ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

এশিয়া কাপের আগে অবসরে পাকিস্তানের পেসার


এশিয়া কাপের আগে অবসরে পাকিস্তানের পেসার

নারী এশিয়া কাপের আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন পাকিস্তানের ফাস্ট বোলার আইমেন আনোয়ার। বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশটির ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ২০১৬ সালে অভিষেক হওয়া আনোয়ার ৩৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন।

কাকতালীয়ভাবে তিনি ছিলেন টি-টোয়েন্টি খেলা ৩৭তম ক্রিকেটার। এছাড়া তিনি পাকিস্তানের হয়ে আটটি ওয়ানডে ম্যাচও খেলেছেন। তিনি সবশেশ ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১৬ সালে সাউদাম্পটনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে আইমেনের অভিষেক হয়। এর এক বছর পর কলম্বোতে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে তার অভিষেক ঘটে। তিনি ছিলেন এই ফরম্যাটে খেলা ৭৬তম নারী ক্রিকেটার।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে আইমেন ওয়ানডেতে ৪টি এবং টি-টোয়েন্টিতে মিলিয়ে ৩৩টি উইকেট শিকার করেছেন। এই পেসার ২০১৮, ২০২০ এবং ২০২২-২৩ সালের আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দেশটির স্কোয়াডের অংশ ছিলেন। এছাড়া তিনি নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০২২ সালের আইসিসি নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপেও খেলেছেন। এর আগে ২০১০ সালের জানুয়ারিতে পিসিবি ন্যাশনাল অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে করাচি অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলার মাধ্যমে ঘরোয়া ক্রিকেটে তার অভিষেক হয়।

আরও পড়ুন: মৃত চেয়ারম্যানের নামে ১০৭ বস্তা চাল উত্তোলনের অভিযোগ, গুদাম কর্মকর্তা প্রত্যাহার

খেলোয়াড়ি জীবন শেষে আইমেন ব্রডকাস্টার হিসেবে ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ম্যাচ রেফারি হিসেবেও নিজের নতুন এক অধ্যায় শুরু করেছেন। চলমান জাতীয় নারী অনূর্ধ্ব-১৯ টুর্নামেন্টে ম্যাচ রেফারি হিসেবে সোমবার তার অভিষেক হয়। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি ম্যাচ রেফারিদের জন্য আয়োজিত প্রশিক্ষণ কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করেছিলেন।

ব্রডকাস্টিং ও ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে যুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ি জীবনের পরেও ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন এই ক্রিকেটার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল: ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারে সতর্কতা জারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৩৯ পি.এম


নেপালে আকস্মিক পাহাড়ি ঢল: ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারে সতর্কতা জারি

নেপালে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। এদিকে, ভয়াবহ এই পাহাড়ি ঢলের পর ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় গণ্ডক নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

বুধবার নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিব্বত সীমান্তের দিক থেকে আসা প্রবল পানির স্রোতে বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় ভারতীয়সহ বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপাল থেকে ভারতের বিহারে প্রবাহিত প্রধান নদীগুলোর মধ্যে গণ্ডক ও কোসি উল্লেখযোগ্য। গণ্ডক নদী নেপালে নারায়ণী নামেও পরিচিত। নেপালের উজানে আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের কারণে নদীটির পানিপ্রবাহ হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিহার প্রশাসন।

পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিহার সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। মুখ্য সচিব ও পুলিশের মহাপরিচালক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। প্রয়োজনে তিনি নিজে দুর্গত এলাকায় যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন।

বিহারের স্বাস্থ্য বিভাগও সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি প্রয়োজন হলে দ্রুত সহায়তা দেওয়ার জন্য বৈঠক করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিশান্ত কুমার।

বিহারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে, নেপালের গণ্ডক নদীর উজান অববাহিকায় আকস্মিক পাহাড়ি ঢল এবং পানিপ্রবাহ দ্রুত বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কারণে রাজ্যের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গণ্ডক নদীর তীরবর্তী ও নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে এবং অপ্রয়োজনে নদীর কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে উত্তর প্রদেশেও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। গণ্ডক ও নারায়ণী নদীর পানির উচ্চতা বাড়ার সম্ভাবনায় মহারাজগঞ্জ ও কুশীনগর জেলার স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার এবং গুজবে কান না দিয়ে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে এলো সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগে এলো সুখবর

দীর্ঘদিন আইনি জটিলতায় আটকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষক শূন্যপদ। বড় এই শূন্যপদ পূরণে অবশেষে সুখবর মিলেছে। এ নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে এ প্রক্রিয়ায় দৃশ্যমান অগ্রগতি হতে পারে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে সহকারী শিক্ষকদের গ্রেডেশন তালিকা প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়েছে। তালিকা প্রণয়নের পর তা যাচাই-বাছাই করা হবে। এ সময় কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সেগুলোও নিষ্পত্তি করা হবে। পরে সংশোধিত তালিকা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি কর্ম কমিশনে (পিএসসি) পাঠানো হবে।

পিএসসির অনুমোদন মিললে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে। প্রায় তিন মাসের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক মীর আব্দুল আউয়াল আল মেহেদী বলেন, মামলার জটিলতা ছিল। সেই মামলার জটিলতা নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন মাঠপর্যায়ে পদোন্নতির জন্য গ্রেডেশন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। বাকি কাজ শিগগির শেষ হবে।

 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে শূন্যতা দীর্ঘদিনের। শূন্যপদ থাকলেও এসব পদে বড় পরিসরে পদোন্নতি দেওয়া যাচ্ছিল না। এর পেছনে ছিল জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি নিয়ে আইনি জটিলতা।

২০১৩ সালে সারা দেশে বিপুলসংখ্যক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হয়। জাতীয়করণকৃত বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সরকারি চাকরিতে অন্তর্ভুক্ত করার পর তাদের চাকরিকাল, জ্যেষ্ঠতা এবং পদোন্নতি কীভাবে নির্ধারণ করা হবে, তা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। এ সংক্রান্ত বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির বিধান চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা হয়।

মামলার কারণে কারা জ্যেষ্ঠ হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং সেই জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে কারা প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির সুযোগ পাবেন, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। ফলে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়াও আটকে ছিল।

দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর চলতি বছরের ২ জুলাই আপিল বিভাগ জাতীয়করণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি সংক্রান্ত বিধানের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর করেন। এর ফলে আগে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের কারণে তৈরি হওয়া আইনি জটিলতার অবসান হয় এবং প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পথ খুলে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, চাপে সরকার: মীর শাহে আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, চাপে সরকার: মীর শাহে আলম

বিদ্যুৎ খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা বকেয়ার চাপ বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনে পূর্ববর্তী ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রেখে যাওয়া প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধের পাশাপাশি বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বগুড়ার শিবগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেন। মীর শাহে আলম বলেন, অতীতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কেনা হয়েছিল, তবে সেই মূল্য যথাসময়ে পরিশোধ করা হয়নি। অর্থ ও বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখে স্বৈরাচার সরকার ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বিদায় নিয়েছে।

 

ফলে, এই বকেয়া পরিশোধের দায় বর্তমান সরকারের ওপর পড়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের সরকার হিসেবে আমরা বকেয়া পরিশোধের চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে বিদ্যুতের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা হবে।’ তিনি নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন, যেখানে সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, বর্জ্য ও পানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে এ বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের ভবন থেকে উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, ডাকবাংলো, অডিটোরিয়াম ও সিটি করপোরেশনের ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এসব প্যানেলে উৎপাদিত বিদ্যুৎ নেট মিটারিং পদ্ধতিতে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত ও সমন্বয় করা হবে।

তিনি আরো জানান, যদি দেশজুড়ে স্থানীয় সরকারের এসব প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা সম্ভব হয়, তবে সরকারের প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।

অনুষ্ঠানে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী মাহফুজের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন প্রতিমন্ত্রী।

 

মাহফুজের উচ্চশিক্ষার সম্পূর্ণ খরচ বহন এবং কৃত্রিম পা লাগিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় তার পক্ষ থেকে। শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনায় ২৩৩ জন জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাবুগঞ্জে তীব্র নদীভাঙন, স্কুল রক্ষায় মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


বাবুগঞ্জে তীব্র নদীভাঙন, স্কুল রক্ষায় মানববন্ধন

‘নদীভাঙনের হাত থেকে আমাদের বিদ্যালয়কে রক্ষা করুন। তা না হলে আমরা আর পড়ালেখা করতে পারব না। আমাদের ঘরবাড়িও কিছু থাকবে না।’- কথাগুলো বলছিল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী তানহা আক্তার।

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের মধ্য-পশ্চিম ভূতেরদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি এখন সন্ধ্যা নদীর ভাঙনের মুখে। বিদ্যালয়সহ বসতভিটা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকাল ১১টার দিকে কেদারপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ভূতেরদিয়া ও উত্তর বাহেরচর বাজারসংলগ্ন ভাঙনকবলিত এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।  

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে সন্ধ্যা নদীর তীব্র স্রোতে পশ্চিম ভূতেরদিয়া এলাকায় নতুন করে ভাঙন শুরু হয়। ইতোমধ্যে গ্রামের একটি বড় অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদীতীরবর্তী অর্ধশতাধিক পরিবার এখন ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। বসতভিটা হারানোর পাশাপাশি বিদ্যালয়, বাজার, দোকানপাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নিয়েও উদ্বেগে আছেন তারা।

বাহেরচর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বজলুর রহমান মিন্টু বলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিবছর নদীভাঙনে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে সন্ধ্যা নদীর প্রবল স্রোতে ভাঙন তীব্র হয়। স্থায়ী প্রতিরোধব্যবস্থা না থাকায় প্রতিবছরই মানুষ বসতভিটা হারাচ্ছেন।

কেদারপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহসিন মুন্না বলেন, পশ্চিম ভূতেরদিয়ার বিদ্যালয়, বাহেরচর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, স’মিল ও বাজারের দোকানপাটসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো নদীভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। দ্রুত নদীতীরে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

মানববন্ধনে স্থানীয় সমাজসেবক বিলাস খান, মুন্না হাওলাদার, রিপন হাওলাদার, মিজান হাওলাদার, শাহে আলম হাওলাদার, ইউসুফ চৌকিদার, আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার, মো. রহমান হাওলাদার, পলাশ খানসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

এ বিষয়ে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন, প্রতি বর্ষা মৌসুমে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও স্থাপনা রক্ষায় পর্যায়ক্রমে ভাঙন প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%