সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:১৭ পি.এম
ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি আবারও মা হয়েছেন। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে একটি ছোট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে এই সুখবরটি জানান। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, "আলহামদুলিল্লাহ ৩ নাম্বার জন ডান।"
নতুন সন্তানটি ছেলে না মেয়ে, তা সম্পর্কে এখনও কোন তথ্য জানা যায়নি। পরীমনির কোলে থাকা বাচ্চাটির ছবি প্রকাশিত হওয়ার পর ভক্তদের মধ্যে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়েছে।
পরীমনির প্রথম সন্তান শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। ২০২২ সালের ১০ আগস্ট, রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন। অভিনেতা শরিফুল রাজ ও পরীমনির সংসারে জন্ম নেওয়া এই সন্তানের ডাকনাম হলো ‘পুণ্য’।
পরবর্তীতে, ২০২৪ সালে একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেন পরীমনি। মেয়েটির নাম রাখা হয়েছে প্রিয়ম। নতুন সন্তানকে নিয়ে সুখবর দেওয়ার কারণে তিন সন্তানের মা হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে।
তবে নতুন সন্তানের দত্তক নেওয়ার বিষয়টি ছাড়া তার পরিচয়, বয়স বা অন্যান্য তথ্য সম্পর্কে এখনও কিছু প্রকাশ করেননি পরীমনি। এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
৬২ কেজি গাঁজা উদ্ধারের পরও প্রকাশ্যে চলছে মাদক কারবার। এর নেপথ্যে রয়েছে অসাধু সখ্যতা ও অভিযানের আগাম খবরের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ। রাজ্জাক স্মৃতি কলোনি এলাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে।
সরকারের মাদকবিরোধী ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বরিশাল নগরীর কেডিসি ও রাজ্জাক স্মৃতি কলোনি এলাকায় ফের মাদক কারবার শুরু করেছে একটি চিহ্নিত সিন্ডিকেট। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মালেকের স্ত্রী নিলুফা নিলু এবং তার বর্তমান স্বামী রাসেল প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ওই এলাকায় পুনরায় গড়ে তুলেছেন এক বিশাল মাদকের সাম্রাজ্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে মাঝেমধ্যে কিছু খুচরা কারবারি গ্রেপ্তার হলেও মূল হোতা এই মাদক দম্পতি বরাবরই অধরা থেকে যান। সম্প্রতি গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এক অভিযানে ৬২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হলেও সে সময় আটক হননি নিলুফা নিলু। পরে তিনি গ্রেপ্তার হয়ে জেলে গেলেও রহস্যজনকভাবে মাত্র ১৫ দিন জেল খেটে জামিনে মুক্ত হন। জামিনে বের হয়েই তিনি পুনরায় প্রকাশ্যেই মাদকের বড় নেটওয়ার্ক সক্রিয় করে তুলেছেন।
অভিযানের আগাম খবর ফাঁস ও অসাধু সখ্যতার অভিযোগ: 'তালাশ বিডি'র প্রাপ্ত সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে, নিলুফা নিলুর এই অবাধ মাদক কারবারের পেছনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার গোপন আশ্রয় রয়েছে। বিশেষ করে ডিবি পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তা অভিযানের আগাম খবর পৌঁছে দেওয়ার কারণেই তৎকালীন অভিযানে ৬২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা সম্ভব হলেও মূল কারবারি নিলুফা নিলুকে ঘটনাস্থل থেকে আটক করতে সক্ষম হয়নি ডিবির অভিযান টিম। পরবর্তীতে মোটা অঙ্কের অর্থ লেনদেনের বিনিময়ে তাকে 'স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ' করানোর গুঞ্জনও চাউর হয়। এই অদৃশ্য শক্তির ওপর ভর করেই এত বড় চালানের মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও মাত্র ১৫ দিনে জামিনে বেরিয়ে এসে ফের একই অপরাধে লিপ্ত হয়েছেন তিনি।
আইনকে তোয়াক্কা না করায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী: স্থানীয় বাসিন্দাদের চরম ক্ষোভ ও অভিযোগ, একাধিক অভিযান, মামলা কিংবা জেল খাটার পরও নিলুফা-রাসেল দম্পতি কোনো আইনি তোয়াক্কা না করে কেডিসি ও তৎসংলগ্ন রাজ্জাক স্মৃতি কলোনি এলাকায় অবাধে মাদক বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের এই অপতৎপরতা অতি দ্রুত বন্ধ করা না গেলে বরিশাল নগরীর তরুণ ও যুবসমাজ পুরোপুরি ধ্বংসের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য: এ বিষয়ে অনলাইন নিউজ পোর্টাল 'তালাশ বিডি'র পক্ষ থেকে উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) সুশান্ত সরকার, পিপিএম-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। অতি দ্রুত অভিযান চালিয়ে নিলুফা নিলু ও তার স্বামী রাসেলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে এবং রাজ্জাক স্মৃতি কলোনিতে যেকোনো সময় বড় ধরনের বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
মাদকের এই ভয়াল থাবা থেকে কেডিসি ও রাজ্জাক স্মৃতি কলোনি এলাকাকে পুরোপুরি মুক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ কামনা করেছেন নগরীর সচেতন নাগরিকরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুলাউড়া পৌরবাসীর জন্য নির্মিত ড্রেন বর্তমানে জলাবদ্ধতা দূর করার পরিবর্তে ম-র/ণফাঁ/দ হয়ে উঠেছে।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরসভায় জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধানের উদ্দেশ্যে নির্মাণাধীন ড্রেন এখন স্থানীয়দের জন্য দুর্ভোগ ও ঝুঁকির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় ড্রেনে জমেছে ময়লা-আবর্জনা। এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা এবং দুর্গন্ধ। স্থানীয় বাসিন্দা ও পথচারীরা এই পরিস্থিতির কারণে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
টিম জার্নালিস্টের অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর পৌর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে অসম্পূর্ণ অবস্থায় থাকা ড্রেনের অবশিষ্ট নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা ও তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার পর অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ড্রেন এবং তার আশপাশের এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, যদি দ্রুত ড্রেনের নির্মাণকাজ শেষ করা হয় এবং এটি নিরাপদ ও কার্যকরভাবে ব্যবহারের উপযোগী করা যায়, তাহলে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, দুর্গন্ধ এবং ময়লা-আবর্জনার দুর্ভোগ থেকে পৌরবাসী স্বস্তি পাবেন।
এখন দেখার বিষয় হলো, পৌর কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী অসম্পূর্ণ কাজ কত দ্রুত সম্পন্ন হয় এবং পৌরবাসীর দুর্ভোগ কতটা কমে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাত্র ১৬ বছর বয়সে একের পর এক রেকর্ড নিজের নামে লেখাচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ফুটবলার কাভান সুলিভান। তিনি এবার মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ইতিহাসে প্রথম টিনেজার হিসেবে টানা পাঁচ ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট করে নতুন কীর্তি গড়েছেন ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের হয়ে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সিএফ মন্ট্রিলের বিরুদ্ধে ফিলাডেলফিয়ার ২-০ গোলের জয়ে দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন কাভান। ৫৭ মিনিটে ড্যানলে জিন জ্যাকেস গোল করে ফিলাডেলফিয়াকে এগিয়ে দেওয়ার পর ৭৫ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এই ১৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।
বক্সের ভেতরে সতীর্থের শট গোলরক্ষকের বাধায় ফিরে আসার পর দ্রুত বলের গতিপথ বুঝে জায়গা করে নেন কাভান। এরপর একাধিক প্রতিপক্ষের বাধা অতিক্রম করে প্রথম শটেই বল জালে পাঠান তিনি।
এই গোলের ফলে চলতি মৌসুমে ফিলাডেলফিয়ার হয়ে কাভানের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে চারটি। এর সঙ্গে রয়েছে সাতটি অ্যাসিস্ট। অর্থাৎ চলতি মৌসুমে ১১টি গোলে সরাসরি অবদান রেখেছেন তিনি।
এতে ১৬ বছর বা তার কম বয়সী খেলোয়াড়দের মধ্যে এক মৌসুমে সবচেয়ে বেশি গোল-অবদানের রেকর্ডটিও নিজের করে নিয়েছেন কাভান। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল সাবেক মার্কিন তারকা ফ্রেডি আদুরের। ২০০৫ সালে ১৬ বছর বয়সে চার গোল ও ছয় অ্যাসিস্ট মিলিয়ে ১০টি গোলে অবদান রেখেছিলেন আদু।
এর আগে টানা চার ম্যাচে গোল বা অ্যাসিস্ট করে রেকর্ড গড়েছিলেন কাভান। ১৬ বছর ৩৩৬ দিন বয়সে তিনি এমএলএসের ইতিহাসে টানা চার ম্যাচে গোল-অবদান রাখা সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত হন। এবার সেই রেকর্ডের ধারাবাহিকতা আরও এক ম্যাচ বাড়িয়ে পাঁচে নিয়ে গেলেন তিনি।
কাভানের এই কীর্তিতে ফিলাডেলফিয়ার অপরাজিত থাকার ধারাও বেড়ে হয়েছে আট ম্যাচ। মাত্র ১৬ বছর বয়সে এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে এমএলএসে কাভানকে ঘিরে প্রত্যাশাও ক্রমেই বাড়ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আগস্ট মাসে দেশের সড়ক দুর্ঘটনার সংখ্যা ৫১৩টি, যার ফলে অন্তত ৪৮১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুর্ঘটনাগুলোর কারণে আরও ৬৬৪ জন আহত হয়েছেন। জুলাইয়ের তুলনায় আগস্ট মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রতিদিন গড়ে প্রাণহানির হার ১৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংস্থাটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজেদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জুলাই মাসে সড়কে প্রতিদিন গড়ে ১৩ দশমিক ৪১ জন নিহত হন। আগস্টে এই সংখ্যা বেড়ে ১৫ দশমিক ৫১ জনে পৌঁছেছে। নিহত ৪৮১ জনের মধ্যে ৬১ জন নারী এবং ৫৮ জন শিশু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার সংখ্যা ও প্রাণহানির হার একক খাত হিসেবে সবচেয়ে বেশি। আগস্ট মাসে ১৮৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৬ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৩৬ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এছাড়া দুর্ঘটনায় ১০২ জন পথচারী এবং বিভিন্ন যানবাহনের ৬৭ জন চালক ও সহকারী প্রাণ হারিয়েছেন।
সড়কের ধরন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আগস্ট মাসে সর্বাধিক ৪২ দশমিক ৩০ শতাংশ (২১৭টি) দুর্ঘটনা আঞ্চলিক সড়কে ঘটেছে। জাতীয় মহাসড়কে ১৬৩টি, গ্রামীণ সড়কে ৬২টি এবং শহরের সড়কে ৭১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে যানবাহনের নিয়ন্ত্রণ হারানো (৩৮ শতাংশ) এবং মুখোমুখি সংঘর্ষ উল্লেখ করা হয়েছে।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৭২টি দুর্ঘটনায় ১৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। জেলা ভিত্তিতে সর্বাধিক ৩৭ জন নিহত হয়েছেন বগুড়ায়। রাজধানী ঢাকায় ৪৮টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ৫৪ জন আহত হয়েছেন। সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি একই সময়ে দেশে ৭টি নৌ-দুর্ঘটনায় ৬ জন এবং ৩৪টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ২৭ জন নিহত হয়েছেন।
সড়কে মৃত্যুর এই মিছিল থামানোর জন্য বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, দক্ষ চালক তৈরি, বিআরটিএর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, মহাসড়কে ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক সার্ভিস রোড নির্মাণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ