প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ : ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে পদ্মা সেতু হয়ে চালু হয়েছে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে এক জোড়া নতুন ট্রেন।
আজ (সোমবার) বিকেল সাড়ে ৩টায় সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে (কমলাপুর) এই ট্রেনের উদ্বোধন করেন।
এই সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমান সরকার নিরাপদ, সাশ্রয়ী, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব রেলসেবা সম্প্রসারণকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
রাজধানী এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের মধ্যে কার্যকর কমিউটার নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আন্তঃনগর রেলসেবার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যাত্রীবাহী কোচ ও লোকোমোটিভের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দক্ষ সম্পদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণের ১৮০ দিনের মধ্যেই ঢাকা-গোপালগঞ্জ-ঢাকা রুটে ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ নামে এক জোড়া নতুন ট্রেন চালু করা হল।
এই ট্রেনের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ এবং মধ্যবর্তী এলাকার চাকরিজীবী, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রীরা প্রতিদিন স্বল্প ব্যয়ে ও নির্ভরযোগ্যভাবে ঢাকায় যাতায়াত করতে পারবেন এবং কর্মদিবস শেষে নিজ এলাকায় ফিরে যেতে পারবেন।
ফলে রাজধানীমুখী স্থায়ী আবাসনের প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং এর মাধ্যমে ঢাকার আবাসন, যানজট ও নগরসেবার ওপর বিদ্যমান চাপ কমাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
একই সঙ্গে, গোপালগঞ্জ ও আশপাশের এলাকার শাকসবজি, কৃষিপণ্য, মাছ এবং অন্যান্য স্থানীয় উৎপাদিত পণ্য দ্রুত ও তুলনামূলক কম ব্যয়ে ঢাকার বাজারে পরিবহনের সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করবে এবং উৎপাদক ও ভোক্তা-উভয় পক্ষই এতে উপকৃত হবে।
১৩৫ নম্বর অভিযাত্রী কমিউটার ট্রেনটি ঢাকা হতে সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাবে এবং গোপালগঞ্জে পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে।
অন্যদিকে, ১৩৬ নম্বর অভিযাত্রী কমিউটার গোপালগঞ্জ থেকে সোয়া ৭টায় ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে রাত ১০টা ২৫ মিনিটে। ট্রেনটির কোচ সংখ্যা ৮টি এবং আসন সংখ্যা মোট ৬৩০টি।
ঢাকা-গোপালগঞ্জ ১৪৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই রুটে মোট যাত্রাবিরতি থাকবে ৭টি স্টেশনে। এই যাত্রাবিরতি স্টেশনগুলো হল: কেরাণীগঞ্জ, শ্রীনগর, মাওয়া, ভাঙ্গা জংশন, নগরকান্দা, মহেশপুর এবং কাশিয়ানী জংশন।
তবে, প্রতি শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকবে এই ট্রেনের যাত্রা।
ট্রেনটির প্রথম যাত্রায় গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী যাত্রীদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন