ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাণ্ডারিয়ায় চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ১০ মামলার আসামিকে কুপিয়ে জখম, আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার


ভাণ্ডারিয়ায় চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে ১০ মামলার আসামিকে কুপিয়ে জখম, আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় ড্রেজার থেকে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে মো. শহিদুল ইসলাম সুমন হাওলাদার (৩৫) নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। পরে আহত অবস্থায় তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত সুমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও হত্যা মামলাসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মাটিভাংগা ইউনিয়নের নতুন নলবুনিয়া এলাকায় মাওলানা জলিল মুফতি সাহেবের বাড়ির সামনে সড়কে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার সুমন হাওলাদার মাটিভাঙ্গা গ্রামের মো. আলী আকবরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় ড্রেজার ব্যাবসায়ী মোঃ সোহেল এর কাছ থেকে বুধবার রাতে সুমন সাড়ে ৪ হাজার টাকা চাঁদা নেয়। পরে আরও চাঁদা দাবি করলে ড্রেজারের মালিক টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় ড্রেজারটি ভাঙচুর করে সুমন। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার দুপুরে সুমন ফের ড্রেজার থেকে চাঁদার টাকা নিতে গেলে মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে তার তর্ক-বিতর্ক হয়। একপর্যায়ে সুমন হাতে থাকা দা দিয়ে তাদের কোপানোর চেষ্টা করলে তারা তার কাছ থেকে দা কেড়ে নেন। পরে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এতে সুমনের দুই পায়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম এবং মাথায় কোপের আঘাত লাগে। পরে স্থানীয় লোকজন ও ড্রেজারের কর্মচারীরা তাকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে পাঠানো হয়।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, ডাকাতি ও হত্যা মামলাসহ মোট ১০টি মামলার আসামি সুমন হাওলাদারকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ পাহারায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হবে।
মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর
০১৭১০০২০৩৮২

 

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে না: এলজিআরডি মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে না: এলজিআরডি মন্ত্রী

ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের কার্যকর ও শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য তৃণমূল পর্যায়ে ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব বিকেন্দ্রীকরণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

মন্ত্রী বলেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকরভাবে এবং স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দিতে হবে। যখন মানুষকে রাজধানীতে এসে ছোটখাটো সেবা নিতে হয়, তখন স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়। জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা তাদের নিজ নিজ এলাকায় বসেই পাওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

আজ রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানের গ্র্যান্ড বলরুমে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বলেন, ঢাকামুখী মানুষের চাপ কমাতে হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও ক্ষমতাবান করতে হবে। রাজধানীতে কেন মানুষ আসে, সেই প্রশ্নের গভীরে গিয়ে সমস্যার সমাধান করতে হবে। যদি প্রত্যন্ত এলাকার মানুষকে জন্মনিবন্ধনের মতো সাধারণ সেবা পেতে মন্ত্রণালয়ে আসতে হয়, তাহলে তা দেশের শাসনব্যবস্থার কাঠামোগত সমস্যারই বহিঃপ্রকাশ।

তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব না দেওয়া হলে, মানুষকে সব কাজের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হতে হবে। প্রকৃত বিকেন্দ্রীকরণ নিশ্চিত হলে, মানুষকে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ঢাকায় আসতে হবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে যেকোনো উদ্যোগের বাস্তবায়ন সবচেয়ে কঠিন ধাপ। প্রকল্পগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা কাজ করেছেন, তাদের ধন্যবাদ জানাতে হবে, বিশেষ করে বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের। এই প্রকল্পের সাফল্য ভবিষ্যতে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন কার্যকর প্রকল্প গ্রহণের পথ তৈরি করবে।

তিনি বলেন, কোনো প্রকল্প গ্রহণ ও শেষ করাই যথেষ্ট নয়; প্রকল্প বাস্তবায়ন থেকে শিক্ষা নিতে হবে এবং সেই শিক্ষা ভবিষ্যৎ উদ্যোগে কাজে লাগাতে হবে। প্রকল্প যাদের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে প্রকল্পটির মালিকানা তৈরি করাও গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে মানুষকে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর পরিবেশে বসবাসের সুযোগ দিতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়েই তাদের প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যসেবা থেকে শুরু করে নাগরিক সেবা— সব ক্ষেত্রেই স্থানীয় পর্যায়ে সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, স্থানীয় সরকার হচ্ছে গণতন্ত্রের মৌলিক ভিত্তি। গণতন্ত্র শুধু কেন্দ্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হলে হবে না; এর ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে তৃণমূল পর্যায় থেকে। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার মধ্য দিয়েই একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভিত্তি আরো মজবুত করা সম্ভব।

নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে নারীদের আরো বেশি সুযোগ দিতে হবে। সংরক্ষিত আসনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নারীদের সাধারণ আসনেও পুরুষদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জনপ্রতিনিধি হিসেবে উঠে আসার সুযোগ তৈরি করতে হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় সরকার, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং নারীর ক্ষমতায়ন— তিনটিই শক্তিশালী হবে।

তিনি আরো বলেন, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে কাজ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ উদ্যোগ আরো গতিশীল হবে এবং তৃণমূল থেকে গণতন্ত্রের ভিত্তি শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেন সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের প্রধান জ্যঁ পেসমে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনা ফাঁসির দড়ির ভয়ে বাংলাদেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


শেখ হাসিনা ফাঁসির দড়ির ভয়ে বাংলাদেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন

শেখ হাসিনা আর কখনো বাংলাদেশে ফিরে আসবেন না, ফাঁসির দড়ির ভয়ে এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার অপরাধ চিরতরে ‘ক্ষমার অযোগ্য’। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন, আওয়ামী লীগের আনুষ্ঠানিক বিচার সম্পন্ন হওয়ার আগে দলটির পুনর্বাসন বা তথাকথিত ‘রিকনসিলেশন’-এর কোনো সুযোগ নেই।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের ঐতিহ্যবাহী উজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রাশেদ খান বলেন, ডিসেম্বর মাসে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে তিনি জানান, আওয়ামী লীগ যে গণহত্যা করেছে, তার মূল নির্দেশদাতা শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, "একটা মানুষ এত বোকা হতে পারে না যে, যার জন্য আদালতে ফাঁসির দড়ি প্রস্তুত রাখা আছে, সে দেশে ফিরে নিজে সেই দড়িতে ঝুলবে!" তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়েছেন আত্মরক্ষার জন্য, বাংলাদেশে ফেরার জন্য নয়। তিনি যদি সত্যিই দল বা রাজনীতিকে ভালোবাসতেন, তবে বলতেন ‘আমি জেলে যেতে রাজি, তাও দেশ ছাড়ব না’।

আওয়ামী লীগের ক্ষমা চাওয়া ও রাজনৈতিক সমঝোতা প্রসঙ্গে রাশেদ খান মন্তব্য করেন, "আওয়ামী লীগ ক্ষমা চাইল কী চাইল না, তাতে এ দেশের ভুক্তভোগী জনগণের কিছু যায় আসে না।" তিনি বলেন, "তাদের অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য।" বর্তমানে যারা রিকনসিলেশন বা সমঝোতার বয়ান তৈরি করছেন, তারা মূলত ফ্যাসিবাদের দোসর এবং গণহত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনার চক্রান্ত করছেন। জনগণ এই চালাকি বুঝে ফেলেছে। তিনি বলেন, "দল হিসেবে আওয়ামী লীগের আগে বিচার হতে হবে, এর আগে কোনো আলোচনার সুযোগ নেই।"

রাশেদ খান জামায়াতে ইসলামী এবং জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জামায়াতের আমীর অভ্যুত্থানের এক মাসের মধ্যে আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন। তিনি বলেন, "ক্ষমতার জন্য জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে হাত মেলাতেও দ্বিধা করবে না।" তিনি আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় জামায়াত নেতা শিশির মনীরের ভূমিকা উল্লেখ করে বলেন, "জুলাইয়ের উত্তাল দিনে এরা প্রোফাইল লাল পর্যন্ত করেনি। এই লজ্জা শিবির কীভাবে ঢাকবে?"

সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর কঠোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, "জুলাই শহীদদের তাজা রক্ত মাড়িয়ে সারজিস ও হাসনাত আবদুল্লাহরা কীভাবে আওয়ামী লীগের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন?" তিনি বলেন, "তারা পারলেও আমরা শহীদদের রক্তের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে কোনো আপস করতে পারি না।"

গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, হাসিনা খেদাও আন্দোলনে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাই সবচেয়ে বেশি জীবন দিয়েছেন। তিনি জানান, রাজপথে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেওয়া এই নেতাকর্মীদের অবদান জনগণের কাছে পৌঁছে দিতেই তিনি দেশব্যাপী জুলাই শহীদদের মাজার জিয়ারত ও পরিবারগুলোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করছেন।

এর আগে উজির আলী স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি কামরুজ্জামান লিটনের সভাপতিত্বে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ মজিদ এবং কলেজের অধ্যক্ষ নাহিদা আক্তার। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামের আগে শায়খ কেন, কারণ জানালেন আহমাদুল্লাহ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৪৮ পি.এম


নামের আগে শায়খ কেন, কারণ জানালেন আহমাদুল্লাহ

নিজের নামের আগে শায়খ কেন ব্যবহার করা হয়, সে বিষয়ে খোলামেলা ব্যাখ্যা দিয়েছেন আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমাদুল্লাহ। সম্প্রতি তিনি এই বহুল আলোচিত সম্মানসূচক শব্দের প্রকৃত তাৎপর্য ও প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।

আলাপচারিতার একপর্যায়ে সাংবাদিক জানতে চান যে সাধারণত দেশে ইসলামী স্কলারদের নামের পূর্বে মুফতি বা মাওলানা জাতীয় পরিচিতি দেখা গেলেও তার নামের শুরুতে ‘শায়খ’ যুক্ত হওয়ার কারণ কী।

জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, শায়খ আসলে সম্মানসূচক একটি ভূষণ। আমরা যেরকম ‘জনাব’, ‘শ্রদ্ধেয়’—এ ধরনের শব্দ দিয়ে মানুষকে সম্মানিত করার চেষ্টা করি, শায়খও অনেকটা তেমন। শায়খ শব্দটি মূলত সিনিয়রিটি বোঝায়।

আরব বিশ্বে এটি খুব পরিচিত একটি সম্বোধন বা টাইটেল বলা যেতে পারে। সেখানে আলেম-ওলামাসহ সর্বস্তরের মানুষ পরস্পরকে সম্মান করে শায়খ বলে সম্বোধন করেন। আলেমদের ক্ষেত্রে এটি একটু বেশি ব্যবহৃত হয়।

তিনি নিজের প্রবাস জীবনের স্মৃতিচারণ করে বলেন, সৌদি আরবে তিনি প্রায় ১০ বছর অবস্থান করেছিলেন। সেখানে দেশটির ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাভাষী প্রবাসীদের ধর্মীয় নানা বিষয়ে সহায়তা দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। কোনো প্রবাসী আইনি জটিলতা বা মামলায় জড়িয়ে পড়লে কখনো কখনো স্থানীয় আদালতের বিচারকদের সাথে দোভাষীর দায়িত্বও পালন করতে হতো তাকে। সেখানে বাংলা ভাষাভাষীরাও ‘শায়খ’ শব্দটি বলতে অভ্যস্ত। মূলত সেখান থেকেই ‘শায়খ’ শব্দটি আমার নামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যায়।

বিষয়টি এমন নয় যে এটি কোনো অর্জনের টাইটেল, তিনি স্পষ্ট করেন যে এটি বিশেষ কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি বা আনুষ্ঠানিক অর্জনের মাধ্যমে পাওয়া কোনো উপাধি নয়। মুফতিদের ক্ষেত্রে যেমন নির্দিষ্ট যোগ্যতা বা দায়িত্বের বিষয় আছে, এটি তেমন নয়। আমাদের দেশে যেমন মাওলানা বা হুজুর বলে সম্বোধন করা হয়, সেখানে শায়খ বলে সম্বোধন করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রান্তিক খামারিদের সমৃদ্ধির জন্য কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


প্রান্তিক খামারিদের সমৃদ্ধির জন্য কাজ করছে সরকার: মৎস্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, সরকার প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যদি প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার দৌলতপুরে আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যেই সকল খামারিকে কৃষক কার্ডের আওতায় নিয়ে এসেছেন। তাদের কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা যায়, সে লক্ষ্যেই ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই ফুটানো বা হ্যাচিং ডিম নাইজেরিয়ায় রপ্তানি করেছি। আমরা এর উৎপাদন আরও বাড়াতে চাই। এই খাতটিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সার্বিক নজরদারি রাখছেন। আশা করছি, প্রান্তিক পর্যায়ে খামারির সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়বে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে।’

তরুণদের এই খাতে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ যাতে এ খাতে এগিয়ে আসে, সে জন্য তাদের অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ খামার তৈরি করে সফলতা পেয়েছেন। সরকার তাদের ঋণ সুবিধাসহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করছে। এই খাতের সার্বিক অগ্রযাত্রায় তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই খামারের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে খুলনার মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবেন।’

এ সময় খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমানসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%