আঃ হামিদ মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
০২:৪৩ পি.এম
করব সমবায়, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের মধুপুরে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস-২০২৬ উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
রোববার (৮ নভেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসন, সমবায় বিভাগ ও স্থানীয় সমবায়ীদের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বরে র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। পরে উপজেলা পরিষদের হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাকির হোসেন সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. নাছির উদ্দিন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশলী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উজ্জ্বল বৈরাগী, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাজিব আল রানা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন, উপজেলা বিআরডিবি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, পৌর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি লতিফ পান্না, পাঁচতারা সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন এবং পীরগাছা-থানগানী কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মার্টিন মৃসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।
আলোচনা সভায় সমবায়ের গুরুত্ব, সমবায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সমবায় আন্দোলনের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বক্তারা বলেন, সমবায় হচ্ছে সম্মিলিত উদ্যোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি কার্যকর মাধ্যম। সমবায়ের মাধ্যমে ব্যক্তি, সমাজ ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব। একটি স্বনির্ভর, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমবায় আন্দোলনকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করতে হবে। এ লক্ষ্যে সমবায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তাঁরা।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সমবায় সমিতির প্রতিনিধি ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রেজিয়া সুলতানা ও সমবায় সমিতির সহকারী পরিদর্শক মো. মাজহারুল ইসলাম। অনুষ্ঠান শেষে সমবায়ীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিগন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলতি আমন মৌসুমে সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান ও চাল ক্রয় করবে। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান ৩৫ টাকা কেজি দরে কেনা হবে। পাশাপাশি, ৪৯ টাকা কেজি দরে ৫ লাখ টন সিদ্ধ চাল এবং ৪৮ টাকা কেজি দরে ৫০ হাজার টন আতপ চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তটি রোববার (৮ নভেম্বর) খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠকে গৃহীত হয়। বৈঠকের পর সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলনকক্ষে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম সাংবাদিকদের কাছে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
আমন ধান সংগ্রহ আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হবে এবং চাল সংগ্রহ ১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। আমন ধান ও চাল সংগ্রহের কার্যক্রম আগামী বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
গত বছর সরকার প্রতি কেজি ৫০ টাকায় সিদ্ধ চাল, ৪৯ টাকায় আতপ চাল এবং ৩৪ টাকায় ধান কিনেছিল। সেই সময় ১ লাখ ৫৩ হাজার মেট্রিক টন ধান এবং ৯ লাখ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দরে সোশ্যাল এজেন্সি ফর ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট ইন বাংলাদেশ (ছওয়াব)-এর উদ্যোগে ৩০০ জন ছানি রোগীর অপারেশনের উদ্দেশ্যে একটি দিনব্যাপী বিনামূল্যে চক্ষু শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলার ফতেজংপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই চক্ষু শিবিরের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছওয়াবের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. বোরহান উদ্দিন। মরিয়ম চক্ষু হাসপাতালের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মাসুদ রানা অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহানা আফরোজ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফতেজংপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম শফি।
চক্ষু শিবিরে দাতা সংস্থা ছওয়াব ও মরিয়ম চক্ষু হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা সমবেত রোগীদের বিনামূল্যে চোখ পরীক্ষা করে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। এ সময় প্রয়োজন অনুযায়ী ছানি রোগী চিহ্নিত করার পাশাপাশি চিকিৎসকদের পরামর্শে রোগীদের মাঝে বিনামূল্যে ওষুধ ও চশমা বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর গলাচিপায় নলকূপ স্থাপনের কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সাব্বির হাওলাদার (২৭) নামের এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চরখালী গ্রামের জহিরুল মৃধার বাড়িতে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সাব্বির হাওলাদার বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার ছাওলাপাড়া গ্রামের হাসান হাওলাদারের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, জহিরুল মৃধার বাড়িতে ব্যক্তিগত অর্থায়নে নলকূপ স্থাপনের কাজ চলছিল। কাজের সময় বৈদ্যুতিক তার খোলা অবস্থায় থাকায় সাব্বির অসাবধানতাবশত সেই তারের সংস্পর্শে এসে গুরুতর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। উপস্থিত লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে উদ্ধার করে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গলাচিপা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেন জানান, নিহতের অভিভাবকেরা আসার পর সুরতহাল ও মরদেহের ব্যাপারে আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের কালাইয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র দৃশ্যধারণ দেখতে গিয়ে চোর চক্রের কবলে পড়েছেন শত শত দর্শক। বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের সুযোগ নিয়ে দর্শকদের পকেট ও ব্যাগ থেকে দুই শতাধিক মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গোলাম রতন (৪৬) নামে এক ব্যক্তিকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কালাই উপজেলার ঐতিহাসিক নান্দাইলদীঘি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রিয় অনুষ্ঠানটির দৃশ্যধারণ সরাসরি দেখতে সকাল থেকেই সেখানে দর্শকদের ঢল নামে। একপর্যায়ে পুরো মাঠ ও আশপাশের এলাকায় মানুষের উপচেপড়া ভিড় তৈরি হয়।
আয়োজক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেতের পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ‘ইত্যাদি’র দৃশ্যধারণ দেখতে জয়পুরহাটসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রায় ১০ হাজার মানুষ সমবেত হন। বিপুলসংখ্যক দর্শকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মাঠে আড়াই শতাধিক পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি, ৫০ জন স্কাউট এবং ১০০ জন স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করেন।
এত নিরাপত্তাব্যবস্থার মধ্যেও জনসমাগমের সুযোগ কাজে লাগায় পেশাদার চোর ও পকেটমার চক্র। অনুষ্ঠান চলাকালে ভিড়ের মধ্যে দর্শকদের পকেট ও ব্যাগ থেকে একের পর এক মোবাইল ফোন চুরি হতে থাকে। তবে অনুষ্ঠান চলার সময় অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি। অনুষ্ঠান শেষে নিজেদের মোবাইল ফোন খুঁজে না পেয়ে একের পর এক দর্শক চুরির বিষয়টি জানতে পারেন। পরে ভুক্তভোগীদের অনেকে থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন।
কালাই থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইমায়েদুল জাহেদী জানান, অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন ভুক্তভোগী থানায় এসে মৌখিকভাবে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগ করেছেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের সংখ্যা দুই শতাধিক হতে পারে। এ ঘটনায় অনুষ্ঠানস্থল থেকেই গোলাম রতন নামে একজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়েছে।
আটক গোলাম রতন জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা এলাকার গোলাম রব্বানীর ছেলে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ