ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

যশোরে রঞ্জন মন্ডলকে ইঞ্জেকশন পুশ করে হত্যা, মরদেহ নদীতে ফেলা


যশোরে রঞ্জন মন্ডলকে ইঞ্জেকশন পুশ করে হত্যা, মরদেহ নদীতে ফেলা

যশোরের কেশবপুরের ঘের ব্যবসায়ী রঞ্জন মন্ডল (৬০) হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রঞ্জনকে হত্যার পর তার মরদেহ বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদলিয়া সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে একজন হলেন যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মহিদিয়া মধ্যপাড়ার বিষ্ণুপদ ধরের ছেলে মিঠুন ধর এবং অন্যজন হলেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার দক্ষিণ ভাদলিয়া গ্রামের মৃত জব্বার গাজীর ছেলে মো. আব্দুল হান্নান গাজী।

আরও পড়ুন: ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক কপিল মন্ডলের মৃত্যু

তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) দেলোয়ার হোসেন জানান, গত ৭ নভেম্বর মনিরামপুর উপজেলার হেলারঘাট এলাকায় মুক্তেশ্বরী নদী থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় রঞ্জন মন্ডলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি কেশবপুর উপজেলার কালিচরণপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ঘের ব্যবসায়ী ছিলেন।

গত ৬ নভেম্বর রঞ্জন বাড়ি থেকে কাটাখালী বাজারের উদ্দেশে বের হন। এরপর রাতের দিকে তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরদিন তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা দেবাশীষ মন্ডল বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে সিআইডি হেডকোয়ার্টার্সের নির্দেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করে সংস্থাটি।

এসআই দেলোয়ার হোসেন আরও জানান, নিহতের মোবাইল ফোনের কল ডিটেইলস রেকর্ড (সিডিআর) বিশ্লেষণ, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও স্থানীয়ভাবে অনুসন্ধান করে জানা যায়, ৬ নভেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রঞ্জন মন্ডল কাটাখালী বাজারে পল্লিচিকিৎসক মিঠুন ধরের চেম্বারে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে মিঠুনও নিখোঁজ ছিলেন।

তদন্তের প্রক্রিয়ায় জানা যায়, মিঠুন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ভাদলিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এই কাজে তাকে সহায়তা করছিলেন আব্দুল হান্নান গাজী। পরে অভিযান চালিয়ে দুজনকে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন: ঢাকায় গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে নিহত জামশেদের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা সহায়তা

তদন্ত কর্মকর্তা জানান, মিঠুন জিজ্ঞাসাবাদে ইঞ্জেকশন পুশ করে রঞ্জনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের ব্যবহৃত স্বর্ণের চেইন ও আংটি এবং মরদেহ বহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ইঞ্জেকশনের পটও উদ্ধার করা হয়েছে।

কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে বলে জানান সিআইডির এই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অ্যাটকোর সভাপতি হলেন অঞ্জন চৌধুরী, মহাসচিব আব্দুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


অ্যাটকোর সভাপতি হলেন অঞ্জন চৌধুরী, মহাসচিব আব্দুস সালাম

দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের শীর্ষ সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে, যা ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের জন্য। মাছরাঙা টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী পুনরায় সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন, এবং একুশে টেলিভিশনের (ইটিভি) চেয়ারম্যান ও সিইও আব্দুস সালাম মহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এই নতুন নেতৃত্ব আগামী দুই বছরের জন্য দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠনকে পরিচালনা করবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্বাচনের মাধ্যমে অ্যাটকোর কার্যক্রম দেশের টেলিভিশন ও সম্প্রচারশিল্পের উন্নয়নে আরও গতিশীল হবে।

রোববার রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনে অ্যাটকোর দশম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেষে নতুন কমিটির নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের মালিক ও প্রতিনিধিরা এতে অংশগ্রহণ করেন। সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সংগঠনের আগামী দুই বছরের নেতৃত্ব নির্ধারণ করেন।

ভোটগ্রহণ ও গণনা শেষে নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করে। ফলাফলে অঞ্জন চৌধুরীর সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচন এবং আব্দুস সালামের মহাসচিব পদে নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

নবনির্বাচিত কমিটির দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে অ্যাটকোর সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, দেশের বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণ, সম্প্রচারশিল্পের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সংগঠনটির ভূমিকা আরও জোরালো হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

নবনির্বাচিত সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী এবং মহাসচিব আব্দুস সালাম দেশের গণমাধ্যম ও টেলিভিশন শিল্পকে আরও শক্তিশালী, সমৃদ্ধ ও গতিশীল করতে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। তাঁদের নেতৃত্বে আগামী দুই বছরে অ্যাটকো সম্প্রচার খাতের উন্নয়ন এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসিনার কাছে জানতে চাইলেন রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৩ পি.এম


হাসিনার কাছে জানতে চাইলেন রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের রক্তের দাগ শুকানোর আগেই শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফেরার পরিকল্পনা করছেন। তিনি দেশে ফিরে আসতে পারেন, তবে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হবে।

রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনা মূল্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার প্রসঙ্গে রিজভী উল্লেখ করেন, তিনি নাকি আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন। তাহলে কি আবু সাঈদদের হত্যার বিচার হবে না? আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দিয়ে হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালানোর মতো অপরাধের বিচার কে করবে?

তিনি আরো বলেন, মাঝে মাঝে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। ভারত থেকে তিনি কোথায় নামবেন, প্যারাশুটে নাকি হেলিকপ্টারে? ঢাকায় নামবেন, নাকি গোপালগঞ্জে? বিষয়টি একটু জানিয়ে দিলে ভালো হয়।

রিজভীর ভাষায়, শহীদদের রক্তের দাগ মুছে যাওয়ার আগেই একজন হত্যাকারী দেশে ফেরার কথা বলছেন। তিনি ফিরতে পারেন, কিন্তু বাংলাদেশের সরকার, আইন ও আদালত রয়েছে। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সবার জন্য আইনের শাসন নিশ্চিত করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, তা পূরণ করা হবে। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে।

অনুষ্ঠানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে দেশে বহু রাজনৈতিক দল আবারো রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছিল। গ্রাম-গঞ্জে কৃষি ও উৎপাদন কার্যক্রম নতুন করে গতি পায়। বিভিন্ন এলাকায় খাল খননের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো হয়। অর্থনৈতিকভাবে দেশ স্বাবলম্বী হতে শুরু করে এবং কলকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম সচল হয়।

রিজভী দাবি করেন, জিয়াউর রহমানের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছিল। তখন মানুষ ঘরের দরজা খুলে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারত। গ্রাম পুলিশ ও মহিলা পুলিশ ব্যবস্থা তার সময়েই চালু হয়েছিল। গ্রাম থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত নিরাপত্তাব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছিল। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা দেশের একজন শ্রেষ্ঠ দেশপ্রেমিককে হত্যা করে।

এরশাদের শাসনামল প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসেন। এর মধ্য দিয়ে দেশে আবারো গণতন্ত্রের অবসান ঘটে। পরে খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৯০ সালে গণতান্ত্রিক শক্তির বিজয় নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে দমন, জনগণকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বাংলাদেশকে অন্য একটি দেশের আধিপত্যের অধীনে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। আধিপত্যবাদী এসব তৎপরতার বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধই ছিল ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব। এ কারণেই দিনটি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস হিসেবে পরিচিত।

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে রিজভী বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর জনগণকে আবারো রাজপথে নেমে আসতে হয়েছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার মতো ঘটনা ভয়াবহ রূপ নিয়েছিল। বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গুম ও হত্যা করা হয়েছে। তরুণ ও শ্রমজীবী মানুষকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রিজভী বলেন, ছাত্র, তরুণ, শ্রমিক, রিকশাচালকসহ সাধারণ মানুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করে শেখ হাসিনার শাসনের অবসান ঘটিয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পেছনে ৭ নভেম্বরের চেতনা ও প্রেরণা কাজ করেছে। ৭ নভেম্বর, ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে জনগণের জেগে ওঠার মধ্যে একই ধরনের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির নেতাকর্মীরা এখনো ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বাংলাদেশকে কোনো দেশের অধীনস্থ বা সেবাদাস রাষ্ট্রে পরিণত হতে দেওয়া যাবে না।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, তিনি দেশের মানুষের সামনে স্বাধীনতার চেতনার কথা বললেও ভারতের কাছে গিয়ে নীরব থাকতেন। জনগণের কাছে স্বাধীনতার চেতনার কথা প্রচার করলেও দিল্লির কাছে তার অবস্থান ছিল ভিন্ন।

ক্রিকেটার ও সাবেক সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজার প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, একসময় তিনি বলেছিলেন, শেখ হাসিনা না থাকলে নড়াইল থাকবে না। এখন শেখ হাসিনা ক্ষমতায় নেই, তাহলে কি বাংলাদেশে নড়াইলের অস্তিত্ব নেই?

শেখ হাসিনার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার প্রচেষ্টার সমালোচনা করে রিজভী বলেন, অনুগত ও তোষামোদকারীদের ওপর নির্ভর করে তিনি আজীবন ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিলেন। একের পর এক বিনা ভোটের নির্বাচনে জয়ী হওয়ায় তার ধারণা হয়েছিল, সবকিছু তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কিন্তু তিনি জনগণের শক্তি ও ক্ষোভের গভীরতা বুঝতে পারেননি। যেকোনো সময় জনগণ জেগে উঠতে পারে—এই বাস্তবতা উপলব্ধি করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত তাকে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ছাড়তে হয়েছে।

বিএনপির রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে রিজভী বলেন, বিএনপির রাজনীতি সরল ও সঠিক পথের রাজনীতি, যা সিরাতুল মুস্তাকিমের আদর্শ অনুসরণ করে। খালেদা জিয়া তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি কখনো ভঙ্গ করেননি। তারেক রহমানও অঙ্গীকারের বরখেলাপ করেননি।

এআরবি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের জন্য পিকেএসএফ-এর ২,৫০০ কোটি টাকা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ পি.এম


নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও গ্রামীণ কর্মসংস্থানের জন্য পিকেএসএফ-এর ২,৫০০ কোটি টাকা বিতরণ

ঢাকা, ৮ নভেম্বর, ২০২৬ : ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে।

‘কুটির শিল্প ও মাইক্রো খাতের উদ্যোক্তা সৃষ্টির জন্য বিশেষ তহবিল (সোপান)’ কর্মসূচির অধীনে পিকেএসএফ ১০১টি সহযোগী সংস্থার জন্য এই অর্থ ছাড় করেছে। মাঠপর্যায়ে প্রায় ৫০ হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার মধ্যে ১ হাজার ৪১৬ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। উপকারভোগীদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ নারী।

এই কর্মসূচিটি দেশের ৬৪ জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। ঋণ প্রদান করা হচ্ছে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন, সেবা এবং ভ্যালু চেইন অর্থায়ন—এই চারটি উপখাতে। এর মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং বিদ্যমান ক্ষুদ্র উদ্যোগের সম্প্রসারণের পাশাপাশি উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণে অর্থায়ন করা হচ্ছে।

গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগণের মধ্যে উদ্যোক্তা তৈরি, নারী ও তরুণদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা এবং কৃষিভিত্তিক ও অকৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র উদ্যোগের বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য। একইসাথে ক্ষুদ্র উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থার ব্যবসা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

এই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংক পিকেএসএফের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ঋণ অনুমোদন করেছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রথম ধাপে ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকাসহ এ পর্যন্ত তিন ধাপে ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা পাওয়া গেছে। অবশিষ্ট ১ হাজার ২৫০ কোটি টাকা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পাওয়ার কথা রয়েছে।

পিকেএসএফ জানিয়েছে, অনুমোদিত পুরো অর্থ আগামী ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে উদ্যোক্তা পর্যায়ে বিতরণ করা হবে। ঋণ বিতরণের

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেবিদ্বারে বিএনপির পাল্টাপাল্টি সভা, এমপি রাশেদা বেগম হীরার গাড়িবহরে হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৮ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ পি.এম


দেবিদ্বারে বিএনপির পাল্টাপাল্টি সভা, এমপি রাশেদা বেগম হীরার গাড়িবহরে হামলা

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লার দেবিদ্বারে উপজেলা বিএনপি এবং বহিষ্কৃত সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর পাল্টাপাল্টি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দেবিদ্বারের দায়িত্বপ্রাপ্ত এমপি রাশেদা বেগম হীরার গাড়িবহরে হামলা এবং এক বিএনপি নেতার গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

বিএনপির সভায় কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন, তবে মঞ্জুরুলের সভায় তৃণমূলের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। সভা শেষে ফেরার পথে এমপি রাশেদা বেগম হীরার গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে এবং বিএনপি নেতার গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।

রোববার বিকেলে দেবিদ্বার পৌর এলাকার রেয়াজ উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় মাঠ ও রহমানিয়া সুপার মার্কেটের সামনে পৃথকভাবে দুটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। দুই সভায় নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে ভিন্ন চিত্র দেখা যায়। উপজেলা বিএনপির সভায় কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত থাকলেও তৃণমূলের অংশগ্রহণ ছিল তুলনামূলক কম। অন্যদিকে, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ডাকে আয়োজিত সভায় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

এদিকে, সভা শেষে ফেরার পথে দেবিদ্বারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরার গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় গুলশান থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম এ আউয়াল খানের গাড়ির সামনের গ্লাস ভাঙচুরের অভিযোগও করা হয়।

উপজেলা বিএনপির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুর রহমান লিটন, গুলশান থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম এ আউয়াল খান, কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবুল হাসেম, দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক জসিম উদ্দিনসহ উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর ডাকে আয়োজিত আলোচনা সভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী সমাগম ঘটে। এতে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য ব্যারিস্টার রেজভীউল আহসান মুন্সী, জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সদস্য মাজেদা আহসান মুন্সী, সদস্যসচিব এ এফ এম তারেক মুন্সী, সদ্য অব্যাহতি পাওয়া দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ, সাবেক আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন, সদস্যসচিব কাজী মাসুদসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের বিষয়ে দেবিদ্বার উপজেলা বিএনপির সদ্য সাবেক সদস্যসচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘আলোচনা সভা শেষে মিছিল নিয়ে ফেরার পথে মঞ্জু ভাইসহ আমরা সবার পেছনে ছিলাম। সামনে কী হয়েছে, তা বলতে পারি না।

গুলশান থানা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এম এ আউয়াল খান বলেন, ‘অনুষ্ঠান শেষে ঢাকায় ফেরার পথে পৌর এলাকার চান্দিনা রোডের সামনে আমার গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা করা হয়, এতে আমার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কেন্দ্র থেকে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমি দলের নির্দেশে থানায় মামলা দায়ের করব।

দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সময় আমি উপস্থিত থাকলেও কোনোভাবে উত্তেজিত যুবকদের আটকানো যায়নি, কেউ একজন থাপ্পড় দিয়ে গাড়ির গ্লাস ভেঙে ফেলে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%