০৬:২৮ পি.এম
প্রেমিকাকে নতুন মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য টাকা জোগাড় করতে বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলেন। তবে পুলিশের তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর তদন্তের ফলস্বরূপ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার আসল রহস্য প্রকাশ পায়।
পরে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সম্প্রতি এই তথ্য জানান বগুড়ার দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী মো. সাব্বির হোসেন গত ২৮ জুলাই বিকেলে নিজের বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি। ওই রাতেই তার বাবা সিদ্দিকুর রহমান দুপচাঁচিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
আরও পড়ুন: বিএমপি কমিশনারের উদ্যোগে পুলিশ লাইন্সের পুকুরে মৎস্যপোনা অবমুক্ত, উৎপাদন বৃদ্ধি ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের প্রত্যাশা
তিনি অভিযোগ করেন, একটি ব্রিলিয়ান্ট (আইপি) নম্বর থেকে ফোন করে তার ছেলের মারধরের শব্দ শোনানো হয় এবং তাকে জীবিত ফেরত পেতে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
জিডির পরপরই পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সাব্বিরের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে রাজশাহীর একটি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, সাব্বির অপহরণকারীদের কবলে ছিলেন না; বরং তিনি নিজেই আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাব্বির জানান, প্রেমিকাকে নতুন মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি নিজেই অপহরণের নাটক সাজান। ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপ ব্যবহার করে বাবার কাছে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ দাবি করেন এবং মারধরের অভিনয় করেন।
দুপচাঁচিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজমিলুর রহমান বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষার্থী তার ভুল স্বীকার করেছেন। তিনি পরিবারকে চরম দুশ্চিন্তায় ফেলার বিষয়টি উপলব্ধি করায় কাউন্সেলিং শেষে তাকে বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ৭নং জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কর্মীসভা অনুষ্ঠিত, ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন