সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:০১ পি.এম
কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের বাগমারা-সৈয়দপুর-মেহেরকুল দৌলতপুর নূরানী মাদ্রাসা ভায়া হাজী বাড়ি-বিসি সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে চরম অব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি ব্যবহার করে প্রতিদিন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কৃষকসহ হাজারো সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে থাকলেও, সংস্কারের জন্য কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ফলে পুরো এলাকা যেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এম্বুল্যান্স রোগী নিয়ে যাওয়ার সময় সড়কটি ভেঙ্গে পড়ে। বর্ষাকালে সড়কটি চলাচলের জন্য অযোগ্য হয়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সড়কটির দ্রুত সংস্কারের জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন।
অনুসন্ধান করে জানা গেছে, এই একটিমাত্র সড়কটির ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে মেহেরকুল দৌলতপুর উচ্চ বিদ্যালয়, মেহেরকুল দৌলতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি কিন্ডারগার্টেন এবং ৩টি মাদ্রাসাসহ মোট ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়া, সড়কটির পাশে দুটি মসজিদ এবং চারটি গণকবরও রয়েছে। দৈনিক প্রায় ৮ শত শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই বেহাল সড়ক দিয়ে যাতায়াত করছে। স্থানীয় কৃষকদেরও এই পথ দিয়েই ফসল ঘরে তুলতে হয়।
সড়কটি সংস্কার হলে পূর্ব নয়াগাঁও, পশ্চিম নয়াগাঁও, বিজয়পুর, দিঘলঘাঁও, পিপুলিয়া, জয়কামতা, ধনপুর, উত্তর ধনপুর ও পরানপুর গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ হবে। এলাকার বাসিন্দারা এই রাস্তা ব্যবহার করে সরাসরি কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে সহজে উঠতে পারবেন।
ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সফিকুর রহমান সড়কটি পরিদর্শনের সময় বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির করুণ দশা হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। এলাকার অবহেলিত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সড়কটি দ্রুত মেরামত করা জরুরি।"
সামাজিক ব্যক্তিত্ব কামাল হোসেন এবং স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ শাহাজাহান আক্ষেপ করে বলেন, "রাস্তার খারাপ অবস্থার কারণে বর্ষাকালে যেমন কাদাপানি মাড়াতে হয়, তেমনি শুকনা মৌসুমে ধুলাবালিতে চলাচল করতেই হয়। পুরো এলাকা যোগাযোগ ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।"
স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদ সহকারী অধ্যাপক তারেক উল ইসলাম বলেন, "দীর্ঘদিন যাবৎ আমরা এলাকাবাসী বঞ্চিত, সড়কটির কাজ হলে প্রতিটা মানুষ শান্তি পাবে।"
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান স্বপন, স্থানীয় ইউপি মেম্বার আব্দুল ওহাব, আব্দুল কুদ্দুস, যুবদল নেতা সোহেল, রুবেল, শাহ আলম, খোরশেদ মজুমদার সরদার এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী রাকিব।
জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের নিকট এলাকাবাসীর লিখিত আবেদন বা দরখাস্তের ভিত্তিতে সম্প্রতি স্থানীয় উপজেলা প্রকৌশল দপ্তরের কার্য সহকারী মানসুর হাল্লাজ সরেজমিনে রাস্তাটি পরিদর্শন করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, "সড়কটির গুরুত্ব ও বর্তমান নাজুক অবস্থার বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় প্রাক্কলন (এস্টিমেট) তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ ও অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে, যাতে দ্রুত কাজ শুরু করা যায়।"
লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুব্রত বিশ্বাস দাস বলেন, "সড়কের বেহাল দশার কথাটি শুনেছি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
এলাকাবাসীর একটাই প্রত্যাশা—কাগজে-কলমে নয়, দ্রুত বাস্তবায়ন ঘটে যেন সড়কটি সচল হয় এবং দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি মেলে হাজারো মানুষের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আশাশুনি থানার পুলিশ বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে বিভিন্ন মামলার ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃতদের সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর রাতে, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে প্রতাপনগর গ্রামের মৃত মফেজ আলী গাজীর ছেলে ওয়ার্ড আ’লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রজব আলী (আশাশুনি থানার মামলা নং-২৩, তারিখ ২৩/০৬/২০২৬), তুয়ারডাঙ্গা গ্রামের মৃত ঘনশ্যাম মণ্ডলের ছেলে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গণেশ চন্দ্র মণ্ডল, এবং প্রতাপনগর গ্রামের আক্তারুজ্জামান মোড়লের ছেলে রাসেল আহমেদ (১০টি ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ) গ্রেফতার হন। উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটের আনুমানিক মূল্য ১ হাজার টাকা। রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে আশাশুনি থানার মামলা নং-১৭, তারিখ ২৭/০৯/২০২৬, ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-এর ৩৬(১) সারণির ২৯(ক) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডুমুরপোতা কেয়ারগাতী গ্রামের মো. আফিল গাজীর ছেলে মো. আরিফুল গাজীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সিআর-৩০১/২২ (বোয়ালিয়া) মামলায় ১ বছরের সাজা ও ৮ লাখ টাকা জরিমানা রয়েছে।
এছাড়া, প্রতাপনগর গ্রামের মো. খোকা হাওলাদারের ছেলে মো. মেহেদী হাসান (২৫)কে আশাশুনি থানার মামলা নং-১৬, তারিখ ২৩/০৯/২০২৬, দণ্ডবিধির ৪৩৫/৪২৭/৩৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ৫ আসামিকে পুলিশি প্রহরায় সাতক্ষীরা বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে। আশাশুনি থানার ওসি মো. জাহাঙ্গীর আরিফের নেতৃত্বে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর ৫৪তম বোর্ড সভা সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল আজিজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাহেদুল হক, বেদৌরা আহমেদ সালাম, ফারজানা সুলতানা, মোঃ সাহেদুল আলম, মোঃ লাফিজুল হক, রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র পরিচালক গোলাম হাফিজ আহমেদ।
এছাড়াও, সভায় স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, কোম্পানি সেক্রেটারি মোঃ মিজানুর রহমান এফসিএস এবং স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক সিকিউরিটিজ লিমিটেড-এর সিইও মোহসীন হাওলাদারও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় বাগানে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মো. হিরন মিয়া (৪০) নামে এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টার দিকে মালয়েশিয়ার একটি বাগানে কাজ করার সময় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মৃত হিরন মিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার খাড়েরা ইউনিয়নের মনকাশাইর গ্রামের মৃত সামছুল হকের পুত্র। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সেখানে একটি বাগানে কাজ করতেন।
মৃতের বড় ভাই মো. খোকন মিয়া জানান, সোমবার বিকালে বাগানে কাজ করার সময় হিরনের উপর বজ্রপাত হয়। পরে তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যদের ফোন করে বিষয়টি জানান। বর্তমানে সহকর্মীরা হিরনের লাশ দেশে আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন।
স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া জানান, হিরন অনেক ঋণ করে কষ্ট করে বিদেশে গিয়েছিলেন। এর আগে তার ছোট মেয়ে নিহা মনিও মারা যায়। একের পর এক দুর্ঘটনায় পরিবারটি শোকের মধ্যে রয়েছে।
চার ভাইয়ের মধ্যে হিরন ছিলেন সবার ছোট। বিদেশ যাওয়ার আগে তিনি দেশে গাছ কাটার কাজ করতেন। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। ছেলে ইকরাম হোসেন আমির দশম শ্রেণির ছাত্র। দুই মেয়ে হিমু আক্তার ষষ্ঠ শ্রেণি এবং রিমু আক্তার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।
হিরনের মৃত্যুর খবর বাড়িতে পৌঁছানোর পর স্ত্রী হ্যাপি আক্তারের কান্নায় পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। ৭৫ বছরের মা জাহানারা বেগম ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে বারবার মাটিতে লুটিয়ে পড়ছেন। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য প্রবেশপত্রের প্রয়োজন। তবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের কিছু বিভাগের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এই টাকা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে তা আদায় করা হচ্ছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের একাধিক বিভাগে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইতিহাস, হিসাববিজ্ঞান, সমাজকর্ম ও ডিগ্রী পরীক্ষার প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। কিছু বিভাগের অফিস সহকারীকে প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের থেকে টাকা নিতে দেখা গেছে।
বেলা ১২টার দিকে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের অফিস সহকারী পিংকি রানীকে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র দেওয়ার জন্য ২০ টাকা দাবি ও গ্রহণ করতে দেখা যায়।
অতিরিক্ত টাকা নেওয়া বৈধ কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শুধু ২০ টাকা নিচ্ছি, এতে সমস্যা কোথায়? ২০ টাকা দিতে কারও সমস্যা নেই।’
হিসাববিজ্ঞান বিভাগের আরেক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দুর্জয় চন্দ্র দাস টাকা নেওয়ার সঙ্গে জড়িত, এমন অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক গোলাম মোহাম্মদ বলেন, ‘আমি তাদের নিষেধ করেছি। অভিযোগটি আমি সিরিয়াসলি নিচ্ছি। আমি হাতেনাতে ধরব দুর্জয়কে। আমি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
ইতিহাস বিভাগের হিসাব ও অফিস সহকারী মো. শাহ আলম শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। এই টাকা নেওয়া বৈধ কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রিন্ট খরচের জন্য ২০ টাকা করে নিচ্ছি।’
যদিও ফরম পূরণের সময়ই শিক্ষার্থীরা সব ধরনের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করেছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার কল দিয়েও ইতিহাস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মো. কাদিমুল হাসানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
অপরদিকে, সমাজকর্ম বিভাগেও প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অফিস সহকারীকে টাকা নিতে দেখা যায়। অফিস সহকারী মো. সোলাইমান বলেন, ‘প্রবেশপত্রের জন্য ৩০ টাকা নিচ্ছি। সমস্যা কোথায়? অনেকদিন ধরেই টাকা নেই, এটা তো আর নতুন না।’
এ বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষকের সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, টাকা নেওয়ার বিষয়ে তারা অবগত নন।
সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক নূর মোহাম্মদ হারেছী বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমি জানতাম না। প্রবেশপত্রের জন্য টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ দিয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
কলেজ প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রবেশপত্রের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এতদিন কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।
কলেজের ডিগ্রি শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র প্রদান করেন প্রশাসনিক ভবনের অফিস সহকারী মো. জাকির হোসেন। তিনি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২০ টাকা করে নেওয়ার কথা স্বীকার করেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে টাকা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক গাজী গোলাম মোহাম্মদ সোহরাব হাসান বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে আলোচনা করেছি। কর্মচারীদের নিয়ে একটি কাউন্সিলের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবদুল মজিদ বলেন, ‘টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। অধ্যক্ষ স্যারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলব।’
এ বিষয়ে জানতে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবুল বাশার ভূঁঞার সঙ্গে কল করে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ