বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:২০ এম
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন যে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ছিল এদেশের জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ফসল এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনর্জীবিত করার একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) জাতীয় সংসদ সচিবালয় কর্তৃক আয়োজিত 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬' উপলক্ষে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নূরুল ইসলাম আরও বলেন, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের মাধ্যমে দেশ স্বাধীন হলেও, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সেই স্বাধীনতাকে সুসংহত করার এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার নবদিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে।
চিফ হুইপ বলেছেন, বিগত 'মাফিয়া' সরকার এদেশ থেকে ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে, people's বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার ধ্বংস করেছে এবং 'আয়নাঘর' ও জেল-জুলুমের মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী ও কার্যকর ভূমিকার কথাও তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন।
নূরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সংসদের গত পাঁচটি মাসে আমরা দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন (রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাজেট অধিবেশন) অত্যন্ত সফলভাবে সম্পন্ন করেছি।
একটি উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত তুলে ধরে তিনি জানান, দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাননীয় সংসদ সদস্যরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, তারা কোনো ট্যাক্স-ফ্রি গাড়ি বা সরকারি প্লট গ্রহণ করবেন না।
এছাড়াও তেল ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সংকট সমাধানে সংসদ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেছে এবং ইতিমধ্যেই সুফল পেয়েছে।
নূরুল ইসলাম বলেছেন, আমরা সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার যাই বলি না কেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠন করা।
তিনি ভারতের সংবিধানের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, ৭৬ বছরে তারা ১০৬ বার সংশোধন করেছে; তাই প্রয়োজন অনুযায়ী আমাদের সংবিধানেও সব কিছু অন্তর্ভুক্ত করা হবে যেন নতুন প্রজন্ম একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম সুখী-সমৃদ্ধ দেশ পায়।
সরকারি ও বিরোধীদলের সব সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে চিফ হুইপ বলেছেন, আসুন, আমরা আমাদের সব সমস্যা নিয়ে পার্লামেন্টে আলোচনা করি। পার্লামেন্টই সব সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে।
তিনি দেশে একটি টেকসই ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক কাঠামো নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজপথের পরিবর্তে সংসদকে কার্যকর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।
এ সময় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এখন থেকে সৌদি আরবে কর্মস্থলে বাংলাদেশী কর্মীদের কোনো কারণে যদি মূল নিয়োগকর্তা বা কফিল আকামা নবায়ন না করে, তাহলে কর্মীরা দ্রুততম সময়ে অন্য কোনো নিয়োগকর্তা বা কফিলের অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন। এ কথা জানিয়েছেন দেশটির ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা।
এই তথ্য জানা যায় মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর অফিস কক্ষে সৌদি আরবের ডেপুটি মিনিস্টার অব ফরেন কনস্যুলার ড. মোহাম্মদ এ এম আলশামেরি এবং আল-ঈসার এক সৌজন্য সাক্ষাতে। সাক্ষাতের শুরুতেই আল-ঈসা বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য একটি বিশেষ সুখবর দেন। তিনি বলেন, বর্তমানে যদি সৌদি আরবে কর্মস্থলে বাংলাদেশী কর্মীদের আকামা প্রধান নিয়োগকর্তা বা কফিল নবায়ন না করে, তবে তারা দ্রুত অন্য কোনো নিয়োগকর্তা বা কফিলের অধীনে আকামা নবায়ন করতে পারবেন। এতে আইনগত কোনো বাধা থাকবে না হর্ষজনকভাবে জানান তিনি।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উভয় দেশের শ্রম সহযোগিতা জোরদারকরণে বিভিন্ন প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে থাকা প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে গৃহকর্মী নিয়োগ চুক্তি, শ্রম দক্ষতা যাচাইকরণ প্রোগ্রাম (এসভিপি) চুক্তি এবং সাধারণ কর্মী নিয়োগ চুক্তির আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা ও নবায়ন সংক্রান্ত প্রস্তাব। একইসাথে সুবিধাজনক সময়ে যৌথ কমিশন এবং যৌথ প্রযুক্তিগত কমিটির বৈঠক আয়োজনের জন্য আহ্বান জানানো হয়।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সৌজন্য সাক্ষাতের সময় সৌদি ডেপুটি মিনিস্টার অব ফরেন কনস্যুলার ড. মোহাম্মদ এ এম আলশামেরি এবং ডেপুটি মিনিস্টার অব হিউম্যান রিসোর্সেস মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ঈসা উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আরবি ভাষা প্রশিক্ষণ, সৌদি আইন, সংস্কৃতি ও রীতিনীতি জানার জন্য যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশে একটি ‘সৌদি-বাংলাদেশ যৌথ কারিগরি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করা হয়।
তাছাড়া, স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, আইটি এবং হসপিটালিটিসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে দক্ষ এবং পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ সহজতর করতে কারিগরি, ভোকেশনাল এবং পেশাগত যোগ্যতার পারস্পরিক স্বীকৃতির জন্য একটি ফ্রেমওয়ার্ক তৈরির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
একইসাথে বাংলাদেশী কর্মীদের জন্য সময়মতো ওয়ার্ক পারমিট (ওয়ার্ক ভিসা) ও আকামা ইস্যু এবং নবায়ন নিশ্চিত করতে অনুরোধ জানানো হয়। এছাড়া, ওয়ার্ক পারমিটের বর্ধিত ফি নিয়ে কিছু নিয়োগকর্তা যে বিলম্ব ঘটাচ্ছে, তা সমাধানের জন্য সৌদি সরকারের সহযোগিতা প্রার্থনা করা হয়।
আরিফুল হক চৌধুরী সৌদি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে মন্তব্য করেন कि বাংলাদেশ এবং সৌদি আরবের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বাংলাদেশী কর্মীরা সৌদি আরবে সার্বিক উন্নয়ন ঘটাতে যেমন অবদান রাখছেন, তেমনি রেমিট্যান্স পাঠানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্যও তারা গুরুত্বপূর্ণ।
এসময় মন্ত্রী উল্লেখ করেন, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আরবি ভাষায় বেশ দক্ষ; তাই তাদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির জন্য তিনি বিশেষভাবে আহ্বান জানান।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক ২০৩৪ সালে সৌদি আরবে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশ থেকে আরো বেশি দক্ষ শ্রমিক নেওয়ার অনুরোধ জানান। এসময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ থেকে গমনকারী মহিলা গৃহকর্মীদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব আসন্ন পবিত্র রমজান এবং ঈদ উপলক্ষে সৌদি আরবে সফর করে আটক থাকা বাংলাদেশী কর্মীদের সাধারণ ক্ষমার আওতায় আনার আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের প্রস্তাবনার জবাবে আল-ঈসা স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, আইটি এবং হসপিটালিটিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বাংলাদেশ থেকে দক্ষ এবং পেশাদার কর্মী নিয়োগে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, কর্মীদের অধিকার সুরক্ষায় ইতোমধ্যে ওয়েজ প্রটেকশন সিস্টেম এবং ইন্স্যুরেন্স নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া, সফর করে আটক বাংলাদেশী কর্মীদের সঙ্গে সিরিয়া সরকারের সঙ্গে তথ্য আদান প্রদানের পর তাদের ক্ষমার বিষয়টি নিয়ে তারা গুরুত্ব সহকারে কাজ করবেন বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের সৌদি আরবে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়া, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. শাকিরুল ইসলাম খানসহ পররাষ্ট্র ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে গ্যাস, হাম ও ডেঙ্গুসহ সব ধরনের সংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কাজ করে যাচ্ছেন।
তার অঙ্গীকার মোতাবেক জনগণকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি কাজ করছেন। তবে, সরকারের ব্যর্থতা নিশ্চিত করতে দেশের বিরুদ্ধে একটি দল চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়েও তাঁকে ব্যর্থ করতে নানা চক্রান্ত হয়েছে এবং এখনো তেমনই চক্রান্ত অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, ভারত শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ দিয়ে জুলাই শহীদদের অসম্মান করেছে। কারণ, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের থেকে পলাতক একজন আসামি। তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে এবং নানা খুনের মামলা, দুর্নীতির মামলায় তার বিচার চলছে। সে একটি দেশে পালিয়ে গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন করেছে।
এই দিবসটি উপলক্ষ্যে গতকাল একটি স্মারক সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। এতে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিকগণ, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক প্রকাশ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান। একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই গণঅভ্যুত্থান জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের একটি প্রতীক।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সরকারের ‘থ্রি আর’ কৌশল—রিকভারি, রেস্টোরেশন এবং রিকনস্ট্রাকশন এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং জানান, এই কৌশলের লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা পুনর্গঠন করা এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুসংহত করা। একই সঙ্গে তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে আন্দোলনের পটভূমি, তার তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান এবং সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী মাহবুব আলী খান-এর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
আজ সকালে, রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থান-এ মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তিনি।
শ্রদ্ধা নিবেদন করার পর প্রশাসক মরহুম মাহবুব আলী খানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময়, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মো. হুমায়ুন কবির এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে, মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ বাদ জোহর ডিএনসিসির কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ