মোঃ লোকমান হোসেন, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
১২:৩৪ পি.এম
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং বৃক্ষরোপণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ২৬ হাজার ফল ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার (১৯ জুলাই) সকালে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত দীঘিনালা জোনসহ উপজেলার বিভিন্ন সাবজোনে একযোগে এ কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হয়। এর মাধ্যমে দীঘিনালা জোন থেকে ৭ হাজার এবং অন্যান্য সাবজোন থেকে ১৯ হাজারসহ মোট ২৬ হাজার চারা স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে।
দীঘিনালা জোনে আয়োজিত চারা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের উপ-অধিনায়ক মেজর শিহাবুন সাকিব রুশাদ, পিএসসি; অ্যাডজুট্যান্ট ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ আল আজমী। এছাড়া কবাখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নলেজ চাকমা, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পার্বত্য অঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, বনজ সম্পদ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রতিবছরের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে স্থানীয় জনগণের মাঝে ফল ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা সেনাবাহিনীর এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বিতরণ করা চারাগুলো যথাযথভাবে রোপণ ও নিয়মিত পরিচর্যা করার মাধ্যমে সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে যাত্রীবাহী নৌকাডুবির পর তিন দিন সাগরে ভেসে থাকা পাঁচজনকে উদ্ধার করা গেছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সাত বছর বয়সী একটি শিশুকন্যাও রয়েছে বলে রোববার এক উদ্ধার কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন।
গত বুধবার বড় দ্বীপ সুলাওয়েসির দক্ষিণে ছোট দ্বীপ সেলার-এর কাছাকাছি যাত্রাকালে ৭০ জনের বেশি যাত্রী বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা জানান, তারা নিখোঁজ হিসেবে আগে তালিকাভুক্ত ২৫ জনের একটি দলের সঙ্গে ছিলেন। পরে প্রবল বাতাসের কারণে তারা অন্যদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা মুহাম্মদ আরিফ আনোয়ার এএফপিকে বলেন, ‘নৌকাটি ডুবে যাওয়ার পর তারা যে কোনো ধরনের সরঞ্জাম অথবা ভাসমান উপকরণ পেয়েছেন, তা ব্যবহার করে নিজেদের রক্ষা করেন।’
তিনি আরও জানান, তারা দড়ি দিয়ে জেরিক্যান ও কর্কের টুকরা একসঙ্গে বেঁধে একটি ভাসমান ব্যবস্থা তৈরি করেন এবং তার ওপর উঠে ভেসে ছিলেন।
আরিফ জানান, শনিবার বিকেলে স্থানীয় জেলেরা তাদের উদ্ধার করেন এবং সহায়তার জন্য কর্তৃপক্ষকে রেডিও বার্তা পাঠান।
আরিফ বলেছেন, পর্যাপ্ত খাবার ও পানি ছাড়া কয়েক দিন সাগরে ভেসে থাকার কারণে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ক্লান্ত ও দুর্বল দেখাচ্ছিল। তবে, তারা ইনস্ট্যান্ট নুডলস এবং বিস্কুট খেয়ে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।
আরিফ জানান, নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে এখনও অভিযান চলছে। এ কাজে পাঁচটি বড় জাহাজ, একটি অনুসন্ধানী বিমান এবং একটি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হচ্ছে।
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, নৌকাটির যাত্রী তালিকায় ৫০ জনের নাম ছিল। তবে, পরবর্তী যাচাইয়ে দেখা যায়, নৌকাটিতে মোট ৭৮ জন যাত্রী ছিলেন।
ইন্দোনেশিয়ায় নৌকার প্রকৃত যাত্রী সংখ্যা এবং সরকারি তালিকার সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য থাকা একটি সাধারণ ঘটনা। এই দেশের দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নৌ দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
এর আগে জানুয়ারিতে পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় একটি নৌকা ডুবে গেলে তিনজন স্প্যানিশ পর্যটক নিহত হন। উদ্ধারের অভিযান শেষ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ ১০ বছর বয়সী একটি শিশুকে সরকারি হিসাবে নিখোঁজ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অশোকনগরে একটি যাত্রীবাহী গাড়িতে বিপুল পরিমাণ স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ সহ এক নারী পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য সিআইডি। রবিবার (১৯ জুলাই) সকালে অশোকনগর থানার পুলিশ এবং সিআইডি যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে এই নারীককে আটক করেছে।
আটককৃত নারীর নাম পূজা বিশ্বাস।
সাধারণ সালোয়ার-কামিজ পরিহিত এবং মাথায় ওড়না জড়ানো ওই নারীর ব্যাগের তল্লাশিতে ৬টি স্বয়ংক্রিয় পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৪টি ৭ এমএম এবং ২টি ৯ এমএম পিস্তল রয়েছে। এছাড়াও, ১২টি ম্যাগাজিন, প্রায় ২০০ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং নগদ ১২ হাজার টাকা সহ দুইটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের ধারণা, আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ দেখাচ্ছে এই নারী আসলে একটি বড় আন্তঃরাজ্য অস্ত্র পাচার চক্রের ক্যারিয়ার বা বাহক হিসেবে কাজ করছিলেন। তিনি হাবরা পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রবিবার সকালে নৈহাটি-অশোকনগর রোডের ৮ নম্বর মোড় এলাকায় সিআইডি ও অশোকনগর থানার কর্মকর্তাদের একটি দল অপেক্ষা করছিল। নৈহাটি দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী গাড়ি থামানো হলে, গাড়ি থেকে নামার পর পরই পূজা বিশ্বাস নামক ওই নারীকে আটক করা হয়।
সিআইডির প্রাথমিক অনুমান, এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের চালানের পেছনে একটি বড় আন্তঃরাজ্য চক্রের হাত রয়েছে।
পূজার ব্যাগ থেকে বিহারের জামালপুরের একটি ট্রেনের টিকিট উদ্ধার করা হয়েছে। এর সূত্র ধরে তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই অস্ত্রগুলো বিহারের কুখ্যাত মুঙ্গের জেলা থেকে পাচার করে আনতে হয়েছে। এই অস্ত্রগুলো ঠিক কার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল এবং এই চক্রের মূল হোতা কারা, তা জানতে পূজা বিশ্বাসকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে সিআইডি। রবিবার সকালে ব্যস্ত রাস্তায় এমন নাটকীয় অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একদিকে তীব্র গ্রীষ্মের দাবদাহ, অন্যদিকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা উত্তেজনার কারণে মাঝেমধ্যেই সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠছে। এর মধ্যেই কুয়েতের জেলিব আল-শুয়ুখ এলাকায় পরিচালিত বৃহৎ নিরাপত্তা অভিযানের ফলস্বরূপ এবং ঝুঁকিপূর্ণ ভবন খালি করার সরকারি পদক্ষেপে হঠাৎ করেই গৃহহীন হয়ে পড়েছেন হাজারো প্রবাসী। ফলে দেশটির সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন নানা দেশের অভিবাসী শ্রমিকরা।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী, ন্যাশনাল গার্ড, কুয়েত ফায়ার ফোর্স, বিদ্যুৎ ও পানি মন্ত্রণালয়, পৌরসভাসহ মোট ১১টি সরকারি সংস্থার অংশগ্রহণে জেলিব এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন খালি করা, বিধিবহির্ভূত ভবনগুলোর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, আবাসিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের অন্যান্য এলাকাতেও একই ধরনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
তবে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের দাবি, গভীর রাতে কার্যকর কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই ভবনগুলোর বাসিন্দাদের দ্রুত বের হয়ে যেতে বলা হয়। পাশাপাশি তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ফলস্বরূপ, নারী, শিশু ও বৃদ্ধসহ অসংখ্য পরিবার খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে বাধ্য হন।
প্রবাসীদের অভিযোগ, চলতি জুলাই মাসের ১০ তারিখে বাড়ির মালিকেরা পুরো মাসের ভাড়া আদায় করেছেন। কিন্তু ভবনগুলো উচ্ছেদ বা পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হবে—এ বিষয়ে ভাড়াটিয়াদের আগে থেকে কোনো তথ্য দেয়া হয়নি। তাদেরদাবি, যদি পর্যাপ্ত সময় দেয়া হতো তবে তারা বিকল্প বাসস্থানের ব্যবস্থা করতে পারতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং স্থানীয় অনলাইন ফোরামেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা উঠে এসেছে। অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন, রাত দুই থেকে তিনটার মধ্যে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা পরিচয়পত্র যাচাই করে দ্রুত ভবন ছাড়ার নির্দেশ দেন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার পর ছোট শিশু ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে অনেকেই রাস্তায় অবস্থান করতে বাধ্য হন।
কুয়েত সরকার বলছে, এটি কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। দীর্ঘ সময় ধরে জেলিব আল-শুয়ুখ এলাকার অনেক ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। ২০২৫ সালে ৬৭টি ভবন খালি করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০২৬ সালেও ধাপে ধাপে আরও ৪২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হয়। সরকারের দাবি, অভিযানের পূর্বে উচ্ছেদ নোটিশ প্রদান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
হঠাৎ উচ্ছেদের ফলে হাজারো শ্রমিক কর্মস্থল, পরিবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন। অনেকের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ব্যক্তিগত জিনিসপত্রও ভবনের ভেতরে রয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
কুয়েত টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও প্রবাসীদের জন্য সরকার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত করেছে। কিন্তু এসব আশ্রয়কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা এবং সেখানে সহজে পৌঁছানোর সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক প্রবাসী।
এদিকে শুক্রবার (১৭ জুলাই) কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল। দূতাবাসের কাউন্সেলর ও মিশন প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এবং শ্রম কল্যাণ শাখার কাউন্সেলর শোয়াইব-উল-ইসলাম তরফদারের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি প্রবাসীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় কুয়েতি কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করে তারা।
কুয়েতি কর্মকর্তারা প্রতিনিধি দলকে জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবন অপসারণ এবং অবৈধভাবে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেই এ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। একই ধরনের অভিযান দেশটির অন্যান্য এলাকাতেও চালানোর প্রস্তুতি রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানী ঢাকার পোস্তগোলা ব্রিজের কাছে বুড়িগঙ্গা নদীতে লঞ্চের ধাক্কায় একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডুবে গেছে। এই ঘটনায় নৌকাটিতে থাকা ১০ জন যাত্রীর মধ্যে ৮ জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও ২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
আজ রবিবার (১৯ জুলাই) সকালে আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানাচ্ছেন, গাজীপুরের কড্ডার বাজার থেকে একটি নতুন স্টিল বডি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে ১০ জন লোক কুমিল্লা মুরাদনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। নৌকাটি পোস্তগোলা ব্রিজের কাছে পৌঁছানোর পর সেটির ইঞ্জিন হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যায়। এই সময় নিয়ন্ত্রণহীন অবস্থায় থাকা নৌকাটিকে ‘সুন্দরবন-১২’ নামক একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ধাক্কা দিলে সেটি ডুবে যায়।
দুর্ঘটনার পর ৮ যাত্রী সাঁতরে নদীর কূলে উঠতে সক্ষম হলেও ২ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। একই সময়ে নৌকাটি তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা নিখোঁজদের উদ্ধারের জন্য উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান চলছেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ