ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মাঠেই মোনাজাত ধরলেন ইয়ামাল


বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে মাঠেই মোনাজাত ধরলেন ইয়ামাল

বিশ্বকাপ জয়ের পর মাঠে আবেগঘন এক মুহূর্তের শুরুতে দেখা মিলেছে লামিনে ইয়ামালের কাছ থেকে। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই তিনি মোনাজাতে স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।

শেষ বাঁশি বাজানোর পর তাকে মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায়। সে সময় তিনি হাত জোড় করে কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে সংকল্পবদ্ধভাবে বসে ছিলেন। এরপর তিনি দুই হাতে মুখ ঢেকে কিছুক্ষণ নীরবে বসে থাকেন, এই তরুণ ফুটবলারের চোখেমুখে শিরোপা জয়ের উল্লাস ও আবেগ স্পষ্ট ছিল।

যদিও ব্যক্তিগত জীবনে ধর্ম পালন সম্পর্কে খুব বেশি আগ্রহী নন ইয়ামাল, তবে তিনি ধর্মের বিষয়ে একেবারে উদাসীনও নন। যে ঘটনা ঘটে, সেই বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে গোল করার পর তিনি সিজদায় গিয়ে স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দিয়েছিলেন। এবার আবার বিশ্বজয়ের পর মোনাজাত করতে দেখা গেল তাকে।

আরও পড়ুন: "অসহিষ্ণু বক্তব্য রাজনীতিকে ‘পয়েন্ট অফ নো রিটার্ন’-এ নিয়ে যেতে পারে": সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স

২০২৫ সালের রমজানে, তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিলেন রোজা রেখে খেলার জন্য। সে বছর বেনফিকার বিরুদ্ধে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রোজা রেখেই তিনি খেলতে নেমেছিলেন। রোজা অবস্থাতেই দিয়েছিলেন একটি অ্যাসিস্ট, আর ইফতারের পর গোলও করেছিলেন। এর জন্য বার্সেলোনায় রমজানের সময় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

গেল মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর তিনি ছাদখোলা বাসে উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। एल ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে পরাজিত করে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনাটি ঘটে। ওইদিন বার্সেলোনার রাস্তায় প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ দলকে অভিনন্দন জানাতে জড়ো হন।

এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনাটির সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, "একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।"

সেই ইয়ামাল এবার স্পেনের বিশ্বজয়ের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বিশ্বজয়ের সাফল্যের পর তিনি আবার স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দিতে দেখা গেল।

আরও পড়ুন: আনোয়ারায় কেইপিজেড ও চায়না ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গার্সিয়া-গাভিকে ধাক্কা দিয়ে লাল কার্ড দেখলেন পারেদেস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩২ এম


গার্সিয়া-গাভিকে ধাক্কা দিয়ে লাল কার্ড দেখলেন পারেদেস

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৬ এএম

আর্জেন্টিনা ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরেছে। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার পরপরই মাঠে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। লিয়ান্দ্রো পারেদেস মেজাজ হারিয়ে বসেন এবং পাবলো গাভিকে ধাক্কা দিয়ে দেখেন লাল কার্ড।

স্পেনের খেলোয়াড়রা শিরোপা জয়ের আনন্দে মাঠের মাঝখানের দিকে দৌড়াচ্ছিলেন। এই সময়, কয়েকজন খেলোয়াড় নাহুয়েল মলিনার পাশ দিয়ে চলে যান। এতে বিরক্ত হন আর্জেন্টিনার এই ডিফেন্ডার। এই ঘটনার পরে রদ্রি পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন।

তবে এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে মলিনার কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এসকল ঘটনার ফলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে থাকে এবং সেখানে চলে আসেন লিয়ান্দ্রো পারেদেস। এরপর ঘটনাটি হাতাহাতির দিকে মোড় নিতে শুরু করে।

পরাজয়ের পর নিজের মেজাজ হারিয়ে ফেলেন পারেদেস এবং পুরো ঘটনার কেন্দ্রে চলে আসেন তিনি। তিনি এরিক গার্সিয়াকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন এবং এতে দুই দলের খেলোয়াড়রা দৌড়ে এসে পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করেন। আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি নিজে এসে গার্সিয়াকে টেনে সরিয়ে নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন।

তবুও এখানে ঘটনা থামেনি। এরপর পারেদেস গাভিকেও জোরে ধাক্কা দেন, ফলে আবার নতুন করে ধাক্কাধাক্কির সৃষ্টি হয়। শেষমেশ সতীর্থ ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

স্পেনের শিরোপা উদযাপনের আনন্দ কিছুক্ষণ জন্য এই ঘটনায় ম্লান হয়ে যায়। আর্জেন্টিনার জন্য এটা ছিল একটি হতাশাজনক সমাপ্তি। টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার পর খেলোয়াড়রা আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। ম্যাচের মধ্যে আগেই একটি হলুদ কার্ড দেখেছিলেন পারেদেস। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এই ঘটনার জন্য তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনের সঙ্গে উদযাপন করতে গিয়ে বিতর্কে পড়লেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৬ এম


স্পেনের সঙ্গে উদযাপন করতে গিয়ে বিতর্কে পড়লেন ট্রাম্প

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ এএম

 

ফুটবল বিশ্বের চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে স্পেন। ট্রফিটি তুলে দিতে এলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তিনি অপেক্ষমাণ স্প্যানিশ ফুটবলারদের কাছে এসে করেন এক হাস্যকর কাণ্ড। শিরোপা তুলে দেওয়ার পরও ডায়াস থেকে নামতে চাননি তিনি। তাই নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ট্রাম্পকে মঞ্চ থেকে নামার জন্য অনুরোধ করেও সফল হননি। এই কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সমালোচনার মুখে পড়েছেন।

খেলা শেষে ট্রফি প্রদান অনুষ্ঠানে ইনফান্তিনোর সঙ্গে মাঠে প্রবেশ করেন ট্রাম্প। স্পেনের খেলোয়াড়রা ট্রফি উঁচিয়ে উদযাপন করার সময়ও ট্রাম্পকে মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এই ঘটনার ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই এটি হাস্যরস হিসেবে গ্রহণ করছেন।

এর আগে ট্রাম্পকে ঘিরে দর্শকদের বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কড়া নিরাপত্তার কারণে স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে বিলম্ব হওয়ায় অনেক দর্শক অসন্তোষ প্রকাশ করতে থাকেন। পরে যখন স্টেডিয়ামের বিশাল পর্দায় ট্রাম্পের ছবি ভেসে উঠে, তখন দর্শকদের মধ্যে একাংশ তাকে দুয়ো দেয়। জাতীয় সংগীতের সময়েও একই ধরনের প্রতিক্রিয়া শোনা যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেকর্ডও বাঁচাতে পারল না শিরোপা, হতাশ এমি মার্তিনেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ এম


রেকর্ডও বাঁচাতে পারল না শিরোপা, হতাশ এমি মার্তিনেজ

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ২০ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ এএম

এমিলিয়ানো মার্তিনেজের বিষয়টি বলা হচ্ছে—স্পেনের বিপক্ষে একাই খেলেছেন তিনি। বাকি সবাই ছিলেন বোতল বন্দি। মার্তিনেজ স্পেনের একের পর গোলের দিকে নেওয়া শট দুর্দান্ত নৈপূণ্যে ঠেকিয়ে দিয়েছেন। গড়েছেন বড় এক রেকর্ডও।

তবে মার্তিনেজের ভাগ্য খারাপ। বিশ্ব রেকর্ড গড়া হলেও তিনি আর্জেন্টিনাকে জেতাতে পারেননি, গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ফুটবলার। যদিও ‘দিবু’র বিশ্বকাপ ফাইনালের সর্বোচ্চ সেইভ দেওয়া গোলকিপার হিসেবে তিনি পরিচিত।

বিশ্বকাপ ফাইনালে বেশি সেভের নতুন রেকর্ড গড়তে পুরো ম্যাচে ১১টি সেভ করেন মার্তিনেজ। যা হল বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

তবে বিশ্বকাপের যেকোনো ম্যাচে সর্বাধিক সেভের রেকর্ড বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষক টিম হাওয়ার্ডের দখলে রয়েছে। ২০১৪ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচে তিনি ১৬টি সেভ করেন। এবারের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে কুরাসাওয়ের গোলরক্ষক এলোই রুম ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১৫টি সেভ করে সেই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছিলেন।

২০২২ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের অন্যতম নায়ক ছিলেন মার্তিনেজ। ফাইনালে টাইব্রেকারে তার দুর্দান্ত সেভেই শিরোপা জিতেছিল আলবিসেলেস্তেরা। ২০২৬ বিশ্বকাপেও তিনি দারুণ ছন্দে ছিলেন। পুরো টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষের শটের ৭১.৪ শতাংশ ঠেকিয়ে দলকে ফাইনালে তুলেছিলেন।

তবে ফাইনালের রাতে তার রেকর্ডগড়া পারফরম্যান্সও যথেষ্ট ছিল না। মাত্র একটি গোলই স্পেনকে এনে দেয় দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা, আর মার্তিনেজকে রেখে যায় রেকর্ডের গৌরব ও শিরোপা হারানোর আক্ষেপ নিয়ে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের পেছনে ৫ কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৫ এম


বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার হারের পেছনে ৫ কারণ

 

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অতিরিক্ত সময়ের রোমাঞ্চ শেষে বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন। ফেররান তরেসর ১০৬ মিনিটের গোলে নির্ধারিত হয় শিরোপার ভাগ্য। লিওনেল মেসির নেতৃত্বে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামা আর্জেন্টিনা শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরল।

ম্যাচের পুরো চিত্র বিশ্লেষণ করলে পরিষ্কার হয়ে ওঠে, কেন এই হার তাদের প্রাপ্য ছিল। নিচে তুলে ধরা হলো পাঁচটি প্রধান কারণ।

১. পুরো ম্যাচে আক্রমণের ছিটেফোঁটাও ছিল না। আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগের নিষ্ক্রিয়তা ছিল রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। প্রথমার্ধে তারা একটি কর্নারও আদায় করতে পারেনি, প্রতিপক্ষের বক্সে কোনো কার্যকর ছোঁয়া ছিল না, আর গোলের উদ্দেশ্যে কোনো শটও নেয়নি। ম্যাচের ৭৮ মিনিট পর্যন্ত স্পেন যেখানে দশটির বেশি শট নিয়ে ফেলেছিল, আর্জেন্টিনার খাতা তখনো শূন্য। পুরো নির্ধারিত সময়ে তারা কার্যত কোনো উল্লেখযোগ্য আক্রমণ তৈরি করতে পারেনি। অতিরিক্ত সময়ে গিয়ে মেসির একটি দূরপাল্লার শট আর জুলিয়ানো সিমিওনের একটি সুযোগ ছাড়া বলার মতো কিছুই ছিল না। এমন খরা নিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনাল জেতা প্রায় অসম্ভব।

২. স্পেনের আধিপত্যে আর্জেন্টিনার হাঁসফাঁস। পুরো ম্যাচে বল দখলে স্পষ্ট আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেন। মধ্যমাঠে রদ্রি-পেদ্রিদের নিয়ন্ত্রণ আর লামিনে ইয়ামাল-নিকো উইলিয়ামসদের প্রান্তিক গতিতে আর্জেন্টিনা রীতিমতো নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ পায়নি। স্পেনের প্রেসিং এতটাই কার্যকর ছিল যে আর্জেন্টিনা বল পেয়েও বেশিক্ষণ রাখতে পারছিল না। এই পরিস্থিতিতে দলটি রক্ষণাত্মক হয়ে পড়ে এবং পাল্টা আক্রমণ তৈরির সামর্থ্যও হারিয়ে ফেলে।

৩. এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ড—টার্নিং পয়েন্ট। নির্ধারিত সময়ের একেবারে শেষ দিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় এনজো ফার্নান্দেজকে। এমি মার্তিনেজের একটি দুর্দান্ত সেভের পর ফিরতি বলে কুবারসির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে তিনি সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ফলে অতিরিক্ত সময়ের পুরোটাই আর্জেন্টিনাকে খেলতে হয় দশজন নিয়ে। এমনিতেই আক্রমণে ভুগতে থাকা দলের জন্য এক খেলোয়াড় কম নিয়ে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট টিকে থাকা ছিল প্রায় অসাধ্য কাজ।

৪. বিচ্ছিন্ন মেসি। লিওনেল মেসিকে ঘিরেই ছিল আর্জেন্টিনার শেষ বিশ্বকাপ স্বপ্ন, কিন্তু পুরো ম্যাচে তাকে কার্যত একা ফেলে রাখা হয়। খেলোয়াড় বদলের পর একপর্যায়ে দলটি কার্যত পাঁচজন ডিফেন্ডার ও তিন মিডফিল্ডারের সঙ্গে একমাত্র আক্রমণভাগে মেসিকে রেখে খেলতে বাধ্য হয়—বল সরবরাহের অভাবে যা তাকে প্রায় নিষ্ক্রিয় করে দেয়। হুলিয়ান আলভারেজকে তুলে নেওয়ার পর পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ফলাফল—আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় অস্ত্র শেষ পর্যন্ত ধারালো হয়ে ওঠার সুযোগই পায়নি।

৫. রক্ষণের ভুল। অতিরিক্ত সময়ের বিরতির পরপরই, মাত্র সাঁইত্রিশ সেকেন্ডের মাথায় গোল হজম করে আর্জেন্টিনা। ডানপ্রান্ত থেকে পেদ্রো পোরোর ক্রস, নিকো উইলিয়ামসের হেড হয়ে বল পৌঁছায় ফেররান তরেসর কাছে, আর তিনি তা জালে জড়ান। সেট-পিস ও ক্রস সামলানোয় দুর্বলতা পুরো ম্যাচেই কিছুটা ভুগিয়েছে আর্জেন্টিনাকে, আর ঠিক সেই জায়গা থেকেই আসে সিদ্ধান্তসূচক গোলটি। এরপর দশজনের দল নিয়ে সমতায় ফেরার মতো আক্রমণাত্মক সামর্থ্য আর অবশিষ্ট ছিল না।

শেষ পর্যন্ত এমি মার্তিনেজের একের পর এক সেভ আর্জেন্টিনাকে বহুক্ষণ ম্যাচে টিকিয়ে রাখলেও আক্রমণে চূড়ান্ত ব্যর্থতা, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ হারানো আর লাল কার্ডের ধাক্কা—সব মিলিয়ে শিরোপা হাতছাড়া হলো লিওনেল স্কালোনির দলের। বিপরীতে সংঘবদ্ধ, ধৈর্যশীল আর কৌশলগতভাবে নিখুঁত পারফরম্যান্স দেখিয়ে চতুর্থ বিশ্বকাপ জিতে নিল স্পেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%