ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্কটল্যান্ডের কোচ হওয়ার দৌড়ে এবার রবার্তো মার্তিনেজ


স্কটল্যান্ডের কোচ হওয়ার দৌড়ে এবার রবার্তো মার্তিনেজ

পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ার পরপরই ইউরোপের আরেকটি জাতীয় দলের সাথে রবার্তো মার্তিনেজের নাম জড়িয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ব্রিটিশ রেডিও স্টেশন 'টকস্পোর্ট'-এর তথ্যমতে, স্কটল্যান্ডের কোচ হওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় সামনের সারিতে রয়েছেন এই স্প্যানিশ কোচ। স্টিভ ক্লার্ক চলে যাওয়ার পর থেকে দলের কোচ নেই।

ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ সিক্সটিন থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পর স্কটিশ জাতীয় দলের কোচ হওয়ার জোরালো প্রার্থীদের তালিকায় মার্তিনেজের নাম যুক্ত হয়েছে। এই সম্ভাব্য নতুন গন্তব্যটির সাথে কোচের ব্যক্তিগত জীবনেরও একটি যোগসূত্র রয়েছে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

খেলোয়াড়ি জীবনে, ২০০২ সালে মার্তিনেজ স্কটল্যান্ডের ক্লাব মাদারওয়েলের হয়ে খেলেছিলেন। সেই সময়েই স্কটিশ বংশোদ্ভূত তার স্ত্রীর সাথে পরিচয় হয়েছিল।

বিশ্বকাপের রাউন্ড অফ সিক্সটিনে স্পেনের কাছে হারের পর রবার্তো মার্তিনেজ পর্তুগালের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। পর্তুগিজ দলকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার মনে করা হলেও, প্রতিযোগিতা থেকে তারা দ্রুতই বিদায় নেয়।

পর্তুগালের আগে, ২০১৬ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত মার্তিনেজ বেলজিয়াম দলের কোচ ছিলেন। ডি ব্রুইন, হ্যাজার্ড ও লুকাকুর মতো খেলোয়াড়দের নিয়ে গড়া দেশটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রতিভাবান একটি দলের দায়িত্ব পালন করা সত্ত্বেও, কোনো শিৰোপা না জিতেই তিনি জাতীয় দল ছাড়েন।

আরও পড়ুন: বিয়ের ১৫ দিনের মাথায় সড়কে প্রাণ গেল ইতালি প্রবাসী তানভীরের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেছারাবাদে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন, স্বস্তিতে বলদিয়ার বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৪ এম


নেছারাবাদে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন, স্বস্তিতে বলদিয়ার বাসিন্দারা

 

দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের চিত্র। স্বাধীনতার পর থেকে পিছিয়ে থাকা এই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এখন চলছে সড়ক, ব্রিজ, কালভার্টসহ নানা অবকাঠামোগত উন্নয়ন। বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ৯ নম্বর ওয়ার্ডে উন্নয়নের দৃশ্যমান অগ্রগতি স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
 
স্থানীয়দের দাবি, বহু বছর ধরে এলাকার বিভিন্ন সড়ক চলাচলের অনুপযোগী থাকলেও বর্তমানে একের পর এক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। কাটাপিটানিয়া মন্দির সংলগ্ন সড়ক সংস্কার, লেবুবাড়ী-খেজুরবাড়ী সড়ক নির্মাণ, গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিভিন্ন স্থানে ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণের ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক ও সাধারণ মানুষের যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে।
 
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতির পরিবেশ বজায় থাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষও স্বস্তির সঙ্গে বসবাস করছেন। তাদের ভাষ্য, উন্নয়নের সুফল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ পাচ্ছেন।
 
এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক আজহারুল ইসলাম টুটুল বলেন, "বলদিয়া ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও মডেল ইউনিয়নে রূপ দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। উন্নয়ন কোনো দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, এটি সকল মানুষের অধিকার। তাই ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি এলাকার মানুষের চাহিদা অনুযায়ী অবকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকাগুলোতেও সমান গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। মানুষের আস্থা ও সহযোগিতা নিয়েই আমরা উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।"
 
স্থানীয়রা জানান, পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমনের উদ্যোগ এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সমন্বয়ে বলদিয়া ইউনিয়নে যে উন্নয়নের ধারা শুরু হয়েছে, তা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ইউনিয়নটি উপজেলার অন্যতম উন্নত জনপদে পরিণত হবে।
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘চুক্তির কাগজ ছিঁড়ে আনচেলত্তিকে বিদায় করো’, ক্ষোভ ঝাড়লেন রোমারিও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৮ এম


‘চুক্তির কাগজ ছিঁড়ে আনচেলত্তিকে বিদায় করো’, ক্ষোভ ঝাড়লেন রোমারিও

২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নরওয়ের কাছে হেরে ব্রাজিলের আকস্মিক বিদায় যেন কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না সে দেশের ফুটবল মহল।

এই ভরাডুবির পর সেলেসাওদের হেড কোচ কার্লো আনচেলত্তির ওপর চরম ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ১৯৯৪ বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোমারিও।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইতালিয়ান এই কোচের কঠোর সমালোচনা করে তাকে অবিলম্বে কোচের পদ থেকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর মতে, বিশ্বকাপের এই ব্যর্থ অভিযানকে ‘লজ্জাজনক’ আখ্যা দিয়ে তিনি আনচেলত্তিকে দ্রুত বিদায় করার পক্ষে সওয়াল করেন।

সাক্ষাৎকারে নিজের স্বভাবসুলভ আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে রোমারিও বলেন, তিনি যদি ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি হতেন, তবে ম্যাচের পরপরই ড্রেসিংরুমে গিয়ে আনচেলত্তির চুক্তি ছিঁড়ে ফেলতেন এবং তাকে বিদায় নিতে বলতেন। তিনি মনে করেন, আইনি লড়াইয়ের পরোয়া না করে এই ব্যর্থতার জন্য কোচকে সরাসরি জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত ছিল।

এর আগেও একাধিকবার সাবেক এই রিয়াল মাদ্রিদ কোচের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা রোমারিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এমন বিপর্যয়ের পর আনচেলত্তির ব্রাজিলের ডাগআউটে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার নেই।

কোচের কড়া সমালোচনা করার পাশাপাশি আনচেলত্তির অদ্ভুত সব কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রোমারিও। ম্যাচে ব্রুনো গিমারায়েসকে তুলে নেওয়া কিংবা রক্ষণভাগের খেলোয়াড় সংকটের অজুহাতে এডারসনকে রাইটব্যাকে খেলানোর মতো সিদ্ধান্তগুলো তার কাছে একেবারেই বোধগম্য হয়নি।

দলে সঠিক ফুলব্যাক না রাখা এবং চোটের বিপরীতে সেন্টারব্যাক দিয়ে জোড়াতালি দেওয়ার এই রণকৌশলকে তিনি অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন।

ব্রাজিল দলের অতীত কোচদের প্রসঙ্গ টেনে সাবেক এই তারকা স্ট্রাইকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অতীতে দুঙ্গা হেরে বিদায় নিয়েছেন, স্কোলারি বিশ্বকাপ জিতে টিকে ছিলেন, আবার তিতে হেরেও দায়িত্বে থেকে পরবর্তীতে আবারও হেরেছেন।

কিন্তু এবার আনচেলত্তির মতো একজন বিদেশি কোচ এমন লজ্জাজনক হারের পরও দায়িত্বে থেকে যাবেন, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

নরওয়ের কাছে হেরে ব্রাজিলের এই হেক্সা মিশন ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে দেশটির ফুটবল অঙ্গনে যে ঝড় বইছে, রোমারিওর এই বিস্ফোরক মন্তব্য তাতে নতুন করে ঘি ঢালল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোমতীর পানিতে তলিয়ে গেল বিস্তীর্ণ সবজিক্ষেত, ক্ষতির মুখে হাজারো কৃষক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২১ এম


গোমতীর পানিতে তলিয়ে গেল বিস্তীর্ণ সবজিক্ষেত, ক্ষতির মুখে হাজারো কৃষক

ভারতের উজানের পাহাড়ি ঢল এবং টানা কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টির কারণে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। যার ফলস্বরূপ, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে।

নদীর পানি কৃষিজমিতে ঢুকে পড়ার জন্য, হাজারো কৃষকের সবজি ক্ষেত পানির তলায় চলে গেছে। এতে লাউ, চিচিঙ্গা, মুলা, ডাঁটা শাক, চালকুমড়া, পুঁইশাকসহ একাধিক মৌসুমি সবজির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এবং সহস্রাধিক কৃষক চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পরেছেন।

বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এবং আদর্শ সদর উপজেলার কাচিয়াতলী ও আমতলী এলাকার চরাঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিন আগে যেখানে সবুজ ভরে ছিল সবজির ক্ষেত, সেখানে বর্তমানে কেবল পানি আর পানি। কোথাও গাছের ডগা পানির ওপর দৃশ্যমান দেখা যাচ্ছে, আবার কোথাও ভেসে বেড়াচ্ছে নষ্ট হয়ে যাওয়া শাকসবজি। অনেক কৃষক কোমরসমান পানিতে নেমে পুরোপুরি নষ্ট হওয়ার আগেই যতটুকু সম্ভব ফসল তুলে আনতে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছেন।

কৃষকরা জানাচ্ছেন, হঠাৎ করে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের কাছে ফসল রক্ষার কোনো সুযোগ ছিল না। অধিকাংশ সবজি এখনও বাজারজাত করার উপযোগী হয়ে ওঠেনি। ফলে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে অপরিপক্ব অবস্থায় ফসল তুলে স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এ কারণে উৎপাদন খরচও উঠছে না।

বালিখাড়া গ্রামের কৃষক আবদুল হক জানান, তিনি আগাম জাতের মুলা ও লাউ চাষে প্রায় তিন লাখ টাকা ব্যয় করেছিলেন। কিন্তু গোমতীর পানি বাড়ানোর কারণে পুরো জমি পানির নিচে চলে গেছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, আরও দুই দিন যদি পানি থাকে তবে কাদা চাপায় চারাগুলো সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাবে।

কাচিয়াতলী এলাকার কৃষক আবদুল জলিল বলেন, তার ডাঁটা শাক, পুঁইশাক ও চালকুমড়ার ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। তার মতো ভান্তি, কামারখাড়া, বালিখাড়া ও আশপাশের অন্তত শতাধিক কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

কৃষক বাহার মিয়া জানাচ্ছেন, ‘লাউ, চিচিঙ্গা, মুলা, ডাঁটা শাক ও চালকুমড়াসহ নানান সবজি কাঁচা অবস্থাতেই তুলে নিতে হচ্ছে। পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আগে যতটুকু পারছি বিক্রি করছি। এতে লাখ লাখ টাকার ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।’

স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, গোমতী নদীর পানি এখনও ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে তবে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে পারে। এতে আমনের বীজতলা ও অন্যান্য কৃষি ফসলও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, ‘উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা মাঠে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ করছেন। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এবং কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ শাহরিয়ার জানান, ‘গোমতী নদীর পানি এখনও বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি বাড়ছে এবং কয়েকটি নিম্নাঞ্চল ইতোমধ্যে প্লাবিত হয়ে গেছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গৃহীত হবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা: সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


ঝড়ো হাওয়ার শঙ্কা: সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কারণে দেশের সব সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালকের পক্ষে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, উত্তর-পশ্চিম মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে বর্তমানে এটি লঘুচাপ আকারে মধ্য উত্তরপ্রদেশ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই লঘুচাপটি ক্রমশ দুর্বল হতে পারে।

উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। এর ফলে সমুদ্রবন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%