ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৮৬ হাজার ৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আসছে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায়


৮৬ হাজার ৭০৯ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান আসছে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায়

চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় সম্মানী ভাতার আওতায় আসবে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজারটি মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার এবং ৩০১টি গির্জা। এসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি মাসেই এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন।

সোমবার (১০ আগস্ট) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত পেশাদারদের জন্য মাসিক সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যে গঠিত সেলের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবের কারাগারে ৭ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি বন্দি: শামা ওবায়েদ

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) ও সেলের সভাপতি মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, গাইবান্দা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফসহ সেলের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে এ সম্মানী ভাতার জন্য প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ১৫টি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। পৌরসভাসমূহের মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে চারটি, ‘খ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে তিনটি এবং ‘গ’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে দুইটি মসজিদ নির্বাচন করা হবে। এছাড়া, সিটি কর্পোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ড থেকে ছয়টি করে মসজিদ নির্বাচন করা হবে।

চলতি অর্থবছরে দেশের প্রতিটি উপজেলা থেকে পাঁচটি মন্দির নির্বাচন করা হবে, যার মধ্যে ‘ক’ শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে দুইটি এবং অন্যান্য শ্রেণির পৌরসভার প্রতিটি থেকে একটি মন্দির নির্বাচন করা হবে। অবশিষ্ট মন্দির ইউনিয়ন পর্যায় থেকে নির্বাচন করা হবে। তবে বৌদ্ধবিহার ও গির্জার সংখ্যা জেলাভিত্তিক ২৫ শতাংশ হারে নির্ধারণ করা হবে।

এই কার্যক্রমের অধীনে নির্বাচিত মসজিদের ইমাম, মন্দিরের পুরোহিত, বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ এবং গির্জার যাজক প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে মাসিক সম্মানী পেয়ে থাকবেন। অন্যদিকে, মসজিদের মুয়াজ্জিন, মন্দিরের সেবাইত, বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ এবং গির্জার সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা এবং মসজিদের খাদেম মাসিক দুই হাজার টাকা সম্মানী পাবেন। সম্মানীর এই অর্থ সরাসরি উপকারভোগীদের ব্যাংক হিসাবে ইএফটির মাধ্যমে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন: জাপানের ইতিহাসে প্রথম হজ পালনকারী শোতারো নোদা

মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদানের জন্য চলতি অর্থবছরে বাজেটে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ধর্মীয় উপাসনালয় রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসছে। পরবর্তী তিন অর্থবছরে ক্রমশ দেশের শতভাগ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয় এ সুবিধার আওতায় আসবে।

এ ব্যাপারে উল্লেখ্য, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬ হাজার ১৭টি নির্বাচিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, পুরোহিত, সেবাইতসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত মোট ১৩ হাজার ৯৪৯ জনকে প্রথমবারের মতো সম্মানী দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার গঠনের একমাসেরও কম সময়ে চলতি বছরের ১৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৩ পি.এম


পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহায়তা নিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিচ্ছে, যাতে ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচার করা ২ হাজার ৫৫৯ মিলিয়ন ডলারের অর্থ-সম্পদ পুনরুদ্ধার করা যায়। এর জন্য ‘নো উইন, নো পে’ ভিত্তিতে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আটটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানেরা ৫০টির বেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে পাচার হওয়া অর্থ-সম্পদ পুনরুদ্ধারে কাজ করবে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খেলাপি ঋণের আড়ালে পাচার হওয়া ব্যাংকের অর্থ ফেরানোর পাশাপাশি খেলাপি ঋণ আদায়েও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার।

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক থেকেই ২০০ কোটি টাকার বেশি লোপাট করে বিদেশে চলে গেছেন এসবি এক্সিম বাংলাদেশ গ্রুপের মালিক। একই খাতায় নাম রয়েছে হাবিব গ্রুপ, এসএসসি স্টিল, ইউনাইটেড গ্রুপসহ ৪২টি প্রতিষ্ঠানের।

এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিঙ্গাপুর, বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড, হংকং, চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাংকের অর্থ পাচার করা হয়েছে। বিএফআইইউর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবসার আড়ালে ঋণ নিয়ে এসব দেশে পাচার হয়েছে ব্যাংকের ২ হাজার ৫৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খেলাপি ঋণের খাতায় থাকা এসব অর্থ ফেরাতে ‘নো উইন, নো পে’ ভিত্তিতে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের আটটি প্রতিষ্ঠানকে পাচার করা অর্থ বা সম্পদ উদ্ধারের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তবে এসব অর্থ ফেরাতে সময় লাগবে। তাই ব্যাংকগুলো সম্পদ উদ্ধারে মেয়াদভিত্তিক পরিকল্পনা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আল-আমিন বলেন, ব্যাংকের সম্পদকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করে কতটুকু আদায়যোগ্য, কতটুকু পাচার হয়ে গেছে এবং কতটুকু কার্যকরভাবে আদায় করা সম্ভব-এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা করা প্রয়োজন। জামানত বা বন্ধক রাখা সম্পত্তির বিপরীতে দেয়া ঋণ উদ্ধারের জন্যও আলাদা পরিকল্পনা নেয়া যেতে পারে।

বিশ্লেষকরা তদারকি করেছেন, খেলাপি ঋণের আড়ালে পাচার হওয়া অর্থের সঙ্গে যুক্ত হওয়া নতুন ঝুঁকি তৈরি করবে পুরো আর্থিক খাতে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক ড. শাহ মো. আহসান হাবিব বলেন, প্রকৃত ঋণঝুঁকি ব্যাংকাররা সামাল দিতে পারেন। কিন্তু ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া অর্থ উদ্ধারের বিষয়টি ভিন্ন। শুধু বর্তমানের খেলাপি ঋণ কমিয়ে ব্যালান্সশিট পরিষ্কার করলেই হবে না। ভবিষ্যতেও যদি একই ধরনের ঘটনা চলতে থাকে, তাহলে ভালো ব্যাংকগুলোও ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এর আগে শেখ হাসিনাসহ তার পরিবার এবং ১০টি শিল্প গ্রুপের বিরুদ্ধে পাচার করা অর্থ পুনরুদ্ধারের কাজও করছে আন্তর্জাতিক এই আটটি প্রতিষ্ঠান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৪৯ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকটি আজ সোমবার বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয় যে, ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তবে বৈঠকটি সম্পর্কে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে কিছুই প্রকাশ করা হয়নি।

আজকের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। ভারতীয় হাইকমিশনার এর আগে গতকাল রবিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে এবং গত ৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
টুঙ্গিপাড়া

সড়ক পারাপারের সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পথচারীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫০ পি.এম


সড়ক পারাপারের সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কা, প্রাণ গেল পথচারীর

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় রাস্তা পারাপারের সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় জাবেদ আলী শেখ (৫৫) নামের এক পথচারী নিহত হয়েছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) ভোর ৫টায় গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এর আগে রবিবার (৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার নিলফা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত পথচারী বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার লড়ারকুল গ্রামের মৃত ইসমাইল শেখের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিলফা বাজারের সড়ক পারাপারের সময় জাবেদ আলী নামের ব্যক্তিকে একটি মোটরসাইকেল ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। তখন রাস্তার মাঝে থাকা বিভাজকে (আইল্যান্ড) ধাক্কা খেয়ে গুরুতর আহত হয় জাবেদ।

পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠায়।

টুঙ্গিপাড়া থানার ওসি আইয়ুব আলী বলেন, ‘রাতে দুর্ঘটনার পর জাবেদ নামের পথচারী সোমবার ভোর ৫টায় গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তবে এঘটনায় নিহতের পরিবার থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। আর কি কারণে তিনি চিতলমারী থেকে টুঙ্গিপাড়া আসছিলেন তা এখনো জানা যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫১ পি.এম


শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

সামাজিক উন্নয়ন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যশোর সদরের ডুশেখ ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলজ গাছের চারা বিতরণ করেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘প্রিসেভ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন’ (পিএসডাব্লিউও)। বিদ্যালয়ের চতুর্থ এবং পঞ্চম শ্রেণির প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়েছে।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পিএসডাব্লিউও কাস ট্রেড-এর চেয়ারম্যান খায়রুল কবির চঞ্চলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সাধারণ) সুজন সরকার। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন সংগঠনের নির্বাহী সদস্য এবং বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী রবি প্লাবন।

তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ পৃথিবী গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে আগ্রহ ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে এডিসি সুজন সরকার বলেন, একটি গাছ কেবল আমাদের ফলই দেয় না, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং অক্সিজেন সরবরাহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে তার পাওয়া চারাটিকে সন্তানের মতো যত্ন নিতে হবে, যেন তা ভবিষ্যতে একটি মহীরুহে পরিণত হয়।

সভাপতির বক্তব্যে খায়রুল কবির চঞ্চল বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই প্রিসেভ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন দীর্ঘ দিন ধরে জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। পরিবেশ রক্ষা ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আমাদের এই কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরে নিবন্ধিত সংগঠন পিএসডাব্লিউও যশোরে স্বাস্থ্যসেবা, প্রতিবন্ধী উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টিসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। স্থানীয় পর্যায়ে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে টেকসই সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই সংগঠনটির মূল লক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%