ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জুলাই মাসে ২০২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি


জুলাই মাসে ২০২ কোটি ৬৩ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : দেশের বিভিন্ন স্থানে সীমান্ত এলাকাসহ অভিযান চালিয়ে গত জুলাই মাসে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ২০২ কোটি ৬৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে।

বিজিবি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, জব্দ করা পণ্যের মধ্যে ৪ দশমিক ২৫৪ কেজি স্বর্ণ, ২১৬টি হীরার নাকফুল, ৭ দশমিক ৯৩০ কেজি রূপা, ১৩ হাজার ৬৩টি শাড়ি, ২ হাজার ৭১০টি থ্রি-পিস, শার্টের কাপড়, কম্বল ও বেডকভার, ৮ হাজার ৮৮৬টি তৈরি পোশাক, ২ হাজার ৪১৬ মিটার কাপড়, ১৫ হাজার ৫২৭টি কৃত্রিম গহনা এবং ৩ লাখ ২ হাজার ৩৯৪টি প্রসাধনসামগ্রী অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া, এর মধ্যে রয়েছে ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫৬টি আতশবাজি, ১ হাজার ৭৫১ ঘনফুট কাঠ, ২ লাখ ২১ হাজার ৯০ কেজি কয়লা, ৬ হাজার ৪৪৬ কেজি চা পাতা, ৬২৪টি মোবাইল ফোন, ৪ হাজার ৩৬০টি মোবাইল ডিসপ্লে এবং ৩৬ হাজার ১৭০টি মোবাইল ফোনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ।

আরও পড়ুন: ক্যাবের সিলিন্ডার গ্যাসের দাম না বাড়ানোর দাবি, বিইআরসির গণশুনানি বৃহস্পতিবার

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অভিযানে মোট ২০ হাজার চিকিৎসা সরঞ্জাম, ৭১ হাজার ৪০০টি রেজর ব্লেড, ৩ হাজার ৭০০ জোড়া চশমা, ৪৭ হাজার ৭৭৬ কেজি জিরা, ৪২ হাজার ৯৩১ কেজি রসুন, ১৩ হাজার ৩২৯ কেজি চিনি, ১২ হাজার ৪৮৬ কেজি সার, ১৭ হাজার ৪৭৯ কেজি কারেন্ট জাল, ৩৬৭ লিটার ভোজ্যতেল/ডিজেল/অকটেন/পেট্রোল/মবিল, ১ হাজার ৮১৮ প্যাকেট কীটনাশক, ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৭টি ওষুধ, ১ দশমিক ০৭০ কেজি সাপের বিষ এবং ৯টি পাথর জব্দ করা হয়েছে।

চোরাচালানে ব্যবহৃত ১২টি ট্রাক/কাভার্ডভ্যান, ৮টি পিকআপ, ৩টি প্রাইভেটকার, ৬টি ট্রলি, ৫৫টি সিএনজিচালিত যান/ইজিবাইক/অটোরিকশা, ৫৯টি মোটরসাইকেল, ৪৭টি সাইকেল/ভ্যান এবং ১২৭টি নৌযানও বিজিবি জব্দ করেছে।

অভিযান চলাকালীন ৯টি দেশীয়/বিদেশি পিস্তল, একটি রাইফেল, ৫টি ম্যাগাজিন, ৬০ রাউন্ড গুলি এবং অন্যান্য ৭টি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

জুলাই মাসে বিপুল পরিমাণের মাদকদ্রব্যও জব্দ হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ২১ লাখ ১০ হাজার ২৫৮টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ২ কেজি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, ৭১ গ্রাম হেরোইন, ১ হাজার ২৪৩ বোতল ফেনসিডিল, ৬ হাজার ৫২৬ বোতল বিদেশি মদ, ১ হাজার ৬৩৯ দশমিক ৫ লিটার দেশীয় মদ, ৭৫৪ ক্যান বিয়ার, ১ হাজার ৮০৬ কেজি গাঁজা, ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৮৬টি মাদকদ্রব্যের ট্যাবলেট/ইনজেকশন, বিভিন্ন ধরনের ১৬ হাজার ৫৮০ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ এবং ১৮ হাজার ৬৮২টি বিভিন্ন ধরনের ওষুধ/ট্যাবলেট।

আরও পড়ুন: সালথায় চুরি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৭ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

এছাড়া, ১ লাখ ১৯ হাজার ১৪১ প্যাকেট বিড়ি ও সিগারেটও জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানে ইয়াবা ও অন্যান্য মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯১ জন সন্দেহভাজন চোরাকারবারিকে আটক করা হয়েছে।

এছাড়া, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সময় ৩১ বাংলাদেশি, ৩ ভারতীয় এবং ৮১ মিয়ানমারের নাগরিকও আটক হয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: নৌবাহিনীর সদস্যরা প্রথমবার সমুদ্রে সফলভাবে ফ্রি-ফল জাম্প সম্পন্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় নারীকে বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে পুশইন, আদালতের দ্বারস্থ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৭ পি.এম


ভারতীয় নারীকে বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে পুশইন, আদালতের দ্বারস্থ পরিবার

সংসারে আর্থিক সচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে স্বামীর হাত ধরে মুম্বাইয়ে গিয়েছিলেন ৪০ বছর বয়সী এক গৃহবধূ। স্বামী ও এক সন্তান নিয়ে অনেক বছর ভালোই চলছিল তাদের সংসার। কিন্তু হঠাৎ করেই তাকে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে দেশছাড়া করা হয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে সেই গৃহবধূ এখন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। ইতিমধ্যেই ভারতে ফেরত চাওয়ার জন্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে গৃহবধূর পরিবার এবং মানবাধিকার কমিশন।

উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর ব্লকের গোবিন্দপুর পঞ্চায়েতে গোবিন্দপুর পূর্বপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাইদা ফকির। তার স্বামী ৪৫ বছর বয়সী জুম্মান ফকির, যিনি দীর্ঘ ২০ বছর ধরে মুম্বাইয়ে গাড়ির পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে, সাইদা পরিচারিকার কাজ করতেন। চলতি বছরের ১৯ জুলাই সাইদা ফকির বাজার করার জন্য বের হন। সেই সময় মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর মুম্বাইয়ের একটি হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়। ঘটনার খবর পেয়েই মহারাষ্ট্রের চেম্বার থানায় যায় তার স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা। সাইদার জন্মের সনদ, স্কুলের সনদ, বাবা-মায়ের প্রমাণপত্র, জমির দলিলসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য তদন্তকারীদের সামনে তুলে ধরেন তারা। ঘটনার তিনদিন পর, ২৩ এপ্রিল সাইদা ফকিরের পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন যে মুম্বাই পুলিশ আসাম সীমান্ত দিয়ে তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিয়েছে।

বাংলাদেশ থেকেই সাইদা পরিবারকে জানান, সাতক্ষীরায় পৌঁছানোর পরে চাষের জমি ও কাদার মধ্যে দিয়ে তিনি কয়েক কিলোমিটার পথ হাঁটার পর প্রধান সড়কে আসেন। সেখানে স্থানীয় লোকজন তাকে দেখে সহায়তা করেন। সাতক্ষীরার এক পরিবার সাইদাকে আশ্রয় দেয় এবং খাবার ও পোশাক দেয়। তিনি এই সময়ে বলেন, তিনি ফের ভারতে ফিরতে চান, বিশেষ করে তার ১২ বছরের স্কুলছাত্র পুত্র সন্তানের সাথে দেখা করতে চান।

মঙ্গলবার সাইদার স্বামী জুম্মান ফকির দাবি করেন, তিনি এবং তার স্ত্রী জন্মগতভাবে ভারতের বাসিন্দা। ২০ বছর ধরে মুম্বাইয়ে রয়েছেন সাইদা ফকির, সেখানে পরিচারিকার কাজ করে জীবনযাপন করেন। প্রথমে তাকে বাংলাদেশি তকমা দিয়ে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয় এবং পরে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। জুম্মানের প্রশ্ন, একজন ভারতীয় নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও সাইদার নথিপত্র না দেখেই তাকে বাংলাদেশি সন্দেহ করে সীমান্ত দিয়ে পুশইন করেছে মুম্বাই পুলিশ।

প্রশাসনের কাছে আবেদন জানিয়ে পরিবারের সদস্যরা বলেন, তারা তাদের পরিবারের সদস্যকে ফিরিয়ে পেতে চান এবং প্রশাসন যেন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ইতিমধ্যে প্রশাসনিক একাধিক দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে, সাইদাকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন তার চাচা। তাদের দাবি, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় সাইদার নাম রয়েছে। এ ক্ষেত্রে, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনাটাই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

‘পরিযায়ী শ্রমিক ঐক্য মঞ্চ’ নামে একটি সংগঠন এই বিষয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে কূটনৈতিক হস্তক্ষেপের জন্য আবেদন করেছে। সাইদার প্রকৃত নাগরিকত্ব যাচাই করে তাকে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়ে গত ৮ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয় তারা।

সংগঠনটির সচিব আসিফ ফারুখ জানিয়েছেন, ভারতে বসবাসের উপযুক্ত নথি, প্যান কার্ড, আধার কার্ড, ভোটার কার্ডসহ একাধিক নথিপত্র তার পক্ষে পাঠানো হয়েছে। বাংলার মানবাধিকার সুরক্ষা মঞ্চ (মাসুম) আলাদা করে কলকাতা হাইকোর্টে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে। তাদের দাবি, ভারতীয় নথি থাকা সত্ত্বেও সাইদাকে অনৈতিকভাবে বাংলাদেশি আখ্যায়িত করে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইজিএনডি বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ অপরিহার্য: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৮ পি.এম


আইজিএনডি বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ অপরিহার্য: অর্থমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট (আইজিএনডি) উদ্যোগের সফল বাস্তবায়নের জন্য বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মালিকানা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু হোটেলে আয়োজিত আইজিএনডি উদ্যোগের জাতীয় অবহিতকরণ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন এই বিষয়টি। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এডিবির দক্ষিণ, মধ্য ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইংমিং ইয়াং।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আরও বলেন, ‘পুরো প্রকল্পটির ব্যয় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ৪ বিলিয়ন ডলারের কাজ করতে হবে বেসরকারি খাতকে। যদি বেসরকারি খাত এই ৪ বিলিয়ন ডলারের অংশের মালিকানা না নিয়ে শুধু সরকারি প্রকল্প হিসেবে পরিচালনা করে, তাহলে প্রকল্পটি সফল হবে না।’

তিনি জানান, ‘তাহলে বেসরকারি খাতকে অবশ্যই এ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে। পুরো প্রকল্পটি মূলত বেসরকারি খাতের উন্নয়ন এবং দেশের অর্থনীতিকে কেন্দ্রে রেখে।’

এছাড়া, অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে ১০ হাজার একর জমিতে একটি মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখানে চীনা এবং কোরীয় অঞ্চল থাকবে। পাশাপাশি, একটি অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা জাপানকেও আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

মূল প্রবন্ধে ইংমিং ইয়াং বলেন, গত মে মাসে এডিবি প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আইজিএনডি প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন এবং আগামী পাঁচ বছরে এই উদ্যোগে সর্বোচ্চ ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তার জন্য এডিবির আগ্রহের কথা জানান।

ইংমিং ইয়াং আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং অন্যতম গতিশীল অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে চট্টগ্রাম দেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

দেশের ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের উন্নয়ন কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করবে।’

স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং মানব উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির এই সময়ে উৎপাদনশীলতা, প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং স্থিতিশীল প্রবৃদ্ধি বাড়ানো এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।’

সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গণি, ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং ইআরডির যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ বক্তব্য দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কল্যাণমুখী রাজনীতির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে চাই: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


কল্যাণমুখী রাজনীতির মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ ছড়িয়ে দিতে চাই: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

নাটোর, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমীন বলেছেন, "প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কল্যাণমুখী রাজনীতির ধারা সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে চাই।"

স্বাধীনতা উত্তর সময়ে নাটোর থেকে মন্ত্রি পরিষদের প্রথম সদস্য, বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বাবা ফজলুর রহমান পটলের দশম মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার বিকেলে লালপুর উপজেলার শ্রী সুন্দরী পাইলট হাইস্কুল মাঠে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল দেশের জন্যে কাজ করে, দেশের মানুষের জন্যে কাজ করে। দেশ ও মানুষের জন্যে কল্যাণকর-এমন ইতিবাচক রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্যে কাজ করে যেতে চাই।"

ফারাজানা শারমীন আরও বলেন, "ফজলুর রহমান পটল ক্ষণজন্মা রাজনীতিবিদ। জনবান্ধব এই রাজনীতিবিদ নিজের এলাকা ছাড়িয়ে সারাদেশের জন্যে কাজ করেছেন। তার দেখানো পথে, তার নীতি ও আদর্শ ধারণ করে আমিও দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই।"

লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হারুনার রশীদ পাপ্পুর সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাটোর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. আসাদুজ্জামান আসাদ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক জিল্লুর রহমান খান চৌধুরী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসডিজি অর্জনে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১১ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৫১ পি.এম


এসডিজি অর্জনে সমন্বিত পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আগস্ট, ২০২৬ : টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর না করে পানি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ ও স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা এবং যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য শুধুমাত্র ওষুধ বা সিরিঞ্জই যথেষ্ট নয়, বরং এর জন্য সর্বাগ্রে রোগ প্রতিরোধে (প্রিভেনশন) জোর দিতে হবে।

রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এসডিজি বাস্তবায়ন ও পর্যালোচনা সম্পর্কিত জাতীয় সম্মেলনে আজ তিনি এই কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, 'শিক্ষা, আইনশৃঙ্খলা ও জেন্ডার বৈষম্য কমানোর পাশাপাশি এসডিজি গোল-৩ অর্জনের জন্য স্বাস্থ্য খাতের সঙ্গে পানি, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণের মতো খাতগুলোকে একত্রিত করতে হবে। শুধুমাত্র ওষুধ বা স্যালাইন দিয়ে এসডিজি গোল অর্জন করা সম্ভব নয়; এর মূল ভিত্তি রোগ প্রতিরোধ, যার ওপর প্রধানমন্ত্রী সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছেন।'

গ্রামাঞ্চলের স্যানিটেশন ব্যবস্থা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত করতে এবং রোগ প্রতিরোধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। বাজারঘাট বা অন্যান্য স্থানগুলোতে ময়লা হাত দিয়ে স্পর্শ করার পর সেই হাত এবং টাকার মাধ্যমেও লেনদেন করা হচ্ছে। আমাদের এই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস এবং জীবনযাত্রা পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি।'

উপকূলীয় এলাকার পানির সংকট নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, 'দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সুপেয় পানির তীব্র সংকট ও লবণাক্ততার কারণে মানুষ হলুদ পানি পান করতে বাধ্য হচ্ছে। গত মাসে প্যারিস কনফারেন্সে আমি এই বিষয়টি উত্থাপন করেছি, যেখানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আশ্বাস পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি, শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল বা স্ক্রিন আসক্তি এবং জাঙ্ক ফুড বা ফাস্টফুডের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।'

পরিকল্পনা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, 'শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর এককভাবে দায়িত্ব চাপালে এসডিজি অর্জন সম্ভব নয়। পানী, স্বরাষ্ট্র, সমাজকল্যাণ এবং স্থানীয় সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়কে নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে। অন্তত প্রতি দুই মাসে একবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো বৈঠকে বসে যৌথভাবে তা বাস্তবায়ন করতে পারলেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জিত হবে।'

তিনি বাল্যবিবাহ রোধ, মায়েদের সচেতনতা, বুকের দুধ খাওয়ানোর গুরুত্ব এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শাকসবজি ও পুষ্টির প্রচলনের ঐতিহাসিক দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, 'বিচ্ছিন্নভাবে কোনো উদ্যোগ নয়, সব মন্ত্রণালয়ের যৌথ কর্মপদ্ধতি ও বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এসডিজি লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।'

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-এর সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং গেস্ট অব অনার হিসেবে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আন্না মিনজ বক্তৃতা করেছেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীমসহ অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%