ঢাকা মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ০৩ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৮ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সঙ্গীকে অন্য কারও সঙ্গে ‘লিপ-লক’ করতে দেখলে হিংসে হওয়া স্বাভাবিক, সম্পর্কে এমন হয়: বনি


সঙ্গীকে অন্য কারও সঙ্গে ‘লিপ-লক’ করতে দেখলে হিংসে হওয়া স্বাভাবিক, সম্পর্কে এমন হয়: বনি

‘‘ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে কৌশানীর সঙ্গে আলোচনা হয়। দু’জন সম্পর্কে থাকলে এই ধরনের দৃশ্য করার আগে পার্টনারের সঙ্গে আলোচনা করাটাই স্বাভাবিক। এটা জানিয়ে রাখা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে আমার মনে হয়।’ ’

আলো-আঁধারি পরিবেশ। নায়ক-নায়িকা একে অপরের ঠোঁটে ডুব দিয়েছেন! অভিনেতা বনি সেনগুপ্ত এবং অঙ্গনা রায়ের ‘ঘনিষ্ঠ’ দৃশ্যের মুহূর্ত ফাঁস হয়েছে। এ ভাবে তাঁদের আগে কখনও দেখেনি দর্শক। কিছু দিন আগে অভিনেত্রী কৌশানী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ‘চুম্বন’ দৃশ্য নিয়ে বিপুল আলোচনা হয়েছিল। এ বার আলোচনায় বনি এবং অঙ্গনা।

এ কি কোনও সিনেমার দৃশ্য? প্রথম বার নায়ককে এত ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে দেখা গেল। সবটা জানতে আনন্দবাজার ডট কম-এর তরফে বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘কিছু দিন আগে কৌশানী একটি চুম্বনদৃশ্য করেছিল পরমদার সঙ্গে, সেই দৃশ্য দেখেছি। আমি ‘বরবাদ’ ছবিতে প্রথম চুম্বনদৃশ্য করেছিলাম। আর কৌশানীর সঙ্গেও ‘তুমি আসবে বলে’ ছবিতেও একটা চুম্বনদৃশ্য ছিল। কিন্তু সেগুলো এতটা নিবিড় দৃশ্য নয়। সেই ভাবে দেখতে গেলে, এই প্রথম সাহসী দৃশ্যে অভিনয়। চিত্রনাট্যের প্রয়োজনেই এই ধরনের দৃশ্য করতে আমরা অভিনেতারা রাজি হই। এ ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে।’ ’

আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৫ পুলিশ সদস্য

বনি-অঙ্গনার চুম্বনদৃশ্য। 

ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করার আগে ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমিকার সঙ্গে তাঁর সমীকরণ, বোঝাপড়া সবার আগে প্রয়োজন। সবটাই খোলসা করলেন নায়ক নিজে। তিনি বললেন, ‘‘দু’জনে সম্পর্কে থাকলে এই ধরনের দৃশ্য করার আগে তোমার পার্টনারের সঙ্গে আলোচনা করাটাই স্বাভাবিক। এটা জানিয়ে রাখা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে আমার মনে হয়। যেহেতু আমার পার্টনার, আমার পেশার সঙ্গেই যুক্ত, তাই স্বাভাবিক ভাবেই সে বুঝবে এবং সাহায্য করবে। আমার আর কৌশানীর মধ্যেও এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সঙ্গীকে অন্যের সঙ্গে চুম্বনরত অবস্থায় দেখলে অধিকারবোধ থেকে একটু হিংসে হওয়াটাই স্বাভাবিক। সেটুকু তো কাজ করবেই। সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটা তো হয়ই। কিন্তু আমরা নিজেকে বোঝাই যে, এটা শুধুমাত্র কাজের জন্যই, তখন আবার ঠিক হয়ে যায়।’ ’

প্রসঙ্গত, এই প্রথম বনি-অঙ্গনা জুটিকে দেখা যাবে পর্দায়। তাঁদের আগামী সিরিজ়ের নাম ‘লভ শর্টস’। নাম শুনেই বোঝা যাচ্ছে, এটি একটি রোম্যান্টিক সিরিজ়। অভিনেতা যোগ করেন, ‘‘এই সিরিজ়ে আমার বিপরীতে অঙ্গনা। প্রথম বার বলে একটু চিন্তা তো ছিলই, তবে আমার আর অঙ্গনার যেহেতু খুব ভাল বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছিল, তাই কাজটা করা সহজ হয়ে গেছে। একটু বন্ধুত্ব থাকলে এই ধরনের দৃশ্যে অভিনয় করতে সুবিধা হয়। ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর সেটে ছিলেন। ফলে আরও স্বচ্ছন্দ হয়েছি আমরা কাজটা করার সময়।’’

আরও পড়ুন: নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের: শামা ওবায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ ট্রফি সম্পর্কে অজানা ৫টি তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


বিশ্বকাপ ট্রফি সম্পর্কে অজানা ৫টি তথ্য

আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জয়ের লড়াইয়ে নামার আগে একবারে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে বিশ্বকাপ ট্রফি।

এই ট্রফিটি ১৮ ক্যারেট সোনায় তৈরি, এবং এটি মাত্র একটি পুরস্কার নয়; এর সাথে জড়িয়ে আছে দীর্ঘ ইতিহাস, অনন্য নকশা এবং অনেক আকর্ষণীয় তথ্য। কেন চ্যাম্পিয়ন দল আসল ট্রফি নিজেদের কাছে রাখতে পারে না, কেন ট্রফি বহন করার জন্য বিশেষ লুই ভুইতোঁ ট্রাঙ্ক ব্যবহার করা হয়—এসব বিষয় অনেক ফুটবলপ্রেমীর কাছে অজানা।

বিশ্বকাপ ট্রফি সম্পর্কে এমন ৫টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো।

১. ট্রফিতে রয়েছে পাঁচ কেজির বেশি খাঁটি সোনা

ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফির ওজন ৬ দশমিক ১৪২ কেজি। এর মধ্যে ৫ দশমিক ০৯২ কেজি হচ্ছে ১৮ ক্যারেটের খাঁটি সোনা। অর্থাৎ, ফাইনাল শেষে যে অধিনায়ক ট্রফি উঁচিয়ে ধরেন, তিনি কেবল একটি প্রতীকী পুরস্কার নন, পাঁচ কেজিরও বেশি খাঁটি সোনার তৈরি ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ট্রফি হাতে তুলে নেন। ট্রফিটির বাকি অংশ সাধারণত অর্ধমূল্যবান পাথর ম্যালাকাইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

২. ট্রফি ধরার ক্ষেত্রে রয়েছে কঠোর নিয়ম

বিশ্বকাপ ট্রফি যে কেউ ইচ্ছা মতো স্পর্শ করতে পারেন না। বিশেষ সুরক্ষামূলক গ্লাভস ছাড়া ট্রফি ধরার অনুমতি পায় কেবল ফিফা সভাপতি, বিশ্বকাপজয়ী খেলোয়াড় এবং কোচিং স্টাফ এবং রাষ্ট্রপ্রধানরা। অন্য সবাইকে সাদা সুরক্ষামূলক গ্লাভস পরে ট্রফি স্পর্শ করতে হয়, যাতে ট্রফির গায়ে আঁচড়, আঙুলের ছাপ বা অন্য কোনো ক্ষতি না হয়।

৩. স্থায়ীভাবে আসল ট্রফি কখনোই দেওয়া হয় না

বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাস শেষে আসল ট্রফি আবারও ফিফার কাছেই ফিরে যায়। বর্তমানে এটি সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অবস্থিত ফিফা মিউজিয়ামে সংরক্ষিত। চ্যাম্পিয়ন দলকে স্থায়ীভাবে দেওয়া হয় ফিফার অনুমোদিত স্বর্ণের প্রলেপ দেওয়া অনুকরণ (গোল্ড-প্লেটেড রিপ্লিকা)। আসল ট্রফিটি কেবল ফিফার নির্ধারিত বিশেষ অনুষ্ঠানগুলোতে প্রদর্শনের জন্য বাইরে আনা হয়। পরে আবার জুরিখের মিউজিয়ামেই ফিরিয়ে রাখা হয়।

৪. প্রতি বিশ্বকাপের পর ট্রফির নিচের অংশ পরিবর্তন

বিশ্বকাপ শেষে ট্রফির নিচের চাকতির (বটম ডিস্ক) ওপর খোদাই করা চ্যাম্পিয়নদের নাম সংরক্ষণ করে ফিফা। এরপর সেটি খুলে ফিফা মিউজিয়ামে রাখা হয় এবং নতুন একটি ডিস্ক যুক্ত করা হয়, যেখানে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন দলের নাম খোদাই করা হয়। এর ফলে ট্রফির মূল অংশ অক্ষত থাকে এবং ধারাবাহিকভাবে নতুন চ্যাম্পিয়নদের নাম যুক্ত করা সম্ভব হয়।

বর্তমান ট্রফিটি ১৯৭৪ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর আগে ব্যবহৃত জুলে রিমে ট্রফি ১৯৭০ সালে তৃতীয়বার বিশ্বকাপ জিতলে স্থায়ীভাবে নিজেদের করে নিয়েছিল ব্রাজিল। বর্তমান ট্রফির নকশা করেছেন ইতালির খ্যাতনামা ভাস্কর সিলভিও গাজ্জানিগা। এরপর থেকে প্রতিটি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দল এই ট্রফি গ্রহণ করে আসছে।

৫. বিশ্বকাপ ট্রফি বহনে বিশেষ ট্রাঙ্ক

বিশ্বকাপ ফাইনালেও ট্রফি মাঠে আনা হবে ফরাসি বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ড লুই ভুইতোঁ-এর তৈরি বিশেষ ট্রাঙ্কে। ২০১০ সাল থেকে চলে আসা এই ঐতিহ্য অনুযায়ী, নিউইয়র্ক–নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর আগে লুই ভুইতোঁর একজন ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর এবং ফিফার একজন কিংবদন্তি ফুটবলার ট্রফিটি মাঠে নিয়ে আসবেন।

হাত তৈরি এই বিশেষ ট্রাঙ্কে লুই ভুইতোঁর স্বাক্ষরধর্মী মনোগ্রাম ক্যানভাস, সোনালি রঙের ‘ভি’ আকৃতির নকশা, সোনালি ধাতব অংশ, চামড়ার অলংকরণ এবং ব্র্যান্ডটির বিখ্যাত তালা ব্যবহার করা হয়েছে। ট্রাঙ্কের ভেতরে হালকা বেইজ রঙের চামড়ার আস্তরণ রয়েছে। ঢাকনার ভেতরে রয়েছে লুই ভুইতোঁ–ফিফার বিশেষ প্রতীক।

বর্তমান বিশ্বকাপ ট্রফির নিচের অংশে ১৯৭৪ সাল থেকে সব বিশ্বচ্যাম্পিয়নের নাম খোদাই করা হচ্ছে। তবে সেখানে আর মাত্র কয়েকটি নতুন নাম যুক্ত করার জন্য স্থান অবশিষ্ট রয়েছে। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, ২০৪২ বিশ্বকাপের আগেই নতুন ট্রফির নকশা তৈরির প্রয়োজন হতে পারে, কারণ বিদ্যমান ট্রফির ভিত্তিতে নতুন চ্যাম্পিয়নদের নাম খোদাই করার জায়গা প্রায় শেষ হয়ে আসছে।

সূত্র: ফিফার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজের ভিডিও থেকে নেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সম্পাদিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে ৫ হাজার ৮৯২ কৃষকের ঋণ মওকুফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৯ পি.এম


পঞ্চগড়ে ৫ হাজার ৮৯২ কৃষকের ঋণ মওকুফ

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার ৫ হাজার ৮৯২ জন কৃষকের মাঝে কৃষিঋণ মওকুফের সনদ ও দলিল ফেরত প্রদানসহ ৩০ হাজার গাছের চারা বিতরণ করেছে সরকার। এই সময় ঋণমুক্তির আনন্দে কৃষকদের মুখে হাসি ফুটে ওঠে।

অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, কৃষকের অর্থনৈতিক স্বস্তি নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদ-আসলে সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। এছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে।

রোববার (১৯ জুলাই) পঞ্চগড় জেলার বোদা পাইলট সরকারি মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে এক কৃষক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের কৃষকবান্ধব রাজনীতির ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষিকে জাতীয় উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে স্থান দিয়ে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, স্বল্পসুদে কৃষিঋণ এবং আধুনিক কৃষি ব্যবস্থার যে ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়া সেই ধারাকে আরও শক্তিশালী করেছিলেন। তার সরকারের সময়ে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত খেলাপি কৃষিঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছিল, শতভাগ সুদ মওকুফ এবং কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তির ব্যবস্থা ছিল, যা কৃষকের অর্থনৈতিক মুক্তির এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানান, বর্তমান মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পরদিন অর্থাৎ ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তটি অনুমোদিত হয়। এর আওতায় দেশের প্রায় ১২ লাখ প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষক ঋণমুক্ত হয়েছেন। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত খেলাপি কৃষিঋণের মূলধন ও সুদ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে পরিশোধ করছে। চলতি অর্থবছরে এ খাতে ১,৫৬৭ কোটি ৯৬ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বোদা উপজেলায় মোট ৫,৮৯২ জন কৃষক এ সুবিধার আওতায় এসেছেন। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকের পাঁচটি শাখার ২,৪২০ জন এবং রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) পাঁচটি শাখার ৩,৪৭২ জন কৃষকের মোট ৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার কৃষিঋণ সরকার পরিশোধ করেছে। এই উদ্যোগের ফলে কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বহু সার্টিফিকেট মামলা নিষ্পত্তির পথ সুগম হবে, যা তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণ গেল ১৯ জনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২১ পি.এম


ভারতে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণ গেল ১৯ জনের

রোববার (১৯ জুলাই) ভারতীয় সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য নাগাল্যান্ডে বন্যা ও ভূমিধসে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে, ভারত-শাসিত জম্মু ও কাশ্মিরে আকস্মিক বন্যা এবং দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন আরও ১১ জন। ফলে দুই অঞ্চলে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে।

নাগাল্যান্ডের মোন জেলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওয়েনইয়ি কোনিয়াক এএফপিকে জানিয়েছেন, নিহত আট জনের মধ্যে চার জনের মরদেহ ইতোমধ্যে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ব্যক্তিদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মৌসুমী এই দুর্যোগে আরও অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। জম্মু ও কাশ্মিরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এক বিবৃতিতে রাজৌরি এলাকায় আকস্মিক বন্যায় হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই বন্যায় সরকারি এবং বেসরকারি সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাসস্ট্যান্ডসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অসংখ্য মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। জম্মু অঞ্চলে অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সেনাসদস্য এবং জরুরি সেবা বিভাগের কর্মীরা জম্মুর রাজৌরি জেলায় ৫ শিশুসহ অন্তত ১১ জনকে উদ্ধার করেছেন।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, আগামী দুই দিনে জম্মু ও কাশ্মিরে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে, দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে কাশ্মিরে বার্ষিক হিন্দু তীর্থযাত্রা অমরনাথ সাময়িকভাবে স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২২ পি.এম


চাঁদপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি মতবিনিময়

চাঁদপুরের মতলব মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নব গঠিত এডহক কমিটির প্রথম মতবিনিময় সভা রোববার (১৯ জুলাই, ২০২৬) সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে এবং সহকারি শিক্ষক কাজী সহিদুল্লাহর সঞ্চালনায় যথাযোগ্য আলোচনা হয়। সভাপতি শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন সকলের সহযোগিতা থাকলে এ বিদ্যালয়ের লেখা পড়ার মান বৃদ্ধি করে বিদ্যালয়ের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে জেলার মধ্যে মডেল সৃষ্টি করতে পারব। তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৭ জন ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্য বলেন, তোমাদের এ ধারা অব্যাহত রেখে আগামীতে আরো ভালো রেজাল্ট করে বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ কামরুল হাসান, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রধান, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ি মোঃ আব্দুস শুক্কুর মাস্টার, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক ভিপি জিএম খলিলুর রহমান, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ জালাল উদ্দিন সাগর, মুন্সিরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন মৃধা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম নয়ন হাজরা, পশ্চিম পিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম প্রধান, জেলা পুস্তক সমিতির সভাপতি এসএম মোরশেদ সেলিম, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ মোস্তফা গাজী, মোঃ বশির পারভেজ, মোঃ ফারুক গাজী, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ সুলতান সরকার, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন বকাউল, ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন মিজি, ২ নং আশিকাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মমিন খান, ও মোঃ মাহাবুব আলম মুন্না।

মতবিনিময় সভায় কমিটির অন্যরা তাদের বক্তব্যে বলেন বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের আসেপাশে কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং এবং বহিরাগতদের আনাগোনা লক্ষণীয়। প্রয়োজনে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তা রোধ করতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান। বক্তারা আরও বলেন, ম্যানেজিং কমিটিতে যেন কোনভাবেই নেশাগ্রস্থ লোক না থাকে সেদিকে তারা খেয়াল রাখতে হবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অতিথিবৃন্দ বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%