প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৮ অক্টোবর, ২০২৬ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানিয়েছেন, সরকার প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। যদি প্রান্তিক পর্যায়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনার দৌলতপুরে আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যেই সকল খামারিকে কৃষক কার্ডের আওতায় নিয়ে এসেছেন। তাদের কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ে উন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা যায়, সে লক্ষ্যেই ধারাবাহিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যেই ফুটানো বা হ্যাচিং ডিম নাইজেরিয়ায় রপ্তানি করেছি। আমরা এর উৎপাদন আরও বাড়াতে চাই। এই খাতটিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি এবং প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সার্বিক নজরদারি রাখছেন। আশা করছি, প্রান্তিক পর্যায়ে খামারির সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়বে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে।’
তরুণদের এই খাতে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুবসমাজ যাতে এ খাতে এগিয়ে আসে, সে জন্য তাদের অনুপ্রাণিত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ খামার তৈরি করে সফলতা পেয়েছেন। সরকার তাদের ঋণ সুবিধাসহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করছে। এই খাতের সার্বিক অগ্রযাত্রায় তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
খুলনার দৌলতপুর আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামারের উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই খামারের আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের জন্য ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে খুলনার মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবেন।’
এ সময় খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, খুলনার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. বয়জার রহমানসহ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন