনগীতি ও নৃত্য পরিবেশনা। এসব পরিবেশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আনন্দিত করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাবিতে দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে চালু হলো ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৬ পি.এম


রাবিতে দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে চালু হলো ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’

পরীক্ষার হলে খাতা-কলমের অনুপস্থিতি এবং প্রশ্নপত্রের স্তূপ নেই। শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তির সহযোগিতায় সরাসরি ডিজিটাল প্লাটফর্মে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছেন। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষার ব্যবস্থার যাত্রা শুরু করেছে, যা কাগজনির্ভর প্রচলিত পরীক্ষা পদ্ধতির বাইরে। বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের প্রথম পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালু করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকভাবে ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা নতুন পদ্ধতিতে টিউটোরিয়াল পরীক্ষা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

আইসিটি সেন্টারের পরিচালক ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. হাসনাত কবীরের তত্ত্বাবধানে আইসিই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক এবং মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সামিউল বাসির এই সিস্টেম তৈরি করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’-এ শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের জন্য পৃথক সমন্বিত প্লাটফর্ম রয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে এমসিকিউ ও শর্ট কোয়েশ্চনের উত্তর দেয়ার পাশাপাশি পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল, ভুল উত্তরের সঠিক উত্তর এবং ব্যাখ্যা দেখতে পারবেন।

উদ্ভাবকদের সূত্রে জানা গেছে, সিস্টেমটিতে একটি সমৃদ্ধ প্রশ্নব্যাংক রয়েছে, যা শিক্ষকরা সহজেই প্রশ্ন তৈরি ও একাধিক পরীক্ষা পরিচালনা করতে পারবেন। স্বয়ংক্রিয় মূল্যায়নের ফলে খাতা দেখার সময় কমে আসবে, ফলাফল দ্রুত প্রকাশিত হবে এবং মূল্যায়নে নির্ভুলতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।

এছাড়া প্রশাসনের জন্য পরীক্ষার সার্বিক নজরদারি, ফলাফল সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট তৈরির সুবিধা রয়েছে। ফলে কাগজের ব্যবহার, সময়ের অপচয় ও প্রশাসনিক জটিলতা কমিয়ে পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরো দ্রুত, সুশৃঙ্খল ও পরিবেশবান্ধব করা সম্ভব হবে।

আইসিই বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী মাহামুদুল হাসান শান্ত বলেন, ‘পরীক্ষা পদ্ধতিটি আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞতা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরীক্ষা শুরু ও শেষ হওয়া এবং পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদর্শনের বিষয়টি আমার কাছে আকর্ষণীয় লেগেছে। এ ব্যবস্থায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ই উপকৃত হবেন। পাশাপাশি নকল প্রতিরোধ ও সঠিক মূল্যায়নে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’

একই বর্ষের শিক্ষার্থী মনীষা আফরিন তিন্নি বলেন, ‘ই-এক্সাম আমাদের জন্য সহায়ক ও কার্যকর একটি ব্যবস্থা। পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল দেখার পাশাপাশি কোন প্রশ্নের উত্তর ভুল হয়েছে এবং সঠিক উত্তর কী, সেটিও জানা যাচ্ছে। ফলে নিজেদের ভুল বুঝে তা সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। কাগজ ছাড়া পরীক্ষার পদ্ধতিটি সহজ ও সময়সাশ্রয়ী।’

পদ্ধতিটির তত্ত্বাবধায়ক ড. মো. হাসনাত কবীর বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগের মাধ্যমে প্রচলিত কাগজনির্ভর পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে আরো আধুনিক, স্বচ্ছ ও কার্যকর পরীক্ষা পদ্ধতির দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এগিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কাগজবিহীন ও আধুনিক পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুততম সময়ে ফলাফল প্রক্রিয়াকরণ, পরীক্ষা শেষে তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদর্শন, ফলাফল প্রক্রিয়ায় নির্ভুলতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য অধিকতর সহজ ও সুবিধাজনক ব্যবস্থাপনা।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে আইসিই বিভাগে এ পদ্ধতির ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর কার্যকারিতা ও সফলতা বিবেচনা করে পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগেও ‘পেপারলেস এক্সাম সিস্টেম’ চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়, স্কুল-কলেজ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চাইলে এ সিস্টেম ব্যবহার করে পরীক্ষা গ্রহণ করতে পারবে। সিস্টেমটির নির্মাতারা প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতা দেবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম জানান, ‘শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা সবসময় চেষ্টা করে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমকে অটোমেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। পরীক্ষা পদ্ধতিকে আরো স্বচ্ছ ও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তিমুক্ত করতে পেপারলেস পরীক্ষা চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগকেও এ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

উপাচার্য আরও বলেন, এ পদ্ধতির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা অর্জন করে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এটি তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ও কার্যকর শিক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণে ২৪ জনকে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


হবিগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণে ২৪ জনকে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণ

হবিগঞ্জ, ৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জে ভূমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪ জন ভূমি মালিকের জন্য ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

আজ রোববার বেলা ১১টায় বাহুবল উপজেলার মিরপুর বাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ২৪ জন ভূমি মালিকের হাতে ২৪ টি চেক তুলে দেন জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ।

জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চেক প্রদান অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক ও বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহর সঞ্চালনায় ক্ষতিপূরণ গ্রহণকারী ভূমির মালিকরাও তাদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

জেলা প্রশাসক জানান, প্রকল্পের আওতায় হবিগঞ্জ জেলায় এ পর্যন্ত মোট ১৪৯ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের প্রায় ১৮ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ আরও বলেন, প্রকল্পের সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রম আইনানুগভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভূমির মালিকদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে এ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঢাকা (কাঁচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ প্রকল্পটি দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, সড়কের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যাত্রী ও পণ্য পরিবহন আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার মজুত করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা মনিরুল ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৭ পি.এম


সার মজুত করায় পদ হারালেন জামায়াত নেতা মনিরুল ইসলাম

কামারখন্দের সিরাজগঞ্জে নিয়মবহির্ভূতভাবে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার মজুত করার ঘটনায় উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ মো. মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত (সদস্য পদ) বাতিল করা হয়েছে। এর ফলে তিনি সংগঠনটির নায়েবে আমীর-২ পদে আর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

রোববার (৪ অক্টোবর) সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, রুকন বা পূর্ণাঙ্গ সদস্য সংগঠনের সর্বোচ্চ স্তরের সদস্যপদ। একজন কর্মী নির্ধারিত সাংগঠনিক ও নৈতিক শর্ত পূরণ করে রুকন হলে তিনি এই সদস্যপদ লাভ করেন।

জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম জানান, মনিরুল ইসলামের রুকনিয়াত বাতিল করা হয়েছে। রুকনিয়াত বাতিল হওয়ার ফলে তিনি আর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

এর আগে, গত ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে মনিরুল ইসলামের সার গুদামে অভিযান চালায় উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বিনির্দেশবহির্ভূতভাবে সার গুদামজাত করার অভিযোগে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে গুদামে মজুত করা ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার সরকারের অনুকূলে জব্দ করা হয়।

মনিরুল ইসলাম আব্দুর রশিদের ছেলে এবং তিনি কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর-২ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম ছেলে জেসনের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

রবিবার, ৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:১৮ পি.এম


বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম ছেলে জেসনের সিনেমা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে

দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে দেখা গেল তামিল অভিনেতা এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়ের স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গমকে। ছেলে জেসন সঞ্জয়ের পরিচালনায় নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’ দেখতে তিনি মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে হাজির হন। বিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাহারের পর এটি সঙ্গীতার প্রথম প্রকাশ্যে আসা ঘটনা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২ অক্টোবর চেন্নাইয়ের কামালা সিনেমাসে ‘সিগমা’র প্রথম দিনের প্রদর্শনী দেখতে যান সঙ্গীতা এবং তার মেয়ে দিব্যা শাশা। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেসনও। প্রেক্ষাগৃহের বাইরে আলোকচিত্রীদের দেখে হাসিমুখে ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায় সঙ্গীতাকে। তবে সিনেমাটি দেখতে সেখানে বিজয় উপস্থিত ছিলেন না।

এর আগে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সঙ্গীতা বিজয়ের বিরুদ্ধে পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছিলেন। আবেদনে বিজয়ের সঙ্গে এক অভিনেত্রীর কথিত বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, মানসিক অবহেলা, অপমান এবং দাম্পত্য বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। তিনি স্থায়ী ভরণপোষণ ও বসবাসের অধিকারও দাবি করেছিলেন।

কিন্তু কয়েক মাস পর সঙ্গীতা সেই আবেদন প্রত্যাহার করে নেন। গত ৭ আগস্ট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতে উপস্থিত হয়ে বিচ্ছেদের মামলা তুলে নেওয়ার কথা জানান তিনি। এরপরই প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দেখা গেল তাকে।

এদিকে, ছেলে জেসনের প্রথম সিনেমা ‘সিগমা’ নিয়ে শুরু থেকেই আলাদা আগ্রহ রয়েছে। সিনেমার প্রচারণায় বাবা বিজয়কে না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জেসন। তার মতে, প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দু হওয়া উচিত সিনেমা এবং সংশ্লিষ্ট শিল্পীরা, তারকা বাবা নয়। বর্তমানে বিজয় মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকায় তার ব্যস্ততার বিষয়টিও উল্লেখ করেছেন জেসন।

১৯৯৯ সালে বিজয় এবং সঙ্গীতার বিয়ে হয়। তাদের দুই সন্তান—জেসন সঞ্জয় এবং দিব্যা শাশা। দীর্ঘ সময় পর ছেলের সিনেমাকে কেন্দ্র করে সঙ্গীতার প্রকাশ্যে আসার ঘটনাটি নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%