ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভাণ্ডারিয়ায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা


ভাণ্ডারিয়ায় মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় উপজেলা মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাসিবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এ সময় সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল হালদার, ভাণ্ডারিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ কৃষিবিদ প্রফেসর আমানুল্লাহ খান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইব্রাহিম মোল্লা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুদেব সরকার, ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মন্ডল, কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম ও সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মতিউর রহমান বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: ‘বসন্তের কোকিল’ হিসেবে পরিচিত কাজী জাহিদ অভি? পূজামণ্ডপে অনুদান, ক্যানসার আক্রান্ত হাফেজকে সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন

এছাড়া আমানুল্লাহ মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সালমা আক্তার, মাজিদা বেগম মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এনায়েত হোসেন খোকন, শাহাবুদ্দিন সিনিয়র কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম, ভাণ্ডারিয়া বন্দর বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু নাসের, ভাণ্ডারিয়া বিহারীলাল মিত্র পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান, ভাণ্ডারিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিকুল ইসলাম মিলন, সাংবাদিক শঙ্কর জিৎ সমাদ্দার এবং গৌরীপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান বক্তব্য দেন।

সভায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিতকরণসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বক্তারা বলেন, উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

মোঃ তরিকুল ইসলাম
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর।
০১৭১০০২০৩৮২

আরও পড়ুন: স্বাধীনতার পরও পাকা হয়নি সড়ক, দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগার বন্ধ, জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:৫৯ পি.এম


ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তেল শোধনাগার বন্ধ, জ্বালানি সংকটের শঙ্কা

ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার পরে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাশিয়ার ওরস্ক শহরের একটি প্রধান তেল শোধনাগারটি পুরোপুরি বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। গত দুদিনের আগের হামলায় শোধনাগারটির এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা বিদেশী যন্ত্রাংশ এবং পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞার কারণে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এটি ফিরিয়ে আনার জন্য অন্তত ছয় মাস সময় লাগতে পারে, এ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন স্থানীয় আঞ্চলিক গভর্নর। এই অবস্থার সরাসরি প্রভাবে ওরেনবার্গ অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানিসংকট, যা যানবাহনচালকদের জন্য সীমাহীন ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি করেছে।

ওরেনবার্গ অঞ্চলের গভর্নর ইয়েভগেনি সোলন্তসেভ তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় জানান, ইউক্রেনীয় হামলায় দ্রুততার সাথে ধেয়ে আসা স্প্লিন্টারের আঘাতের ফলে শোধনাগারটির কিছু মূল অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা এখন মেরামত করা সম্ভব নয়। ব্যবহৃত সরঞ্জামগুলো বিদেশ থেকে আমদানি করা এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে এগুলোর মেরামত কাজ সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ ছয় মাস সময় লাগতে পারে। বর্তমান অবস্থা অনুযায়ী প্ল্যান্টটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।

গভর্নর আরও বলেন, আমরা সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং এই পরিস্থিতিতে আমাদের অঞ্চলের বাইরের উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহের ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করতে হবে।

ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে যে, গত মঙ্গলবার তারা মস্কো থেকে ১,৪৭০ কিলোমিটার (৯১৫ মাইল) দক্ষিণ-পূর্বে কাজাখস্তান সীমান্তের কাছে এই ওরস্ক শোধনাগারে সফল আক্রমণ চালিয়েছে, যার ফলে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে। বার্ষিক ৬০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিশালাকার কারখানাটিতে মোটর পেট্রল, ডিজেল, অ্যাভিয়েশন ফুয়েল (উড়োজাহাজের জ্বালানি), ফুয়েল অয়েল, বিটুমিনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোলিয়াম পণ্য উৎপাদন করা হতো। ২০২২ সালে রাশিয়া কর্তৃক শুরু করা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের আর্থিক এবং কৌশলগত মূল্য বৃদ্ধি করার কৌশল হিসেবে চলতি বছরে ইউক্রেন রাশিয়ার বিভিন্ন তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে হামলা জোরদার করেছে, যা রাশিয়াজুড়ে ব্যাপক জ্বালানিসংকট সৃষ্টি করছে।

এই পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় প্রশাসন ইতোমধ্যে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গভর্নর সোলন্তসেভ জানান, বর্তমানে অঞ্চলটির ২৮৭টি ফিলিং স্টেশনের মধ্যে ৮০ শতাংশ চালু আছে এবং অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ ও অন্যান্য জরুরি সেবায় নিয়োজিত বিশেষ যানবাহনকে জ্বালানি প্রাপ্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাম্পগুলোর কাছে চালকদের অতিরিক্ত ভিড় এবং ট্রাফিক শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত করা হয়েছে। পরিস্থিতি সব স্থানে সহজ নয় বলে স্বীকার করলেও এটি এখনও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে বলছেন গভর্নর সোলন্তসেভ, তিনি অঞ্চলের প্রতিটি চালককে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বৈরাচারের দোসরদের সিন্ডিকেট রাজত্ব,শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়,ক্ষমতার দাপট,অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০২ পি.এম


স্বৈরাচারের দোসরদের সিন্ডিকেট রাজত্ব,শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়,ক্ষমতার দাপট,অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের

নৌ-সংরক্ষণ বিভাগে স্বৈরাচারের দোসর সিন্ডিকেট রাজত্ব। অতিরিক্ত পরিচালক রহিমের শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়।ক্ষমতার দাপট, জাল-জালিয়াতি, ভুয়া বিল-ভাউচার আর অদৃশ্য সিন্ডিকেটের জোরে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা বিভাগকে কার্যত ব্যক্তিগত সম্পদের কারখানায় পরিণত করার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে।
পতিত আওয়ামী সরকারের সাবেক নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান ও নৌ-প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ অনুসারী হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও বহাল তবিয়তে রয়ে গেছেন। সম্প্রতি তাঁকে বরিশালের 'ডিইপিটিসি'-তে প্রিন্সিপাল হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে পদায়ন করা হয়েছে, যা নিয়ে তৈরি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। সংস্থাটির কিছু অসাধু কর্মকর্তার সাথে যোগসাজশ করে প্রশাসনিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও নিজের দুর্নীতি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উদ্ধারকারী জাহাজের তেল চুরি ও ভুয়া বিলের মহা-উৎসব
বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জের নৌ-সংরক্ষণ ও পরিচালনা দপ্তরের সূত্রমতে, আড়াইশত টন উত্তোলন ক্ষমতার উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’ নারায়ণগঞ্জের ৫ নম্বর ঘাটে শীতলক্ষ্যা নদীতে অলস বসে থাকলেও, কাগজে-কলমে সেটিকে সচল দেখিয়ে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকার ভুয়া জ্বালানি তেল খরচের বিল উত্তোলন করা হয়েছে (উল্লেখ্য, অন্য জাহাজ ‘নির্ভীক’ বর্তমানে বরিশাল থেকে পরিচালিত হয়)।
দুদকের অনুসন্ধানেও নারায়ণগঞ্জের কার্যালয়ের নথিপত্রে এই জ্বালানি খরচের ব্যাপক গরমিল ও হরিলুটের প্রমাণ মিলেছে।
নিজস্ব ঠিকাদারি সিন্ডিকেট ও সুনির্দিষ্ট জালিয়াতির চিত্র:
বিআইডব্লিউটিএ-এর আন্তর্জাতিক প্রজেক্টের আওতায় আমদানিকৃত বয়া-বিকন বাতির খাতের টাকা আত্মসাৎ করতে রহিম তার অনুগত ঠিকাদার ‘বাহার’-এর সাথে যৌথ সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। ২০১৯-২০ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছর পর্যন্ত বহিরাগতদের বাদ দিয়ে শুধু এই সিন্ডিকেটের মালিকানাধীন নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজ দিয়ে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।
ভুয়া বিল বানিয়ে অর্থ আত্মসাতের কিছু সুনির্দিষ্ট তথ্য:
আখি এন্টারপ্রাইজ: টিপি-১৩৫ এর ভুয়া বিলে আত্মসাৎ ৭ লাখ ৭২ হাজার টাকা।
তানিয়া এন্টারপ্রাইজ: এমপি-১২ এর ভুয়া বিলে ৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা এবং স্পিড বোট-১ মেরামতের নামে ৮ লাখ ৮১ হাজার ১০০ টাকা।
তানজিল ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস: টিপি-৮০ এর ভুয়া বিলে ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৫২ টাকা এবং টিপি-১৭৩ এর নামে ৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা।
আলিফ এন্টারপ্রাইজ: টিপি-৪৫ এর ভুয়া বিলে আত্মসাৎ ৪ লাখ ৯৮ হাজার ১৫১ টাকা।
ভুয়া বিল-ভাউচার ও বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে ঢাকা, সাভার এবং নিজ জেলা পাবনায় অঢেল স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন আব্দুর রহিম:
★উত্তর মুগদা (ঢাকা)
‘আলিফ গার্ডেন’ (৫৮/৩০/গ)-এ ২টি অত্যাধুনিক ফ্ল্যাট এবং ঝিলপাড় রোডের ৫৪ নং বাড়িতে ২টি আলিশান ফ্ল্যাট। ৫ কোটি টাকা
★কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)
ফতুল্লা লঞ্চঘাটের বিপরীতে ঠিকাদার বাহারের সাথে যৌথ মালিকানায় তৈরি বিশালাকার ডকইয়ার্ড। ১০০ কোটি টাকা
★আশুলিয়া (ঢাকা)
ইসলামনগর (আরএস দাগ-১৮৩৩) ১০ কাঠা জমিতে আব্দুর রহিম ও লিমা তাবাসসুমের নামে ৫ তলা ভবন।
২০ কোটি টাকা
★সাভার (ঢাকা)
কাঠগড়ায় ৪ ইউনিটের ৭ তলা ভবন এবং সাভার বাজারের অন্ধ মার্কেটের ২য় তলায় ২টি দোকান।
২০+ কোটি টাকা
★মোহাম্মদপুর (ঢাকা)
হাউজিং এলাকায় ৬ শতাংশের মূল্যবান জমি।
৭ কোটি টাকা অন্যান্য আবাসিক এলাকা
রামপুরা ও হাতিরপুলে একাধিক ফ্ল্যাট ও বাড়ি; ঢাকা ও সাভারে নিজ ও বেনামে একাধিক প্লট। কোটি কোটি টাকা
★গ্রামের বাড়ি (পাবনা)
শক্তির দাপট দেখিয়ে নিজ গ্রামের পাশে দখল/ক্রয়কৃত একটি বিশাল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের (হিন্দু) বাড়ি।১০০ কোটি টাকা
অদৃশ্য শক্তির ছায়াতল ও স্থায়ী বরখাস্তের দাবি
আব্দুর রহিমের এসব নজিরবিহীন দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়লেও অজ্ঞাত কারণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এতো বড় দুর্নীতির পরেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা না নিয়ে স্রেফ স্থান বদলি ও অতিরিক্ত দায়িত্বে পদায়নে সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।
বিআইডব্লিউটিএ-এর সাধারণ ও সৎ কর্মচারীদের দাবি— ক্ষমতার অপব্যবহারকারী এই দুর্নীতিবাজ অতিরিক্ত পরিচালককে অবিলম্বে চাকরি থেকে বরখাস্ত করতে হবে, তাঁর নামে থাকা অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত কোটি কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত আনতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রেন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অবরুদ্ধ ১০০ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


ড্রেন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, অবরুদ্ধ ১০০ পরিবার

ড্রেন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে নাটোরের গুরুদাসপুর পৌরসভায় আরসিসি ড্রেন নির্মাণের কাজে। পৌর কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করলেও কাজ শেষ করাতে পারছে না। এর ফলস্বরূপ, শতাধিক পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে যৌথ কাজটি পায় নাটোরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স সিনথিয়া ও আলামিন আনিসুর। ৪৭ লাখ টাকার কাজটি পরে সাব-কন্ট্রাক্ট নেন পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সেলিম শাহ। ইতোমধ্যে তিনি কাজের বিলও তুলে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের গেট থেকে সুফিয়ার বাড়ি পর্যন্ত ২০৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি ড্রেন নির্মাণ ও স্লাব বসানোর জন্য স্থানীয়দের যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি কেটে গর্ত করে রাখা হয়েছে। প্রকল্পটির ১৩০ মিটার অংশে ঢালাই ও স্লাব বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। তবে পশ্চিমাংশে রড বসানো হলেও ঢালাই হয়নি, সমানে বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে।

উল্লেখযোগ্যভাবে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাচীরও ধসে যেতে বসেছে।

এদিকে, ১০ মার্চ ড্রেন নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফাহমিদা আফরোজ। প্রকল্পটির জন্য ধরা হয় ছয় মাস সময়সীমা। সে অনুযায়ী, ১০ আগস্ট নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সময় পেরিয়ে গেলেও কাজ শেষ করা হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা মকবুল হোসেন ও মাসুদ রানা জানান, সড়কের ড্রেন নির্মাণ ও স্লাব বসানোর কাজটি ধীর গতিতে চলছে। এতে শতাধিক পরিবার অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় নিচের রডের ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাদের। দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে তারা পৌর প্রশাসকের কাছে হস্তক্ষেপ চান।

পৌর প্রকৌশলী আবু রায়হান জানান, নিম্নমানের উপকরণ ও রড ব্যবহার করায় মাঝখানে নির্মাণ কাজ বন্ধ ছিল। ২৬ জুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শিডিউল অনুযায়ী কাজটি শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেছেন। কাজ শুরু হলেও ঢালাইয়ে নিম্নমানের পাথর এবং ১২ মিলিমিটার রডের সঙ্গে আট মিলিমিটারের রড ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। বিধি মেনে দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষ করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বারবার চিঠি দেওয়া হয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মাসুম আলী বলেন, তাঁর ঠিকাদারি লাইসেন্সে পরীক্ষিত কাজটি করছেন সেলিম শাহ। তিনি দায়-দায়িত্বও নেন। তবুও তদারকি করা হচ্ছে।

সেলিম শাহ জানান, বৃষ্টির কারণে কাজে দেরি হয়েছে। দ্রুত নির্মাণ কর্ম সম্পন্ন করা হবে।

পৌর প্রশাসক ফাহমিদা আফরোজ বলেন, নির্মাণ কাজ বুঝে নেওয়ার জন্য পৌর নির্বাহী প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহবাগে চালু আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৮ পি.এম


শাহবাগে চালু আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল

ঢাকার যানজট নিরসনে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার পথে একটি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর ব্যস্ততম শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম এই আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি প্রশাসক জানান, ঢাকার অন্যতম প্রধান সমস্যা হলো তীব্র যানজট। এর ফলে নাগরিকদের মূল্যবান কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে প্রতিদিন। এই সমস্যার টেকসই সমাধানে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার মাধ্যমে যানবাহন চলাচলকে নিয়মতান্ত্রিক ও গতিশীল করার জন্য একটি বিশেষ পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ২০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সরাসরি কারিগরি সহায়তায় এই সিগন্যাল ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। শাহবাগ মোড়ে পরীক্ষামূলকভাবে চালুর মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়েছে।

ডিএসসিসির অধীনে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত আটটি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে এই সিগন্যাল ব্যবস্থা প্রস্তুত করা হয়েছে। স্থানগুলো হলো বাংলামটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম চত্বর, শিক্ষা ভবন এবং শাহবাগ মোড়।

এটি উল্লেখ করা যেতে পারে যে, শাহবাগ মোড়ে বৃহস্পতিবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ডিএসসিসি প্রশাসক আরও জানান, এই কার্যক্রম এখানেই শেষ হচ্ছে না। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরীর আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশনে আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে খুব শিগগির ডিএসসিসির আওতাধীন আরও ২২টি ইন্টারসেকশনে এই সিগন্যাল চালু করা হবে।

নতুন এই অটোমেটিক সিগন্যাল কার্যকর হলে মোড়গুলোতে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো সার্বক্ষণিকভাবে ম্যানুয়াল বা হাতে সংকেত দেওয়ার প্রয়োজন হবে না বলে প্রশাসক জানিয়েছেন। কিন্তু প্রযুক্তিনির্ভর এই ব্যবস্থা সফলভাবে চালু রাখতে তিনি কঠোর আইনানুগ অনুশাসন ও নাগরিক সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, রাস্তার ওপর যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংয়ের মানসিকতা এবং অবৈধ পার্কিংয়ের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। চালক ও পথচারীদের আইন কিংবা সিগন্যাল অমান্য করার প্রবণতা সম্পূর্ণরূপে পরিহার করতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় ট্রাফিক সতর্কীকরণ সাইন, রোড মার্কিং, জেব্রা ক্রসিং এবং নির্দিষ্ট লেন কঠোরভাবে অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ইন্টারসেকশনে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা কিংবা ভাসমান দোকান না রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ডিএসসিসি প্রশাসক আশা প্রকাশ করেন, ডিজিটালাইজেশন সফল হলে নগরের কোটি মানুষের কর্মঘণ্টা বাঁচবে। তদুপরি, ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের রোদে পুড়ে এবং বৃষ্টিতে ভিজে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালনের পেশাগত দুর্ভোগও কমবে। আধুনিক প্রযুক্তির সুফল ধরে রাখতে ট্রাফিক আইনের কঠোর প্রয়োগও নিশ্চিত করা হবে, এবং ঢাকা নগরীকে একটি গতিশীল ও আধুনিক স্মার্ট নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কার্যকর সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে৷

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার, প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ হাদিউজ্জামান এবং ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোহাম্মদ আনিসুর রহমান প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%