০৭:১৪ পি.এম
রাজধানীর কাফরুল থানার এলাকায় যুবদলকর্মী ইউসুফ আলী ওরফে পারভেজকে গুলি করে হত্যা করার ঘটনায় গ্রেপ্তার শ্যুটার মো. চঞ্চল মোল্যাকে এখন তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে কাফরুল থানার অস্ত্র আইনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ এ রিমান্ডের আদেশটি প্রদান করেন।
এদিন আসামি চঞ্চল মোল্যাকে আদালতে উপস্থিত করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং কাফরুল থানার উপপরিদর্শক ইউসুফ আলী ভূইয়া তার ১০ দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত শেষে তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। তবে এ সময় আসামির পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে কাফরুল থানাধীন এলাকায় বিএনপির সদস্যসচিব মো. হাফিজুল ইসলাম বাবু ও ভিকটিম ইউসুফসহ অন্যান্য বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে কথাবার্তা বলছিলেন। এ সময় আসামি চঞ্চল এবং তার সহযোগী পলাতক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পূর্বপরিকল্পিতভাবে ইউসুফকে লক্ষ্য করে গুলি চালান।
গুলিটি ইউসুফের বুকের ডান পাশে এসে লাগে এবং পিঠ দিয়ে বের হয়ে যায়। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে উপস্থিত লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে ছোটাছুটি শুরু করে। এ সময় আসামিরা এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকেন।
এলোপাতাড়ি গুলিতে সবজি বিক্রেতা নালাম সরদার এবং পথচারী মো. মনির হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। উপস্থিত লোকজন গুলিবিদ্ধ ইউসুফ, নালাম সরদার এবং মনিরকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইউসুফ মারা যান।
এ সময় পালানোর চেষ্টা করার সময় কাফরুল থানাধীন একটি দোকানের সামনে আসামি চঞ্চল মোল্যাকে উপস্থিত লোকজন অস্ত্র-গুলিসহ ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশ এসে তাকে হেফাজতে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
তদন্তের সময় তার দেহ তল্লাশি করে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে আসামি চঞ্চল নিজের পরিচয় জানান। তিনি জিহাদ মোল্লা, মো. জিয়ারুল, হাসানসহ অজ্ঞাতদের নামও প্রকাশ করেন। এ ঘটনার পর কাফরুল থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন