ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির


ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিতে জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠনের পরামর্শ প্রদান করেছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, যদি সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়গুলোর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা যায়, তবে তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও দাবি-দাওয়া যথাযথভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরা সহজতর হবে।

আজ বুধবার দুপুরে বঙ্গভবনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সভাপতি ও ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারের মহাধ্যক্ষ শ্রীসদ্ধম্মসাসনধ্বজ বুদ্ধপ্রিয় মহাথেরের নেতৃত্বে নয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ পরামর্শ দেন।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) বিজন কান্তি সরকার। রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ছেলে-মেয়েদের শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে অধিক গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন, যাতে তারা কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে। তিনি সম্প্রদায়ের শিক্ষিত ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও বিষয় রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত করেন।

সমস্যা সমাধানের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি তাদের আশ্বস্ত করে বলেন, সব সম্প্রদায়ের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা এবং বৈষম্য দূর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

এ সময় প্রতিনিধিদল আগামী নভেম্বরে কমলাপুরের ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে অনুষ্ঠেয় কঠিন চীবরদান অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢামেকে আনা হলো আনিসুল, পলক ও মামুন

সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সুশীল চন্দ্র বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি পার্থ প্রতিম বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সচিব রণজিৎ কুমার বড়ুয়া, জাতীয়তাবাদী বৌদ্ধ ফোরামের সভাপতি ও কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য দিলীপ কুমার বড়ুয়া, বাসাবো ধর্মরাজিক মহাবিহারের উপাধ্যক্ষ সুমিত্তানন্দ ভিক্ষু (অনুপম বড়ুয়া) এবং রীটন কান্তি বড়ুয়া (স্বরূপানন্দ ভিক্ষু)-সহ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইবি প্রতিনিধি

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেলেন ইবির ৩৬ শিক্ষার্থী

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আট অনুষদের অধীনে ডিন’স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৩৬ শিক্ষার্থী। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের কৃতী শিক্ষার্থীদের মেডেল ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন—থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদভুক্ত আল হাদিস বিভাগের আলী আহসান মুহাম্মদ জুবাইর, মোহাম্মদ আল ফায়েদ, দেলোয়ার হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও নাইমুর রহমান, আল কুরআন বিভাগের আব্দুল্লাহ ইহসান ভূঁইয়া ও মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং দাওয়াহ বিভাগের নাজমুল ইসলাম ও নোমান আল হাদী। ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের প্রত্যয় সানা, সিরাজুল ইসলাম ও অনিন্দ্য সাহা, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সুমী খাতুন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম এবং হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মেহেদী হাসান শিকদার।

এছাড়া প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদভুক্ত ফলিত রসায়ন বিভাগের মহুয়া রহমান, জান্নাতুন নায়িম ও নাফিজ রহমান সায়েম, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আহাসান হাবিব এবং আইসিটি বিভাগের মাহফুজুর রহমান।

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত লোক প্রশাসন বিভাগের মুনতাকিম রহমান, অর্থনীতি বিভাগের টগর আলী ও জেসিয়া খাতুন এবং ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সিরাজাম মনিরা।
জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ফার্মেসি বিভাগের আব্দুল্লাহ আল মামুন ও আব্দুল বাশার এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের মেহেদী হাসান। বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত পরিসংখ্যান বিভাগের মেহেদী হাসান লিমন ও মাহামুদুল ইসলাম এবং গণিত বিভাগের আরিফুল ইসলাম, কলা অনুষদভুক্ত আরবি বিভাগের তানজিলা খাতুন, হাফিজুল ইসলাম ও জেবা রহমান। আইন অনুষদভুক্ত ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের সাদিয়া, রাফিয়া খাতুন ও আমজাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী ও রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের নয় অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের সভাপতি ও কৃতী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, এটি নিঃসন্দেহে তোমাদের জন্য উল্লেখযোগ্য দিন। তোমাদের যোগ্যতা, মেধা ও পরিশ্রমের ফল হিসেবে এই স্বীকৃতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হলো। তোমাদের ওপর নতুন একটি দায়িত্ব অর্পিত হলো। কর্মক্ষেত্রে দেশ ও মানুষের জন্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দিতে অ্যাম্বাসাডর হিসেবে তোমরা ভূমিকা রাখবে। বিদেশে উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই অ্যাওয়ার্ড সহযোগিতা করবে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যে দেশ ও বিদেশে সম্মানজনক অবস্থানে রয়েছেন। বিদেশেও একই সুনাম ধরে রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জার্মানি কোমল পানীয়ের ওপর নতুন ‘চিনি কর’ আরোপ করছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


জার্মানি কোমল পানীয়ের ওপর নতুন ‘চিনি কর’ আরোপ করছে

জার্মানি নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের ব্যবহার কমানোর জন্য। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে দেশটিতে চিনিযুক্ত পানীয়ের ওপর একটি বিশেষ কর কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়ানোর পাশাপাশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে কম চিনিযুক্ত পানীয় তৈরিতে উৎসাহিত করার লক্ষ্য রয়েছে।

জার্মানির অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন জোটের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা ‘চিনি কর’ প্রস্তাবটি বাস্তবায়নের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম আরএনডির কাছে পৌঁছানো খসড়া প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি ১০০ মিলিলিটার পানীয়তে যদি চিনির পরিমাণ অন্তত ৫ গ্রাম হয়, তাহলে প্রতি লিটারে ২৬ সেন্ট কর দিতে হবে। আর যদি চিনির পরিমাণ ৮ গ্রাম বা তার বেশি হয়, তাহলে প্রতি লিটারে করের পরিমাণ ৩২ সেন্ট হবে। এই প্রস্তাবটি বুধবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে অনুমোদনের জন্য তোলা হবে।

মধ্য-বামপন্থি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এসপিডি) অর্থমন্ত্রী লার্স ক্লিংবাইল এই উদ্যোগের পক্ষে রয়েছেন। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর আরোপের ফলে কেন্দ্রীয় সরকারের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং পানীয় প্রস্তুতকারকেরা চিনির পরিমাণ কমাতে উৎসাহিত হবেন। এর ফলে তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর পানীয়ের উৎপাদন বৃদ্ধি পেতে পারে।

সরকারের প্রাক্কলন অনুযায়ী, নতুন এই কর থেকে ২০২৭ সালে প্রায় ৬৯ কোটি ইউরো এবং ২০২৮ সালে ৯২ কোটি ৫০ লাখ ইউরো রাজস্ব আয় হতে পারে।

তবে প্রস্তাবটি নিয়ে ক্ষমতাসীন জোটের মধ্যে শুরু থেকেই মতপার্থক্য বিদ্যমান ছিল। জার্মানির সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এআরডির তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতে চ্যান্সেলরের দপ্তর ক্লিংবাইলের পূর্বের প্রস্তাব আটকে দিয়েছিল। কনজারভেটিভ ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) দলের কিছু রাজ্য পর্যায়ের নেতা এই করের বিরোধিতা করেছেন। তাদের যুক্তি হচ্ছে, নতুন করের ফলে সাধারণ ভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধি পাবে এবং বাজারের ওপর সরকারের হস্তক্ষেপ আরও জোরালো হবে।

চিনির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) নির্দেশনাও বিদ্যমান। সংস্থাটির সুপারিশ অনুযায়ী, একজন সুস্থ ও স্বাভাবিক ওজনের প্রাপ্তবয়স্কের দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০ গ্রাম চিনি গ্রহণ করা উচিত। তবে স্বাস্থ্যগত সুফল বাড়ানোর জন্য এই পরিমাণ ২৫ গ্রামের নিচে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যা প্রায় ছয় চা-চামচ চিনির সমান।

কিন্তু জার্মানিতে চিনির দৈনিক গ্রহণের পরিমাণ এই সুপারিশের চেয়ে অনেক বেশি। দেশটিতে পুরুষেরা গড়ে প্রতিদিন ৭৮ গ্রাম এবং নারীরা ৬১ গ্রাম চিনি গ্রহণ করেন। চিনির অন্যান্য উৎসও হিসাবের মধ্যে আনলে কারও কারও দৈনিক গ্রহণের পরিমাণ ১০০ গ্রাম পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

এ পরিস্থিতিতে চিনিযুক্ত কোমল পানীয়ের ওপর কর আরোপের সিদ্ধান্তকে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখছে সরকার। তবে নতুন করের ফলে পানীয়ের দাম কতটা বাড়বে এবং উৎপাদকেরা চিনির পরিমাণ কমাতে কতটা উদ্যোগী হবেন, তা প্রস্তাবটির চূড়ান্ত বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে ইসমাইল জবিউল্লাহর বৈঠক, আলোচনা ই-গভর্নেন্স নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


পাকিস্তানের হাইকমিশনারের সঙ্গে ইসমাইল জবিউল্লাহর বৈঠক, আলোচনা ই-গভর্নেন্স নিয়ে

বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

সাক্ষাতটি বুধবার (১৪ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সক্ষমতা বৃদ্ধি কর্মসূচি এবং ই-গভর্নেন্সসহ সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠকের সময়, হাইকমিশনার ইমরান হায়দার উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহকে শিক্ষা, বাণিজ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির মতো বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার গতিপথ সম্পর্কে অবহিত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিরাইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় হাওরে দ্রুত পানি শুকিয়ে যাচ্ছে, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

হামিদুল ইসলাম বিশেষ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


দিরাইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় হাওরে দ্রুত পানি শুকিয়ে যাচ্ছে, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক

সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার পূর্বাঞ্চলীয় হাওরাঞ্চলে দ্রুত পানি শুকিয়ে যাওয়ায় বোরো ধানের চারা রোপণ ও চাষাবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।

হাওরের যেসব জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করা হবে, সেসব জমির পানি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে জমির মাটি ক্রমেই শুকিয়ে শক্ত হয়ে পড়ছে। এতে সময়মতো জমি চাষের উপযোগী করা এবং ধানের চারা রোপণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

কৃষকদের আশঙ্কা, জমির মাটি অতিরিক্ত শুকিয়ে শক্ত হয়ে গেলে চারা রোপণ করা কঠিন হবে। মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা না থাকলে রোপণ করা চারার স্বাভাবিক বৃদ্ধিও ব্যাহত হতে পারে। এতে বোরো ধানের উৎপাদন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

হাওরাঞ্চলের কৃষকেরা প্রকৃতি ও পানির ওপর নির্ভর করেই বছরের প্রধান ফসল বোরো ধান চাষ করেন। কিন্তু হাওরের পানি দ্রুত কমে যাওয়ায় জমিতে প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। সময়মতো জমি প্রস্তুত করতে না পারলে চারা রোপণে বিলম্ব হতে পারে, যা কৃষকদের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ।

এ অবস্থায় দিরাইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় হাওরের কৃষকেরা বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%