বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৫ পি.এম
মেয়েদের এশিয়া কাপ ফাইনালে ট্রফি বিতর্কের প্রেক্ষাপটে সাবেক পাকিস্তানি ব্যাটার মোহাম্মদ ইউসুফ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
গত রোববার, ভারত ছেলেদের পর মেয়েদের এশিয়া কাপেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। গত বছর সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করলেও, ভারত মহসিন নাকভির পাকিস্তানি হওয়ার কারণে তার কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণ করেনি। দুই দেশের মধ্যে চলমান শত্রুতার চিহ্ন গত মেয়েদের টুর্নামেন্টেও দেখা গেছে। হারমানপ্রীত কৌরের দলেরও একই আচরণ লক্ষ্য করা গেছে।
ফাইনাল শেষ হওয়ার পর ভারতীয় খেলোয়াড়রা মাঠে আসেননি। নাকভি পুরস্কার বিতরণের মঞ্চে দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর শ্রীলঙ্কাকে রানার্সআপ মেডেল ও চেক প্রদান করে মাঠ ত্যাগ করেন।
এই ঘটনার পর ইউসুফ পিসিবি ও এসিসি প্রধানের মধ্যে কোনো সমস্যা দেখছেন না। মঙ্গলবার এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে সাবেক এই ব্যাটার তার মতামত প্রকাশ করেন। তিনি ভারতের বিরুদ্ধে ‘ঔদ্ধত্যের’ অভিযোগ তুলেছেন।
ইউসুফ ভারতীয়দের মধ্যে বিনয়ের অভাব লক্ষ্য করেছেন। তিনি পোস্টে উল্লেখ করেছেন, ‘যখন জাতীয় গর্ব ঔদ্ধত্যে পরিণত হয়, বিজয় তখন পুরস্কার বা সম্মান এনে দেয় না। একটি দল হয়তো জিততে পারে, কিন্তু যে জাতির মাঝে বিনয় নেই, তারা পরাজিতই থেকে যায়! ট্রফি নয়, তাদের মাথা থাকে পায়ের তলায়। ভালো করেছেন মহসিন নাকভি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের রাজস্থানের জয়পুরের একটি মন্দিরে বিয়ের পথে বাধা দূর করার উদ্দেশ্যে এবং মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার আশায় বিপুল সংখ্যক ভক্তের সমাগম ঘটেছে। মন্দিরে বিশেষভাবে প্রদান করা মেহেদি সংগ্রহের জন্য কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষকে নির্ধারিত সময়ের আগেই মেহেদি বিতরণ শুরু করতে হয়।
গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিনজারা উৎসব উপলক্ষে জয়পুরের বিখ্যাত মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে এই বিশাল ভিড় দেখা যায়।
বিশ্বাস করা হয়, যাদের বিয়েতে বিভিন্ন ধরনের বাধা রয়েছে, তারা মন্দিরে মেহেদি নিবেদন করেন। পরে সেই মেহেদি হাতে লাগিয়ে নেন। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এভাবে মেহেদি ব্যবহারের পর এক বছরের মধ্যে উপযুক্ত জীবনসঙ্গী পাওয়া যায়।
একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টে জানানো হয়েছে, মাত্র তিন ঘণ্টায় প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কেজি মেহেদি বিতরণ করা হয়েছে। মেহেদি সংগ্রহ করতে দিল্লি, চণ্ডীগড়সহ বিভিন্ন শহর থেকে ভক্তরা মন্দিরে আসেন। কেউ কেউ আগের রাতেই মন্দির এলাকায় পৌঁছে যান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, মন্দিরের বাইরে বিপুলসংখ্যক মানুষের ভিড় ও দীর্ঘ সারি। ভিড়ের কারণে আশপাশের এলাকায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
মন্দির প্রাঙ্গণে ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে জানা গেছে। এ সময় মহারাষ্ট্র থেকে আসা এক নারী ভক্ত ভিড়ের মধ্যে অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একজন রসিকতা করে মন্তব্য করেন, "সালমান খান কোথায়?" আরেকজন লিখেছেন, "এত মানুষ অবিবাহিত থাকা সত্ত্বেও আমাদের দেশের জনসংখ্যা হু হু করে বাড়ছে।"
সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গোয়ার ৩৭ বছর বয়সী ক্লাইড দিয়াস, যিনি উয়েফার ‘এ’ লাইসেন্সধারী, বায়ার্ন মিউনিখের একাডেমি কাঠামোয় যুক্ত হয়েছেন। তাঁর নতুন দায়িত্ব তরুণ প্রতিভাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং প্রথম দলের জন্য প্রস্তুত করা।
ভারতীয় ফুটবলের জন্য ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ ক্লাবের দরজা নতুনভাবে খুলে গেল। জার্মানির অন্যতম সফল ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখের একাডেমিতে যোগ দিয়েছেন ৩৭ বছর বয়সী ভারতীয় কোচ ক্লাইড দিয়াস। উয়েফার ‘এ’ লাইসেন্সধারী এই কোচের নতুন দায়িত্ব তরুণ ফুটবলারদের গড়ে তোলা।
দিয়াস মিউনিখের বিখ্যাত বায়ার্ন ক্যাম্পাসে কাজ করবেন। সেখানে সম্ভাবনাময় তরুণদের কারিগরি দক্ষতা উন্নত করা এবং যুব দল থেকে প্রথম দলের পর্যায়ে উত্তরণের জন্য প্রস্তুত করাই হবে তাঁর কাজের অন্যতম অংশ।
তরুণ খেলোয়াড়দের বায়ার্নের ফুটবল কাঠামোর সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া এবং তাদের সম্ভাবনাকে পরিণত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হবে। ইউরোপীয় ফুটবলের অন্যতম শীর্ষ ক্লাবের নিজস্ব একাডেমিতে কাজের সুযোগ ভারতীয় কোচের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে।
২০১৬ সালে জার্মানিতে পাড়ি জমান দিয়াস। এরপর তিনি দেশটির যুব ফুটবলে বেশ কয়েক বছর কাজ করেছেন। ট্যালেন্টপ্রজেক্ট ও ডিএফআই বাদ আইবলিং প্রকল্পে অনূর্ধ-১৯ দলের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি মিউনিখ ফুটবল স্কুল ও কির্শহাইমারেও কাজ করেছেন।
জার্মানিতে যাওয়ার আগে, ভারতীয় গোয়ায় তরুণ ফুটবলার তৈরিতে কাজ করেছেন দিয়াস। কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার জিকোর অধীনে প্রতিভা উন্নয়নের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।
উয়েফার ‘এ’ লাইসেন্সধারী দিয়াসের বায়ার্নে যোগ দেওয়ার খবরটি ভারতীয় ফুটবল অঙ্গনে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর কোচিং কাঠামোয় ভারতীয় কোচদের কাজের সুযোগ খুব বেশি দেখা যায় না। সেই জায়গা থেকে বায়ার্নের মতো ক্লাবে তাঁর অন্তর্ভুক্তি ভারতীয় ফুটবলের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
বর্তমানে বায়ার্নের মূল দলের দায়িত্ব বেলজিয়ান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানির হাতে রয়েছে। ক্লাবটির একাডেমি দীর্ঘদিন ধরেই ইউরোপীয় ফুটবলের জন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই কাঠামোর অংশ হয়েই এবার নতুন অধ্যায় শুরু করলেন ভারতের ক্লাইড দিয়াস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতে ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা পরিশোধের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে চলেছে। দুই হাজার টাকার বেশি নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী লেনদেনে এবার মাশুল কাঠামো কার্যকর হতে যাচ্ছে। জাতীয় পেমেন্ট সংস্থা জানিয়েছে, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে এই ব্যবস্থা চালু হবে।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, আমেরিকার বড় পেমেন্ট সংস্থাগুলোর চাপের কাছে নতি স্বীকার করেই ইউপিআইয়ের এতদিনের শূন্য মাশুল নীতিতে পরিবর্তন আনার পথ তৈরি করা হয়েছে।
রাহুল গান্ধী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তায় অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রীয় সরকার চুপিসারে ইউপিআইয়ের ওপর মাশুল বসানোর রাস্তা তৈরি করেছে। তার দাবি, দুই হাজার টাকার বেশি ব্যবসায়ীদের ইউপিআই লেনদেনের ওপর মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট বা ব্যবসায়ী মাশুল বসানো হতে পারে। যদিও এ ধরনের লেনদেনের সংখ্যা মোট ইউপিআই লেনদেনের তুলনায় খুবই কম, তবে এর অর্থমূল্য মোট লেনদেনের বড় অংশের আওতায় পড়ে।
রাহুলের প্রশ্ন, সরকার যদি বলে গ্রাহকের কাছ থেকে সরাসরি কোনো মাশুল নেওয়া হবে না, তাহলে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া অতিরিক্ত অর্থের বোঝা শেষ পর্যন্ত কে বহন করবেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, ব্যবসায়ীরা যদি অতিরিক্ত খরচের মুখে পড়েন, তাহলে পণ্যের দাম বাড়িয়ে সেই অর্থ সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই আদায় করা হতে পারে।
রাহুল আরও অভিযোগ করেন যে, আমেরিকার বড় পেমেন্ট সংস্থাগুলো দীর্ঘদিন ধরে ভারতের শূন্য মাশুল নীতির বিরোধিতা করে আসছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, ভারত আমেরিকার চাপের কাছে নতি স্বীকার করছে। তবে এসব রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেসের রাজনৈতিক অভিযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযোগের সঙ্গে একমত নয়।
কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ইউপিআইয়ের ব্যক্তিগত লেনদেন সম্পূর্ণ বিনা মাশুলে থাকবে। অর্থাৎ একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে যত টাকাই পাঠান না কেন, তার জন্য কোনো মাশুল দিতে হবে না। দুই হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যবসায়ীদের দেওয়া অর্থও বিনা মাশুলে থাকবে। ছোট ব্যবসায়ীদের জন্যও শূন্য মাশুলের ব্যবস্থা বহাল থাকবে।
সরকারের হিসাবে, প্রায় ৯৬ শতাংশ ব্যবসায়ীভিত্তিক ইউপিআই লেনদেন এর ফলে প্রভাবিত হবে না। তবে নির্দিষ্ট ব্যবসায়ী লেনদেনে দুই হাজার টাকার বেশি অর্থের ক্ষেত্রে নতুন মাশুল কাঠামো কার্যকর হচ্ছে।
জাতীয় পেমেন্ট সংস্থার ঘোষণা অনুযায়ী, সাধারণ ক্ষেত্রে এই মাশুল ০.৪ শতাংশ হতে পারে এবং একটি লেনদেনে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত সীমা থাকবে। রেল, জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ ও বিমার মতো কয়েকটি ক্ষেত্রে আলাদা নির্দিষ্ট মাশুলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এই মাশুল সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়ার কথা নয়।
সরকারের বক্তব্য, ইউপিআই ব্যবস্থার পরিকাঠামো, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের খরচ সামলাতেই এই কাঠামো আনা হয়েছে। ফলে একদিকে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত লেনদেন বিনা মাশুলে রাখার দাবি করছে কেন্দ্র, অন্যদিকে বেশি অঙ্কের ব্যবসায়ী লেনদেনে মাশুল চালুর সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লন্ডনের মেয়র স্যার সাদিক খান আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে শপথ গ্রহণ করেছেন। এই শপথের মাধ্যমে তিনি ‘লর্ড খান অব টুটিং’ উপাধি লাভ করেন। তিনি উচ্চকক্ষ থেকে লন্ডনের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বর্তমানে সাদিক খান লন্ডনের মেয়রের তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি লেবার পার্টির নতুন সদস্য লর্ড রবার্তো নেরির সঙ্গে শপথ গ্রহণ করেন। ঐতিহ্যবাহী এই শপথ গ্রহণের সময় তার পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন লেবার এমপি উপস্থিত ছিলেন।
সাদিক খান টুটিং এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানে ১১ বছর এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে তিনি মানবাধিকার আইন নিয়ে কাজ করতেন এবং পরে গর্ডন ব্রাউনের সরকারের মন্ত্রী ও পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০১৬ সালে তিনি প্রথমবার লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হন এবং ২০০০ সালে বর্তমান মেয়র ব্যবস্থা চালুর পর থেকে তিনিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে এই পদে রয়েছেন। তিনি লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র এবং করোনা মহামারি ও সন্ত্রাসী হামলার মতো কঠিন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর তিনি নাইট উপাধিও লাভ করেন।
সাদিক খান পিয়ার উপাধি পাওয়াকে নিজের জন্য একটি বড় সম্মান হিসেবে বিবেচনা করছেন। তিনি বলেন, "এই দেশ ও রাজধানী আমাকে সাধারণ এক জীবন থেকে লন্ডনের মেয়র হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।"
মেয়র হিসেবে তিনি প্রাথমিক স্কুলের সব শিশুর জন্য বিনামূল্যে খাবার নিশ্চিত করা, শহরের বাতাস পরিষ্কার করা, গণপরিবহন উন্নত করা এবং তরুণদের জন্য সুযোগ তৈরির মতো কাজগুলো উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সবুজ শহর গড়ার কাজ তিনি চালিয়ে যাবেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, হাউস অব লর্ডসের সদস্য হওয়ার পরও সাদিক খানকে লন্ডনের মেয়রের পদ ছাড়তে হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী, তিনি একই সঙ্গে মেয়র ও লর্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে। তবে তিনি চতুর্থ মেয়াদে এই পদে লড়বেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানাননি।
অতীতে তিনি হাউস অব লর্ডস প্রথা তুলে দেওয়ার পক্ষে কথা বললেও বর্তমানে নিজেই এই পদে আসীন হওয়ায় বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তবে, ব্রিটিশ রাজনীতিতে নিজের প্রভাব ধরে রাখতে এই উপাধি তাকে একটি দারুণ সুযোগ প্রদান করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ