সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৮ পি.এম
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান নগর পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগণের প্রয়োজনের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল আরবান ফোরাম-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।
মন্ত্রী বলেন, নগরায়ণকে শুধুমাত্র বড় ভবন, সড়ক, পানি সরবরাহ এবং স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং নগরের মানুষের জীবনযাত্রার মান, সুখ এবং স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা নগর উন্নয়নের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, পরিকল্পনা প্রণয়নের সময় সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগণের কথা বিশেষভাবে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। কারণ বিত্তবানরা নিজেদের প্রয়োজন অনেকাংশে পূরণ করতে সক্ষম হলেও দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগণের জীবনমান উন্নয়নে রাষ্ট্র এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকা অপরিহার্য।
মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রান্তিক জনগণের উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, নগরায়ণের সঙ্গে স্থানীয় সরকার এবং কার্যকর শাসনব্যবস্থা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত।
স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউএনডিপি এবং যুক্তরাজ্য সরকারের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই ফোরামে পল্লী এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, জনস্বাস্থ্য, নগর উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং কার্যকর নগরসেবা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উন্নয়ন সহযোগী, শিক্ষার্থী এবং বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সংসদ ভবন, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী, সহজলভ্য, মানবিক ও প্রবাসীবান্ধব হজ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ২০২৬ সালের তুলনায় ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের মূল খরচ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।
আজ জাতীয় সংসদে সরকারি দলের সদস্য আনিসুর রহমানের (মাদারীপুর-৩) এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে ধর্মমন্ত্রী এ তথ্য উপস্থাপন করেন।
মন্ত্রী জানান, মাদারীপুর-৩ আসনসহ সারা দেশের মুসলমানদের সুসংবাদ দিয়ে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজের সম্ভাব্য ব্যয় ২০২৬ সালের সার্বিক হজের খরচের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, হজ ব্যবস্থাপনা একটি দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া হওয়ায় এর মোট বায় নির্ধারণ মূলত সৌদি আরব ও বাংলাদেশ অংশ—এই দুই ভাগে বিভক্ত। মোট খরচের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ অংশই সৌদি আরব অংশে ব্যয় হয়। এর মধ্যে মিনা ও আরাফাতে তাঁবু ভাড়া, স্থানীয় যাতায়াত ব্যবস্থা, মিনা, মক্কা ও মদিনায় আবাসন, কোরবানি, ভিসা এবং স্বাস্থ্য বীমা ফি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
অন্যদিকে অবশিষ্ট এক-চতুর্থাংশ ব্যয় বাংলাদেশের অংশে পড়ে, যার সিংহভাগই বিমান ভাড়া খাতভুক্ত।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, ২০২৬ সালে খাবারের খরচ ব্যতিরেকে সরকারের সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের মূল্য ছিল ৪ লাখ ৬৭ হাজার ১৩৭ টাকা।
তিনি ব্যাখ্যা করে জানান, চলতি বছর (২০২৭) হজযাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মূল প্যাকেজের সঙ্গেই খাবারের খরচ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে; যা মূল হজের খরচে ৩৯ হাজার ৫০৮ টাকা যুক্ত করেছে।
কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন বলেন, সৌদি সরকার মিনা ও আরাফাতের জন্য পূর্বের সর্বনিম্ন ‘ডি-ক্যাটাগরি’ সেবা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় সামগ্রিক হজের খরচ আরও ৭০০ সৌদি রিয়াল বৃদ্ধি পায়, যা দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি রিয়াল ৩৩ টাকা ২০ পয়সা ধরে) প্রায় ২৩ হাজার ২৪০ টাকা। এ ছাড়া বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের কারণে ব্যয় বেড়েছে আরও ৩ হাজার ৮২৫ টাকা।
ধর্মমন্ত্রী বলেন, উপরোক্ত সৌদি অংশের খরচ ও খাবারের মূল্য যুক্ত করার পর বিগত বছরের মূল প্যাকেজ কাঠামো অপরিবর্তিত রাখা হলে এ বছর সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজ দাঁড়াত ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৭৪০ টাকা।
তবে পরিস্থিতি সামলাতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত ও কূটনৈতিক হস্তক্ষেপে আগের বছরের তুলনায় বিমান ভাড়া এক ধাক্কায় ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো সম্ভব হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।
তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “হজ ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বিমান ভাড়া একবারে ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা কমানো বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।”
ধর্মমন্ত্রী আরও জানান, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ধারাবাহিক পর্যালোচনার মাধ্যমে অন্যান্য স্থানীয় ও প্রশাসনিক খাতেও ব্যয় সংকোচন করা হয়েছে। ফলে সমস্ত নতুন খরচ যুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ২০২৭ সালের জন্য পুনর্নির্ধারিত সর্বনিম্ন হজ প্যাকেজের চূড়ান্ত মূল্য ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকায় নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, হজের সেবা ব্যবস্থাপনা ও মূল্যমান নিয়ে সৌদি সরকারের বিভিন্ন সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
বিশেষ করে মিনা ও আরাফাতে বাংলাদেশি হাজিদের জন্য আগের সর্বনিম্ন সেবা প্যাকেজটি বহাল রাখা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতির জন্য অতিরিক্ত আবাসন ব্যবস্থা বা ব্যাকআপ কোটা ১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২ শতাংশে উন্নীত করতে সৌদি কর্তৃপক্ষকে রাজি করানোর জোরালো প্রচেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, এ সব কূটনৈতিক উদ্যোগ সফল হলে হজের সার্বিক ব্যয় আগামীতে আরও কমানো এবং বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনাকে আন্তর্জাতিক মানের স্তরে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভাতিজা রিফাত হোসেনকে (১২) অপহরণের পর ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ চেয়ে পরে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় চাচা মাসুম বিল্লাহকে (২৯) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একইসঙ্গে, তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে আরো ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে পরিণত হবে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক এ কে এম রকিবুল হাসান আসামির উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. আব্দুস সামাদ কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মাসুম বিল্লাহ পিরোজপুরের নেছারাবাদ থানার বলদিয়া এলাকার মো. জাকির হোসেনের সন্তান। তিনি নারায়ণগঞ্জের দক্ষিণ রূপসী এলাকায় বসবাস করতেন।
নিহত রিফাত হোসেন একই এলাকার রাসেল মোল্লার ছেলে। সে তার মায়ের সঙ্গে দক্ষিণ রূপসীর একটি ভাড়া বাসায় বাস করত। রিফাত স্থানীয় কাজী মহিউদ্দিন মডেল হাই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
মামলার অভিযোগ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ রমজান মাসে রোজা রেখে জোহরের নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয় রিফাত।
এ সময় তার চাচা মাসুম বিল্লাহ তাকে অপহরণ করে। পরে রিফাতের পরিবারের কাছে ফোন করে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
তবে রিফাতের মা সুফিয়া আক্তার মুক্তিপণের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। এরপর রিফাতকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে মরদেহ ফেলে রাখা হয়।
ওই রাতেই মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রিফাতের মা তার ছেলের মরদেহ শনাক্ত করেন।
হত্যাকাণ্ডের পর মাসুম বিল্লাহ তার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরে চলে যান। সেখানে গিয়ে নেছারাবাদ থানায় আত্মসমর্পণ করেন। পরে তিনি পুলিশের কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
নারায়ণগঞ্জ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মো. মানিক মিয়া বলেন, ‘এটি একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা। রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত আসামি মাসুম বিল্লাহকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তামিলনাড়ুর বিধানসভা অধিবেশনের সময় রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী সি. জোসেফ বিজয় একটি মানবিকতার উদাহরণ স্থাপন করেন। বিধানসভায় চলমান হট্টগোলের মাঝে বিরোধী ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরনকে সাহায্য করে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করছেন।
চেয়ার থেকে উঠতে অক্ষম বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন থালাপতি। অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া বিজয় স্পিকারের আসনের সামনে ডিএমকে বিধায়কদের অবস্থান ধর্মঘটের সময় এই মানবিক এবং সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর এই মানবিক পদক্ষেপ দেখে শাসক ও বিরোধী উভয় দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে তা স্বাগত জানান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন মন্ত্রী ও আইনপ্রণেতারা বিজয়ের এই আচরণের প্রশংসা করছেন।
রাজনৈতিক মতপার্থক্য ভুলে আইনসভার উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও এমন মানবিক আচরণ একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
ডিএমকে বিধায়কেরা মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের বক্তব্যের জবাব দেওয়ার সুযোগ খুঁজছিলেন। কিন্তু কথা বলার সুযোগ না পেয়ে তারা বিধানসভা কক্ষ থেকে ওয়াকআউটের সিদ্ধান্ত নেন। তবে এই প্রতিবাদের মাঝেও তিরুভাইয়ারুর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন নিজের আসনে বসে থাকেন।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চন্দ্রশেখরন ওয়াকআউটে যোগ না দেওয়ায় বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের নজরে আসে। তিনি তখন ওই বিধায়কের কাছে জানতে চান কেন তিনি অন্য ডিএমকে নেতাদের সঙ্গে বাইরে যাচ্ছেন না। জবাবে চন্দ্রশেখরন জানান, তিনি আসন থেকে উঠতে পারছেন না।
বিজয় তখন অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন, "‘আপনি উঠতে পারছেন না মানে কী?’" এরপর মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নিজের আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং চন্দ্রশেখরনকে সোজা হয়ে দাঁড়াতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিক সহায়তার পর ডিএমকে বিধায়ক দুরাই চন্দ্রশেখরন হাত জোড় করে বিজয়কে ধন্যবাদ জানান এবং পরে অন্যান্য দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে ওয়াকআউটে যোগ দেন।
এই কথোপকথনটি বিধানসভার মন্ত্রী ও অন্যান্য সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে, যাঁরা টেবিলে চাপড়ে বিজয়ের এই সৌজন্যের প্রশংসা করেন বলে জানা গেছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এই কথোপকথনের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় চন্দ্রশেখরকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করার পর নিজের আসনে ফিরে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এখন পর্যন্ত সিনেমাটির সেট থেকে প্রকাশিত হয়েছে রণবীরের বেশ কিছু ঝলক। এই ছবি ও ভিডিওগুলো সামনে আসার পর, রণবীরের লুক সম্পর্কে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।রণবীরকে দেখা গেছে লম্বা চুল, গালভর্তি দাড়ি এবং কালো পোশাকে। তার এই লুক ‘ধুরন্ধর’-এর লুকের সঙ্গে অনেকটাই সাদৃশ্যপূর্ণ।এ কারণে প্রশ্ন উঠেছে, ‘প্রলয়’-এও কি রণবীরকে সেই রাফ অ্যান্ড টাফ অবতারে দেখা যাবে?
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে অভিনেতার শুটিংয়ের একটি ভিডিও। সেখানে রঙিন চশমা সামান্য নামিয়ে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। তার তীক্ষ্ণ দৃষ্টি এবং রুক্ষ চেহারা অনুরাগীদের নজর কেড়েছে।‘প্রলয়’-এ রণবীরের সহ-অভিনেত্রী হিসেবে রয়েছেন কল্যাণী প্রিয়দর্শন।
এই সিনেমার মাধ্যমে দক্ষিণী অভিনেত্রীর বলিউডে অভিষেক ঘটতে যাচ্ছে। শুটিংয়ের একটি দৃশ্যে রণবীরকে পিঠে একটি শিশুকে নিয়ে হেঁটে আসতে দেখা গেছে। ধুলো-কাদায় ভরা পথ ধরে শিশুটিকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
রণবীরের এই নতুন লুক দেখে অনেকের ধারণা, ‘ধুরন্ধর’-এর পর আবারও বড় কোনো চমক দিতে চলেছেন তিনি। প্রকাশ্যে আসা শুটিংয়ের ঝলক অন্তত তেমনই ইঙ্গিত করছে।
জানা গেছে, ‘প্রলয়’-এর গল্পে ভয়াবহ এক পরিস্থিতির চিত্রায়ণ করা হবে। জম্বি আক্রমণের পাশাপাশি মারাত্মক মহামারীর প্রেক্ষাপটে এগোবে সিনেমার কাহিনি। ফলে রণবীরের এই নতুন সিনেমা নিয়ে ইতিমধ্যে দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
এর আগে শোনা গিয়েছিল, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের পাশে থাকার জন্য রণবীর অভিনয় থেকে দীর্ঘ বিরতি নিতে পারেন। এমনকি ২০২৭ সালে নতুন করে কাজে ফেরার কথাও শোনা যায়। তবে তার আগেই ‘প্রলয়’-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ