প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, যিনি ওরফে জাহের আলভী হিসেবে পরিচিত, তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
দুদিনের রিমান্ড শেষে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে, আলভীকে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেকের করা আবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন জাহের আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে, ২১ জুন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হয়। আদালত তার দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড শেষে আজ আলভীকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রিমান্ড চলাকালে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও মিলেছে বলে দাবি করা হয়। তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও আবেদনে বলা হয়েছে।
শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ১ মার্চ বেলা পৌনে ১২টার দিকে, বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
ইকরার মৃত্যুর পর আলভী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত দেশে ফেরেন এবং আত্মসমর্পণ করেন। তার আত্মসমর্পণের আগে, অভিনেতার মা নাসরিন সুলতানা একই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন