রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪০ পি.এম
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে থানা পুলিশ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান মানিকের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক ফজলুল করিম সেলিম, উপজেলা পৌর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ সাগর, মতলব পৌর যুবলীগের সদস্য মো. অলি উল্লাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. কাউসার হোসেন এবং মতলব আওয়ামী লীগের সদস্য শাহজালাল।
মতলব দক্ষিণ থানার পুলি পরিদর্শক (তদন্ত) অখিল সরকার জানান, নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে। থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে চাঁদপুর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লাইমলাইটের তীব্র আলো থেকে কিছুটা দূরে ছায়ার আস্তরণে ঢেকে গিয়েছিলেন তিনি। সংসার, সন্তান এবং মাতৃত্বের মধুর ভালোবাসায় নিজের যত্ন নেওয়ার বিষয়টি হয়তো সময়ের ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিল।
সেই চেনা রূপের আড়ালে জমছিল বাড়তি মেদের ভারী আস্তরণ। একসময়ের ছিপছিপে গ্ল্যামার কন্যা আনিকা কবির শখের ওজন গিয়ে ঠেকেছিল সত্তর কেজিতে। যদিও আশি কেজি থেকে সত্তর পর্যন্ত নামলেও, থমকে গিয়েছিল মেদ ঝরানোর সেই দূরূহ লড়াই। ফিটনেসের উৎসাহ জাগলেও বারবার তা ফিকে হয়ে যেত জিমের যান্ত্রিক রুটিনে।
তবে নিয়তির একটি ছোট্ট বার্তা যেন হুট করেই বদলে দিল সব চিত্রনাট্য। চিকিৎসক যখন জানালেন লিভারে জমেছে মেদ, তখনি শখের ভেতর জেগে উঠল এক নতুন জেদ। এবার লড়াইটা আর কেবল পর্দার সামনে সুন্দর দেখানোর বিষয় ছিল না, লড়াইটা ছিল নিজের সুস্থতার সঙ্গে বেঁচে থাকার।
প্রিয় খাবারের টানে নিজেকে ভাসিয়ে দেওয়ার সেই পুরোনো অভ্যাসকে এক ঝটকায় বিদায় জানালেন তিনি। যে শখ একসময় গরুর মাংসের স্বাদে মাতোয়ারা হতেন, এবারের কোরবানির ঈদে তার থালায় ঠাঁই পেয়েছিল মাত্র দু-টুকরো মাংস। আলু এবং বাইরের চর্বিজাতীয় মুখরোচক খাবারকে জীবন থেকে বিদায় দিয়ে তার পাতে জায়গা করে নিল সবুজ সবজি, ডিম এবং মুরগির মাংস।
টানা সাত মাসের একনিষ্ঠ সাধনা এবং নিয়মের কঠোর শৃঙ্খলে ঘাম ঝরিয়ে নিজেকে যেন নতুন করে আবিষ্কার করলেন শখ। সত্তর কেজি থেকে ঝরে পড়ে ওজন গিয়ে দাঁড়াল একবারে চমৎকার ৫৫ কেজিতে।
দীর্ঘ সময় পর গত শুক্রবার এক জমকালো ফ্যাশন শোতে যখন তিনি হেঁটে গেলেন, সেখানে উপস্থিত সবাই এই বদলে যাওয়া রূপসী শখকে দেখে যেন চমকে উঠলেন। মাতৃত্বের চার বছর পেরিয়ে সাড়ে চার বছরের সন্তানের চঞ্চলতার মাঝেই শখ এখন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রূপালী পর্দায় নিজের চিরচেনা রাজত্ব ফিরে পেতে।
সিনেমা এবং নাটকের প্রস্তাব ইতোমধ্যেই জমা হতে শুরু করেছে তার আঙিনায়। নিজের পুরোনো জাদুকরী রূপ এবং অদম্য প্রাণশক্তি নিয়ে গ্ল্যামারের রাজপথে ফের এক নতুন গল্পের জন্ম দিতে যাচ্ছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় অভিনেতা সৌরভ গুর্জরের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং পরে প্রতারণা ও হেনস্থার শিকার করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে হায়দরাবাদের গাচিবাউলি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে সৌরভকে গ্রেপ্তার করে হায়দরাবাদ পুলিশ। খবরটি এনডিটিভি প্রকাশ করেছে।
সৌরভ অভিনয়ের পাশাপাশি রেসলিংয়ে পরিচিত। তিনি ‘মহাভারত’ ধারাবাহিকে ভীমের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের নজরে আসেন। পরবর্তীতে অয়ন মুখোপাধ্যায়ের ‘ব্রহ্মাস্ত্র’ সিনেমাতেও তার অভিনয় রয়েছে।
অভিযোগকারী তরুণী জানিয়েছেন, ২০২১ সালে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে সৌরভের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এরপর তারা ফোন নম্বর বিনিময় করেন এবং হোয়াটসঅ্যাপে নিয়মিত যোগাযোগ শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে।
তরুণীর অভিযোগ, ২৫ ডিসেম্বর ২০২১ সালে প্রথমবার সৌরভের সঙ্গে সরাসরি দেখা হয়। সেই সময় অভিনেতা তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি জানান, স্ত্রী হিসেবে যে ধরনের অধিকার ও মর্যাদা পাওয়া যায়, তাকেও একইভাবে রাখা হবে।
অভিযোগকারী আরো দাবি করেন, তারা শুধু ভারতেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রেও একসঙ্গে ছিলেন। সৌরভ সেখানে ব্যবসা শুরু করার কথা বলেছিলেন। তরুণী অভিযোগ করেন, সেই প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বাস করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে নিজের চাকরি ছেড়ে দেন।
তরুণীর ভাষ্য অনুযায়ী, সৌরভের সঙ্গে সম্পর্কের নানা জটিলতার কারণে তিনি নিজের ক্যারিয়ারেও মনোযোগ দিতে পারছিলেন না। বিয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিনেতা তার ফোন নম্বর ব্লক করে দিতেন এবং ধীরে ধীরে তার সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে, ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত সৌরভ ওই তরুণীর সঙ্গে ছিলেন। এরপর হায়দরাবাদে একসঙ্গে থাকার সময় কোনো খবর না দিয়েই অভিনেতা চলে যান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তরুণী জানান, সৌরভের সঙ্গে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করেও তিনি ব্যর্থ হন।
অবশেষে চলতি বছরের ১৫ আগস্ট গাচিবাউলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। পরে মুম্বাই বিমানবন্দর থেকে সৌরভকে আটক করে হায়দরাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় সাবেক শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ উদ্দেশ্যে সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে সোমবার ঢাকায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
রংপুর মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য প্রকাশ করেন।
সনাতন চক্রবর্তী জানান, ডিএনএ পরীক্ষার জন্য দুই আসামির নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এ জন্য সোমবার তাদের ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে নেওয়া হবে।
তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন আলামত ও নিহত ব্যক্তিদের নমুনার সঙ্গে আসামিদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে। এর মাধ্যমে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে যে, আসামিরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন কিনা এবং তাদের জৈবিক সম্পর্ক রয়েছে কিনা।
গত ২২ আগস্ট রাতে মাছুয়াপাড়ার একটি বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ও তাদের দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দুই দিন ধরে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় স্বজনেরা বাড়িতে গিয়ে তালাবদ্ধ ঘরের ভেতর মরদেহ দেখতে পান। এ সময় বাড়ি থেকে দুর্গন্ধও বের হচ্ছিল। পরে পুলিশ গিয়ে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন।
ডিবি তদন্তে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, আসামিদের জবানবন্দি ও বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা করছে। পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে দুই আসামির সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে আরো তথ্য পাওয়ার চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন মন্তব্য করেছেন যে, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের অভিভাবকতুল্য। এজন্য প্রত্যেক শিক্ষককে শিক্ষার্থীদের নিজের সন্তানের মতো ভাবতে হবে। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান করতে হবে তাদের সন্তান হিসেবে। তাদের নৈতিক মূল্যবোধের সঙ্গে গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘শিক্ষাব্যবস্থা : কুমিল্লা কনসেপ্ট’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, মাদক সমস্যা দূরীকরণে শিক্ষা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজে লাগিয়ে সমাজ থেকে মাদক সমস্যার সমাধান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি এলাকার শিক্ষানুরাগী, গণ্যমান্য ব্যক্তি, সমাজসেবকসহ সবাইকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার উন্নয়নের জন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন। বিভিন্ন এলাকার সংসদ সদস্যরাও স্বপ্রণোদিত হয়ে শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছেন। শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে ‘কুমিল্লা কনসেপ্ট’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ