ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টপুত্রের ওপর নজরদারির অভিযোগে চীনের এজেন্ট আটক


যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্টপুত্রের ওপর নজরদারির অভিযোগে চীনের এজেন্ট আটক

ওয়ানইং ‘হিদার’ ঝাং চীনের হয়ে নিবন্ধন না করেই এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। একই সময়ে তিনি তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের ছেলে ও তার পরিবারের ওপর নজরদারি পরিচালনা করছিলেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় এফবিআই তাকে গ্রেফতার করেছে।

৪ অক্টোবর রবিবার ৩৪ বছর বয়সী ওয়ানইংকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ইরভাইনের বাসিন্দা। সোমবার লস অ্যাঞ্জেলেসের ফেডারেল আদালতে তার প্রাথমিক শুনানির আয়োজন করা হবে।

মার্কিন ফেডারেল অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে ঝাং সিয়াটলে গিয়ে তাইওয়ান সরকারের এক শীর্ষ কর্মকর্তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের ওপর নজরদারি চালান। অভিযোগ করা হয়েছে, চীনা কর্মকর্তাদের নির্দেশে তিনি ওই ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তোলার কাজ করেছিলেন।

আরও পড়ুন: বোম্বে হাইকোর্ট ইমরান খানের ভারত ছাড়ার নোটিশ স্থগিত করেছে

এফবিআই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, নজরদারির লক্ষ্য ছিলেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের ছেলে এবং তার পরিবার।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঝাং এবং ‘ইন্ডিভিজুয়াল-১’ নামে পরিচিত অপর এক ব্যক্তি লাস ভেগাস থেকে সিয়াটলে যান। সেখানে তারা ওই পরিবারের বাড়ির বাইরে একটি ভাড়া করা কালো এসইউভিতে অপেক্ষা করছিলেন।

প্রতিবেশীর নিরাপত্তা ক্যামেরার ফুটেজে তাদের অবস্থান ধরা পড়ে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছালে দুজন গাড়ির ভেতর থেকে মোবাইল ফোন বের করে তাদের ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, ওই পরিবারের অবস্থান, বাড়ি ও গাড়ির ছবি চীনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হতে পারে। ভবিষ্যতে চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে সংঘাতের পরিস্থিতিতে এসব তথ্য ব্যবহার করে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করা হতে পারে বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: সুদানে স্বর্ণের খোঁজে শ্রমিকেরা জীবন ঝুঁকিতে, খনিতে প্রাণ হারাচ্ছেন

ক্যালিফোর্নিয়ার সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের প্রথম সহকারী মার্কিন অ্যাটর্নি বিল এসাইলি বলেন, ঝাং একজন সহযোগীর সঙ্গে সমন্বয় করে ওই সফর করেছিলেন এবং নজরদারি এড়াতে বিশেষ কৌশল ব্যবহার করেছিলেন। বিদেশি সরকারের হয়ে কাজ করার বিষয়টি তিনি মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেলকে জানাননি, যা যুক্তরাষ্ট্রের আইনে ফেডারেল অপরাধ।

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের মুখপাত্র কারেন কুও ঘটনাটির নিন্দা করে একে ‘ট্রান্সন্যাশনাল রিপ্রেশন’ বা সীমান্ত পেরিয়ে দমন-পীড়নের উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটি দখলের কথাও বলে আসছে। অন্যদিকে, তাইওয়ান একটি স্বশাসিত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পরিচালনা করে। তাইওয়ানের সার্বভৌমত্বের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তে দীর্ঘদিন ধরে বেইজিংয়ের তীব্র সমালোচনার মুখে রয়েছেন।

আরও পড়ুন: জার্মান ভাইস মিনিস্টার ড. বারবেল কোফলারের আবুল খায়ের স্টীল মেল্টিং লিমিটেড পরিদর্শন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলকাতায় পা রেখে ফুটবল ছেড়ে ক্রিকেটে মজল উরুগুয়ে, ছবি ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৪ এম


কলকাতায় পা রেখে ফুটবল ছেড়ে ক্রিকেটে মজল উরুগুয়ে, ছবি ভাইরাল

উরুগুয়ে ফুটবল দল কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে প্রীতি ম্যাচের আগে শহরটি ঘুরে দেখেছে। সেখানে তারা ক্রিকেটের অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ব্যাট হাতে ছবি ভাইরাল হয়েছে।

মঙ্গলবার ভারতের বিপক্ষে একের পর এক প্রীতি ম্যাচের সিরিজ শেষ হবে। কলকাতায় উরুগুয়ের প্রতিপক্ষ হলো দুইবারের বিশ্বকাপজয়ী দল। ম্যাচের আগে শহর ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে খেলোয়াড়েরা কলকাতায় পৌঁছেছে ম্যাচের এক সপ্তাহ আগে।

রোববার, তারা বিখ্যাত ইডেন গার্ডেনস স্টেডিয়ামে গিয়েছিল। সেখানে ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ক্রিকেটের স্বাদ গ্রহণের সুযোগ পায়। ওই দিন তারা শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছে। উরুগুয়ে ফুটবল দলের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও ইডেন গার্ডেনসে তোলা ছবি শেয়ার করা হয়েছে।

ইডেনে ক্রিকেট খেলার ছবিগুলো সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় হয়েছে। মিডফিল্ডার লুকাস টরেইরাকে ছবিতে ব্যাট হাতে দেখা গেছে। বর্তমানে তিনি গালাতাসারায়ে খেলছেন, পূর্বে ছিলেন আর্সেনালে।

ব্রাজিলের মতো উরুগুয়েও তারকায় ভরা একটি দল নিয়ে এসেছে। দলে রয়েছেন ডিফেন্ডার হোসে মারিয়া হিমেনেজ ও রোনাল্ড আরাউহো। মাঝমাঠে রয়েছেন রদ্রিগো বেন্তাকুর ও টরেইরা। আক্রমণভাগে রয়েছেন ডারউইন নুনিয়েজ। ৬ অক্টোবর এই তারকারা ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবেন।

দলের কোচ কিংবদন্তি স্ট্রাইকার দিয়েগো ফোরলান। এটি ভারতে তার প্রথম আগমন নয়। ২০১৬ সালে তিনি এক মৌসুম মুম্বাই সিটি এফসির হয়ে খেলেছিলেন এবং কলকাতায় এক প্লে-অফ ম্যাচে লাল কার্ডও দেখেছিলেন।

উরুগুয়ের সবচেয়ে পরিচিত সক্রিয় খেলোয়াড় হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার ফেদে ভালভের্দেকে উল্লেখ করা যায়। আন্তর্জাতিক বিরতির আগে চোট পাওয়ায় তিনি ভারতে আসতে পারেননি।

গত কয়েক বছরে উরুগুয়ের ফুটবলের সময় ভালো যায়নি। শেষ দুই বিশ্বকাপে দলটি গ্রুপ পর্বেই বিদায় নিয়েছে। এবার তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে।

ভারত দুটি প্রীতি ম্যাচে মোটামুটি ভালো খেলেছে। পানামার বিপক্ষে তারা ১-১ গোলে ড্র করেছে। ব্রাজিলের কাছে ০-৪ গোলে হারলেও তারা ভালো লড়াই করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একাধিক সুবিধাসহ আড়ংয়ে চাকরি, এসএসসি পাসেই আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৪ এম


একাধিক সুবিধাসহ আড়ংয়ে চাকরি, এসএসসি পাসেই আবেদন

পোশাক প্রস্তুতকারক ও বিপণন প্রতিষ্ঠান আড়ং জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।

পদের নাম: ডেলিভারি অ্যাসিস্ট্যান্ট

বিভাগ: কর্পোরেট সেলস

পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি অথবা এইচএসসি পাস

অন্যতম যোগ্যতা: করপোরেট ডেলিভারি ট্র্যাকারটির রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিয়মিত হালনাগাদ করা, পাশাপাশি সরবরাহে দক্ষতা থাকা আবশ্যক।

অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই

চাকরির ধরন: ফুলটাইম

কর্মক্ষেত্র: আউটলেটে

প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)

বয়সসীমা: উল্লেখ নেই

কর্মস্থল: ঢাকা

বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে

অতিরিক্ত সুবিধাসমূহ: কোম্পানির নীতিমালা অনুযায়ী প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমাসহ অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।

আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০ কোটি টাকায় বাংলাদেশ অর্জন করলো একটি তামা পদক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


২০ কোটি টাকায় বাংলাদেশ অর্জন করলো একটি তামা পদক

তামার মূল্য সোনার চেয়ে বেশি, এ কথা শুনলে অনেকেই অবাক হতে পারেন। "পাগল নাকি?" বলাটাই স্বাভাবিক। তবে এবার জাপান এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদ ও কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে সোনার চেয়ে এক টুকরো তামার দাম বেড়ে গেছে। বাংলাদেশ এশিয়ান গেমসে অংশ নিতে মোট ২০ কোটি টাকা খরচ করেছে। এই অঙ্কটি হয়তো আরও বাড়তে পারে। প্রথমে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন ৩৭ কোটি টাকার বাজেট নির্ধারণ করেছিল, কিন্তু জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ তা কাটছাঁট করে ২০ কোটিতে নামিয়ে আনে। দেশের বর্তমান আর্থিক সংকটে এই টাকা একটি বিশাল পরিমাণ। এত বড় খরচের পরও সোনা বা রৌপ্য নয়, মিলল এক টুকরো তামা।

এবার বাংলাদেশ ব্যক্তিগত ও একক মিলিয়ে ২২টি ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণ করেছিল। সেখানে অর্জিত হয়েছে মাত্র একটি তামা। উশুতে পদকটি জিতেছেন জিন্নাত আক্তার, তা-ও সৌভাগ্যক্রমে। নিয়ম অনুযায়ী উশুতে সেমিফাইনালে উঠলেই পদক নিশ্চিত হয়। কোয়ার্টার ফাইনালে জিন্নাতের প্রতিপক্ষ না আসায় তিনি সেমিফাইনালে চলে যান। পরে ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তিনি জয়ী হতে পারেননি। সেমিফাইনালে না খেলে ওঠার সুবাদে তিনি তামা গলায় ঝোলান। ২০ কোটি টাকার প্রাপ্তি কী, এর উত্তর একটাই—এক টুকরো তামা। একে অর্থ অপচয় ছাড়া আর কী বলা যায়? এমন কথাও উঠেছে—বাজেটের পুরো টাকা খরচ হয়েছে কি না, কারণ ক্রীড়া কর্মকর্তাদের অভ্যাস সবারই জানা।

এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ ভালো কিছু করবে না, তা আগেই ক্রীড়ামোদীরা জানতেন। কিন্তু দেশ ছাড়ার আগে গেমসে বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন কিছু ডিসিপ্লিনের কথা বলেছিলেন। যেসব খেলায় ভালো করার সম্ভাবনা ছিল, তা কি হয়েছে? পুরুষ ক্রিকেট, নারী ক্রিকেট, পুরুষ কাভাডি, নারী কাভাডি, আর্চারি, শুটিং ও সাঁতারে ভালো করার আশা করা হয়েছিল। অথচ সবকিছুই ছিল শূন্যতায় ভরা। পুরুষ ক্রিকেটে তামা আসবে, এ ব্যাপারে অনেকেই নিশ্চিত ছিলেন। বাস্তবে তামাও মিলল না। নারী ক্রিকেটেও ভরাডুবি। তাহলে আর দল পাঠানোর লাভ হলো কী?

জাতীয় কাবাডিতে পুরুষ দল এক দিনে দুই জয় পেয়ে যে উৎসব উদযাপন করেছিল, তা বিশ্বকাপ জয়ের মতো। কিন্তু বাস্তবে এমন ভরাডুবি ঘটল যে, তামার পদকও গলায় ঝুলল না। নারী বিভাগেও একই অবস্থা। অথচ এই কাভাডি একসময় ছিল এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম ভরসা। আর্চারি নিয়ে দেশে যে হৈচৈ হয়, তাতে মনে হয় এরা সাফল্য ছাড়া আর কিছু বোঝেন না। এশিয়ান গেমসে যা দেখা গেল, তীর ছুড়তেই যেন আর্চাররা ভুলে গিয়েছিলেন। শুটিং বা সাঁতারে হিটেই আউট। অ্যাথলেটিকসসহ সব কিছুতেই ভরাডুবি।

যখন কিছুই পাবেই না, তখন কোন যুক্তিতে এত ইভেন্টে অংশগ্রহণ করা হলো? ক্রীড়াবিদদের অভিজ্ঞতা অর্জনের কথা চিন্তা করে কি তা করা হয়েছিল? নাকি কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ সুবিধার জন্য? এশিয়ান গেমসে অংশ নেয়া বাধ্যতামূলক, কিন্তু তা ব্যয়বহুল বাজেটে কেন? সম্ভাবনাময় কিছু খেলাতেই তো সীমাবদ্ধ রাখা যায়। ফেডারেশন থেকে বলা হয় অর্থ সংকটে খেলোয়াড়দের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে পারি না। বাস্তবেও এ কথা সত্য। ক্রীড়া পরিষদের স্বল্প বাজেটে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেক কিছু করা যায় না। ঠিক জায়গায় অর্থ নেই। অথচ বিদেশে গেমস এলে পাহাড় সমান অর্থ খরচ হয়। জাপান এশিয়ান গেমসের বাজেট ২০ কোটি টাকা। এই অর্থ যে শুধু ক্রীড়াবিদদের পেছনে গেছে, তা নয়। ২৬০ জনের বহর জাপানে গিয়েছিল, এর মধ্যে কর্মকর্তাদের ছড়াছড়ি। এমনকি কোচ সেজে কর্মকর্তারা জাপানে গেছেন। এ যেন পিকনিককেও হার মানায়।

এ দায়-দায়িত্ব তো অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের। তারাই তো বড় বড় গেমসের বহর ঠিক করে। সরকার থেকে বারবার বলা হচ্ছে, অর্থ অপচয় রোধ করতে। কিন্তু এই সংস্থা তা মানছে না। কোন যুক্তিতে অর্থ অপচয় করে এত বড় দল পাঠানো হলো, তার কোনো জবাবদিহি নেই। তাই অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন যা খুশি তাই করছে। নিজেদের পছন্দের লোক পাঠাতে হবে। আলাদাভাবে প্রেস অ্যাটাসে পাঠানো হয়েছিল। এতে কি দলের কোনো উপকার হয়েছে? হয়ে থাকলে ভালো।

ক্রীড়াঙ্গনে শুধু ফেডারেশন নিয়েই মন্দ কথা বলা হয়। প্রহসনমূলক নির্বাচন, দুর্নীতি, আরও কত কী। অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এখানে আড়ালে থেকে যাচ্ছে। নির্বাচনে অনিয়ম থাকায় আমিনুল ইসলামের নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান যে কমিটি রয়েছে, তাদের নির্বাচন কি স্বচ্ছভাবে হয়েছে? আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া ক্রীড়া উপদেষ্টা থাকা অবস্থায় সার্চ কমিটি গঠন করেছিলেন, যা নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। সেই বিলুপ্ত কমিটিই নাকি বর্তমান বিওএকে নিয়ন্ত্রণ করছে। কথাটি সত্য কি না জানি না। বিওএ নিয়ে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে ভাবতে হবে। তা না হলে গেমস ঘিরে শুধু বিতর্ক বাড়বে। টাকা আর টাকা যাবে। সাফল্য আসবে না। হয়তো দলের চেয়ে ব্যক্তিরাই লাভবান হবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহত ৮০০ শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৫ এম


গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে নিহত ৮০০ শিক্ষক, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরাইলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে ৮০০-এরও বেশি ফিলিস্তিনি শিক্ষক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি।

রোববার (৪ অক্টোবর) ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

আজ সোমবার (৫ অক্টোবর) বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে একটি বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানায়, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের শিক্ষকরা শিক্ষার অধিকার রক্ষায় ‘বেঁচে থাকার এক বাস্তব লড়াই’ করছেন। তাদের নিয়মিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের দাবি, গাজা ও পশ্চিম তীরের শিক্ষা খাত ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে ‘ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের’ শিকার হয়েছে। বর্তমানে ১৭০-এরও বেশি শিক্ষক ইসরাইলের হেফাজতে রয়েছেন এবং তারা ‘কঠিন পরিস্থিতির’ মধ্যে আটক আছেন।

শিক্ষকদের দুর্ভোগ চলাচলে বিধিনিষেধ ও শত শত চেকপোস্টে হয়রানির কারণে আরও বেড়েছে। বিশেষ করে হেবরনের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তা, মধ্য পশ্চিম তীরের আল-মুগাইয়ির গ্রাম, জর্ডান উপত্যকা এবং ‘এরিয়া সি’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকাগুলোতে এই সমস্যা বেশি দেখা যাচ্ছে।

১৯৯৫ সালের অন্তর্বর্তীকালীন অসলো-২ চুক্তির আওতায় পশ্চিম তীরকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে: এ, বি ও সি। এর মধ্যে ‘এরিয়া এ’ ফিলিস্তিনি বেসামরিক ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, ‘এরিয়া বি’ ফিলিস্তিনি বেসামরিক প্রশাসন ও ইসরাইলি নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর পশ্চিম তীরের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা নিয়ে গঠিত ‘এরিয়া সি’ পুরোপুরি ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে।

ফিলিস্তিনি শিক্ষকদের ওপর নিপীড়নের পাশাপাশি তীব্র আর্থিক সংকটও তাদের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে। ফিলিস্তিনের করের অর্থ আটকে রাখার কারণে শিক্ষকদের আর্থিক ও মানসিক স্থিতিশীলতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

‘ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ’ নামে পরিচিত এই অর্থ আমদানি করা পণ্যের ওপর ইসরাইল ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হয়ে যে কর আদায় করে, তা থেকে আসে। ১৯৯৪ সালের প্যারিস প্রটোকলের আওতায় এসব অর্থ ফিলিস্তিনের কাছে হস্তান্তরের কথা।

২০১৯ সাল থেকে ইসরাইল এসব রাজস্ব থেকে অর্থ কেটে রাখা শুরু করে এবং পরে অর্থ স্থানান্তর বন্ধ করে দেয়। এর ফলে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের আর্থিক সংকট আরও তীব্র হয়েছে এবং সরকারি কর্মীদের পুরো বেতন পরিশোধের সক্ষমতা কমেছে।

ফিলিস্তিনের মোট সরকারি রাজস্বের প্রায় ৫৬ শতাংশই আসে এই ক্লিয়ারেন্স রেভিনিউ থেকে। ফলে এসব অর্থ আটকে রাখায় বেতন পরিশোধ, সরকারি সেবা প্রদান এবং সরকারের বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে বড় বাধা তৈরি হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও শিক্ষা খাতের কর্মীদের সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, জাতিসংঘ এবং শিক্ষা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এছাড়া আটক শিক্ষকদের মুক্তি এবং আটকে থাকা আর্থিক পাওনা পরিশোধের জন্য বিশ্বজুড়ে শিক্ষক সংগঠনগুলোকে চাপ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: আনাদোলু

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%