০৭:৪১ পি.এম
ঢাকা, ১০ আগস্ট ২০২৬ : দীর্ঘ ২৩ বছরের বিরতির পর বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পাচ্ছে। বাংলাদেশ পেসার তাসকিন আহমেদ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগকে গর্ব এবং সম্মানের সঙ্গে দেখছেন। তিনি আসন্ন দুটি ম্যাচের টেস্ট সিরিজ নিয়ে অত্যন্ত রোমাঞ্চিত।
২০০৩ সালে বাংলাদেশ সর্বশেষ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলেছিল। ঐ সিরিজের সময় খেলা কোনো খেলোয়াড় বর্তমানে বাংলাদেশ দলে নেই। সুতরাং অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আবার টেস্ট খেলতে পারাটা তাসকিনের জন্য গর্বের বিষয়।
ডারউইনে তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি।’
আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে
তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেট খেলা আমাদের সব ক্রিকেটারের জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত।’
২০১২ সালে যুব বিশ্বকাপ বিশ্বে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ঐ আসরে তাসকিন বাংলাদেশের হয়ে খেলেছিলেন। পরে ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ এবং ২০২২ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে তিনি অস্ট্রেলিয়া সফর করেন।
অস্ট্রেলিয়াতে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও আসন্ন টেস্ট সিরিজটি সহজ হবে না বলে তিনি মনে করেন। তিনি বলেন, ‘নিশ্চিতভাবেই আমাদের সিরিজটা সহজ হবে না। সিরিজে আমরা নিজেদের সেরাটা দিতে আশাবাদী।’
টেস্ট সিরিজের আগে ‘ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ’-এর বিরুদ্ধে প্রস্তুতিমূলক ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। এ কারণে তারা ইনিংস ও ৩৮ রানে ম্যাচটি হারায়। প্রস্তুতি ম্যাচের ফলাফলের কারণে টেস্ট সিরিজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না বলেও তিনি আশাবাদী। তাসকিন বলেন, ‘হেরে যাওয়ার অনুভূতিটা অবশ্যই সুখকর ছিল না। ক্রিকেটে এমনটা ঘটতেই পারে। আমরা এখানকার কন্ডিশন ও উইকেটের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। ম্যাচ হারলেও ভালো প্রস্তুতি হয়েছে।’
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৬ টি টেস্ট খেলেছে। এর মধ্যে ৫টিতে হার এবং ১টিতে জয় পেয়েছে টাইগাররা। ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক জয় অর্জন করেছিল।
এছাড়া গত জুন মাসে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে জয়লাভ করেছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শূণ্য জয় স্মৃতিগুলি থেকে তাসকিন আত্মবিশ্বাস নিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘সবাই মিলে দারুণ খেলে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় পেয়েছিলাম। ঐ সিরিজ আমাদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। তবে হোম ও অ্যাওয়ে কন্ডিশনের মধ্যে বড় পার্থক্য থাকে। দেখা যাক এবার কি হয়।’
বাংলাদেশ ১৩ আগস্ট থেকে ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামবে। এরপর ২২ আগস্ট ম্যাকাইয়ে দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে।
আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন