মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাসব্যাপী ফুল, ফলদ ও ঔষধি গাছ বিতরণ কর্মসূচির সমাপ্তি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে গাছ বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বিএনপির কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক, জেলা বিএনপির সভাপতি এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বছরে পাঁচ কোটি গাছ লাগিয়ে সবুজ বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তিনি বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় গাছ লাগানো যথেষ্ট নয়, বরং প্রতিটি চারার সঠিক পরিচর্যা ও তদারকি নিশ্চিত করা আবশ্যক। গাছ বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে এবং পরিবেশ বাঁচলে মানুষ সুস্থ ও সুন্দরভাবে বাঁচতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরা আগামীর বাংলাদেশের চালিকাশক্তি। তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সরকার বিভিন্ন শিক্ষাবান্ধব কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। মেধা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনায় অভ্যস্ত করতে ‘বইপড়া কর্মসূচি’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি। সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সহসভাপতি মো. ইব্রাহিম খান সাদাত।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জহিরুল হক খোকন। এছাড়া জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তব্য দেন অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন।
আয়োজকেরা জানান, সাবেক পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচির উদ্যোগে মাসব্যাপী কর্মসূচির আওতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাঁচটি বিদ্যালয়ে প্রায় দেড় হাজার ফুল ও ফলের গাছ বিতরণ করা হয়েছে। সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও ৫০০ গাছ বিতরণ করা হয়।
আয়োজকদের অন্যতম ফাহিম আশহাব রহমান মোল্লা আনন্দ বলেন, প্রতিটি গাছের সঙ্গে একটি কিউআর কোড সংযুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা গাছ লাগানোর পর কোডটি স্ক্যান করলে গাছটির তথ্য আয়োজকদের কাছে সংরক্ষিত হবে। এর মাধ্যমে বিতরণ করা গাছগুলোর তথ্য ও অবস্থান সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।
পরে অন্নদা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে একটি কাঠগোলাপ গাছ রোপণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চীন-নেপাল সীমান্ত থেকে সুনামির মতো ধেয়ে আসা হিমবাহের বন্যায় সৃষ্ট ‘অকল্পনীয়’ দুর্যোগের ষষ্ঠ দিনেও সোমবার কাদা ও ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।
এদিকে নিখোঁজ মানুষের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৪ হাজার ৫০০-তে দাঁড়িয়েছে।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
সর্বশেষ হিসাবে জানা গেছে, মৃতের সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়েছে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের পর শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি— এমন কিছু লাশ গণকবরে দাফন করা হয়েছে।
বুধবার হিমবাহ থেকে নেমে আসা বরফশীতল পানি, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল ঢলে নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে অন্তত ৯৩৯ জন নিহত হয়েছেন।
এছাড়া ভারতের ভাটির দিকে প্রবাহিত নদীগুলো থেকে আরও অন্তত ১৭টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
রাসুয়া জেলার এক জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী শিবু গিরি নিজেকে বেঁচে যাওয়ার জন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।
৪৪ বছর বয়সী গিরি এএফপিকে বলেন, একটি হেলিকপ্টারের উদ্ধারকারী দল তাকে ‘তিনবার উদ্ধারের চেষ্টা করেছিল, কিন্তু কোমর পর্যন্ত কাদায় আটকে থাকায়’ তারা তাকে বের করতে পারেনি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি তাদের পানি ও খাবার ফেলে দিতে বলেছিলাম।’
পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ রোববার এই দুর্যোগকে ‘অকল্পনীয় ও হৃদয়বিদারক’ বলে বর্ণনা করেন।
চিতওয়ান জেলায় সেনাসদস্যরা রাবারের নৌকা থেকে নেমে নদীর পাড় বেয়ে নীল ব্যাগে রাখা লাশগুলো তুলে আনেন। পরে মাটির রাস্তার পাশে লাশগুলোকে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়।
এদিকে বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্যে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা। একাধিক সুড়ঙ্গে আটকে পড়া প্রায় ১০০ জন জলবিদ্যুৎ কর্মীকে উদ্ধারে কাদা ও ধ্বংসাবশেষ সরাতে খনন, ড্রিলিং ও বিস্ফোরণ ব্যবহার করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত দুটি সুড়ঙ্গ থেকে তিনটি লাশ দ্ধার করা হয়েছে। তবে উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভেতরের পথ কাদায় বন্ধ হয়ে গেছে।
বিশেষায়িত সুড়ঙ্গ উদ্ধারকারী দলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, উদ্ধারকারীরা ‘কাদামিশ্রিত পলির স্তর’ ভেদ করে এগোচ্ছেন।
তিনি এএফপিকে বলেন, ভেতরে কেউ বেঁচে থাকতে পারেন— এ বিষয়ে তিনি ‘এখনো আশাবাদী’।
নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে ২০ হাজার ৬০০ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে। দুর্যোগ কবলিত এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১০০ জনের বেশি মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার নেপালের নুওয়াকোট ও রাসুয়া জেলায় হেলিকপ্টার থেকে উদ্ধার করা লাশ নামাতে দেখা যায় সেনা সদস্যদের।
তবে এই ভয়াবহতার মধ্যেও মিলেছে কিছুটা আশার খবর। শুক্রবার কাদা থেকে উদ্ধার করা ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে। শিশুটিকে পরে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
নেপাল সশস্ত্র পুলিশের মুখপাত্র নেত্র বাহাদুর কার্কি এএফপিকে বলেন, ‘শিশুটির শরীর কাদায় আটকে ছিল, তবে মাথাটি কাদার বাইরে ছিল।’
তিনি জানান, শিশুটি এখন ‘বিপদমুক্ত এবং হাসপাতালে সুস্থ হয়ে উঠছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, একটি হিমবাহ ধসে এই দুর্যোগের সূত্রপাত হয়।
বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হিমবাহ গলে যাওয়ায় এ ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি বাড়ছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল বলেন, ‘পরিবর্তনশীল জলবায়ু ও এর প্রভাবের বড় ভুক্তভোগীদের মধ্যে নেপালের মানুষ অন্যতম।’
বিজ্ঞানীরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতমালা হিমালয় দ্রুত গলছে।
পুরো জনপদ ভেসে যাওয়ায় এখন ত্রাণ ও সহায়তার প্রয়োজন ব্যাপক।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের কর্মকর্তা আবিওদুন বানিরে এএফপিকে বলেন, ‘এটি একটি চলমান বিপর্যয়।’
তিনি আরও বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার মানুষের চাহিদা ব্যাপক।
বন্যার পানিতে সড়ক ভেসে গেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস হয়েছে ও বহু সেতু ভেঙে পড়েছে।
মর্গগুলোতে লাশ রাখার জায়গা না থাকায় উদ্ধার করা শত শত লাশের কিছু দাফন শুরু করেছে নেপাল। তবে এর আগে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে, যাতে পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের স্বজনদের শনাক্ত করে লাশ নিয়ে যেতে পারেন।
চিতওয়ান জেলায় শোকাহত স্বজনরা কয়েকটি লাশের শেষকৃত্য সম্পন্ন করেছেন। অন্যদিকে দেবীঘাটের মতো নদীতীরবর্তী গ্রামগুলোতে বেঁচে যাওয়া মানুষ ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িঘর থেকে অবশিষ্ট জিনিসপত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
লাশ সংরক্ষণের জন্য ‘এক হাজারের বেশি’ ফ্রিজার ইউনিট প্রয়োজন বলে আন্তর্জাতিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে কাঠমান্ডু।
স্বজন হারানো পরিবারগুলো কমিউনিটি সেন্টারে পর্দায় লাশের ছবি দেখছেন ও নিখোঁজ প্রিয়জনদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লিওনেল মেসি আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। আর নীল সাদা জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে না এই ফুটবলের যুবরাজকে।
গত বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয়ের পর মেসি অবসরের সিদ্ধান্ত নেন। বাবার মৃত্যুর পর দ্রুত এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। মেসির অবসরের পর ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবলার ডেভিড বেকহ্যাম একটি আবেগঘন বার্তা প্রকাশ করেন, "দেশকে সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত উপহার দিয়েছ তুমি। তোমার কীর্তি চিরকাল মনে থাকবে।"
ডেভিড বেকহ্যামের প্রচেষ্টার মাধ্যমে লিওনেল মেসি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগে ইন্টার মিয়ামিতে যোগদান করেছিলেন।
বেকহ্যাম তার আবেগঘন বার্তায় উল্লেখ করেন, "এটা আমাদের জন্য এই মুহূর্তে পেছনে ফিরে তাকানোর ও উপলব্ধি, স্বপ্ন নিয়ে আসা এক তরুণের শ্রেষ্ঠত্বের সাক্ষী হতে পেরে আমরা কতটা ভাগ্যবান। লিও তুমি কিন্তু দেশের, তোমার নিজের ও তোমার পরিবারের কাছে গর্ব। যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গিয়েছে বছরের পর বছর, যেভাবে নেতৃত্ব দিয়েছে, তাতে শুধু আর্জেন্টিনা নয়, বিশ্বের লক্ষ্য লক্ষ্য শিশুকে তুমি অনুপ্রাণিত করে গিয়েছে।"
আর্জেন্টিনার জন্য মেসির অর্জনের জন্য তাকে অভিনন্দন জানান বেকহ্যাম।
২০০৬ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে প্রথমবার অভিষেক ঘটে লিওনেল মেসির। সেই বছরেই বিশ্বকাপের মঞ্চে তার অভিষেক ঘটে। তবে সেবার বিশ্বকাপে তিনি একটি মাত্র গোল করেন। পরবর্তী ২০১০ বিশ্বকাপে পাঁচটি ম্যাচ খেললেও কোনো গোল করতে পারেননি।
২০১৪ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ফাইনালে পৌঁছেছিল। সেবার জার্মানির বিরুদ্ধে তারা পরাজিত হয়। ২০১৮ বিশ্বকাপে স্বপ্ন পূরণ হয়নি। কিন্তু ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ফাইনালে জয় পায় আর্জেন্টিনা। সেবার ফাইনালে ফ্রান্সকে পরাজিত করে লিওনেল মেসির দল। অধিনায়ক হিসেবে বিশ্বকাপ হাতে তোলার স্বপ্ন মেসির পূরণ হয়েছিল। তবে এবারও সুযোগ ছিল, কিন্তু স্পেনের বিরুদ্ধে পরাজয়ের ফলে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়।
দেশের জার্সিতে অবসরের আগে পর্যন্ত লিওনেল মেসি ২০৭ ম্যাচে ১২৫ গোল করেছেন। আন্তর্জাতিক ফুটবলে মেসি দ্বিতীয় সর্বাধিক গোল সংগ্রহকারী। তালিকার প্রথম স্থানে রয়েছেন রোনালদো, যিনি ২৩৩ ম্যাচে মোট ১৪৬ গোল করেছেন সিআরসেভেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায় আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচিত উপকারভোগীদের মধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করা হবে। সমাজসেবা অধিদপ্তর একটি পাঁচ সদস্যের তদারকি টিম গঠন করেছে, যাতে এ কার্যক্রম সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করা যায়।
রোববার সমাজসেবা অধিদপ্তরের একটি অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে। অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন স্বাক্ষরিত আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, ১৭ সেপ্টেম্বর ফুলগাজী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে নির্বাচিত উপকারভোগীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে, এবং এ কার্যক্রমের সার্বিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সমাজসেবা অধিদপ্তরের পাঁচ কর্মকর্তাকে।
তদারকি টিমের সদস্যরা হলেন- সমাজসেবা অধিদপ্তর, ঢাকার উপ-পরিচালক হাসান মাসুদ, সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রেদওয়ান হোসেন, সহকারী পরিচালক মো. ইকবাল হোসেন, সমাজসেবা অফিসার মো. রায়হান কবীর এবং সমাজসেবা অফিসার পলাশ হোসাইন।
অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তদারকি টিম ১ সেপ্টেম্বর তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে উপকারভোগীদের তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম মনিটরিং করবে।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রকৃত ও নির্বাচিত উপকারভোগীদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া এবং মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য এই তদারকি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী -২ শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ মক্কা চুক্তিতে যোগদান করবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে।
আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে শামা বলেন, ‘মক্কা চুক্তিতে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি। এতে যোগদানের আগে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, এই জোটে অংশগ্রহণের জন্য যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই হবে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন, ঢাকা এখনও প্রস্তাবিত চুক্তিতে যোগদানের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পায়নি।
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত এই জোট এবং এতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এর আগে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, বাংলাদেশ চুক্তিটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে এবং এ উদ্যোগে তারা আগ্রহী।
হুমায়ুন কবির রোববার বলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানে বাংলাদেশ কোনো ঝুঁকি দেখছে না এবং এতে অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা সীমিত হবে না।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি অনন্য চুক্তি, যা নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে।’
উদ্যোগটির বিষয়ে ঢাকার ইতিবাচক মনোভাব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মক্কা বাংলাদেশের হৃদয়ে।’
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা ‘মক্কা চুক্তি’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। এ পর্যন্ত সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক চুক্তিটির অংশীদার হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ