ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোটরসাইকেল আমদানির বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, গেজেট প্রকাশ


মোটরসাইকেল আমদানির বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, গেজেট প্রকাশ

সরকার মোটরসাইকেল আমদানির বিধি-নিষেধ তুলে নিয়েছে, যা দেশের মোটরসাইকেলপ্রেমীদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুখবর। এখন থেকে বাংলাদেশে সম্পূর্ণ তৈরি বা সিবিইউ (সিবিএই) অবস্থায় সর্বোচ্চ ৩৭৫ সিসি ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানি করা যাবে।

মবার (২৪ আগস্ট) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নতুন আমদানিনীতি আদেশের গেজেট প্রকাশ করেছে। এর আগে, ২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতিতে সম্পূর্ণ তৈরি অবস্থায় ১৬৫ সিসির বেশি ইঞ্জিন ক্ষমতার মোটরসাইকেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা ছিল। নতুন নীতির মাধ্যমে সেই সীমা ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

নতুন আমদানিনীতি কার্যকর হলে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মাঝারি ও উচ্চক্ষমতার মোটরসাইকেল সরাসরি বাংলাদেশে আনার সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।

আরও পড়ুন: এস এম জিলানী: গুপ্ত ও ফ্যাসিস্টরা নতুন চক্রান্ত শুরু করেছে

 

ফলে দেশের বাজারে নতুন মডেল ও ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে ১৬৫ সিসির সীমার কারণে যেসব আন্তর্জাতিক মডেল আগে সরাসরি আমদানি করা সম্ভব হয়নি, নতুন নীতির ফলে সেগুলোর বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হবে।

তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর ফলে স্থানীয় মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো বেশি প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হতে পারে।

নতুন আমদানিনীতি আদেশে মোটরসাইকেল ছাড়াও সামগ্রিক আমদানি প্রক্রিয়া সহজ ও সম্প্রসারণের জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আরও পড়ুন: কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু, তিন জেলার মানুষের স্বস্তি মিলবে

 

নতুন নীতিতে ঋণপত্র বা এলসির পাশাপাশি কোনো মূল্যসীমা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে পণ্য আমদানির সুযোগ পাবেন শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আমদানিকারকেরা। এছাড়া, ফ্রি ট্রেড জোন বা মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল এবং সেন্ট্রাল বন্ডেড ওয়্যারহাউস প্রতিষ্ঠার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রবাসী বাংলাদেশিদের শিল্প খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমদানি সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য কাঁচামাল আমদানির সুযোগও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

২০২১-২০২৪ সালের আমদানিনীতি আদেশেও এলসি ছাড়া ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ ছিল। তবে বিভিন্ন পণ্য ও খাতের ক্ষেত্রে এ সুবিধার ওপর নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত আরোপ করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা

 

নতুন আমদানিনীতি আদেশে এসব সুযোগ আরো বিস্তৃত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে দেশের আমদানি ব্যবস্থাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ৩৭৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেল আমদানির অনুমতি দেশের বাইকের বাজারে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। এতে ক্রেতাদের জন্য পছন্দের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডগুলোর জন্যও বাংলাদেশের বাজারে প্রবেশের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।

 

আরও পড়ুন: দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে বিতর্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৬ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে বিতর্ক

 

যুক্তরাষ্ট্রে আরএসএসের অনুষ্ঠান নিয়ে বিতর্ক ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির আদর্শিক পিতৃসংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ-আরএসএসের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

আগামী শনিবার নিউইয়র্কের আইকনিক ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেন-এমএসজির একটি অনুষ্ঠানে আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবতের বক্তব্য দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিসহ অনেকেই এই হিন্দুত্ববাদী আয়োজনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।

এদিকে, আরএসএসের অনুষ্ঠান বিরোধিতাকারীদের মধ্যে বিশেষ করে জোহরান মামদানীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের গায়িকা ও অভিনেত্রী ম্যারি মিলবেন তীব্র সমালোচনা করেছেন। আফ্রিকান-আমেরিকান গায়িকা মিলবেন এক্স-এর (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘মামদাদি ও সমাজতান্ত্রিক পাগলরা মোহন ভাগবতের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের অনুষ্ঠানের বিরোধিতা করছে, কারণ তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির বিরোধিতা করে।’

ভাগবতের বিরোধিতাকারীদের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে তিনি লেখেন, ‘যেহেতু এই পাগলরা সমাজতন্ত্রের আদর্শে বিশ্বাসী, তাই তারা পুঁজিবাদ বোঝে না।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘এমএসজি সমাজতান্ত্রিক বাগাড়ম্বরের জবাব দেয় না। তারা পুঁজিবাদের জবাব দেয়। আর তাই এ অনুষ্ঠানটি যথারীতি চলবে।’

৪১ বছর বয়সী গায়িকা মিলবেন ২০২৩ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় ওয়াশিংটনের রোনাল্ড রেগান বিল্ডিংয়ে তার ভাষণের আগে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়েছিলেন।

 

তিনি নিউইয়র্কের মেয়র এবং তার অনুসারীদের উদ্দেশ্যে লিখেছেন, ‘পুঁজিবাদী হন, অর্থ সংগ্রহ করুন, এমএসজি ভাড়া নিন এবং আপনাদের মোদিবিরোধী সব বোকামির জন্য নিজস্ব সমাবেশের আয়োজন করুন।’

তিনি আরও যোগ করেন, “আমার সমাবেশের নাম ‘একত্ব’ পছন্দ হয়েছে। আমরা সবাই এক পরিবার। আমি আশা করি, এই সমাবেশে ভারতের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে অর্থপূর্ণ আলোচনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।”

হলিউডের গায়িকা ও অভিনেত্রী মিলবেন ভারতের জাতীয় সংগীত ‘জন গণ মন’ এবং ‘ওম জয় জগদীশ হরে’ গাওয়ার জন্য ভারতে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

 

আরএসএস অনুষ্ঠানের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, আগামী শনিবারের সমাবেশটিকে ‘সর্বজনীন একত্ব উদযাপন’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, যা হিন্দু আমেরিকান সম্প্রদায়কে একত্রিত করবে।

আয়োজক সংস্থা ‘আমেরিকান হিন্দুস ফর এনগেজমেন্ট অ্যান্ড ডায়ালগ’ জানিয়েছে, অনুষ্ঠানটি বেশ কয়েকটি হিন্দু আমেরিকান গোষ্ঠীর সমর্থনপুষ্ট এবং এটি যৌথ ঐতিহ্য ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতিকে উৎসাহিত করে।

ভাগবতের উপস্থিতি এবং আরএসএসের ইতিহাসের কারণে অনেক স্থানীয় সংগঠন অনুষ্ঠানটির আয়োজকদের সমালোচনা করেছে।

নিউইয়র্কের মেয়র মামদানী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তিনি এই অনুষ্ঠানটিকে সমর্থন করেন না। অনুষ্ঠানটি বাতিল করা উচিত কি না জানতে চাওয়া হলে নিউইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম ও ভারতীয়-আমেরিকান মেয়র মামদানী বলেন, ‘আমি এই সমাবেশকে সমর্থন করি না, তবে একটি ব্যক্তিগত অনুষ্ঠান বাতিল করার ব্যাপারে শহরের কোনো এখতিয়ার বা আইনি অধিকার আছে কিনা তা আমার জানা নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার পরিবার আমাকে ভারতের যে রূপটি শিখিয়েছে এবং যেটির সঙ্গে আমি বড় হতে হতে পরিচিত হয়েছি, তা ছিল একটি ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্রের বহুত্ববাদী সমাজ, যা ভারত থেকে আসা প্রতিটি মানুষের আপন করে নেওয়ায় বিশ্বাসী ছিল। আর বর্তমানের এমন একটি আন্দোলনের উত্থান দেখা অত্যন্ত উদ্বেগজনক, যা একটি বর্জনীয় বা একচেটিয়া ভাবধারার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


নেপালে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢলে নিহত বেড়ে ৯৫, নিখোঁজ ৪০৩

নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত–সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলে ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

নেপালের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় ৯৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪০৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, বুধবারের প্রবল বন্যায় এই বন্যায় রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।

এদিকে, নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে বলা হয়েছে, ভয়াবহ পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসের ঘটনায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪০৩ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬১ জন নেপালের নাগরিক এবং ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক।
ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজদের মধ্যে ২০০ জন নারী ও ২০৩ জন পুরুষ।

নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকেরা ২৬টি দেশের নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিখোঁজদের মধ্যে ভারতের ১৩৩ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭ জন এবং যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন নাগরিক রয়েছেন।

নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড ট্যুর অপারেটরদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, নিখোঁজদের অধিকাংশই ভারত ও নেপালের সীমান্তবর্তী মানসসরোবরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন।

কেন এই ভয়াবহ বিপর্যয়?
ভয়াবহ ভূমিধসের সূত্রপাত ভূমিকম্প থেকে হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল। তার ভাষ্য, স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৩৭ মিনিটের দিকে ওই এলাকায় ভূমিকম্প আঘাত হানে। এরপর ভূমিকম্পের প্রভাবে তুষারধসের সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকেই আকস্মিক বন্যার সূত্রপাত ঘটে।

নেপালের পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে এ কথা জানান দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী। 

তবে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনাপ্রবাহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দলগুলো এখনও তথ্য যাচাই করছে। ফলে দুর্যোগের সুনির্দিষ্ট কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র আরও যাচাইয়ের পর স্পষ্ট হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভূমিকম্পের পর তুষারধস এবং আকস্মিক বন্যার কারণে নেপালের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী চীনেও ‘বিপুল ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে বলে জানান তিনি।

নেপাল সরকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় চীনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে বলেও জানান খানাল। সীমান্তবর্তী এলাকায় দুর্যোগের প্রভাব পড়ায় দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সমন্বয়কে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এবার ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর সৌদির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৪৯ পি.এম


এবার ফ্রান্সের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর সৌদির

প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তি বিনিময়ে একযোগে কাজ করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ 'ডিক্লারেশন অব ইনটেন্ট' বা ইচ্ছাপত্র স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব ও ফ্রান্স। নিজ নিজ প্রতিরক্ষা খাতের সামর্থ্য বাড়াতে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই চুক্তির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সৌদি আরবের ভিশন ও দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত বন্ধুত্বের নতুন ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই সমঝোতাকে। রিয়াদে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর উপস্থিতিতে এই ঐতিহাসিক নথিতে সই করা হয়। নিজ নিজ দেশের পক্ষে এতে স্বাক্ষর করেন সৌদির প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী ও ভেটেরানবিষয়ক মন্ত্রী ক্যাথরিন ভোত্রাঁ।

সংবাদমাধ্যম সৌদি গ্যাজেট জানিয়েছে, চুক্তিটির প্রধান উদ্দেশ্য হলো আধুনিক সমরাস্ত্র ও উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যৌথ উন্নয়ন ঘটানো। এর আওতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সাইবার নিরাপত্তা, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ও পেশাগত শিক্ষা খাতে প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা শেয়ারের পথ উন্মুক্ত হবে।

এই চুক্তি কেবল দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষাই জোরদার করবে না, বরং মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্ব রাজনীতিতে রিয়াদের পরিবর্তিত কৌশলের ইঙ্গিত বহন করছে। ইতিপূর্বে সৌদি আরব তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে 'ন্যাটো স্টাইলের' ত্রিপক্ষীয় একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে, যেখানে এক দেশের ওপর আক্রমণকে সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়। তা ছাড়া ১৪টি দেশ নিয়ে একটি সামুদ্রিক সমুদ্র জোট গঠনের পর ফ্রান্সের মতো ইউরোপীয় শক্তির সঙ্গে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদির কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অভয়নগরে ইয়াবা কারবারিসহ ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:৫০ পি.এম


অভয়নগরে ইয়াবা কারবারিসহ ৫ মাদকসেবীর কারাদণ্ড

 

যশোরের অভয়নগর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানের ফলস্বরূপ একজন ইয়াবা কারবারি এবং চারজন মাদকসেবীসহ মোট ৫ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিভিন্ন মেয়াদে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে। তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশীষ কুমার বসু এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন, বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের নূর ইসলামের ছেলে ইয়াবা ট্যাবলেট কারবারি দেলোয়ার হোসেন দুলি (৩৭), বৌবাজার এলাকার মৃত মোহাম্মদ মোল্যার মেয়ে মাদকসেবী রোজিনা বেগম (৪০), গুয়াখোলা গ্রামের মৃত আমীর আলী বিশ্বাসের ছেলে ফারুক বিশ্বাস (৫৭), একই গ্রামের মৃত খলিলের ছেলে জাহাঙ্গীর (৩৭) এবং শংকরপাশা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে রাহুল ইসলাম হিমেল (১৯)।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার মো. খায়রুজ্জামান জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম থেকে ১৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দেলোয়ার হোসেন দুলিকে আটক করা হয়। এরপর বৌবাজার এলাকা থেকে এক পুরিয়া গাঁজাসহ মাদকসেবী রোজিনা বেগমকে আটক করা হয়। গুয়াখোলা গ্রামের পৌর বাইপাস সড়ক থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ ফারুক বিশ্বাস এবং একই গ্রামের হাইস্কুল গেট এলাকা থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ জাহাঙ্গীরকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাদেরকে ৯৫ (পচাঁনব্বই) দিনের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ শ টাকা করে জরিমানা করেন। অপর অভিযানে শংকরপাশা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে রাহুল ইসলাম হিমেল নামে এক মাদকসেবীকে মাতলামির অভিযোগে আটক করা হয়। তাকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ শ টাকা জরিমানা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক আশীষ কুমার বসু বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চার জনকে ৯৫ (পচাঁনব্বই) দিন এবং একজনকে তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০০ (পাঁচ শ) টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%