০৪:৩৯ এম
মরক্কোর বিশ্বকাপ স্বপ্ন আর্লিংটনে কোয়ার্টার ফাইনালের রাতে থেমে গেল ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারানোর পর। দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে এমবাপ্পে এবং দেম্বেলের দুই গোলই মূলত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
কেন মরক্কো হারল? চলুন দেখা যাক পাঁচটি প্রধান কারণ।
১. পেনাল্টি মিস হওয়া সত্ত্বেও চাপ ধরে রাখতে ব্যর্থতা: ২৫ মিনিটে মাজরাউইর ফাউলে ফ্রান্স পেনাল্টি পায় এবং এমবাপ্পে সেটি মিস করেন। এই মুহূর্তটি ছিল মরক্কোর জন্য মোমেন্টাম ধরার একটি বিশেষ সুযোগ, তবে তারা পুরো প্রথমার্ধে সেই স্বস্তিকে আক্রমণে রূপান্তর করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলেছে।
আরও পড়ুন: বাঁশপাতার চায়ের উদ্ভাবনী ধারণায় দেশসেরা বেরোবির মাহিদ-আজিজ, পাচ্ছেন লাখ টাকার ফান্ড
২. উচ্চাকাঙ্ক্ষার অভাব: মরক্কোর শীর্ষ ২ খেলোয়াড় চাদি রিয়াদ ও ইসমাইল সাইবারি চোটের কারণে দলে ছিলেন না। এ কারণে মনে হচ্ছে মরক্কো ড্র করার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল। প্রথম ৪৫ মিনিটে বিপজ্জনক কোনো আক্রমণ তারা করতে পারেনি, এমনকি দ্বিতীয়ার্ধে ২ গোলে পিছিয়ে থাকা অবস্থাতেও চাপ বাড়াতে পারেনি।
৩. রক্ষণে ব্যক্তিগত ভুল: মাজরাউইর পেনাল্টি ফাউল দেওয়ার পর, এমবাপ্পে ও দেম্বেলের গোলের সময় মিস মার্কিং ছিল। বিশেষ করে দেম্বেলের গোলের আগে মরক্কো তাকে একা এগিয়ে আসার সুযোগ দিয়েছিল। এমন ঢিলেঢালা ডিফেন্ডিংয়ের খেসারত মরক্কোকে দিতে হয়েছে।
৪. এমবাপ্পে-দেম্বেলের ক্লিনিক্যাল ফিনিশিং: ম্যাচটি প্রতিপক্ষের মানের পার্থক্য দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে। এমবাপ্পে ৬০ মিনিটে দুর্দান্ত এক কার্লার শটে বল জালে জড়ান এবং মাত্র ছয় মিনিট পর দেম্বেলে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। মরক্কোর কিছু সুযোগ থাকলেও ফিনিশিংয়ে তাদের ধার ছিল না।
৫. পরিবর্তনগুলো কাজে দেয়নি: এল খানুস ও বুয়াদ্দিকে তুলে আমরাবাত-রাহিমিকে নামানো কিংবা পরে সালাহ-এদ্দিন ও দিয়াজের বদলে নতুন খেলোয়াড় আনা… কোনো পরিবর্তনই খেলার চিত্র পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি। দিয়াজ ও বুয়াদ্দির পারফরম্যান্স প্রত্যাশার চেয়ে অনেক নিচে ছিল।
আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি
ফ্রান্স এই জয়ে সেমিফাইনালে স্থান পেয়েছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে স্পেন অথবা বেলজিয়াম। অন্যদিকে মরক্কোর বিশ্বকাপ অভিযান কোয়ার্টার ফাইনালে শেষ হলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন