ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার


আজকের বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার

বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার ওঠানামা করছে, যা এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে সহায়তা করছে।

গত মাসে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত বাস্তবায়নের জন্য পর্যায়ক্রমে ডলারের দাম বাড়ানো এবং টাকার মান কমানো হয়েছিল, যদিও বাজারে চাহিদামতো বৈদেশিক মুদ্রার জোগান ছিল। हाल ही में ডলারের দাম কিছুটা কমে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ও বাণিজ্যিক ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসের শুরুতে আন্ত ব্যাংকে ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দাম ১২২ টাকা ৮৫ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। এরপর সেটি বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৩ টাকা ৮২ পয়সায় পৌঁছেছিল। তবে আজকের বাজারে এটি ১২৩ টাকা ১৬ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।

আরও পড়ুন: কর্ণফুলী ওপর দেশের প্রথম ক্যাবল-স্টেইড সেতু, তিন জেলার মানুষের স্বস্তি মিলবে

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সর্বনিম্ন মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২৩ টাকা ১৬ পয়সা

ইউরো : ১৪২ টাকা ৮৪ পয়সা

আরও পড়ুন: গোলাম মোস্তফা: ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ফ্যাসিবাদের সূচনা

পাউন্ড : ১৬৬ টাকা ৪৮ পয়সা

কানাডিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ৭৭ পয়সা

অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৮ টাকা ২৮ পয়সা

চায়নিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ৩৫ পয়সা

আরও পড়ুন: দেশি মাছের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়াতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: মৎস্যমন্ত্রী

সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৭ টাকা ১৯ পয়সা

ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৮ পয়সা

মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩৪ পয়সা

সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৯১ পয়সা

আরও পড়ুন: শাহজালালে ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল, আটকা ২২,৬৩৬ যাত্রী

কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৮৫ পয়সা

কুয়েতি দিনার : ৩৯৯ টাকা ৯২ পয়সা

আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৬২ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আরও পড়ুন: রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে: বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদির

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাস আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলাবাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে।

আইএমএফের শর্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে সম্প্রতি ডলারের দাম কিছুটা বেড়েছিল, তবে বর্তমানে সেটি কিছুটা কমে এসেছে। আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নতুন রূপে হাজির পাওলি দাম ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’ সিরিজে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


নতুন রূপে হাজির পাওলি দাম ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’ সিরিজে

টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পাওলি দাম এবার একেবারেই ভিন্ন লুকে হাজির হয়েছেন। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের নতুন সিরিজ ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’-এ তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

নিখিল আদভানি পরিচালিত এই সিরিজটি শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে।

ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিপ্লবীদের সশস্ত্র প্রতিরোধ, তাঁদের আদর্শ, সাহস ও আত্মত্যাগের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে এই পিরিয়ড ড্রামা। সিরিজটির মূল কাহিনি চার বিপ্লবীকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে। এতে পাওলি দাম, টোটা রায়চৌধুরী, কাশিশ সালুজাসহ আরও অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। জেনারেল ডায়ারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেসন শাহ।

সিরিজটির মুক্তির দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুটিংয়ের বেশ কিছু মুহূর্তের ছবি শেয়ার করেছেন পাওলি দাম। ছবিগুলোতে ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’-এর সেটের নেপথ্যের নানা দৃশ্য উঠে এসেছে। অভিনেত্রীর নতুন লুক ও চরিত্রও দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পাওয়া ‘দ্য রেভল্যুশনারিজ’-এর অন্যতম আকর্ষণ এর ব্যতিক্রমী কাস্টিং। রাসবিহারী বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ভুবন বাম। শচীন্দ্রনাথ সান্যালের ভূমিকায় রয়েছেন রোহিত সরফ। প্রতিভা লাহিড়ীর চরিত্রে দেখা গেছে প্রতিভা রান্তাকে। কিংবদন্তি বিপ্লবী বাঘা যতীনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুরফতেহ পীরজাদা।

ঐতিহাসিক সময়ের আবহে পাওলি দামের নতুন রূপ ইতোমধ্যেই দর্শকদের আগ্রহ তৈরি করেছে। এবার পর্দায় তাঁর অভিনয় ও চরিত্রায়ণ কতটা চমক দেখাতে পারে, সেটিই দেখার অপেক্ষা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এশিয়া কাপের ট্রফি না নেওয়ার কারণ জানাল বিসিসিআই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


এশিয়া কাপের ট্রফি না নেওয়ার কারণ জানাল বিসিসিআই

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে এশিয়া কাপের ট্রফি গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট দল, এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রধান ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির কাছ থেকে চ্যাম্পিয়নশিপ ট্রফি নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

গত বছর পাকিস্তানকে হারিয়ে পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হলেও, ভারত এখনও ট্রফিটি গ্রহণ করতে পারেনি। ফাইনালের পর নাকভি ট্রফি নিয়ে মাঠ ত্যাগ করেন এবং পরে সেটি এসিসির দপ্তরে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি, শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করে ভারত নারী এশিয়া কাপের শিরোপা অর্জন করেছে। তবে, পুরুষ দলের মতো এবারও নাকভির কাছ থেকে ট্রফি নিতে আপত্তি জানায় ভারতীয় নারী দল। ফলে, তারা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেনি।

‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিসিসিআই আগে থেকেই এসিসির কর্মকর্তাদের জানিয়ে দিয়েছিল যে, ভারত চ্যাম্পিয়ন হলে নাকভির উপস্থিতিতে ট্রফি গ্রহণ করবে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পুরস্কার মঞ্চে ট্রফি আনা হয়নি।

বিসিসিআইয়ের সেক্রেটারি দেবজিৎ সাইকিয়া জানিয়েছেন, ভারত আশা করেছিল যে, এসিসির অন্য কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে তাদের ট্রফি হস্তান্তর করা হবে। এ ক্ষেত্রে, এসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনির কাছ থেকে ট্রফি গ্রহণের জন্য প্রস্তুত ছিল ভারতীয় নারী দল।

তবে সাইকিয়ার দাবি, নাকভি সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন। এরপর আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান বয়কট করা ছাড়া তাদের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে সাইকিয়ার বক্তব্য তুলে ধরে বলা হয়েছে, প্রায় দেড় বছর আগে পুরুষদের এশিয়া কাপের সময় নেওয়া অবস্থানের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই ভারত এবারও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়নি। দেশের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি জানান।

সাইকিয়া বলেন, "আমরা এসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যানকে ট্রফি হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়েছিলাম। কিন্তু তা মেনে নেওয়া হয়নি। ফলে, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশ না নেওয়া ছাড়া আমাদের সামনে অন্য কোনো উপায় ছিল না।"

তবে, সাইকিয়া আশা প্রকাশ করেছেন যে, ট্রফি শেষ পর্যন্ত বিসিসিআইয়ের হাতে আসবে। তিনি বলেন, "কোনো এক পর্যায়ে পুরুষ ও নারী দুই দলের এশিয়া কাপের ট্রফিই বিসিসিআইয়ের হাতে ফিরে আসবে।"

এদিকে, নারী এশিয়া কাপে দারুণ সাফল্যের জন্য ভারতীয় দলকে অভিনন্দন জানিয়েছে বিসিসিআই। বোর্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, "দেশের মানুষ ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে গর্বিত ও উচ্ছ্বসিত।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারবেন ৮ দেশের নাগরিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪০ পি.এম


ভিসা ছাড়া জার্মানিতে যেতে পারবেন ৮ দেশের নাগরিক

জার্মানিতে চাকরি খোঁজার জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদানকারী ‘অপরচুনিটি কার্ড’-এর আওতায় আট দেশের নাগরিকদের জন্য রয়েছে কিছু বিশেষ সুবিধা। এই সুবিধার আওতায় থাকা দেশের নাগরিকদের জন্য জার্মানিতে প্রবেশের পূর্বে অপরচুনিটি কার্ডের জন্য আলাদা ভিসা নেওয়ার প্রয়োজন নেই। দেশটিতে পৌঁছানোর পর স্থানীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে বসবাসের অনুমতি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে এই সুবিধাটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য নয়। বাংলাদেশসহ তালিকার বাইরে থাকা অন্যান্য দেশের নাগরিকদের জার্মানিতে যাওয়ার আগে অপরচুনিটি কার্ডের ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুক্তরাজ্যস্থ দূতাবাসের নির্দেশনা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের নাগরিকদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইসরায়েল, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরাও এই সুবিধার আওতায় রয়েছেন।

ভিসামুক্ত প্রবেশের অর্থ এই নয় যে, জার্মানিতে পৌঁছানোর পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরচুনিটি কার্ড পাওয়া যাবে। আবেদনকারীকে জার্মান সরকারের নির্ধারিত যোগ্যতা পূরণ করতে হবে।

দেশটিতে পৌঁছানোর পর প্রথমে বাসস্থানের ঠিকানা নিবন্ধন করতে হবে। জার্মান কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাসস্থানে ওঠার দুই সপ্তাহের মধ্যে ঠিকানা নিবন্ধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এরপর জার্মানিতে প্রবেশের ৯০ দিনের মধ্যে স্থানীয় বিদেশি নাগরিকবিষয়ক দপ্তরে বসবাসের অনুমতির জন্য আবেদন করতে হবে।

জার্মান কর্তৃপক্ষ শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে বড় শহরগুলোর অভিবাসন দপ্তরে সাক্ষাতের সময় পেতে দেরি হতে পারে।

বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য নিয়মটি ভিন্ন। তাদের জার্মানিতে যাওয়ার আগে অপরচুনিটি কার্ডের ভিসার আবেদন করতে হবে। অর্থাৎ ভিসা ছাড়া জার্মানিতে গিয়ে পরে দেশটিতে বসে অপরচুনিটি কার্ডের জন্য আবেদন করার সুযোগ বাংলাদেশিদের নেই।

সুতরাং, জার্মানিতে গিয়ে চাকরি খোঁজার পরিকল্পনা করা বাংলাদেশিদের ভ্রমণের আগে ভিসাসহ প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

অপরচুনিটি কার্ডের মূল উদ্দেশ্য হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের দক্ষ ও যোগ্য কর্মীদের জার্মানিতে এসে চাকরি খোঁজার সুযোগ দেওয়া। আগেই চাকরির চুক্তি না থাকলেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে যোগ্য ব্যক্তিরা জার্মানিতে গিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজতে পারেন।

সাধারণভাবে অপরচুনিটি কার্ড সর্বোচ্চ এক বছরের জন্য দেওয়া হয়। যোগ্যতা অর্জনের জন্য দুটি প্রধান পথ রয়েছে। একটি হলো জার্মানিতে স্বীকৃত বিদেশি পেশাগত বা একাডেমিক যোগ্যতা থাকা। অন্যটি পয়েন্টভিত্তিক ব্যবস্থা, যেখানে আবেদনকারীকে অন্তত ছয় পয়েন্ট অর্জন করতে হয়।

পয়েন্ট নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা, জার্মান বা অন্য ভাষায় দক্ষতা, বয়স এবং কাজের অভিজ্ঞতা সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হয়।

অপরচুনিটি কার্ডের জন্য শুধু শিক্ষাগত বা পেশাগত যোগ্যতা থাকা যথেষ্ট নয়। আবেদনকারীকে জার্মানিতে অবস্থানের সময় নিজের খরচ চালানোর সক্ষমতার প্রমাণও দিতে হবে।

২০২৬ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মাসে ন্যূনতম ১ হাজার ৯১ ইউরোর সমপরিমাণ অর্থের ব্যবস্থা থাকার প্রমাণ প্রয়োজন হতে পারে।

জার্মানিতে পৌঁছানোর পর অপরচুনিটি কার্ডধারীরা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাজ করার সুযোগ পাবেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘণ্টা খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সম্ভাব্য চাকরির উপযুক্ততা যাচাইয়ের জন্য পরীক্ষামূলক কাজের সুযোগও রয়েছে।

আট দেশের নাগরিকদের জন্য প্রক্রিয়াটি তুলনামূলক সহজ হলেও ভিসামুক্ত প্রবেশের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা রয়েছে। স্থানীয় অভিবাসন দপ্তরের নিয়ম ও আবেদন গ্রহণের প্রক্রিয়ায় পার্থক্য থাকতে পারে।

জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুক্তরাজ্যস্থ দূতাবাসের নির্দেশনায় বার্লিনের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতার কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট ধরনের ভিসা ছাড়া জার্মানিতে গিয়ে স্থানীয়ভাবে অপরচুনিটি কার্ডের আবেদন করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে পারেন আবেদনকারীরা।

এ কারণে ভ্রমণের আগে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় বিদেশি নাগরিকবিষয়ক দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানে আবেদন গ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জার্মানিতে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণে বিদেশি কর্মীদের আকৃষ্ট করার অন্যতম উদ্যোগ হিসেবে অপরচুনিটি কার্ড চালু করেছে দেশটি। এর মাধ্যমে যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা জার্মানিতে গিয়ে নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কর্মসংস্থানের সুযোগ খুঁজতে পারেন। তবে ভিসামুক্ত প্রবেশের এই সুবিধা সীমিত কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্যই প্রযোজ্য; বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে জার্মানিতে যাওয়ার আগে অপরচুনিটি কার্ডের ভিসা নেওয়ার নিয়ম বহাল রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আন্তর্জাতিক আদালতে মুখোমুখি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে আন্তর্জাতিক আদালতে মুখোমুখি

ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : চলতি সপ্তাহে সিঙ্গাপুরে আন্তর্জাতিক আদালতে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড মূল্যবান সামুদ্রিক সম্পদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের নিষ্পত্তির জন্য মুখোমুখি হচ্ছে। প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে চলমান বিরোধের এই ঘটনা সর্বশেষ উত্তেজনার চিত্র তুলে ধরছে।

ব্যাংকক উপসাগরে যৌথভাবে সমুদ্রভিত্তিক জ্বালানি সম্পদ আহরণের লক্ষ্যে একটি চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার পর নমপেন জাতিসংঘ-সমর্থিত সমঝোতা প্রক্রিয়া শুরু করতে স্থায়ী সালিশি আদালতের (পিসিএ) দ্বারস্থ হয়েছে। সিঙ্গাপুর থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে।

২০০১ সালের সমঝোতা স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে প্রায় ২৭ হাজার বর্গকিলোমিটারের বিশাল ও সম্পদসমৃদ্ধ একটি এলাকার কথা, যার ওপর কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড উভয়েই দাবি করে আসছে।

ব্যাংকক গত মে মাসে একতরফাভাবে চুক্তি থেকে সরে যাওয়ার সময় উল্লেখ করে যে, ‘এমওইউ ৪৪’ নামে পরিচিত কাঠামোগত চুক্তিটি বাস্তবায়নে ‘কোনো অগ্রগতি হয়নি’।

প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে চলমান সীমান্ত সংঘাতের কোনো সম্পর্ক নেই বলে অস্বীকার করেছেন। গত বছর দুই দফা সংঘর্ষে ওই বিরোধ নতুন করে জ্বলে ওঠে, যার ফলে কয়েক ডজন মানুষ নিহত এবং ১০ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। পরবর্তীতে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।

কম্বোডিয়া গত সপ্তাহে জানায়, ‘থাইল্যান্ড একতরফাভাবে সম্মত দ্বিপক্ষীয় কাঠামো বাতিল করার পর’ তারা সমঝোতা প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিয়েছে। এই কাঠামোর আওতায় দুই দেশ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তাদের পরস্পর-অতিক্রমকারী সমুদ্রসীমার দাবি নিয়ে আলোচনা করে আসছিল।

কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত জুনে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ‘কম্বোডিয়ার সার্বভৌমত্ব ও সমুদ্রসীমার অধিকার রক্ষার’ জন্যও এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে বিশ্বের প্রাচীনতম সালিশি আদালতের কার্যালয়ে দুই দেশের প্রতিনিধিরা আন্তর্জাতিক আইনের পাঁচ বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গঠিত সমঝোতা প্যানেলের সামনে বক্তব্য দেবেন।

কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রাক সোখোন প্রথম বক্তব্য দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে, এরপর বক্তব্য দেবেন তার থাই প্রতিপক্ষ সিহাসাক ফুয়াংকেতকেও।

১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত পিসিএ বিশ্বের সবচেয়ে পুরোনো আন্তঃসরকারি বিরোধ নিষ্পত্তি সংস্থা, যা চুক্তি, বিশেষ সমঝোতা এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইনবিষয়ক কনভেনশন (ইউএনক্লস)-এর মতো বিভিন্ন চুক্তির ভিত্তিতে দেশ ও বেসরকারি পক্ষের মধ্যকার বিরোধ নিষ্পত্তি করে।

সিঙ্গাপুরে পিসিএর কার্যালয়টি হেগভিত্তিক আদালতের এশিয়ায় প্রথম কার্যালয়। কমিশনের সুপারিশ বাধ্যতামূলক নয় এবং এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রায় এক বছর সময় লাগবে।

-‘দীর্ঘস্থায়ী সমাধান’-

কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড উভয়েই নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগকে স্বাগত জানিয়েছে।

কম্বোডিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘দেশ দুটির সমুদ্রসীমা নিয়ে মতপার্থক্য শান্তিপূর্ণভাবে সমাধানে কম্বোডিয়ার উদ্যোগে শুরু হওয়া প্রক্রিয়ায় এই বৈঠক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।’

নমপেন বলেছে, তারা আশা করছে, এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড তাদের সমুদ্রসীমা নিয়ে মতপার্থক্যের ‘ন্যায্য ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানে’ পৌঁছাতে পারবে। একই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য তেল ও গ্যাসের মজুদ অনুসন্ধানের পথও উন্মুক্ত হবে।

থাইল্যান্ডের জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুই দেশের দাবির আওতাধীন ওই এলাকায় তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে ভবিষ্যৎ আয় প্রায় ৩০০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে।

থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ‘সমঝোতা কমিশনের কাজে পূর্ণ সহযোগিতা ও সমর্থন দিতে প্রস্তুত’ এবং জাতীয় স্বার্থ ‘সুরক্ষায়’ তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে একজন বিশ্লেষক বলেছেন, থাইল্যান্ডের চুক্তি থেকে সরে যাওয়া এবং কম্বোডিয়ার সমঝোতা প্রক্রিয়ার মামলা—দুটিই অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও সাম্প্রতিক সংঘাতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

থাইল্যান্ডের মাহিদোল ইউনিভার্সিটি ইন্টারন্যাশনাল কলেজের আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিশেষজ্ঞ উইলিয়াম জোন্স চলতি বিষয়ভিত্তিক সাময়িকী ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’-এ লিখেছেন, ‘এটি শক্ত অবস্থান তুলে ধরার পাশাপাশি ভোটারদের এই বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল যে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার উত্তরাধিকার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে।’ ২০০১ সালের সমঝোতা স্মারকটি তার সরকারের সময়ই প্রথম প্রণয়ন করা হয়েছিল।

অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার মামলা হুন মানেতের একটি ‘চতুর রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ ছিল বলে জোন্স লিখেছেন।

জোন্স বলেন, ‘স্থল সীমান্তে সামরিক পরাজয়ের পর এবং থাইল্যান্ডের তুলনায় অপেক্ষাকৃত দুর্বল অবস্থানে থেকে’ হুন মানেত এমন একটি আইনি পথ বেছে নিয়েছেন, যা ‘কম খরচে বড় সম্ভাব্য সুফল’ পাওয়ার সুযোগ দেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%