বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০৭ পি.এম
লন্ডনের মেয়র স্যার সাদিক খান আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউস অব লর্ডসে শপথ গ্রহণ করেছেন। এই শপথের মাধ্যমে তিনি ‘লর্ড খান অব টুটিং’ উপাধি লাভ করেন। তিনি উচ্চকক্ষ থেকে লন্ডনের স্বার্থে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
বর্তমানে সাদিক খান লন্ডনের মেয়রের তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) তিনি লেবার পার্টির নতুন সদস্য লর্ড রবার্তো নেরির সঙ্গে শপথ গ্রহণ করেন। ঐতিহ্যবাহী এই শপথ গ্রহণের সময় তার পরিবারের সদস্য ও কয়েকজন লেবার এমপি উপস্থিত ছিলেন।
সাদিক খান টুটিং এলাকায় জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সেখানে ১১ বছর এমপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনীতিতে প্রবেশের আগে তিনি মানবাধিকার আইন নিয়ে কাজ করতেন এবং পরে গর্ডন ব্রাউনের সরকারের মন্ত্রী ও পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
২০১৬ সালে তিনি প্রথমবার লন্ডনের মেয়র নির্বাচিত হন এবং ২০০০ সালে বর্তমান মেয়র ব্যবস্থা চালুর পর থেকে তিনিই সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে এই পদে রয়েছেন। তিনি লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র এবং করোনা মহামারি ও সন্ত্রাসী হামলার মতো কঠিন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর তিনি নাইট উপাধিও লাভ করেন।
সাদিক খান পিয়ার উপাধি পাওয়াকে নিজের জন্য একটি বড় সম্মান হিসেবে বিবেচনা করছেন। তিনি বলেন, "এই দেশ ও রাজধানী আমাকে সাধারণ এক জীবন থেকে লন্ডনের মেয়র হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।"
মেয়র হিসেবে তিনি প্রাথমিক স্কুলের সব শিশুর জন্য বিনামূল্যে খাবার নিশ্চিত করা, শহরের বাতাস পরিষ্কার করা, গণপরিবহন উন্নত করা এবং তরুণদের জন্য সুযোগ তৈরির মতো কাজগুলো উল্লেখ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার জন্য একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সবুজ শহর গড়ার কাজ তিনি চালিয়ে যাবেন।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, হাউস অব লর্ডসের সদস্য হওয়ার পরও সাদিক খানকে লন্ডনের মেয়রের পদ ছাড়তে হচ্ছে না। নিয়ম অনুযায়ী, তিনি একই সঙ্গে মেয়র ও লর্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। তার বর্তমান মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত চলবে। তবে তিনি চতুর্থ মেয়াদে এই পদে লড়বেন কিনা, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানাননি।
অতীতে তিনি হাউস অব লর্ডস প্রথা তুলে দেওয়ার পক্ষে কথা বললেও বর্তমানে নিজেই এই পদে আসীন হওয়ায় বিরোধীদের সমালোচনার মুখে পড়েছেন। তবে, ব্রিটিশ রাজনীতিতে নিজের প্রভাব ধরে রাখতে এই উপাধি তাকে একটি দারুণ সুযোগ প্রদান করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার মাধনগর এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানটি পরিচালিত হয়। এই অভিযানটি পরিচালনা করেন নলডাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন।
ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা যায়, মাধনগর এলাকার মৃত দুলাল মন্ডলের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম (৪৩), সাইদুল ইসলামের ছেলে মেহেদী হাসান (২৫) এবং মৃত আহাদ আলীর ছেলে সিরাজুল ইসলামকে গাঁজা সেবন এবং হেরোইন রাখার অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(৫) ধারায় দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ভ্রাম্যমান আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট শামীম হোসেন জানিয়েছেন, নলডাঙ্গায় আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মাদকের বিস্তার রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী গুলবদন নেছা মনিকার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে মোহাম্মদপুরের বাসায় গিয়েছেন। গুলবদন নেছা মনিকা ভাষাসৈনিক প্রয়াত আব্দুল মতিনের অসুস্থ সহধর্মিণী।
মন্ত্রী বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাসায় গিয়ে গুলবদন নেছা মনিকার চিকিৎসার বিষয়ে খোঁজ নেন। এ সময় তিনি ভাষা আন্দোলনে ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিনের অবদান, তার রাজনৈতিক জীবনের সংগ্রামের স্মৃতি এবং মাতৃভাষার জন্য আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
নিতাই রায় চৌধুরী মন্তব্য করেন, "ভাষাসৈনিকদের ত্যাগ ও আদর্শ নতুন প্রজন্মের জন্য চিরকাল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।"
মন্ত্রী এ সময় শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে গুলবদন নেছা মনিকার চিকিৎসার জন্য ৫ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তার হাতে তুলে দেন। তিনি পাশাপাশি তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
এ সময় শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিনের দুই কন্যা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) রাজধানীর তিনটি মেট্রো রেল প্রকল্পের অনুমোদন প্রদান করেছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) একনেকের বৈঠকে এই প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে— মেট্রো রেল লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, মেট্রো রেল লাইন-১ এবং মেট্রো রেল লাইন-৫ নর্দান রুট।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনটি মেট্রো রেল প্রকল্পের বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।
প্রকল্পগুলোর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) দ্বারা অর্থায়িত এমআরটি লাইন-১ (বিমানবন্দর-কমলাপুর) ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান (হেমায়েতপুর-ভাটারা) প্রকল্পের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন (গাবতলী-দাশেরকান্দি) প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন সূত্র জানাচ্ছে, একনেকের মূল এজেন্ডায় প্রথমে শুধুমাত্র এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পটি উপস্থাপন করার পরিকল্পনা ছিল। তবে পরবর্তীতে সমন্বিত অগ্রগতির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ ও এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের ব্যয় ও মেয়াদ সংশোধনের প্রস্তাবও একই সভায় উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
জাইকার অর্থায়নে ৩১ দশমিক ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এমআরটি লাইন-১ বাস্তবায়নে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩৯৪ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ নর্দান প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৯ হাজার ৮৪৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।
এছাড়া, ১৩ দশমিক ১০ কিলোমিটার পাতালপথসহ মোট ১৭ দশমিক ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ৪৫ হাজার ৫০৩ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ