ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরান যুদ্ধের ফায়দা তুলছে চীন!


ইরান যুদ্ধের ফায়দা তুলছে চীন!

ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণে একটি নতুন অবস্থান তৈরি করছে চীন। যুদ্ধের শুরুতে বেইজিং মিত্র সরকার হারানোর আশঙ্কায় ছিল, কিন্তু এখন শান্তির মধ্যস্থতাকারী শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, এই সংঘাতের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে এবং বৈশ্বিক নেতৃত্বের পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা চলছে।

ফেব্রুয়ারির শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় ইরান একটি বড় সংকটের সম্মুখীন হয়, তখন চীন কৌশলগত অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিল। বেইজিং আশঙ্কা করেছিল, ভেনেজুয়েলার মতো তাদের আরেকটি মিত্র সরকার হয়তো পতনের মুখে। তবে কয়েক মাসের যুদ্ধ ও আলোচনার পর মাসুদ পেজেশকিয়ান সরকার টিকে গেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত ওয়াশিংটনের শক্তির সীমাবদ্ধতার উদাহরণ হিসেবে প্রকৃতপক্ষে আলোচিত হচ্ছে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে চীন নিজেকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পক্ষে থাকা শক্তি হিসেবে প্রমাণ করতে চায়। একের পর এক বিদেশি নেতার আতিথ্য দেওয়া এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতাকে স্বাগত জানিয়ে বেইজিং তার কূটনৈতিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পও চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

আরও পড়ুন: বিল গেটসের ৭১তম জন্মদিনে দানের ঘোষণা, সম্পদের প্রায় সবটাই মানবকল্যাণে

যুদ্ধের সময় চীন একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান অভিযানের সমালোচনা করেছে, অন্যদিকে তেহরানের সাথে যোগাযোগও ধরে রেখেছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইরানের তেল কেনা অব্যাহত রেখেছে এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় নিজেকে প্রস্তুত রেখে চীনের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

ইরান সংকটের পর চীনা বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা চলছে, এটি কি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন 'সুয়েজ মুহূর্ত' হতে পারে! অর্থাৎ এমন একটি মোড় যেখানে একটি সংঘাত বিশ্ব নেতৃত্বের ভারসাম্যকে পরিবর্তন করতে পারে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সংঘাত চীনের জন্য একটি বড় কূটনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। সার্বভৌমত্ব, হস্তক্ষেপ না করা এবং রাজনৈতিক সমাধানের বার্তা দিয়ে বেইজিং অনেক দেশের কাছে বিকল্প মডেল হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চাচ্ছে। তবে চীন বিশ্বে প্রধান শক্তি হয়ে উঠবে কি না, তা দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সক্ষমতার ওপর নির্ভর করছে।

আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, প্রধান অতিথি এম আকবর আলী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তারল্যের প্রাচুর্যেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ভাটা কেন?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


তারল্যের প্রাচুর্যেও বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে ভাটা কেন?

দেশের ব্যাংক খাতে বর্তমানে ৩ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকার বেশি তারল্য রয়েছে। এর মধ্যে অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে, বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ হাজার কোটি টাকার একটি নতুন স্কিম ঘোষণা করেছে। তবে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির মতে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত না হলে, বেসরকারি খাত ঋণ নিতে খুব একটা আগ্রহ দেখাবে না।

অন্যদিকে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর না হলে, কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, এসএমই খাতের বিকাশ, রফতানি আয় এবং ভোগব্যয়ের সক্ষমতা অনেকাংশেই বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল।

বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এটি গড়ে ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ ছিল। কোভিড-পরবর্তী সময়ে দুই বছর প্রবৃদ্ধি কমে এলেও, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের প্রভাবে ২০২১ সালে ঋণ প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশে পৌঁছায়।

তবে ২০২৪ সাল থেকে আবারও ঋণ প্রবৃদ্ধি কমতে শুরু করে। ২০১৯ থেকে ২০২৫ অর্থবছর পর্যন্ত গড় ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, কঠোর মুদ্রানীতি, জ্বালানি খাতের অস্থিরতা, দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং খেলাপি ঋণের চাপের কারণে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে পিছিয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এরই প্রভাব পড়ে শিল্প খাতে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে শিল্প খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে, যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হন লাখ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ২৫ হাজার কোটি টাকার স্কিম চালু করেছে, যাতে বিনিয়োগ বাড়াতে এবং অর্থনীতিতে নতুন গতি আনতে সহায়তা হয়।

তবে, শুধু অর্থের জোগান দিলেই কাঙ্ক্ষিত ফল মিলবে না বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যানশিয়াল স্ট্যাবিলিটি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক মো. শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, ঋণ নেয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা কিছুটা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। এর অন্যতম কারণ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, বিশেষ করে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট। পাশাপাশি, জ্বালানির মূল্যও বেড়েছে। সব মিলিয়ে বেসরকারি খাত বিনিয়োগে উৎসাহ পাচ্ছে না। সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো উপযুক্ত বিনিয়োগ পরিবেশ তৈরি করা। শুধু ব্যাংক খাতে তারল্য বাড়ালেই কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।

অবকাঠামো ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত না হলে কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের ইশতেহার বাধাগ্রস্থ হবে বলে শঙ্কা অর্থনীতিবিদদের। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অর্থনীতির প্রধান প্রতিবন্ধকতা এখন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট। এসব সমস্যা সমাধান না করে, শুধু ঋণ সুবিধা দেয়া হলে দুই ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। একদিকে উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে আগ্রহী নাও হতে পারেন, অন্যদিকে ঋণ নিলেও ব্যবসা সচল রাখার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হলে তা ভবিষ্যতে খেলাপি ঋণে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

এদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয় ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, গত ১৭ বছরে দেশের জ্বালানি খাত অদ্যাবধি আমদানিনির্ভরই রয়ে গেছে। তবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলেও, বিকল্প পথ ব্যবহার করে জ্বালানি আমদানির প্রস্তুতি রয়েছে। একই সঙ্গে, জ্বালানিতে স্বনির্ভরতা বাড়াতে বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করা এবং দেশের অভ্যন্তরে নতুন জ্বালানি উৎস অনুসন্ধানে বিদেশি সহযোগিতা নেয়ার উদ্যোগও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ গানকে ভালোবাসার দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ এম


আজ গানকে ভালোবাসার দিন

আজ বিশ্ব সংগীত দিবস। প্রতি বছর ২১ জুন সারা বিশ্বে উদ্‌যাপিত হয় এই দিবসটি। পৃথিবীতে শান্তি ও ইতিবাচক চিন্তাকে ছড়িয়ে দিতে এই দিবসের উদ্‌যাপন করা হয়।

সংগীত এবং সুর নির্দিষ্ট কোনো দেশের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না, তাই গানের এই ভাষাকে সর্বজনীন ভাষা বলা হয়ে থাকে।

এই দিবসটির সঙ্গে ফ্রান্সের উৎসব 'ফেট ডে লা মিউজক' (বিশ্বজুড়ে সংগীতের দিন) উৎসবের যোগসূত্র রয়েছে। শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে বিখ্যাত দেশ ফ্রান্সই বিশ্ব সংগীত দিবস উদ্‌যাপনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে এসেছে।

কারণ, ১৯৮১ সালে ফ্রান্সের সাংস্কৃতিক মন্ত্রী জ্যাক লাঙ এই উৎসবের একটি আন্তর্জাতিক রূপ দেয়ার চেষ্টা করেন। এরপর অব্যাহত প্রচেষ্টায় ১৯৮২ সালে বিশেষ এই সংগীত উৎসবের দিনটিই 'ওয়ার্ল্ড মিউজিক ডে' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

২০০৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম এই দিবসটি উদ্‌যাপন শুরু করে। বর্তমানে বাংলাদেশের পাশাপাশি প্রায় ১২০টি দেশের ৪৫০টি শহরে দিবসটি উদ্‌যাপিত হয়।

আন্তর্জাতিক সংগীত দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে গানের কনসার্ট ও গাননির্ভর বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে।

গান সবাইকে একসূত্রে বেঁধে রাখার ক্ষমতা রাখে। সুরে ফুটে ওঠে আবেগ, দুঃখ এবং সুখের বন্যা। তাই বিশ্ব সংগীত দিবসে মনের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার জন্য গানকে ভালোবাসুন। তবে অনেকেই মনে করেন, এই দিনটি বাদে জীবনের প্রতিটি দিনই হওয়া উচিত সংগীতমুখর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৩৬ এম


ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন

 

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার (২২ জুন) পদত্যাগ করতে পারেন বলে ব্রিটেনের পত্রিকা ‘দ্য অবজারভার’ জানিয়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একটি সরকারি সূত্র এই দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, স্টারমার পদত্যাগের বদলে দেশের শাসনকার্য চালিয়ে যাওয়ার দিকেই পুরোপুরি মনোনিবেশ করে আছেন।

প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদের ওপর গত কয়েক মাস ধরে চাপ তৈরি হচ্ছিল। তবে এই সংকট শুক্রবার (১৯ জুন) আরো তীব্র আকার ধারণ করে। ওই দিন তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সংসদ উপনির্বাচনে এমন একটি আসনে জয়লাভ করেন, যা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের নেতৃত্বের জন্য স্টারমারের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছে।

বেশ কিছুদিন ধরে ক্ষমতাসীন দলের ভেতরে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ চলছিল।

তবে শুক্রবার অ্যান্ডি বার্নহ্যামের সংসদে প্রবেশ করার ঘটনাটি স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্বকে বড় ধরনের ঝুঁকিতে ফেলে দেয়। নিয়ম অনুযায়ী, দলের ভেতরে স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ করতে হলে বার্নহ্যামের সংসদ সদস্য হওয়া জরুরি ছিল, যা তিনি এই জয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।

অবজারভার পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, দলের ভেতরে নিজের সমর্থন কমে যাওয়া এবং বার্নহ্যামের উত্থানের কারণেই স্টারমার সোমবার পদত্যাগের মতো বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন। তবে ডাউনিং স্ট্রিটের (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়) পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদিতে আইন অমান্য করায় ১৫ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ ইং

১১:৪১ এম


সৌদিতে আইন অমান্য করায় ১৫ হাজারের বেশি গ্রেপ্তার

আইন অমান্য করার কারণে সৌদি আরবে ১৫ হাজার ২৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। বাসস্থান (ইকামা), শ্রম আইন এবং সীমান্ত নিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে এক সপ্তাহের মধ্যে এই গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হয়, যা সৌদি সংবাদমাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানানো হয়।

মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৭ হাজার ৮৬৪ জনকে আটক করা হয়েছে আবাসন বা বাসস্থান আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে। অপরদিকে, ৪ হাজার ৫৭৬ জন অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের চেষ্টাকালে এবং ২ হাজার ৮৪৮ জন শ্রম আইন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার হন।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় মোট ১ হাজার ৬৬৮ জনকে আটক করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫৩ শতাংশ ইথিওপিয়ার নাগরিক, ৪৬ শতাংশ ইয়েমেনের এবং ১ শতাংশ অন্যান্য দেশ থেকে এসেছে।

এছাড়া, সৌদি আরব থেকে অবৈধভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে যাওয়ার সময় আরো ৫৪ জনকে আটক করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ অবৈধ অভিবাসীদের কাজের সুযোগ দেওয়া, থাকার জায়গা বা যাতায়াতের সুবিধা দেওয়ার কারণে ২৪ জনকে আটক করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, অবৈধভাবে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে বা সেখানে থাকতে সহায়তা করলে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। এই অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ সৌদি রিয়াল (প্রায় ২ লাখ ৬৭ হাজার মার্কিন ডলার) জরিমানা হতে পারে।

সেইসঙ্গে অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন ও সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সৌদি কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের যেকোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি বা আইন লঙ্ঘনের তথ্য জানাতে অনুরোধ করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%