ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় সেমিনার ও নাট্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত


সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলায় সেমিনার ও নাট্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৬ : নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের ৭৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তার স্মরণে সেমিনার ও নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে।

একাডেমির আয়োজনে আজ নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় বিকেল ৪টায় জাতীয় নাট্যশালা ভবনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়  ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের পরিধি’ শীর্ষক সেমিনার।

এসময় ‘দ্বৈতাদ্বৈতবাদী শিল্পতত্ত্বের পরিধি’ শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রাবন্ধিক রুবাইয়াত আহমেদ। 

আরও পড়ুন: হাসিনা-কামালসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১৭ নভেম্বর পেছাল

প্রবন্ধের উপর প্যানেল আলোচক হিসেবে মতামত ব্যক্ত করেন করেন আজাদ আবুল কালাম, অধ্যাপক সামিনা লুৎফা নিত্রা এবং ড. শাহমান মৈশান।

এ ছাড়াও প্রবন্ধের উপর আলোচনায় অংশ নেন জাহিদ রিপন, কামরুল হাসান খান ও আবু সাঈদ তুলু। 

প্রবন্ধের উপর আলোচনার পাশাপাশি নাট্য জগতে সেলিম আল দীনের ভূমিকা, বর্তমান মঞ্চ নাটকের অবস্থান ও সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে আলোকপাত করেন তারা।

সেলিম আল দীন নিজস্ব নাট্যধারার ক্ষেত্রে শ্রম দিয়ে যে জগৎ তৈরি করেছেন তা উল্লেখ করে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, ‘আমরা শিল্পকলা একাডেমিতে নতুন নাটকের একটা জগৎ তৈরি করতে চাই। আমরা আশা করছি নাট্যকর্মী হিসেবে আপনারা এগিয়ে আসবেন এবং তাতে অবদান রাখবেন।’

আরও পড়ুন: ফরিদপুর-দৌলতদিয়া ৪০ কিলোমিটারজুড়ে যেন মৃত্যুফাঁদ

সন্ধ্যা ৭টায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে প্রদর্শিত হয় সেলিম আল দীন রচিত নাটক ‘পুত্র’। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুমের ৬১ দিনের ভয়ংকর বর্ণনা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৬ পি.এম


গুমের ৬১ দিনের ভয়ংকর বর্ণনা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

গুমের শিকার হয়ে ভারতের শিলংয়ে যাওয়ার ৬১ দিনের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা এবার নিজ মুখে শোনালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 

শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরে আয়োজিত এক প্রদর্শনী ও প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিতে গিয়ে গুম থাকাকালীন ভয়াল সেই দিনগুলোর কথা স্মরণ করেন তিনি। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ‘মায়ের ডাক’ প্লাটফর্ম।

নিজ বর্ণনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, চোখ ও হাত বেঁধে সীমান্ত পার করে ভারতের শিলংয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গুম অবস্থায় প্রতিটি মুহূর্তে মনে হতো পরের ভোরটি আমি দেখতে পারবো কি না। বন্দিদশায় দিনের আলো দেখার সুযোগ ছিল না। সকালের নাশতা এলে বুঝতে পারতাম সকাল হয়েছে। নখের আঁচড় দিয়ে দেয়ালে দাগ কেটে কেটে দিন গুনতাম আমি।

তিনি বলেন, আমার গুমের ৬১ দিন... তার যতটা মিনিট, যতটা মুহূর্ত কেটেছে, তার প্রত্যেকটা যদি আমি লিখে রাখতে পারতাম, তাহলে জাদুঘরের সংকলন হতো না কোনো কিতাব।

কবরের মতো কক্ষে ৬১ দিন

গুমকারীরা তাকে প্রায় ৮ ফুট বাই ৪ ফুটের একটি সংকীর্ণ স্থানে রাখত বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জায়গাটি ছিল অনেকটা কবরের মতো। সেখানে একটি পানির কল এবং প্রস্রাব-পায়খানার জন্য একটি ছিদ্র ছিল। দুর্গন্ধের পাশাপাশি সেখানে বিষাক্ত পোকামাকড়ও দেখা যেত। মেঝেতে একটি কম্বল পেতে ঘুমাতে হতো এবং পাতলা একটি বালিশ দেওয়া হয়েছিল।

অসুস্থ হলেও মেলেনি চিকিৎসা 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বন্দিদশায় খাবার, পানি ও ওষুধ নিয়মিত দেওয়া হলেও অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসকের সহায়তা পাওয়া যেত না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গুমকারীদের আমি নিজের শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে বলতাম, আমার হার্টে স্টেন্টিং আছে, অন্যান্য জটিলতা আছে, কিডনিতে জটিলতা আছে। এই পরিবেশে কতক্ষণ টিকে থাকব জানি না। আমার মৃত্যু হলে তোমরা আমার লাশটা আমার পরিবারের কাছে ফেরত দিও।

একদিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খাবার দিতে এসে তার সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা খোলা হয়। পরে গামছা ফেলে তাকে টেনে তোলা হয়।

তখন বুকের তীব্র ব্যথার কথা জানালে তাকে বলা হয়, এখানে ডাক্তার আসা নিষেধ। নিজে নিজে সুস্থ থাকার চেষ্টা করেন।

এর কিছুদিন পর তাকে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সেদিন সকালে তার পানি কম খেতে বলা হয়েছিল। তখন তার মনে হয়েছিল, হয়তো আজকেই শেষ।

চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে

সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, তাকে মোটা কাপড় দিয়ে চোখ বাঁধা হয়। এরপর হাত বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে তোলা হয়। গাড়িতে আরও কয়েকজন মানুষ ছিল বলে তিনি ধারণা করেন।

কয়েক ঘণ্টা যাত্রার পর একটি স্থানে দীর্ঘ সময় গাড়িতে বসিয়ে রাখা হয়। পরে তাকে কিছুটা হাঁটিয়ে একটি জিপের মতো গাড়িতে তোলা হয়। এরপর আবার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে একটি উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে মানুষের হিন্দিতে কথা বলার শব্দ শুনে তিনি নিশ্চিত হন যে তাকে ভারতের কোনো এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। নির্জন একটি এলাকায় ফুটপাতে নামিয়ে দিয়ে তাকে বলা হয়, ‘ইউ আর ফ্রি নাউ।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আরও কয়েক ঘণ্টা গাড়িতে যাওয়ার পর ভোরের দিকে তার চোখ খুলে দেওয়া হয়। তখন তিনি একটি চৌরাস্তা, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা ও বড় একটি মাঠ দেখতে পান। পরবর্তী সময়ে ঘুরে তিনি জানতে পারেন, সেটি শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকা।

তখন তার পা ফুলে যাওয়ায় ঠিকমতো হাঁটতে পারছিলেন না। আশপাশের পথচারীদের কাছে সাহায্য চান তিনি। কিন্তু তার দাড়ি, ময়লা পোশাক ও শারীরিক অবস্থা দেখে অনেকে তাকে মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি মনে করেছিলেন বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ।

পুলিশও প্রথমে বিশ্বাস করেনি

পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তাকে একটি বিট হাউসে নেওয়া হয়। সেখানেও নিজের পরিচয় দেওয়ার পর প্রথমে তাকে বিশ্বাস করা হয়নি বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর তাকে শিলং সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাকে নেওয়া হয় নর্থ ইস্টার্ন ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড সায়েন্সেসে (মিমহানস)।

সেখানে একজন চিকিৎসকের কাছে নিজের পরিচয় ও বাংলাদেশের পরিবারের ফোন নম্বর দিয়ে যোগাযোগের অনুরোধ করেন তিনি। চিকিৎসককে সালাহউদ্দিন বলেন, তুমি যদি একটু আমার এখানে টেলিফোন করো, আমি কে বুঝতে পারবা। আমাকে একটু সেন্ড ব্যাক করার ব্যবস্থা করো।

স্ত্রীর ফোনে পরিচয় নিশ্চিত

একপর্যায়ে তার দেওয়া নম্বরে বাংলাদেশে ফোন করার চেষ্টা করা হয়। তার স্ত্রী তখন বাইরে থাকায় প্রথমে ফোনটি ধরতে পারেননি। পরে বিদেশি নম্বর দেখে তিনি কলব্যাক করেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ফোনে নিজের পরিচয় দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার স্ত্রী চিৎকার করে বলেন, আমি জান্নাত পেয়ে গেছি।

ওই মুহূর্তটি জীবনের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইয়েস, আই অ্যাম সালাহউদ্দিন

পরে তাকে শিলংয়ের সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকের মাধ্যমে তার মানসিক সুস্থতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় বলে জানান তিনি।

পুলিশের কঠোর নজরদারির মধ্যেও কোনো একটি ভারতীয় টেলিভিশন ক্যামেরা দূর থেকে তাকে ধারণ করে। সেখানে মাত্র এক সেকেন্ডের জন্য তিনি বলেন, ‘ইয়েস, আই অ্যাম সালাহউদ্দিন।’ পরে ওই ভিডিও বাংলাদেশে প্রচারিত হয়।

এরপর তাকে ভারতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরেনার্স অ্যাক্টের মামলায় আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হয়। দীর্ঘ কয়েক বছর আদালতে আইনি লড়াইয়ের পর শেষ পর্যন্ত তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর পথ তৈরি হয়।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে ফিরতে পারার পেছনে বাংলাদেশের মানুষের পাশাপাশি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের অবদান রয়েছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা দীর্ঘ ফ্যাসিজম থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করেছেন, বাংলাদেশটাকে মুক্ত করেছেন। গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিম তীরে আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে ফিলিস্তিনিদের জীবন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


পশ্চিম তীরে আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে ফিলিস্তিনিদের জীবন

ফিলিস্তিনিদের জীবন পশ্চিম তীরে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।

 

 

অধিকৃত পশ্চিম তীরের কুসরায় অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের সাম্প্রতিক হামলাগুলি সেখানে ক্রমবর্ধমান সহিংসতার একটি অংশ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। এই সহিংসতার ফলে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

 

রামাল্লা এলাকা থেকে আলজাজিরার জন্য দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিনিধি সারাহ আবু আলরব জানান, অধিকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের সম্পত্তির ওপর হামলা এখন একটি নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে।

তিনি হামলার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, ফিলিস্তিনিরা ঘুম থেকে উঠে বিভিন্ন স্থানে হামলার খবর পেয়ে থাকেন—যেখানে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের শারীরিকভাবে আক্রমণ করছে, তাদের সম্পদ ধ্বংস করছে এবং গবাদিপশু চুরি করছে। এসব হামলার ফলে ফিলিস্তিনিদের জীবিকা রক্ষা করা এবং নিজেদের বাড়িঘর সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা অবাধে চলাফেরা করতে পারছে এবং ক্রমাগত আরও বেশি জমি দখল করছে।

 

কুসরায় ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা একটি ফিলিস্তিনি বাড়ি ঘিরে রেখেছে—এমন সর্বশেষ খবরের প্রেক্ষিতে সারাহ আবু আলরব বলেন, যখন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা কোনো নির্দিষ্ট বাড়ি বা এলাকায় হামলা চালায়, তখন তাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ওই একটি স্থাপনা দখল করা নয়। তাদের বৃহত্তর উদ্দেশ্য হলো আশপাশের পুরো এলাকা দখলে নেওয়া।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যক্তিগত তথ্য ও স্পর্শকাতর নথি ফাঁসের অভিযোগে বংশাল থানায় জিডি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


ব্যক্তিগত তথ্য ও স্পর্শকাতর নথি ফাঁসের অভিযোগে বংশাল থানায় জিডি

 

অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ছবি, তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর বংশাল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে মো. সাব্বির হোসেন (২০) নামে এক তরুণ এ জিডি করেন। জিডির ট্র্যাকিং নম্বর 54OPQV এবং জিডি নম্বর ১৫৫৫।

জিডিতে সাব্বির হোসেন অভিযোগ করেন, বেশ কিছুদিন ধরে তার অনুমতি ছাড়াই ব্যক্তিগত ছবি ও বিভিন্ন তথ্য ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে। পাশাপাশি তার ফেসবুক আইডিসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ ও ক্ষতিসাধনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় তিনি ও তার পরিবার সামাজিকভাবে বিব্রতকর পরিস্থিতির পাশাপাশি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জিডির আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বিভিন্ন নাম ব্যবহার করে এ ধরনের সাইবার কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে বলে ভুক্তভোগীর সন্দেহ। অভিযোগে Elite Cyber, Cyber Zone, Expert Cyber, Global Cyber, Zero Trace ও Darknet Cyber-সহ কয়েকটি নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী সরাসরি ঘটনার সঙ্গে জড়িত—এমন কোনো বিষয় এখনো তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।

ভুক্তভোগী সাব্বির হোসেন জানান, তার কাছে এ-সংক্রান্ত কিছু স্ক্রিনশট, অ্যাকাউন্টের তথ্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক প্রমাণ সংরক্ষিত রয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ভবিষ্যতে ব্ল্যাকমেইল, প্রতারণা বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো এবং অভিযোগের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জিডিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

জিডিটি গ্রহণ করে বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল মিয়াকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মাহফুজুল হক বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে অভিযোগে উল্লিখিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্তাধীন এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মা নদীর তীরে অবৈধ বালুর স্তূপ, লালপুরে একজনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৯শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


পদ্মা নদীর তীরে অবৈধ বালুর স্তূপ, লালপুরে একজনের কারাদণ্ড

নাটোরের লালপুরে পদ্মা নদীর তীরে অবৈধভাবে বালু স্তূপীকরণের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে রামকৃষ্ণপুর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই অভিযানটি অনুষ্ঠিত হয়।

 

লালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আবীর হোসেন এই অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানের ফলস্বরূপ একজনকে আটক করা হয় এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও স্তূপ করে আসছিল। এর ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং নদীভাঙন ও পরিবেশগত ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

 

এই অভিযোগের ভিত্তিতে আবীর হোসেনের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত একটি এক্সকাভেটরের দুটি ব্যাটারি জব্দ করা হয়। এছাড়া, বালু সঞ্চালনে ব্যবহৃত অবৈধ লাইনও বিনষ্ট করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে একজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

 

লালপুর থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা অভিযানে সহযোগিতা করেন। প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে অপরাধে জড়িত অন্যরা পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবীর হোসেন মন্তব্য করেন, ‘পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও স্তূপীকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যদি কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকে, তবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।’

 

উপজেলা প্রশাসন জানায়, নদী ও পরিবেশ রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%