শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৫৬ পি.এম
দক্ষিণী সুপারস্টার রজনীকান্তের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘জেলার ২’ মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে ঝড় তুলেছে। গতকাল ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া এই গ্যাংস্টার ড্রামা বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ১২৫ কোটি ২৫ লাখ রুপি। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দুর্দান্ত সূচনা হলেও ভারতের বক্স অফিসে রজনীকান্তের নিজেরই আরেক সিনেমা ‘কুলি’র উদ্বোধনী দিনের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি ছবিটি।
বক্স অফিসের হিসাব অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দিনে ভারতে ১৬ হাজার ৫৯৯টি প্রদর্শনী থেকে ‘জেলার ২’ আয় করেছে ৫৯ কোটি ৭০ লাখ রুপি নেট। করসহ ছবিটির মোট আয় বা গ্রস সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৭০ কোটি ২৫ লাখ রুপি। অন্যদিকে, রজনীকান্তের ‘কুলি’ প্রথম দিনেই ভারতের বাজারে ৬৫ কোটি রুপি নেট আয় করেছিল। ফলে আপাতত অভিনেতার ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের রেকর্ডটি ‘কুলি’র দখলেই থাকছে।
ভারতের বাজারে প্রত্যাশিত রেকর্ড গড়তে না পারলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভালো ব্যবসা করেছে ‘জেলার ২’। বিদেশের বাজার থেকে প্রথম দিনেই ছবিটির সংগ্রহ ৫৫ কোটি রুপি। আর তাতেই বিশ্বব্যাপী প্রথম দিনের মোট গ্রস আয় ১২৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে পৌঁছেছে।
ভাষাভিত্তিক আয়ের হিসাবে এগিয়ে রয়েছে ছবিটির তামিল সংস্করণ। প্রথম দিনে ৯ হাজার ৩২৬টি প্রদর্শনী থেকে এই সংস্করণের আয় ৪৩ কোটি ৩৫ লাখ রুপি। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে তেলুগু সংস্করণ। দুই হাজার ৭৯২টি প্রদর্শনী থেকে সেটি আয় করেছে ১২ কোটি ৫০ লাখ রুপি।
অন্যদিকে, উত্তর ভারতের বাজারে হিন্দি সংস্করণের মুক্তি নিয়ে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়। পিভিআর-আইনক্সের সঙ্গে ওটিটি মুক্তির সময়সীমা নিয়ে বিরোধের কারণে হিন্দি সংস্করণের প্রদর্শনী ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গেছে। এরপরও ৪ হাজার ৩৭১টি প্রদর্শনী থেকে হিন্দি সংস্করণ আয় করেছে ৩ কোটি ৫০ লাখ রুপি। কন্নড় সংস্করণ থেকে এসেছে আরও ৩৫ লাখ রুপি।
সান পিকচার্সের ব্যানারে কালানিথি মারানের প্রযোজনায় নির্মিত ‘জেলার ২’ সিনেমায় রজনীকান্তের সঙ্গে অভিনয় করেছেন রামিয়া কৃষ্ণান, এস জে সুরিয়া, মোহনলাল, বিদ্যা বালান, সুরজ ভেঞ্জারমুডু ও মিঠুন চক্রবর্তীর মতো তারকারা।
মুক্তির পর সিনেমাটি নিয়ে দর্শক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। প্রথম দিনের বিশ্বব্যাপী আয়ের অঙ্কও ছবিটির প্রতি দর্শকের আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে ভারতের বাজারে রজনীকান্তের নিজের রেকর্ড ভাঙতে না পারায় বক্স অফিসের আলোচনায় আপাতত এগিয়ে থাকছে ‘কুলি’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘সারের ডিলারশিপ না দেন, বিষের ডিলারশিপ দেন-ত্যাগী কর্মীরা মরে যাক’ এই মন্তব্যটি করেছেন কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রায়হান ফেরদৌস সজীব।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এই কথা বলেন।
বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপ না পাওয়ার কারণে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে রায়হান এই মন্তব্য করেছেন। তার মন্তব্যটি সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
রায়হান ফেরদৌস ‘সজীব রায়হান ট্রেডার্সের’ মালিক। তিনি দাবি করেছেন, বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের সার ডিলারশিপের জন্য সুপারিশে তার নাম দ্বিতীয় স্থানে ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল ডিলারশিপটি পান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি ফেসবুকে ওই মন্তব্যটি করেন।
সজীবের অভিযোগ, মোস্তফা জামাল এবং তার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার পরও তিনি ডিলারশিপ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
তবে মেসার্স বিদ্যানন্দ ট্রেডার্সের মালিক মোস্তফা জামাল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘এগুলো সব মিথ্যা। আমি ও আমার পরিবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না।’
ডিলারশিপ পরিচালনা নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের বিষয়ে মোস্তফা জামাল বলেন, হারুন উর রশীদ তার জন্য কিছু কথা বলেছিল। তার নামে ডিলারশিপ রয়েছে এবং তিনি তা পরিচালনা করবেন।
রায়হান ফেরদৌস সজীব দাবি করেছেন, তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। ২০১১ সালে বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ২০১৩ সালে রাজারহাট উপজেলা ছাত্রদলের কোষাধ্যক্ষ এবং ২০২১ সাল থেকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের জিয়া মঞ্চের সহসভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন বলে জানান তিনি।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সময় হামলা-মামলার শিকার হওয়ার দাবি করেছেন সজীব। তার ভাষ্য, ২০১৩ সালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা একটি মামলায় তিনি আসামি হন। ২০১৭ সালে রাজারহাট সোনালী ব্যাংক চত্বরের সামনে যাওয়ার সময়ও হামলার শিকার হন বলে দাবি করেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে কোমরের ব্যথায় ভুগছেন সজীব। তিনি জানান, বাংলাদেশে রংপুর ও ঢাকায় চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসার জন্য ২০২০ সালে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে চিকিৎসা নিতে পারেননি। বর্তমানে আবারও উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার দাবি, অসুস্থতার কারণে দৌঁড়াতে পারেন না; তবুও বিএনপির কোনো দলীয় কর্মসূচি বাদ দেননি।
সজীব আরও বলেন, আমি একজন জুলাই যোদ্ধা। ১৭ বছর ধরে বিএনপির জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করলাম। বিএনপি সরকার ক্ষমতায়, কিন্তু আমি বিএনপি করেও ডিলারশিপ পেলাম না। অথচ আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা ডিলারশিপ পায় কিভাবে?
এদিকে স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ডিলারশিপ মোস্তফা জামালের নামে থাকলেও ব্যবসাটি নিয়ন্ত্রণ করছেন বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হারুন উর রশীদ। তিনি বলেন, সবাই কেন জানি এটাই ভাবছেন।
তার দাবি, ডিলারশিপের সব কাগজপত্র মোস্তফা জামালের নামে এবং ডিলারশিপও তিনিই পেয়েছেন।
এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায় বলেন, ‘সরেজমিন তদন্ত করে রিপোর্ট দেওয়া হয়েছিল। সার ডিলারশিপ নিয়োগ কমিটিতে আমিও আছি, আরও অনেকে আছেন। সবার সুপারিশক্রমে যাকে ভালো মনে হয়েছে, তাকেই দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গুরুতর আহত ও গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজের চিকিৎসার বিষয়টি নজরদারি করেছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নার্স রীপা গোমেজের দুর্দশা সম্পর্কে জানতে পেরে তারেক রহমান তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন, যেন তিনি রীপার খোঁজ নেন।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মধ্য বাড্ডার বাজার গলি এলাকায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধিদল রীপা গোমেজের বাসায় উপস্থিত হন, যা তারেক রহমানের নির্দেশনার অংশ।
সংগঠনটির সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি রীপার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন এবং তারেক রহমানের পক্ষ থেকে গভীর সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
এ সময় প্রতিনিধিদলে সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, ফরহাদ আলী সজীব, রুবেল আমিন ও ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মিসবাহ উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪ সালের ২১ জুলাই রামপুরা সেতুর কাছে আন্দোলনের সময় আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজ। সেদিন তার শরীরে ৪৭টি সিসার ছররা গুলি ও দুটি রাবার বুলেট লাগে। গুরুতর আঘাতের ফলে তার ডান চোখের কোটরে মারাত্মক ক্ষতি হয়; একটি বুলেট তার মস্তিষ্কের ১৪ সেন্টিমিটার গভীরে আটকে রয়েছে, যা তিনি এখনো বহন করছেন।
আহত হওয়ার পর থেকে রীপা দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক জটিলতা এবং বিভিন্ন শারীরিক কষ্টে ভুগছেন। নিয়মিত চিকিৎসার বিপুল খরচ এবং শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে উপার্জনের সুযোগ কমে যাওয়ার ফলে তিনি চরম মানবিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। শত শারীরিক কষ্ট সত্ত্বেও, নিজের চিকিৎসার খরচ জোগাতে তিনি এখনও অন্য রোগীদের সেবা দিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের দাসত্ব করে না।
তিনি উল্লেখ করেন, বিগত নির্বাচনে বিপুল ভোটে ধানের শীষে ভোট দিয়ে বাংলাদেশের হিন্দু সমাজ প্রমাণ করেছে যে তারা কোনো দলের দাসত্ব করে না। বরং, তারা বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারায় বিশ্বাসী।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারীদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার শাড়ি বিতরণকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এদিন বেলা সাড়ে ১১ টায় শিবগঞ্জের উথলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সনাতন ধর্মার্থীদের মাঝে শাড়ি বিতরণ করেন। পরবর্তীতে বেলা ১২টার দিকে মোকামতলা বন্দর সার্বজনীন দুর্গা মন্দির প্রাঙ্গণে পৃথক আরেকটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ধর্মপ্রাণ নারীদের হাতে শাড়ি তুলে দেন।
পূজা উপলক্ষে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব আনন্দমুখর করতে সরকার এবার নির্বাহী আদেশে ছুটি একদিন বৃদ্ধি করেছে। এ ছাড়া প্রতিটি মন্দিরে ৬০০ কেজি চাল বরাদ্দসহ প্রধানমন্ত্রীর ঐচ্ছিক তহবিল থেকে বস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।
মীর শাহে আলম আরও জানান, আগামী ২০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সশরীরে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শনে যাবেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেবেন।
এসময় জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা মুসলমানদের বেহেশতের লোভ দেখায়, আর হিন্দুদের ঢাকের তালে উলুধনি দেয়। এমন দ্বি-মুখী অভিনয় তারা সবসময় করে। ইতোমধ্যেই এমন অভিনেতাদের জনগণ প্রত্যাখান করেছে।
এসময় তিনি মোকামতলা কেন্দ্রীয় পুজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুই উপজেলার ৬৫টি পুজামণ্ডপে নিজস্ব তহবিল থেকে অনুদান বিতরণ করেন তিনি।
শাড়ি বিতরণ পর্ব শেষে দুপুর ১২.৩০ টায় তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশন কর্তৃক আয়োজিত 'প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট'-এর ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের উদ্দেশে সড়কপথে রওনা হন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লাউতারো মার্তিনেজের চোট আর্জেন্টিনার আক্রমণভাগে একটি বড় ধাক্কা হিসেবে এসেছে। তার অনুপস্থিতির সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় বিকল্প হিসেবে ব্রাজিলের ক্লাব পালমেইরাসে খেলা আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হোসে মানুয়েল লোপেজের নাম আলোচনায় উঠে এসেছে। আগামী নভেম্বরে আন্তর্জাতিক বিরতিতে লাউতারো না থাকলে, লোপেজের জন্য জাতীয় দলে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম এল লিবারেল এবং টিওয়াইসি স্পোর্টস জানায়, বাঁ ঊরুর পেশিতে আঘাতের কারণে লাউতারো মার্তিনেজকে প্রায় এক মাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে। এর ফলে নভেম্বরে আর্জেন্টিনার হয়ে তার খেলার সম্ভাবনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে লোপেজের পাশাপাশি সান্তিয়াগো কাস্ত্রোর নামও বিকল্প হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।
পালমেইরাসের হয়ে ২৫ বছর বয়সী লোপেজ দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। চলতি বছরে ক্লাবটির হয়ে ৫৪ ম্যাচে তিনি ২৩ গোল করেছেন এবং সতীর্থদের দিয়ে ১১টি গোল করিয়েছেন।
গোল করার দক্ষতার পাশাপাশি শক্তি এবং আক্রমণে সতীর্থদের যুক্ত করার সামর্থ্যও লোপেজকে এগিয়ে রাখছে। লাউতারো মার্তিনেজের মতো নিচে নেমে খেলা এবং বল হোল্ড করার সক্ষমতা রয়েছে, তাই আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি তার ওপর আস্থা রাখতে পারেন।
সম্প্রতি আর্জেন্টিনার জার্সিতে লোপেজ তার সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন। বলিভিয়ার বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে ৪-০ ব্যবধানের জয়ে তিনি একটি গোল করেছিলেন।
আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) নভেম্বরের আন্তর্জাতিক বিরতিতে উরুগুয়ে ও কোস্টারিকার বিপক্ষে ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ