মোঃ আকতারুল ইসলাম আক্তার নিজস্ব প্রতিনিধি
০৯:১৫ পি.এম
ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চুরির ঘটনা দিন দিন বেড়ে যাওয়ার খবর সামনে এসেছে। চিকিৎসার জন্য আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা অভিযোগ করেছেন যে, হাসপাতালের ওয়র্ড, কেবিন, লিফট এবং বারান্দা থেকে তাদের মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ, নগদ টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী হারিয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, গত এক সপ্তাহের মধ্যে অন্তত সাতটি চুরির ঘটনা ঘটেছে, যা রোগী এবং স্বজনদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বাসিন্দা মাসুদ রানা গত ১৮ জুন তাঁর অসুস্থ বাবাকে দেখতে হাসপাতালে আসেন। এক সময় কেবিনের বাইরে বের হওয়ার সুযোগে এক ব্যক্তি মোবাইল ফোন চার্জ দেওয়ার পালানো জন্য কেবিনে প্রবেশ করে এবং তাঁর মানিব্যাগসহ নগদ ১৭ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে যায়। মাসুদ রানা পরবর্তীতে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দাখিল করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, জিডি করার পরেও থানার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। ঘটনার দিন আরও দুজনের চুরির শিকার হওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় দেড় হাজার রোগী চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। অতিরিক্ত রোগীর চাপ এবং মানুষের অবাধ যাতায়াতের সুযোগে সংঘবদ্ধ চোরচক্র বিভিন্ন ওয়ার্ড ও কেবিনে প্রবেশ করে চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চুরির শিকার রোগীর স্বজন ফয়সাল জানান, তিনি মেডিসিন বিভাগে যাওয়ার সময় লিফটে ওঠার পর নিচে নেমে এসে দেখেন যে তাঁর মানিব্যাগটি নেই। অন্য একজন ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, তিনি রোগীকে দেখতে এসে একটি যুবকের দ্বারা তাঁর হাতে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নেওয়ার শিকার হয়েছেন। এ কারণে হাসপাতালে সবসময় আতঙ্ক নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে যে একের পর এক চুরির ঘটনা ঘটলেও কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকায় চোরচক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। এই বিষয় সম্পর্কিত হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল জানান, চুরি প্রতিরোধের জন্য হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে ৫২টি সিসিটিভি ক্যামেরা চালু রয়েছে এবং আগামী মাসের শুরু থেকে ৩০ জন আনসার সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি রোগী ও স্বজনদের মূল্যবান জিনিসপত্র সম্পর্কে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
হাসপাতালে ধারাবাহিক চুরির ঘটনার কারণে রোগী ও স্বজনরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার প্রয়াস এবং চোরচক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৌদি প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট-সংক্রান্ত জটিলতা সমাধানে, সৌদি মানব সম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় আগে ৩০ জুন পর্যন্ত সময় দিয়েছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে, সেই সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত হাজারো প্রবাসীর জন্য বৈধ কর্মসংস্থানে ফিরে আসার একটি বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে।
নিয়োগকর্তার গাফিলতি, প্রশাসনিক জটিলতা অথবা দালালচক্রের প্রতারণার কারণে বহু বাংলাদেশি প্রবাসী দীর্ঘ সময় ধরে বৈধ কাগজপত্রের সংকটে রয়েছেন।
অনেকেই কফিল না পেয়ে কাজ হারিয়েছেন এবং কেউ কেউ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এমনকি, খোলা আকাশের নিচে অথবা মসজিদ চত্বরে রাত কাটানোর মতো ঘটনাও ঘটছে।
এদিকে, যারা বৈধভাবে দেশে ফিরে যেতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় আইনি ও কনস্যুলার সহায়তা দিতে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রস্তুত রয়েছে। জানিয়েছে, যে সকল প্রবাসী সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন, তাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।
দূতাবাস জানায়, শ্রম আইন মেনে চলার সংস্কৃতি জোরদার করার জন্য, নিয়োগকর্তা এবং কর্মীর পারস্পরিক চুক্তিধারিত অধিকার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রবাসীদের অভ EXPRESS জানানো হচ্ছে, সময়সীমা বাড়ানোর এই সিদ্ধান্তে অনেকেই আবার বৈধতার আওতায় ফিরে আসতে পারবেন। ফলে, কর্মসংস্থানে স্থিতিশীলতা বাড়বে এবং গ্রেফতার ও আইনি জটিলতার ঝুঁকি কমবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগামী ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত খুলনা মেট্রোপলিটন এলাকার ২২টি কেন্দ্রে এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (ভোকেশনাল/বিএমটি) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষার সময় খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ২৯ ও ৩০ ধারার প্রেক্ষিতে পুলিশ কমিশনার প্রদত্ত ক্ষমতা এবং কর্তৃক নিম্নলিখিত আদেশ বলবৎ থাকবে।
আজ মঙ্গলবার খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এই সমস্ত তথ্য জানানো হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নে সম্পন্নের লক্ষে পরীক্ষার দিন সকাল আটটা থেকে পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রের চতুর্দিকে দুইশ' গজের মধ্যে পাঁচ বা তার থেকেও বেশি ব্যক্তি একত্রে ঘোরাফেরা ও মিছিল করতে পারবেন না।
এছাড়া, পরীক্ষা কেন্দ্র এলাকায় কেউ কোনো প্রকার অস্ত্র-শস্ত্র, ছুরি, লাঠি, বিস্ফোরক দ্রব্যাদি অথবা ওই জাতীয় কোনো পদার্থ বহন করতে পারবেন না।
পরীক্ষা কেন্দ্র এলাকায় কেউ কোন প্রকার লাউড স্পিকার বা ওই জাতীয় কোনো যন্ত্র দ্বারা উচ্চস্বরে কোনো শব্দ করতে পারবেন না।
অতএব, পরীক্ষা কেন্দ্রের আশেপাশে দুইশত গজের মধ্যে ফটোস্ট্যাট মেশিন বন্ধ রাখতে হবে।
এই আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, যিনি ওরফে জাহের আলভী হিসেবে পরিচিত, তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
দুদিনের রিমান্ড শেষে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে, আলভীকে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেকের করা আবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন জাহের আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে, ২১ জুন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। আদালত তার দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড শেষে আজ আলভীকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রিমান্ড চলাকালে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও মিলেছে বলে দাবি করা হয়। তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও আবেদনে বলা হয়েছে।
শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ১ মার্চ বেলা পৌনে ১২টার দিকে, বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
ইকরার মৃত্যুর পর আলভী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত দেশে ফেরেন এবং আত্মসমর্পণ করেন। তার আত্মসমর্পণের আগে, অভিনেতার মা নাসরিন সুলতানা একই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফুটবল বিশ্বের এক নতুন বিষাদের সুর বাজতে শুরু করেছে। ফুটবলপ্রেমীরা ইতোমধ্যেই হয়তো শেষবারের মতো বিশ্বমঞ্চে একঝাঁক কিংবদন্তিকে দেখছেন, যারা গত দুই দশক ধরে ফুটবল জগতকে শাসন করেছিলেন। বয়স এবং ফর্মের নিয়ম অনুযায়ী আগামী ২০৩০ সালের পরবর্তী বিশ্বকাপে এই মহাতারকাদের অনেককেই আর খেলার মাঠে দেখা যাবে না।
এ তালিকায় সবার প্রথমে রয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন জাদুকর লিওনেল মেসি। ২০২২ সালে দেশের জন্য বিশ্বকাপ এনে দেওয়ার পর তিনি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় জানাননি। নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে এসে একের পর এক রেকর্ড ভাঙছেন মেসি, যার ঝুলিতে এখন রয়েছে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১৯টি গোল। আগামী ২০৩০ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার জার্সিতে তার অনুপস্থিতি ফুটবল বিশ্বকে এক বিশাল শূন্যতায় ফেলে দেবে।
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী, ৪১ বছর বয়সী পর্তুগিজ এই মহাতারকাও বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপটি খেলছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ ম্যাচ ও গোলের রেকর্ডধারী রোনালদোর শোকেসে কেবলমাত্র একটি ট্রফির অভাব রয়েছে। ২০০৬ সালে নিজের প্রথম বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলার পর এবারই হয়তো তার শেষ সুযোগ এই ট্রফিটিকে উঁচিয়ে ধরার।
ক্রোয়েশিয়ার ৪০ বছর বয়সী মিডফিল্ড জাদুকর লুকা মদ্রিচও বর্তমান আসরে তার বিদায়ী মঞ্চে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন। চলমান বিশ্বকাপে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়া মদ্রিচ ২০১৮ সালে দেশকে রানার্স-আপ এবং ২০২২ সালে তৃতীয় অবস্থা দিয়েছিলেন।
জার্মানির গোলপোস্টের দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বস্ত দেয়াল ৪০ বছর বয়সী ম্যানুয়েল ন্যুয়ারের জন্য এটিই শেষ বিশ্বকাপ। ২০১৪ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এই গোলরক্ষক এবার শেষ ৩২-এর ম্যাচে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছেন।
ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নেইমারের বয়স বর্তমানে ৩৪ বছর। চোটের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পরে দলে ফিরে আসা নেইমারের এটি শৈশবের স্বপ্ন পূরণের শেষ সুযোগ। ইনজুরির কারণে বর্তমানে তিনি দলের একমাত্র প্রধান ভরসা নন, এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হেক্সা বা ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের স্বপ্নকে টিকিয়ে রাখতে মরিয়া তিনি।
বেলজিয়ামের ‘সোনালি প্রজন্ম’-এর প্রাণপুরুষ ৩৫ বছর বয়সী কেভিন ডি ব্রুইনও তার চতুর্থ এবং সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপটি খেলছেন।
নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ৩৪ বছর বয়সী ডিফেন্ডার ভার্জিল ভ্যান ডাইক এবারের আসরে গোল করে টুর্নামেন্ট শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ ৩২-এর ম্যাচে মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হেরে তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের ইতি টেনেছেন।
লিভারপুলের সাবেক দুই সতীর্থ মিসরের মোহাম্মদ সালাহ এবং সেনেগালের সাদিও মানে তাদের ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ৩৪ বছর বয়সী সালাহর দক্ষতায় মিসর দীর্ঘ খরা কাটিয়ে নকআউটে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, সেনেগালকে টানা তিনটি বিশ্বকাপে নিয়ে আসা ৩৪ বছর বয়সী সাদিও মানে এবার দেশের হয়ে শেষ চেষ্টা চালাচ্ছেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার ৩৩ বছর বয়সী অধিনায়ক সন হিউং-মিন তাঁর চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলছেন। কিন্তু এবারের গ্রুপ পর্ব থেকেই তিনি ছিটকে গেছেন এবং ফর্মহীনতার কারণে শেষ ম্যাচে একাদশে জায়গাও হারিয়েছেন।
এই ১০ মহাতারকার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ফুটবল ইতিহাসের একটি সোনালি অধ্যায় শেষ হতে চলেছে, যা কোটি ভক্তের হৃদয়ে এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে থেকে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ