মঙ্গলবার, ৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৪১ পি.এম
টলিউডের নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছে। সম্প্রতি, সৃজিত তার জীবনে ‘স্টেবল পার্টনারশিপ’ বা স্থায়ী সঙ্গীর অভাবের কথা প্রকাশ করেছেন। তার এই মন্তব্যের পর মিথিলার সঙ্গে তার সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় টকশো ‘স্ট্রেইট আপ উইথ শ্রী’-তে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে সৃজিত ব্যক্তিগত জীবন, সাবেক প্রেম এবং বর্তমান একাকিত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। এক পর্যায়ে, তিনি জানান, বর্তমানে তার জীবনে কোনো স্থায়ী সঙ্গী নেই।
সৃজিত এবং মিথিলার বিয়ের প্রায় ছয় বছর হয়ে গেছে। তবে বিয়ের পর থেকে তাদের একসঙ্গে নিয়মিতভাবে সংসার করতে দেখা যায়নি। গত তিন বছরে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার গুঞ্জন একাধিকবার শোনা গেছে। সাক্ষাৎকারে মিথিলার নাম উল্লেখ না করলেও সৃজিতের ‘স্থায়ী সঙ্গী নেই’ মন্তব্য পুরোনো আলোচনা নতুন করে সামনে এনেছে।
তবে সৃজিত তার বক্তব্যে মিথিলার সঙ্গে বিচ্ছেদের কোনো সরাসরি ঘোষণা করেননি। ফলে তার মন্তব্যের ভিত্তিতে অনুরাগীদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে যে, তাদের সম্পর্ক হয়তো চিড় ধরেছে অথবা বিচ্ছেদ হয়ে থাকতে পারে।
সাক্ষাৎকারে সৃজিত তার সাবেক প্রেমিকাদের সঙ্গে বর্তমান সময়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক থাকার কথাও জানান। স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় ও ঋতাভরী চক্রবর্তীর মতো সাবেকদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক শেষ হলেও তাদের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও আলোচনায় উঠে আসে। সৃজিত জানান, এক সময় সুস্মিতা তার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব সম্পর্ককে নির্দিষ্ট কোনো পরিচয়ে বাঁধা যায় না। তারা এক সময় ‘এক্সট্রিমলি ক্লোজ’ ছিলেন, তবে সময়ের সঙ্গে সেই ঘনিষ্ঠতা কমে গেছে। বর্তমানে তারা আগের মতো ঘনিষ্ঠ না হলেও একে অপরের শুভাকাঙ্ক্ষী বলেও জানান তিনি।
সুস্মিতার প্রসঙ্গে জীবনের সম্পর্কগুলোর পরিবর্তন বোঝাতে সৃজিত আরও বলেন, জীবন আসলে একটি যাত্রার মতো। এই যাত্রায় কেউ কয়েকটি স্টেশন পর নেমে যায়, আবার হয়তো অন্য কোনো ট্রেনে উঠে নতুন পথে এগিয়ে যায়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সুস্মিতাও সেই যাত্রায় নেমে গেছেন এবং সম্ভবত অন্য কোনো ট্রেন ধরেছেন।
এদিকে সৃজিতের ‘স্থায়ী সঙ্গী নেই’ মন্তব্য ঘিরে মিথিলার সঙ্গে তার দাম্পত্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হলেও, তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে কি না—এ বিষয়ে এখনো নির্মাতার পক্ষ থেকে কোনো সরাসরি নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া, মিথিলাও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বার্তা দেননি।
সূত্র : দ্য হিন্দুস্তান টাইমস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথক অভিযানের মাধ্যমে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১ লাখ ৬৪ হাজার ইয়াবা বড়িসহ দুজনকে আটক করেছে। এই অভিযান দুটি সোমবার রাতে এবং মঙ্গলবার সকালে টেকনাফ উপজেলার উনচিপ্রাং সীমান্ত ও রেজুখাল চেকপোস্টে পরিচালিত হয়।
বিজিবি সূত্রে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে ৬৪ বিজিবির অধীন উনচিপ্রাং বিওপির একটি টহল দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জসিমের ঘের এলাকায় অভিযান শুরু করে। অভিযানের সময় মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা দুজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে দেখতে পেয়ে বিজিবি তাঁদের থামার নির্দেশ দেয়। পালানোর চেষ্টা করার সময় টহল দল ধাওয়া করে হেলাল মিয়া (২৫) নামের একজনকে আটক করে।
বিজিবি জানিয়েছে, হেলাল মিয়ার কাছ থেকে ১ লাখ ৫০ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবার সকালে ৩৪ বিজিবির অধীন রেজুখাল চেকপোস্টে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিজিবির বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের সহায়তায় টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী একটি সিএনজিতে তল্লাশি চালানো হয়। এই অভিযানে চালক মোহাম্মদ নুর (২৬) আটক হন।
বিজিবি জানায়, সিএনজির একটি বক্সে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১৪ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি ও একটি স্মার্টফোন জব্দ করা হয়।
আটক মোহাম্মদ নুর টেকনাফ উপজেলার রঙ্গীখালী এলাকার কালা চাঁনের ছেলে। ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম এবং ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পৃথক অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিজিবি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধায় নবযোগদানকৃত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. মো. মনিরুজ্জামানের গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে একটি পরিচিতি ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই সভাটি সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা ইয়াসমিন সুলতানা। সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম, চলমান উন্নয়ন প্রকল্প এবং স্থানীয় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
সভায় বক্তব্য প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তামশীদ ইরাম খান এবং গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ড. মো. মনিরুজ্জামান গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনসেবা নিশ্চিতকরণ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। এ সময় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টাঙ্গাইলের মধুপুর পৌর শহরের দৈনিক বাজার এলাকায় সন্ধ্যার পর ফুটপাত ও সড়কের পাশে অস্থায়ী দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে স্থায়ী ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ফুটপাত দখল করে এসব দোকান বসানোর কারণে একদিকে পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগ ও যানজট বাড়ছে, অন্যদিকে মূল বাজারের স্থায়ী ব্যবসায়ীদের বেচাকেনায়ও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি ও অবৈধ দোকান উচ্ছেদের দাবি জানিয়েছেন তারা।
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যার পর মধুপুর দৈনিক বাজারের আশপাশের ফুটপাত এবং মধুপুর-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডের উত্তর পাশে চলাচলের জায়গা দখল করে বিভিন্ন ধরনের অস্থায়ী দোকান বসানো হয়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব দোকানে ক্রেতাদের ভিড়ও বাড়তে থাকে। এতে ফুটপাত সংকুচিত হয়ে পথচারীদের সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হয়। পাশাপাশি সড়কের পাশে ক্রেতাদের ভিড় ও যানবাহনের চাপ বেড়ে গিয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা।
স্থায়ী ব্যবসায়ীদের দাবি, ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানগুলোতে মূল বাজারের দোকানের মতো দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীর বেতনসহ অন্যান্য পরিচালন ব্যয় নেই। ফলে তারা তুলনামূলক কম দামে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। এতে নিয়মিত বিভিন্ন খরচ বহন করে ব্যবসা পরিচালনাকারী স্থায়ী ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা নিয়মিত বাজার ইজারাদারের খাজনা, বিদ্যুৎ বিল, কর্মচারীদের বেতনসহ নানা খরচ বহন করে ব্যবসা করছি। অথচ ফুটপাতের দোকানিরা এসব খরচ ছাড়াই ব্যবসা করায় কম দামে পণ্য বিক্রি করতে পারছেন। এতে আমাদের বেচাকেনা কমে যাচ্ছে।”
তারা আরও বলেন, শুধু ব্যবসায়িক ক্ষতিই নয়, ফুটপাত দখলের কারণে বাজারের স্বাভাবিক পরিবেশও নষ্ট হচ্ছে। সন্ধ্যার পর ক্রেতা ও পথচারীদের ভিড়ের সঙ্গে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ায় অনেক সময় চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় এ সমস্যা বেশি দেখা যায় বলে অভিযোগ তাদের।
স্থানীয়দের মতে, ফুটপাত মূলত পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য। সেখানে স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান বসানোর সুযোগ তৈরি হলে পথচারীদের সড়কে নেমে চলাচল করতে হয়, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে প্রশাসনের স্থায়ী নজরদারি প্রয়োজন।
ব্যবসায়ীরা বলেন, “আমরা চাই সবাই নিয়ম মেনে ব্যবসা করুক। ফুটপাতও পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত থাকুক। প্রশাসন নিয়মিত নজরদারি করলে বাজারের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব।”
মধুপুর দৈনিক বাজারের ব্যবসায়ীরা ফুটপাত দখল করে বসানো অস্থায়ী দোকান উচ্ছেদ, পথচারীদের চলাচলের জায়গা উন্মুক্ত রাখা এবং যানজট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ উল্লেখ করেছেন যে, দেশে এখনো বিপুল জনগণের একটি অংশ প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার আওতার বাইরে রয়েছে। এই বৃহৎ জনগণকে সাক্ষরতা এবং কার্যকর শিক্ষার মধ্যে আনতে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী, কার্যকর ও ফলাফলভিত্তিক করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "সকল শিশু বিদ্যালয়ে থাকবে, প্রত্যেক শিশু নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা পাবে এবং এমন দক্ষতা অর্জন করবে, যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারবে এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
মঙ্গলবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশে বর্তমানে প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ সাক্ষরতা ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে, যা সংখ্যার দিক থেকে প্রায় চার কোটি জনসংখ্যার সমান। এর মধ্যে একটি বড় অংশ প্রাপ্তবয়স্ক জনগণ। একইভাবে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাওয়ার বয়সী অনেক শিশু এখনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে রয়েছে। তাই এই জনগণের শিক্ষা ও দক্ষতার মূলধারায় ফিরিয়ে আনার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, "শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের মধ্যে সবচেয়ে বড় জনগণের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। তাই সংখ্যার দিক থেকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোকে দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও ক্ষমতায়িত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে।" তিনি উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর চলমান কার্যক্রমকে আরও ফলাফলমুখী করার পাশাপাশি প্রকল্পগুলোর রিস্কোপিং, রিডিজাইনিং ও রিফোকাসিং-এর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ভিশন অত্যন্ত পরিষ্কার, "কোনো শিশু বিদ্যালয়ের বাইরে থাকবে না এবং প্রত্যেক শিশু সঠিক শিক্ষা পাবে।" সেই সঠিক শিক্ষার দুটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো নৈতিকতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা। তিনি বলেন, "আমরা চাই, একজন শিশু শুধু শিক্ষিত হবে না, সে যেন প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে ভবিষ্যতে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে।"
তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষা খাতে বাজেটের একটি বড় অংশ ব্যয় করতে হবে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনা, সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং দক্ষতা উন্নয়নে। তিনি বলেন, "শুধু ভবন নির্মাণের জন্য শিক্ষা খাতে বাজেট নয়; এই বাজেটের প্রতিটি টাকা মানুষের সঠিক শিক্ষা নিশ্চিত করার কাজে ব্যবহার করতে হবে।"
আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "শুধু সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি করাই যথেষ্ট নয়; মানুষকে এমন শিক্ষা দিতে হবে, যা তার জীবনমান উন্নত করবে, মূল্যবোধ তৈরি করবে এবং কর্মজীবনে কার্যকর ভূমিকা রাখার সক্ষমতা তৈরি করবে।"
অনুষ্ঠানে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাতের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার এবং অতিরিক্ত সচিব মো. মোখলেছুর রহমান। অনুষ্ঠানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ