০৭:২৭ এম
বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠে আবেগঘন এক মুহূর্তের শুরুতে দেখা মিলেছে লামিনে ইয়ামালের কাছ থেকে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই তিনি মোনাজাতে স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।
শেষ বাঁশি বাজানোর পর তাকে মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। সে সময় তিনি হাত জোড় করে কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে সংকল্পবদ্ধভাবে বসে ছিলেন। এরপর তিনি দুই হাতে মুখ ঢেকে কিছুক্ষণ নীরবে বসে থাকেন, এই তরুণ ফুটবলারের চোখেমুখে শিরোপা জয়ের উল্লাস ও আবেগ স্পষ্ট ছিল।
যদিও ব্যক্তিগত জীবনে ধর্ম পালন সম্পর্কে খুব বেশি আগ্রহী নন ইয়ামাল, তবে তিনি ধর্মের বিষয়ে একেবারে উদাসীনও নন। যে ঘটনা ঘটে, সেই বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গোল করার পর তিনি সিজদায় গিয়ে স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দিয়েছিলেন। এবার আবার বিশ্বজয়ের পর মোনাজাত করতে দেখা গেল তাকে।
আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স
২০২৫ সালের রমজানে, তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন রোজা রেখে খেলার জন্য। সে বছর বেনফিকার বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রোজা রেখেই তিনি খেলতে নেমেছিলেন। রোজা অবস্থাতেই দিয়েছিলেন একটি অ্যাসিস্ট, আর ইফতারের পর গোলও করেছিলেন। এর জন্য বার্সেলোনায় রমজানের সময় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
গেল মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর তিনি ছাদখোলা বাসে উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। एल ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনাটি ঘটে। ওইদিন বার্সেলোনার রাস্তায় প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ দলকে অভিনন্দন জানাতে জড়ো হন।
এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনাটির সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।"
সেই ইয়ামাল এবার স্পেনের বিশ্বজয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বিশ্বজয়ের সাফল্যের পর তিনি আবার স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দিতে দেখা গেল।
আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন