বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৫৫ পি.এম
ইংলিশ ব্যাটার রবিন দাস, যিনি এসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের সদস্য, তাকে দুইটি ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
পুলিশ ও আদালতের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ বছর বয়সী দাস আগামী ৯ অক্টোবর শুক্রবার ইনার লন্ডন ক্রাউন কোর্টে উপস্থিত হবেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, রবিন দাস, যিনি ওয়ালথাম ফরেস্টের কুইন্স রোডে বসবাস করেন, তাকে ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে দুইটি ধর্ষণের অভিযোগে চার্জ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের ৩০ মার্চ ব্রিক্সটনে এক নারীর ধর্ষণের অভিযোগের ভিত্তিতে দাসকে ২৭ আগস্ট ২০২৫ তারিখে গ্রেফতার করা হয়। ভুক্তভোগীকে বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তারা সহায়তা প্রদান করছেন।
এসেক্স ক্লাব অভিযোগের পরপরই দাসকে সাসপেন্ড করেছে। ক্লাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ঘটনাটি ক্লাব কার্যক্রমের বাইরে ঘটেছে। ইসিবি, পিসিএ ও ক্রিকেট রেগুলেটরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় ক্লাব আর কোনো মন্তব্য করবে না। সকল কর্মীর জন্য কঠোর সুরক্ষা ও এইচআর নীতিমালা কার্যকর রয়েছে।”
দাস ২০২০ সালে এসেক্সের হয়ে অভিষেক করেন। তিনি ৯টি ফার্স্ট-ক্লাস, ২৯টি লিস্ট এ এবং ২৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে তিনি বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ঢাকা ডমিনেটর্সের হয়ে ২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।
দাস সর্বশেষ ২১ জুলাই মিডলসেক্সের বিরুদ্ধে ওয়ানডে কাপ ম্যাচে খেলেছেন।
মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, তাই পরবর্তী পদক্ষেপ আদালতের শুনানির পর নির্ধারিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হওয়ার প্রেক্ষাপটে মধ্য ইউরোপের চারটি দেশ নিয়ে গঠিত ভিসেগ্রাদ গ্রুপের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এই সহযোগিতা রাজনৈতিক, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং দুই দেশের জনগণের যোগাযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হবে।
ভিসেগ্রাদ গ্রুপ বা ভি৪-এর সদস্য দেশগুলো হলো পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র। এনডিটিভি সূত্রে জানা যায়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো ভারত ও ভি৪ দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বৈঠকটি নতুন ‘ভি৪+ইন্ডিয়া’ কাঠামোয় অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর জয়শঙ্কর এটিকে ‘নতুন ঐতিহাসিক ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করার পাশাপাশি প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, যোগাযোগ, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আরো পড়ুন
জয়শঙ্কর জানান, ভারত ও ভি৪ দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা প্রতিবছর বৈঠক করবেন। এ বিষয়ে পাঁচ দেশের মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিবছর একটি ব্যবসায়িক ফোরাম আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারত ও চার ইউরোপীয় দেশের মধ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। জয়শঙ্কর বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক যখন আরো গভীর হচ্ছে, তখন ভিসেগ্রাদ গ্রুপের সঙ্গেও বিশেষ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর অংশ হিসেবে নিয়মিত রাজনৈতিক যোগাযোগ ও ব্যবসায়িক সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। জয়শঙ্কর বলেন, ভি৪-এর চার দেশের সঙ্গেই ভারতের দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করা এবং বহুপক্ষীয় ব্যবস্থাকে সমর্থনের বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে মতবিনিময় হয়েছে।
বৈঠকে পোল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাদেক সিকোরস্কি, হাঙ্গেরির উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনিতা অরবান, স্লোভাকিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুরাই ব্লানার এবং চেক প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেত্র মাচিনকা অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবি। স্লোভাকিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জুরাই ব্লানার বলেন, ভিসেগ্রাদ গ্রুপের চার দেশই ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে সমর্থন করে। তিনি ভারতকে বৈশ্বিক দক্ষিণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য অনুযায়ী, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্য হিসেবে থাকা উচিত। ভারত দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ চেয়ে আসছে। একই সঙ্গে পরিষদের কাঠামো সংস্কার করে এর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছে নয়াদিল্লি।
আরো পড়ুন
বর্তমানে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স। এ পাঁচ দেশের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। এর বাইরে ১০টি অস্থায়ী সদস্য দেশ দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। ভি৪ দেশগুলোর সমর্থন ভারতের দীর্ঘদিনের দাবির পক্ষে আরো একটি আঞ্চলিক জোটের অবস্থানকে সামনে এনেছে। তবে শুধু এই সমর্থনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামো পরিবর্তন হচ্ছে না। পরিষদের সদস্যসংখ্যা বা স্থায়ী সদস্যপদ বাড়াতে জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে আরো আলোচনা এবং জাতিসংঘ সনদে পরিবর্তন প্রয়োজন। ভারত ও ভি৪ দেশগুলোর মধ্যে শুধু দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়নি। বৈঠকে বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাও উঠে এসেছে।
এর মধ্যে ইউক্রেনের যুদ্ধ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি ছিল। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় বহুপক্ষীয় সহযোগিতার বিষয়ে মতবিনিময় করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। উল্লেখ্য যে, ভিসেগ্রাদ গ্রুপ মধ্য ইউরোপের চার দেশ—পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্রের একটি আঞ্চলিক জোট। ১৯৯১ সালে হাঙ্গেরির ভিসেগ্রাদ শহরে চার দেশের নেতাদের বৈঠকের পর এই জোটের যাত্রা শুরু হয়। ওই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর দেশগুলো সোভিয়েত প্রভাব থেকে বেরিয়ে আসছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আফগানিস্তান পাকিস্তানে ড্রোন পাঠানোর দাবি সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংবাদমাধ্যম তোলোনিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আফগান সামরিক বাহিনী এখনও পর্যন্ত কোনো ড্রোন হামলা চালায়নি। তারা জানিয়েছে, পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার সময় এবং পদ্ধতি তারা নিজেদের মতো করে নির্ধারণ করবে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কোহাত ও তোরখাম সীমান্তের নিকটে আফগানিস্তান থেকে আসা ৮টি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী। তারা দাবি করেছে, সাম্প্রতিক হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এবং নিজেদের সীমান্ত সুরক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক আব্দুল নাসির শফিক মন্তব্য করেছেন, “পাকিস্তান দীর্ঘকাল ধরে অন্যদের ইশারায় আফগানিস্তানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার চেষ্টা করে আসছে। নিজেদের অর্থনৈতিক ও আর্থিক চাহিদা পূরণের জন্য তারা অন্য কোনো দেশের এজেন্ট হিসেবে এই মিশন গ্রহণ করতে পারে।”
এদিকে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এমন বর্বর হামলার পর জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নীরব ভূমিকা নিয়ে বিশ্লেষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিশ্লেষক মইন গুল সামকানি বলেছেন, “পাক্তিকা ও কুনারে হামলা চালিয়ে পাকিস্তান আবারও ক্ষমা অমার্জনীয় অপরাধ করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের উচিত এ বিষয়ে পাকিস্তানকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।”
গত সোমবার ভোর ৩টার দিকে পাকিস্তানি বাহিনী কুনার ও পাক্তিকা প্রদেশে আকস্মিক বিমান হামলা চালায়। এই হামলায় ৩ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হন। আফগানিস্তান ইতিমধ্যে এই ঘটনার উপযুক্ত জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলায় বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা) তিনি ভাষণ দেবেন।
ড. মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটা নতুন ইতিহাস সৃষ্টির মাধ্যমে বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং মা বেগম খালেদা জিয়ার পর জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন। তিনি দেশের আবেগ অনুভূতি এবং আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে বাংলায় এ ভাষণ দেবেন।’
এদিন সরকারপ্রধান, এবারের অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবেলা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যও দেবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফর করছেন। নিউইয়র্কের কর্মসূচি শেষে ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি দেশের উদ্দেশে রওনা হবেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ টেকসই শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় নারীর কার্যকর নেতৃত্ব এবং অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ‘উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি (ডব্লিউপিএস) ফোকাল পয়েন্ট বিষয়কম নেটওয়ার্ক’-এর বার্ষিক মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ আহ্বান জানান।
আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের পার্শ্বসূচি হিসেবে ফিলিপাইন, ইতালি এবং ‘ইউএন উইমেন’-এর যৌথ উদ্যোগে এই আন্তর্জাতিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৈঠকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা বিষয়ক ঐতিহাসিক ‘রেজল্যুশন-১৩২৫’ গ্রহণের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এর নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক জবাবদিহি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বিশ্বনেতারা।
বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উল্লেখ করেন, ২০০০ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে রেজল্যুশন-১৩২৫ গ্রহণে এবং সর্বসম্মত সমর্থনে বাংলাদেশ অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিল। তিনি বর্তমান সরকারের সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন নারীর অর্থবহ ও প্রভাব বিস্তারকারী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতি-নির্ধারণী প্রক্রিয়ায়।
শামা ওবায়েদ ইসলাম বক্তব্যে প্রধান কয়েকটি বিষয়ের ওপর বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এর মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক শান্তি রক্ষা ও পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের সংকট নিরসন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মূলধারায় ‘ডব্লিউপিএস (WPS)’ এজেন্ডাকে সম্পৃক্ত করা, এবং নারীদের বিরুদ্ধে সংঘটিত যেকোনো সহিংসতা ও অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ।
তিনি জানান, বাংলাদেশে ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ বিষয়ক দ্বিতীয় জাতীয় কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্তকরণের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।
নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার স্পেসে ডিজিটাল হয়রানি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)-ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে বাংলাদেশের উদ্যোগে চালুকৃত ‘ঢাকা ডায়ালগ’-এর বিষয়টি বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে এসংক্রান্ত আসন্ন ‘গ্রুপ অব ফ্রেন্ডস’-এ যোগ দিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে আমন্ত্রণ জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
উক্ত বার্ষিক বৈঠকে বিভিন্ন সদস্য দেশের মন্ত্রী, কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা অংশ নেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্বকে আরো ত্বরান্বিত করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ