মঙ্গলবার, ১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩৪ পি.এম
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী -২ শামা ওবায়েদ ইসলাম জানিয়েছেন, বাংলাদেশ মক্কা চুক্তিতে যোগদান করবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছে।
আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে শামা বলেন, ‘মক্কা চুক্তিতে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করছি। এতে যোগদানের আগে বাংলাদেশের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’
তিনি আরও জানান, এই জোটে অংশগ্রহণের জন্য যে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই হবে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন, ঢাকা এখনও প্রস্তাবিত চুক্তিতে যোগদানের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পায়নি।
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ককে নিয়ে গঠিত এই জোট এবং এতে বাংলাদেশের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই তিনি এসব মন্তব্য করেন।
এর আগে পররাষ্ট্রবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির বলেছিলেন, বাংলাদেশ চুক্তিটিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে এবং এ উদ্যোগে তারা আগ্রহী।
হুমায়ুন কবির রোববার বলেন, মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানে বাংলাদেশ কোনো ঝুঁকি দেখছে না এবং এতে অন্যান্য অংশীদারের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা সীমিত হবে না।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর বিন আবিয়াহ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি একটি অনন্য চুক্তি, যা নতুন সুযোগ সৃষ্টি করছে।’
উদ্যোগটির বিষয়ে ঢাকার ইতিবাচক মনোভাব ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘মক্কা বাংলাদেশের হৃদয়ে।’
উল্লেখ্য, গত ৭ আগস্ট ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ বা ‘মক্কা চুক্তি’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়। এ পর্যন্ত সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক চুক্তিটির অংশীদার হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু মন্তব্য করেছেন, রাষ্ট্রের কল্যাণের জন্য কারো সাথে আপস করা হবে না। তিনি বলেন, "পাহাড়ের মানুষের মঙ্গলের জন্য আমরা নিরলস কাজ করে যেতে চাই।"
গতকাল ঢাকায় সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত কক্সবাজার জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয় সংক্রান্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এই কথা বলেন।
আজ সরকারের এক তথ্যবিবরণীতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
মন্ত্রী কক্সবাজার জেলাকে একটি সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়ে বলেন, দেশের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি উল্লেখ করেন, "শুধু ঢাকায় বসে ফাইল সই বা নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষে আমি নই; মাঠে সশরীরে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই।"
রোহিঙ্গা সংকট এবং কক্সবাজারের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও টেকসই সমাধানের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কক্সবাজারের সংসদ সদস্যদের সাথে নিবিড় সমন্বয় করে কাজ করা হবে।
সভায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সঞ্চালনায় সীমান্ত অপরাধ, চোরাচালান, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান জোরদার, অপহরণ ও মানবপাচার রোধ, সারের পাচার রোধ ও সুষম বণ্টন নিশ্চিতকরণ, পর্যটন নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা বা রিসোর্ট নির্মাণ বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত যৌথ টহল এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানোর ওপর জোর দেওয়া হয়।
জুম মিটিংয়ে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও পল্লী বিদ্যুৎসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের (ডিএজি-এএজি) আইন কর্মকর্তারা সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার দৃঢ় সংকল্প প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ আইন কর্মকর্তারা অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের সামনে একত্রিত হয়ে এই সংকল্পের কথা জানান।
জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত আজকের কর্মসূচির শেষে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বক্তারা উল্লেখ করেন, "সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনকে অস্থিতিশীল করার যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।" তারা আরও বলেন, "অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র সফল হবে না। যারা দুর্নীতিবাজ, তারাই এখন বিভিন্ন কলঙ্ক দিয়ে যাচ্ছে।"
আজকের এই কর্মসূচিতে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসে কর্মরত কয়েকশ (ডিএজি-এএজি) আইন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অনুবাদক ও শিক্ষক আলমগীর মোহাম্মদ মন্তব্য করেছেন, কবি নজরুলকে শুধুমাত্র বাঙালির কবি হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে, বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার যে সুযোগ কবি নজরুল ইন্সটিটিউটের ২০২৫ সালের কমিটির মাধ্যমে সৃষ্টি হয়েছে, তা যেন একটুও ক্ষীণ না হয়। তিনি উল্লেখ করেন, অনুবাদক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো নজরুলের সেই অম্লান চেতনাকে অন্য ভাষার পাঠকদের হৃদয়ে প্রবাহিত করা।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেল ৪টায় একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আলমগীর আরও বলেন, কবিতা, গান, উপন্যাস, ছোটোগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, চিঠিপত্র এবং অভিভাষণ—সাহিত্যের প্রতিটি শাখায় নজরুল একটি স্বতন্ত্র ও অবিস্মরণীয় স্বাক্ষর রেখে গেছেন। তিনি সাম্য, মানবতা, বিদ্রোহ ও প্রেমের কবি, এবং তার এই কালজয়ী সাহিত্যকর্মকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার প্রধান মাধ্যম হলো মানসম্মত ও বস্তুনিষ্ঠ অনুবাদ। দুর্ভাগ্যবশত, নজরুলের সমসাময়িক অনেক বিশ্বসাহিত্যিক যেভাবে বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছেন, নজরুল সেখানে অনেকটাই উপেক্ষিত রয়ে গেছেন। তার সাহিত্যের যে গভীরতা ও বৈশ্বিক আবেদন, সেই তুলনায় আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার পরিচিতি এখনো সীমিত।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন একাডেমির সহপরিচালক ড. মাহবুবা রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা। আলমগীর মোহাম্মদ "নজরুল সাহিত্য অনুবাদের অভিজ্ঞতা ও অনুধ্যান" শীর্ষক বক্তৃতা প্রদান করেন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সাহিত্যিক ও অনুবাদক রাজু আলাউদ্দিন এবং নজরুল গবেষক ও অনুবাদক ইরশাদ আহমেদ শাহীন। সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
ড. মো. সেলিম রেজা বলেন, "নজরুল আমাদের জাতিসত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তার সাহিত্য বাংলা ভাষার গর্বই শুধু নয় বরং একইসঙ্গে বিশ্বসভ্যতার সম্পদ।" তিনি আরও বলেন, তার সাহিত্যকর্মকে অনুবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব।
সভাপ্রধান অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম তার বক্তব্যে বলেন, "নজরুল-বর্ষে আমরা নজরুল বিষয়ক গবেষণা ও অনুবাদকর্মের দিকে ফিরে তাকাতে চাই।" তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে নজরুল-রচনা অনুবাদের পরিধি গুণে-মানে আরও বিস্তৃত হবে এবং বিশ্বপাঠক নজরুলের সাহিত্যকর্মের নিবিড় পরিচয় লাভ করবেন।
পরে অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন আবৃত্তিশিল্পী টিটো মুন্সী। নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফেরদৌস আরা, শহীদ কবির পলাশ ও শাহীনুর রেজা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : জেলায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয়।
দুপুর ১২টায় এক বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে থানা মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
পরে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হযরত আলী, সদস্য সচিব এবিএম মামুনুর রশীদ পলাশ, শহর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মান্নান, সদস্য সচিব জাফর আলী, সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, কৃষক দলের সভাপতি শফিকুল ইসলাম গোল্ডেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম স্বপন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকরামুজ্জামান রাহাত ও জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাহারুল ইসলাম আতা।
এ সময় বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ