প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমান চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গুরুতর আহত ও গুলিবিদ্ধ নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজের চিকিৎসার বিষয়টি নজরদারি করেছেন।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নার্স রীপা গোমেজের দুর্দশা সম্পর্কে জানতে পেরে তারেক রহমান তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন, যেন তিনি রীপার খোঁজ নেন।
আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মধ্য বাড্ডার বাজার গলি এলাকায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধিদল রীপা গোমেজের বাসায় উপস্থিত হন, যা তারেক রহমানের নির্দেশনার অংশ।
সংগঠনটির সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি রীপার শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন এবং তারেক রহমানের পক্ষ থেকে গভীর সহমর্মিতা ও সহযোগিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
এ সময় প্রতিনিধিদলে সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, ফরহাদ আলী সজীব, রুবেল আমিন ও ছাত্রদল নেতা আবদুল্লাহ আল মিসবাহ উপস্থিত ছিলেন।
২০২৪ সালের ২১ জুলাই রামপুরা সেতুর কাছে আন্দোলনের সময় আহত ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন নার্স রীপা ফ্রান্সিসকো গোমেজ। সেদিন তার শরীরে ৪৭টি সিসার ছররা গুলি ও দুটি রাবার বুলেট লাগে। গুরুতর আঘাতের ফলে তার ডান চোখের কোটরে মারাত্মক ক্ষতি হয়; একটি বুলেট তার মস্তিষ্কের ১৪ সেন্টিমিটার গভীরে আটকে রয়েছে, যা তিনি এখনো বহন করছেন।
আহত হওয়ার পর থেকে রীপা দৃষ্টিশক্তির মারাত্মক জটিলতা এবং বিভিন্ন শারীরিক কষ্টে ভুগছেন। নিয়মিত চিকিৎসার বিপুল খরচ এবং শারীরিক সীমাবদ্ধতার কারণে উপার্জনের সুযোগ কমে যাওয়ার ফলে তিনি চরম মানবিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। শত শারীরিক কষ্ট সত্ত্বেও, নিজের চিকিৎসার খরচ জোগাতে তিনি এখনও অন্য রোগীদের সেবা দিয়ে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন