বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২৮ পি.এম
নাহিদ ইসলাম, হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার ভাতের হোটেলে’ গিয়ে দেশ ও জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করেছিল বলা মন্তব্য করেছেন বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন সরকার। তিনি বলেন যে, দুনিয়া কাঁপানো গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক পটভূমি রচনা করেছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার বিকেলে বগুড়ার নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে উপজেলা ও পৌর বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। এই সমাবেশটি বিপ্লবী ছাত্র-জনতার রক্তস্নাত দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি ও ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে পৌর শহরে একটি বিজয় শোভাযাত্রা বের করার পর অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রার পর বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশ হয়।
সমাবেশে আলাউদ্দিন সরকার আরও বলেন, ‘এনসিপির কয়েকজন নেতা আপত্তিকর ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। তাদের কুৎসিত আক্রমণ রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও শালীনতার পরিপন্থী। চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে নাহিদ-হাসনাতরা ডিবি হারুনের হোটেলে ভাত খেয়ে দেশ ও জাতির সঙ্গে গাদ্দারি করেছিল। তারা আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাও দিয়েছিল। ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট হাসিনার পরিচালিত সেই ভাতের হোটেল বন্ধ হওয়ার দিন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এনসিপি নেতারা খালি কলসি বাজাচ্ছে। তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ তাঁর পরিবারকে নিয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গুরুতর কটূক্তি ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের অপতৎপরতা রুখে দেওয়া হবে।’
তারেক রহমানের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে আলাউদ্দিন সরকার বলেন, ‘অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক পটভূমি একদিনে তৈরি হয়নি। নির্বাসিত থেকেও সক্রিয় ছিলেন তারেক রহমান। তিনিই সেই পটভূমি রচনার প্রধান নায়ক।’
সমাবেশে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদর, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. আলেকজান্ডার, সাধারণ সম্পাদক শফিউল আলম সুমন, সাবেক মেয়র সুশান্ত সরকার শান্ত, নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রউফ রুবেল, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হাকিম, ইয়াসিন আলী, পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা এবং এনামুল হক বাচ্চু।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত মুখ হিসেবে বিবেচিত, ভারত ও পাকিস্তানের দুই তরুণ ইসলামিক বক্তা চলতি মাসে বাংলাদেশ সফরে আসছেন। তাদের অংশগ্রহণে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে দুটি আন্তর্জাতিক সেমিনার আয়োজন করা হচ্ছে সিয়ান পাবলিকেশন লিমিটেডের দ্বারা।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খা হলনে সিয়ান পাবলিকেশন কর্তৃক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে।
সিয়ান পাবলিকেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু তাসমিয়া আহমদ রফিক জানিয়েছেন, সফরে আসছেন ভারতের ওয়াহইয়াইন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মুফতি শামায়েল নাদভী এবং পাকিস্তান ইউথ ক্লাবের পরিচালক তোয়াহা বিন জলিল। এই দুই বক্তা সমকালীন ইসলামী চিন্তাধারা, যুবসমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক চ্যালেঞ্জ এবং শরিয়াহ বিষয়ে প্রাঞ্জল উপস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত।
আহমদ রফিক আরও জানান, প্রথম সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ আগস্ট চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (আইসিসি), আর দ্বিতীয় সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হবে ২২ আগস্ট ঢাকার পিএসসি কনভেনশন হলে। এই সেমিনার দুটিতে দেশ-বিদেশের প্রখ্যাত বক্তারা ইসলাম সম্পর্কে প্রচলিত বিভিন্ন ভুল ধারণার জবাব দেবেন এবং আধুনিক সমাজে ইসলামের প্রাসঙ্গিকতা, তরুণ প্রজন্মের বিশ্বাস, মূল্যবোধ ও জীবনদর্শন নিয়ে আলোচনা করবেন। দুই আন্তর্জাতিক বক্তার পাশাপাশি বাংলাদেশের বিশিষ্ট আলেম ও গবেষকরাও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য দেবেন।
বাংলাদেশসংবাদ জানিয়েছে যে, আগ্রহীরা event.seanpublication.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেমিনারের জন্য আসন বুক করতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বুধবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠানে এনসিপির উদ্দেশে প্রশ্ন তুলেছেন, ‘আপনারা জুলাই শহীদদের জন্য কী করেছেন?’
এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বৃহস্পতিবার তার ফেসবুক পোষ্টে বলেন, ‘মাত্র দেড় বছরে ২ হাজারের বেশি আন্দোলনের মধ্যেও কোনো পলিটিকাল দলের নিঃশর্ত ব্যাকআপ ছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যা কিছু করেছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি বিষয় এখানে তুলে ধরা হয়েছে।’
ফেসবুকে ইনফোগ্রাফ আকারে তিনি তথ্যগুলো তুলে ধরেন।

সারজিস আরো বলেন, ‘জনাব ইশরাক হোসেন, আপনি প্রায় ছয় মাস ধরে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী। আমরা জানতে চাই, যে উদ্যোগগুলো অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তার সময় নিয়েছিল, সেগুলোর বাইরে নতুনভাবে এ ছয় মাসে আপনি এবং আপনার মন্ত্রণালয় জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের জন্য কী কী করেছেন?’
সারজিসের ইনফোগ্রাফে ১৮ মাস ৯ দিনে ২ হাজারের বেশি আন্দোলনের মধ্যে জুলাইয়ের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে, তা তুলে ধরা হয়। তিনি আটটি পয়েন্টে সংক্ষেপে তার উত্তর দেন। এ পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে—
১। শেখ হাসিনার ফাঁসির রায় ঘোষণা।
২। গণভবনকে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর।
৩। জুলাই সনদ প্রণয়ন।
৪। প্রতিটি জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ।
৫। শহীদ ও আহতের তালিকা প্রণয়ন, এককালীন অর্থ ও মাসিক সম্মানী প্রদান।
৬। ২০ হাজারের বেশি আহতের চিকিৎসার ব্যবস্থা।
৭। নিষিদ্ধ আ. লীগের সাবেক ৩৬ মন্ত্রী ও ৪৩ এমপি গ্রেপ্তার।
৮। রাষ্ট্রপতি, সোবহান থেকে এস আলমসহ ব্যাংকলুটেরাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই-শাল্লা) আসনের সংসদ সদস্য নাছির চৌধুরী বলেছেন, আওয়ামী লীগ আমাদের শত্রু নয়, তারা আমাদের মিত্র।
আমরা তাঁদের সঙ্গে একসঙ্গে যুদ্ধ করেছি।
বুধবার, দিরাই উপজেলায় আয়োজিত ‘জুলাই স্মরণ সমাবেশে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাছির চৌধুরী বলেন, আজকের এই সমাবেশই বিএনপির মূল সমাবেশ। এর বাইরে বিএনপির আর কোনো সমাবেশ নেই। আগামী ৮ আগস্ট বিএনপির নামে যারা আলাদা সমাবেশ করতে চাচ্ছে, তারা মূলত দলে বিভক্তি সৃষ্টি করতে চায়। এদের সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি চলমান বিভিন্ন অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, আমার কোনো ভাই নেই, আমি একা। এমনকি আমার বাসাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। যারা দলের নাম ভাঙিয়ে চুরি-দুর্নীতি করার সুযোগ পাচ্ছে না, তারাই আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, তারা বলে, আমি নাকি লাখ লাখ টাকা লুটপাট করেছি। যারা এসব কথা বলে, তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন—আসলে কত টাকা বাজেট এসেছে। প্রয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছ থেকে তথ্য জেনে নিন।
উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেনের সভাপতিত্বে সঞ্চালনা করেন পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক সরদার।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আবু সাঈদ চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি শামসুল ইসলাম, সেজু মিয়া, উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক সালাহ উদ্দিন তালুকদার, পৌর বিএনপির সদস্য কয়সর ইসলাম, সোহেল মিয়া, কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, তাড়ল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল হক তালুকদার।
আরও বক্তব্য রাখেন উপজেলা মহিলা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিনা বেগম, কুলঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বাবুল মিয়া, তাড়ল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দীন ইসলাম, করিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহিম, সরমঙ্গল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাছির মিয়া, চরনারচর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল জলিল ও সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান, ভাটিপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ দীপ, পৌর কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুজিবুর রহমান, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল আহমদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সজীব রশীদ চৌধুরী, উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা রজব আলী এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মো. শাহ আলম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেছেন যে, বাংলাদেশকে করদ রাজ্য বানানোর জন্য ভারত সরকার সর্বদাই আওয়ামী লীগকে ব্যবহার করেছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগকে হারিয়ে এখন তারা বিএনপিকে ব্যবহার করতে চায়। রাশেদ প্রধান এটি দুর্ভাগ্যজনক বলেও উল্লেখ করেন যে, ক্ষমতার আশায় বাংলাদেশের রাজনীতিবিদরা ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পান। তবে, পিলখানা, শাপলা চত্বর, মোদি-বিরোধী আন্দোলন এবং জুলাইয়ের সকল গণহত্যার জন্য প্রত্যক্ষভাবে আওয়ামী লীগ এবং পরোক্ষভাবে ভারত দায়ী বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বৃহস্পতিবার, জাগপা আয়োজিত খুনি হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দুই বছর আশ্রয় প্রদানের প্রতিবাদে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ র্যালি শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিক্ষোভ র্যালিটি বিকেল ৪টায় বিজয়নগর থেকে শুরু হয়ে প্রেসক্লাবে এসে শেষ হয়।
রাশেদ প্রধান আরও বলেন, যে ভারত গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দুই বছর আশ্রয় দেয়, সেই ভারত তার বন্ধু নয়। যে ভারত সীমান্তে হত্যা করে, অবৈধ পুশ-ইন করে এবং ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা দেয় না ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জাতীয় নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে, সেই ভারতও তার বন্ধু নয়। তিনি উল্লেখ করেন, যে ভারত ওসমান হাদির হত্যাকারীদের আশ্রয় দেয়, সেই ভারতও তাঁর বন্ধু নয়।
জাগপা মুখপাত্র বলেন, দিল্লিতে আওয়ামী লীগের প্রেস কনফারেন্স হয়। ভারত সরকার তাদের দায় এড়িয়ে যেতে পারে না বলে তিনি দাবি করেন। দিল্লি থেকে আওয়ামী লীগকে দিয়ে বাংলাদেশ অস্থিতিশীল করার ভারতীয় ষড়যন্ত্র বাংলার জনগণ মেনে নেবে না। রাশেদ প্রধান বলেন, খুনি হাসিনাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য তারা ফুলের মালা এবং ফাঁসির দড়ি নিয়ে প্রস্তুত আছেন। ভারতকে যারাই প্রভু মানবে, তাদের বিরুদ্ধেই সংগ্রাম চলবে এবং কথাবার্তা পরিষ্কার যে, ভারতীয় আধিপত্যবাদ চলবে না, আগ্রাসন চলবে না।
ঢাকা মহানগর জাগপা সভাপতি এস এম জিয়াউল আনোয়ারের সঞ্চালনায় এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন জাগপা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আসাদুর রহমান খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ শফিকুল ইসলাম, ভিপি মুজিবুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক নাদিম মাহমুদ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবুল, যুব জাগপা সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জি. সিরাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ওলিউল আনোয়ার, জাগপা ছাত্রকাফেলা সভাপতি আব্দুর রহমান ফারুকী, দপ্তর সম্পাদক আরিয়ান শরীফ ও ঢাকা মহানগর সভাপতি ইমরান হুসাইন রাহুল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ