ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা ঢাকতে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে’


‘সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা ঢাকতে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে’

সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা ঢাকতে এবং দৃষ্টি অন্যদিকে নিতে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলার অবনতির পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার উল্লেখ করেন, সরকারের সাত মাসের শাসনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে। তিনি বলেন, এমপি ও সংরক্ষিত নারী এমপিরা নিজেদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। প্রতিটি রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজ উদ্বেগ প্রকাশ করছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্বাক রয়েছেন। জনগণ ধীরে ধীরে সরকারের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে। জুলাই সনদের আলোকে সংকীর্ণ দলীয়করণের ঊর্ধ্বে গিয়ে মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছিল জনগণের। কিন্তু বিএনপি ক্ষমতায় এসে নির্লজ্জভাবে মহানগর, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও গ্রামে সিন্ডিকেট করে গোটা দেশকে ফ্যাসিবাদী পন্থায় একটি দলের নিয়ন্ত্রণে আনার চক্রান্ত করছে। এর ফলে দেশে সন্ত্রাস বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সম্পত্তি দখল করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তিনি আরও বলেন, গ্রামগঞ্জে সার ডিলার, ইমাম-খতিবের ভাতা, কৃষক-ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, তালিকা ও সুপারভাইজারি করাসহ প্রত্যেকটি ইস্যুতে নিজেদের মধ্যে মারামারি ও গন্ডগোল হচ্ছে। সার বিতরণ নিয়ে ইউএনও অফিসে হামলা হচ্ছে। দেশের পরিস্থিতি চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে রয়েছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পরীক্ষায় দেশের ইতিহাস, অনুশীলন ও নজিরকে উপেক্ষা করে ভেরিফিকেশনের নামে এক শ্রেণিকে নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না। বেছে বেছে যুবদল, ছাত্রদল যারা করেছে তাদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ফলে শাহবাগে নিয়োগবঞ্চিত সমস্ত শিক্ষিত নারী-পুরুষ তাদের অধিকার আদায়ে আহাজারি করছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসবের উদ্দেশ্য হচ্ছে— আগামী নির্বাচনে পোলিং ও প্রিসাইডিং হিসেবে বেছে বেছে বিএনপির লোকদের নিয়োগ দেওয়া হবে। এই খারাপ মনোভাব থেকেই এসব করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মহিলা এমপিদেরও এই দলীয়করণে যুক্ত করা হচ্ছে। নির্বাচিত এমপিদের উপর অনির্বাচিত সংরক্ষিত মহিলা এমপিদের খবরদারি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নির্বাচিত এমপিদের ডিও লেটার খারিজ করে সংরক্ষিত মহিলা এমপিদের ডিও লেটার দিয়ে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, যা অতীতে ছিল না। মহিলা এমপির ইন্ধনে, মদদে দেশজুড়ে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, হামলা ও ভাঙচুর ঘটছে। এ সময় মিরপুরের রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও মূল্যবান সামগ্রী লুটপাটের ঘটনা তুলে ধরেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

গোলাম পরওয়ার বলেন, সব অপরাধের পেছনে মদদ দিচ্ছে সরকার দলীয় নেতাকর্মী ও মন্ত্রীরা। সরকারের উপর লেভেল থেকে সিগন্যাল পাওয়ার কারণে সন্ত্রাসীরা সুযোগ পাচ্ছে। সরকার অপরাধের সঙ্গে জড়িত নিজের দলের লোকদের কথা বলে না, বিরোধীদলের উপর চাপাতে চায়। এমতাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির কোনো সম্ভাবনা নেই, কারণ বেড়ায় ক্ষেত খাচ্ছে। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের নিবৃত্ত ও গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

আরও পড়ুন: দেশের স্বার্থে কোনো ছাড় নয়: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী টুকু

তিনি বলেন, রাজধানীতে মানুষের জীবন ও মাল নিরাপদ নয়। একইভাবে সারা দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছে। সরকার দ্রব্যমূল্য, সার, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট নিরসন করতে পারেনি। তারা গণভোটের গণরায়ও বাস্তবায়ন করেনি। তাই তাদের প্রতি মানুষের যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে— সেটি ঢাকতে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনগণের দৃষ্টি অন্যদিকে নিয়ে যেতে চায়। তারা এসব করছে যাতে বিরোধীদল আসল অ্যাজেন্ডা নিয়ে কথা বলতে না পারে।

তিনি বলেন, সরকার গণভোটকে সরাসরি অস্বীকার করে, গণরায়কে কার্যকর না করে আরও ভয়ংকর পথে হেঁটেছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য ফরম্যাট তৈরি করে দিয়েছিল ঐকমত্য কমিশন। সেটি বাদ দিয়ে এবং সংস্কার না করে জাতিকে আরেকটি চ্যালেঞ্জ ও সংকটের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার ধৃষ্টতা দেখিয়ে এবং অপরিণামদর্শী হয়ে প্রায় ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে উপেক্ষা করেছে। তারা গণভোট বাতিল করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বলে নিজেদের দলীয় অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের নামে শুভঙ্করের ফাঁকি দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার পথ ধরেছে। এতে জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে, আমাদের কর্মসূচি অব্যাহত আছে সংসদের ভিতরে ও বাইরে। দাবি আদায়ে আমরা সোচ্চার আছি, থাকবো। অতীতে যারা (সংসদে) সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে গণরায়কে উপেক্ষা করে জনগণের উপর ছড়ি ঘোরাতে চেয়েছেন, তারা কেউ টিকতে পারেনি। ইতিহাসের করুণ পরিণতির দায় নিয়ে তাদের বিদায় নিতে হয়েছে। সরকার গণবিরোধী কাজে গেলে তীব্র প্রতিবাদ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সেক্রেটারি জেনারেল এ সময় সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— হামলায় জড়িত সব দুর্বৃত্ত ও তাদের নেপথ্যের পৃষ্ঠপোষকদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচার; লুট হওয়া টিকা, টিকাদানের রেজিস্টার ও নথি উদ্ধার, যাতে কোনো শিশুর টিকার ধারাবাহিকতা ব্যাহত না হয়; স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে অবিলম্বে বিকল্প স্থানে টিকাদান কার্যক্রম চালু; স্থাপনা পুনর্নির্মাণ ও ক্ষতিপূরণ, এবং জমি দখলের যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা; ঘটনার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করা।

আরও পড়ুন: ২ পক্ষ ১ হয়েছে, সতর্কবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আবদুল হালিম, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ, মোবারক হোসাইন, নুরুল ইসলাম বুলবুল, ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ইয়াছিন আরাফাত ও আতাউর রহমান সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেবহাটা উপজেলায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০০ পি.এম


দেবহাটা উপজেলায় মাসিক আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

দেবহাটা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উক্ত সভার সভাপতিত্ব করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসতিয়াক আহমেদ অপু, দেবহাটা থানার ওসি এইচ এম শাহিন, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধ কামান্ডার আলহাজ্ব আব্দুল বারী মোল্ল্যা, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী মাহবুবুল আলম, বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক পারুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক বাবু, উপজেলা জামায়াত আমীর মাওলানা অলিউল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম, দেবহাটা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নাসরিন জাহান, সখিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, নওয়াপাড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোনায়েম হোসেন, উপজেলা দুর্নীতি দমন কমিটির সভাপতি চন্দ্র কান্ত মল্লিক, দেবহাটা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নুরুল ইসলাম, দেবহাটা বিবিএমপি ইন্সটিটিউটের প্রধান শিক্ষক মদন মোহন পাল, পল্লী বিদ্যুতের এজিএম মাছুম বিল্লাহ, কুলিয়া ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রভাষ চন্দ্র মন্ডল প্রমুখ।

সভায় মাদক, ইভটিজিং, শারদীয় দুর্গোৎসবে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান সহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগমারা-মেহেরকুল সড়কের বেহাল দশায় ৮ শত শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


বাগমারা-মেহেরকুল সড়কের বেহাল দশায় ৮ শত শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর চরম ভোগান্তি

কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের বাগমারা-সৈয়দপুর-মেহেরকুল দৌলতপুর নূরানী মাদ্রাসা ভায়া হাজী বাড়ি-বিসি সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চরম অব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ব্যবহার করে প্রতিদিন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষকসহ হাজারো সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে থাকলেও, সংস্কারের জন্য কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে পুরো এলাকা যেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এম্বুল্যান্স রোগী নিয়ে যাওয়ার সময় সড়কটি ভেঙ্গে পড়ে। বর্ষাকালে সড়কটি চলাচলের জন্য অযোগ্য হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সড়কটির দ্রুত সংস্কারের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।

অনুসন্ধান করে জানা গেছে, এই একটিমাত্র সড়কটির ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে মেহেরকুল দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মেহেরকুল দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কিন্ডারগার্টেন এবং ৩টি মাদ্রাসাসহ মোট ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া, সড়কটির পাশে দুটি মসজিদ এবং চারটি গণকবরও রয়েছে। দৈনিক প্রায় ৮ শত শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই বেহাল সড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে। স্থানীয় কৃষকদেরও এই পথ দিয়েই ফসল ঘরে তুলতে হয়।

সড়কটি সংস্কার হলে পূর্ব নয়াগাঁও, পশ্চিম নয়াগাঁও, বিজয়পুর, দিঘলঘাঁও, পিপুলিয়া, জয়কামতা, ধনপুর, উত্তর ধনপুর ও পরানপুর গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। এলাকার বাসিন্দারা এই রাস্তা ব্যবহার করে সরাসরি কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে সহজে উঠতে পারবেন।

ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুর রহমান সড়কটি পরিদর্শনের সময় বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির করুণ দশা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। এলাকার অবহেলিত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি দ্রুত মেরামত করা জরুরি।"

সামাজিক ব্যক্তিত্ব কামাল হোসেন এবং স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহাজাহান আক্ষেপ করে বলেন, "রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে বর্ষাকালে যেমন কাদাপানি মাড়াতে হয়, তেমনি শুকনা মৌসুমে ধুলাবালিতে চলাচল করতেই হয়। পুরো এলাকা যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।"

স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদ সহকারী অধ্যাপক তারেক উল ইসলাম বলেন, "দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা এলাকাবাসী বঞ্চিত, সড়কটির কাজ হলে প্রতিটা মানুষ শান্তি পাবে।"

পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান স্বপন, স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুল ওহাব, আব্দুল কুদ্দুস, যুবদল নেতা সোহেল, রুবেল, শাহ আলম, খোরশেদ মজুমদার সরদার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী রাকিব।

জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের নিকট এলাকাবাসীর লিখিত আবেদন বা দরখাস্তের ভিত্তিতে সম্প্রতি স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের কার্য সহকারী মানসুর হাল্লাজ সরেজমিনে রাস্তাটি পরিদর্শন করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, "সড়কটির গুরুত্ব ও বর্তমান নাজুক অবস্থার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রাক্কলন (এস্টিমেট) তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ ও অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে, যাতে দ্রুত কাজ শুরু করা যায়।"

লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুব্রত বিশ্বাস দাস বলেন, "সড়কের বেহাল দশার কথাটি শুনেছি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"

এলাকাবাসীর একটাই প্রত্যাশা—কাগজে-কলমে নয়, দ্রুত বাস্তবায়ন ঘটে যেন সড়কটি সচল হয় এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি মেলে হাজারো মানুষের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


আশাশুনিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫ আসামী গ্রেফতার

আশাশুনি থানার পুলিশ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন মামলার ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

২৭ সেপ্টেম্বর রাতে, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রতাপনগর গ্রামের মৃত মফেজ আলী গাজীর ছেলে ওয়ার্ড আ’লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রজব আলী (আশাশুনি থানার মামলা নং-২৩, তারিখ ২৩/০৬/২০২৬), তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত ঘনশ্যাম মণ্ডলের ছেলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মণ্ডল, এবং প্রতাপনগর গ্রামের আক্তারুজ্জামান মোড়লের ছেলে রাসেল আহমেদ (১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ) গ্রেফতার হন। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ১ হাজার টাকা। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার মামলা নং-১৭, তারিখ ২৭/০৯/২০২৬, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-এর ৩৬(১) সারণির ২৯(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডুমুরপোতা কেয়ারগাতী গ্রামের মো. আফিল গাজীর ছেলে মো. আরিফুল গাজীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সিআর-৩০১/২২ (বোয়ালিয়া) মামলায় ১ বছরের সাজা ও ৮ লাখ টাকা জরিমানা রয়েছে।

এছাড়া, প্রতাপনগর গ্রামের মো. খোকা হাওলাদারের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২৫)কে আশাশুনি থানার মামলা নং-১৬, তারিখ ২৩/০৯/২০২৬, দণ্ডবিধির ৪৩৫/৪২৭/৩৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ৫ আসামিকে পুলিশি প্রহরায় সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আশাশুনি থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:০১ পি.এম


স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজের ৫৪তম বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত

স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর ৫৪তম বোর্ড সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল আজিজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাহেদুল হক, বেদৌরা আহমেদ সালাম, ফারজানা সুলতানা, মোঃ সাহেদুল আলম, মোঃ লাফিজুল হক, রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র পরিচালক গোলাম হাফিজ আহমেদ।

এছাড়াও, সভায় স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ মিজানুর রহমান এফসিএস এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর সিইও মোহসীন হাওলাদারও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%