০২:৪১ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, দ্য ডিসেন্ট, রিউমার স্ক্যানারসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলি ফ্যাক্ট চেকিংয়ের কাজ করে থাকে, তারা কি এখনও রিপোর্ট করেছে যে, আমির হামজার অডিও কথোপকথনটি এআই দ্বারা তৈরি? তিনি বলেন, "আমি কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে নিই।"
রোববার (৮ নভেম্বর) তিনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ বিষয়ে একটি পোস্ট করেন।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে আরও দাবি করেন, জামায়াতের মুখপাত্র নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর গাড়ি কাণ্ড, ল্যাপটপ চুরি কাণ্ড এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সাথে বৈঠক ও সর্বশেষ জামায়াত এমপি আমির হামজার নারীঘটিত তথ্য ভেরিফাই করার পরে তিনি শেয়ার করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, "এই তথ্যগুলোর মধ্যে ন্যূনতম ভেজাল নাই এবং তাদের কারোরই এই তথ্যগুলো মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করা কিংবা চ্যালেঞ্জ করার মতো ন্যূনতম নৈতিকতাও নাই।"
আরও পড়ুন: কর্তৃত্ববাদী শাসন নতুন বাংলাদেশে চলতে দেওয়া যাবে না: ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ
জামায়াতের নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, ‘আল্লাহর আইন চাই, সৎ লোকের শাসন চাই’ স্লোগান দিয়ে বর্তমানে কোন শ্রেণির লোক জামায়াতের নেতৃত্ব দিচ্ছে, তিনি শুধুমাত্র সেই মুখোশগুলো উন্মোচন করতে চেয়েছেন। তিনি দাবি করেন, "এটি এখন প্রমাণিত সত্য হয়ে গেছে যে, বর্তমান জামায়াত মানেই গাজী নজরুল ইসলাম ও আমির হামজার মতো লম্পটদের আধিক্য।"
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী জামানায় কে জামায়াত করে আর কে জামায়াত করে না, তা বোঝা মুশকিল ছিলো। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের পরে দেখা গেলো, সুন্নতি লেবাসধারী যাদের বিরুদ্ধে অতীতে নারীঘটিতসহ অন্যান্য অপকর্মের পাহাড়সম অভিযোগ, তাদের অধিকাংশই জামায়াতরূপে আবির্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ গাজী নজরুল ও আমির হামজারা জামায়াতে অভিশাপ রূপে নাযিল হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন