ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুড়িগ্রাম জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত


কুড়িগ্রাম জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রাম জেলা উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে কুড়িগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাকক্ষে আয়োজিত এ উন্মুক্ত দাবা চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, কুড়িগ্রাম-২ আসনের এমপি ড. আতিকুর রহমান মোজাহিদ।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ রানা।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম বেবু।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপি কুড়িগ্রাম জেলা আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক দাবাড়ু অংশগ্রহণ করেন।

বক্তাদের মতে, দাবা শুধু একটি খেলা নয়; এটি মেধা, ধৈর্য, কৌশল ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বক্তারা উল্লেখ করেন, তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রেখে মানসিক বিকাশে দাবা চর্চার বিকল্প নেই। নিয়মিত এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের দাবাড়ু তৈরিতে সহায়ক হবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

উদ্বোধনের পরপরই শুরু হয় প্রথম রাউন্ডের খেলা। প্রতিযোগিতায় জেলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও দাবা ক্লাবের বিপুলসংখ্যক খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করেন। খেলাগুলো পরিচালনা করেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের অনুমোদিত আর্বিটারবৃন্দ।

জেলা ক্রীড়ার সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম বেবু জানিয়ে দেন, নির্ধারিত রাউন্ড শেষে সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে ট্রফি, সনদপত্র ও আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়াপ্রেমী, অভিভাবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আরও পড়ুন: নওগাঁয় ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার জব্বার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনের পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফেরত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে ৩ জনের পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ফেরত

মেহেরপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ বা পুশ ইন এর চেষ্টা এটি চতুর্থবারের মতো ঘটল। তবে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় গ্রামবাসীর কড়া বাধার কারণে ওই ৩ জনকে পুনরায় ভারতে ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে গাংনী উপজেলার ধলা সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্র ও বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতের কোনো একটি সময়ে আন্তর্জাতিক প্রধান সীমানা পিলার ১৩৬ নম্বরের কাছাকাছি ১৩৫/৭ এস পিলারের কাঁটাতারে গেট পার হয়ে দুই পুরুষ ও এক নারীকে বাংলাদেশ অভিমুখে পাঠিয়ে দেয় বিএসএফ। ভোরে যখন তারা ধলা সীমান্তের দিকে প্রবেশের চেষ্টা করেন, তখন বিজিবির টহল দল ও স্থানীয় গ্রামবাসী তাদের বাঁধা দেন।

বাধার কারণে ওই ৩ জন সীমান্তের শূন্যরেখায় (নো ম্যানস ল্যান্ড) দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে বাধ্য হন। পরে বিজিবির কঠোর অবস্থানের ফলে সকাল ৮টার পর থেকে সাড়ে ৮টার মধ্যে বিএসএফ ওই ৩ জনকে পুনরায় কাঁটাতারের ওপারে ভারতে ফেরত নেয়।

ধলা বিওপি ক্যাম্পের কমান্ডার হাবিলদার শিশির কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে, ফিরিয়ে নেয়াকে কেন্দ্র করে ওই দুই পুরুষ ও এক নারীর নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

এ বিষয়ে বিজিবি কিংবা বিএসএফ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কাউখালী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:০২ পি.এম


কাউখালীতে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপন

পিরোজপুরের কাউখালীতে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আন্তর্জাতিক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কাউখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।

এই সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল হান্নান, কাউখালী থানার ওসি (তদন্ত) এবাদ আলী, অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার উজ্জ্বল দেবনাথ, হোগলা বেতকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিরণ চন্দ্র হালদার, কাউখালী কেজি ইউনিয়ন সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিজন হালদার, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, কাউখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার, হাফেজ এবাদত হোসেন এবং শিক্ষার্থী অংকন ও তানিয়া সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।

সভায় বক্তারা তাদের বক্তব্যে জানান, মাদক আমাদের সমাজের জন্য একটি ভয়াবহ ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদকের কারণে যুব সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে, পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে নানা ধরনের অপরাধ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান উল্লেখ করেন, মাদক শুধুমাত্র একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে। সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে এবং উপজেলা প্রশাসন এই নীতি বাস্তবায়নে সর্বদা কাজ করতে প্রস্তুত। তরুণ প্রজন্মকে মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করা প্রয়োজন এবং তাদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি মাদকমুক্ত কাউখালী গড়ে তোলা সম্ভব।

কাউখালী থানার ওসি (তদন্ত) এবাদ আলী জানান, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী কিংবা মাদকসেবী—কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি কোনো এলাকায় মাদক সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তা দ্রুত প্রশাসন বা পুলিশকে জানাতে হবে।

আলোচনা সভায় সরকারি কর্মকর্তা, শিক্ষক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে মাদকের অপব্যবহার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষার শুরুতেই বেড়েছে নৌকার চাহিদা, মুখর ইছাপুরার নৌকা পল্লী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


বর্ষার শুরুতেই বেড়েছে নৌকার চাহিদা, মুখর ইছাপুরার নৌকা পল্লী

বর্ষার শুরুতেই মুন্সীগঞ্জে নৌকা তৈরির মৌসুম জমে উঠেছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় পানি বাড়তে শুরু করার ফলে স্বাভাবিকভাবে বেড়েছে নৌকার চাহিদা। এর ফলে, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কাঠমিস্ত্রীরা। হাতুড়ি, করাত এবং বাটালির শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে ইছাপুরার নৌকা পল্লী।

মুন্সীগঞ্জ নিম্নাঞ্চল হওয়ায় বর্ষার মৌসুমে জেলার অধিকাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় খাল-বিল ও জলাবদ্ধ এলাকায় বসবাসকারী মানুষের কাছে নৌকাই হয়ে ওঠে যাতায়াতের প্রধান ভরসা। এই চাহিদার উপর ভিত্তি করে সদর উপজেলার ইছাপুরা এলাকায় মৌসুমভিত্তিক নৌকা তৈরির শিল্প গড়ে উঠেছে। এটি প্রায় ছয় মাস ধরে চলে এবং বর্তমানে এলাকাটি নৌকা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

কারিগররা জানান, কড়ি ও চাম্পল কাঠ ব্যবহার করে ১২ থেকে ১৮ ফুট দৈর্ঘ্যের নৌকা তৈরি করা হয়। কাঠ কাটার কাজ, আগুনের তাপে বাঁকানো, পেরেক লাগান, আলকাতরা দিয়ে পানি নিরোধক তৈরির কাজ এবং রং করার পর নৌকাগুলো বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়। একটি নৌকা তৈরি করতে সাধারণত দুই থেকে পাঁচ দিন সময় লাগে।

ইছাপুরা এলাকার নৌকা তৈরির মিস্ত্রী সাইফুল ইসলাম বলেন, বর্ষা শুরু হলেই কাজ বেড়ে যায় এবং সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নৌকা বানাতে হয়। এই কয়েক মাসের আয় দিয়েই সারা বছরের সংসার চালানোর চেষ্টা চলমান।

স্থানীয় বাসিন্দা সুশীল চক্রবর্তী বলেন, আগে প্রায় প্রতিটি বাড়িতে নৌকা ছিল। যদিও বর্তমানে সেই সংখ্যা কিছুটা কমে গেছে, বর্ষা এলেই নৌকার প্রয়োজন হয়। স্কুল-কলেজে যাতায়াত, বাজার করা কিংবা রোগী হাসপাতালে নেয়া সব কাজে নৌকা লাগে।

মুন্সীগঞ্জ জেলার আয়তন ৯৫৪ দশমিক ৯৬ বর্গকিলোমিটার এবং বর্ষা মৌসুমে জেলার প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। তাই প্রতিবছরই নৌকার চাহিদা বাড়ে। এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)।

বিসিক মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপক মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, নৌকা নির্মাণ মুন্সীগঞ্জের একটি ঐতিহ্যবাহী ক্ষুদ্র শিল্প। এই খাতের উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, ঋণ এবং বাজার সম্প্রসারণে বিসিক কাজ করছে। ভবিষ্যতেও সকল ধরনের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্তমানে ১২ থেকে ১৮ ফুট দৈর্ঘ্যের কড়ি এবং চাম্পল কাঠের তৈরি একটি নৌকা বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকায়। এখানে প্রতি দিন প্রায় ১০টি প্রতিষ্ঠানে অন্তত ৩০টি নৌকা তৈরি হচ্ছে। পরে সেগুলো ট্রলির মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে পাঠানো হয়।

বর্ষা এলেই মুন্সীগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে নৌকার চাহিদা বেড়ে যায়। সেই চাহিদা পূরণে এখানকার কারিগররা প্রতিদিন অন্তত ৩০টি নৌকা তৈরি করছেন। এসব নৌকা শুধুমাত্র স্থানীয় বাজারে নয়, জেলার বাইরেও সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে, বর্ষা মানুষের চলাচলের অন্যতম মাধ্যম নিশ্চিত করছে এবং শতাধিক কারিগরের জীবিকা সচল রাখছে এই নৌকা শিল্প।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতা, বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা চালুর ঘোষণায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০২:০৬ পি.এম


কলকাতা, বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য ভিসা চালুর ঘোষণায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি

ভারতের ভিসা চালুর ঘোষণায় বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য কলকাতা-র হোটেল ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তির হাওয়া ফিরে এসেছে।

প্রায় দুই বছর পর এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় লোকসানের মুখে পড়া ব্যবসা আবার ঘুরে দাঁড়ানোর আশা প্রকাশ করেছেন তারা। দুই দেশের মধ্যে পর্যটন কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে কলকাতার এই অঞ্চলের অর্থনীতিও আবার চাঙ্গা হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

কোলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মারকুইস স্ট্রিট, সদর স্ট্রিট, রফি আহমেদ কিদোয়াই স্ট্রিট, পার্ক স্ট্রিটসহ প্রায় অর্ধশত ছোট-বড় সড়কের পাশে পরিকল্পনা করে গড়ে উঠেছে এক হাজারের বেশি আবাসিক হোটেল, যা বাংলাদেশের পর্যটকদের কথা মাথায় রেখে নির্মিত।

বাংলাদেশিদের জন্য আবারও ভিসা চালুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সেখানকার ব্যবসায়ী সমাজে স্বস্তি নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা মন্তব্য করেছেন, ভিসা চালু হলে মধ্যবিত্ত পর্যটকরাও আবার কলকাতায় আসতে পারবেন। ফলে নিউমার্কেটের ব্যবসা আবার সচল হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যাত্রী সংখ্যা কম, বাসের চলাচলও সীমিত, এবং হোটেলগুলো প্রায় ফাঁকা। তবে ভিসা স্বাভাবিক হলে এসব সমস্যা কেটে যাবে এবং ব্যবসা আবার আগের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশের পর্যটকরা শুধু কেনাকাটাতেই সীমাবদ্ধ নন, তারা কলকাতায় হোটেলে থাকেন, যাতায়াত করেন এবং চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। পর্যটক ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই কলকাতার এই নির্দিষ্ট এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের মন্দার মুখোমুখি হতে হয়েছে।

এদিকে, ভিসা চালুর ঘোষণার পর হোটেল বুকিং এবং কেনাকাটা আবার বাড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা। তাদের বিশ্বাস, এতে স্থবির হয়ে পড়া স্থানীয় অর্থনীতি আবার গতিশীল হয়ে উঠবে।

ভারত সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ভারতে যাওয়া বিদেশি পর্যটকদের মধ্যে বাংলাদেশিরাই ছিলেন সর্বাধিক। সেই বছর প্রায় ২২ লাখ বাংলাদেশি ভারত ভ্রমণ করেছেন, যা একটি রেকর্ড।

এরপর ২০২৪ সাল থেকে এই সংখ্যা কমতে শুরু করে। সর্বশেষ ২০২৫ সালে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা মাত্র সাড়ে ৪ লাখে নেমে আসে। এর ফলে বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল কলকাতার ব্যবসা-বাণিজ্যে মারাত্মকভাবে ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%