০৪:৩৯ পি.এম
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের প্রস্তাবে ১৫০ সিসির ঊর্ধ্বে মোটরসাইকেল নিবন্ধনের জন্য ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এই বিষয়ে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টা মধ্যে নতুন সরকারের ইশতেহার হিসেবে প্রথম এবং দেশের ৫৫তম এই মেগা বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
এর গ্রহণের পূর্বে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে, জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট উত্থাপন শুরু করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আরও পড়ুন: তারেক রহমান: বিশ্ববাসী একদিন বাংলাদেশের উদাহরণ দেবে
এর আগে কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু করা হয়। তার পূর্বে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে দেশের অর্থনীতির পরিধি যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে উন্নয়ন কর্মসূচি ও রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের আকারও।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ের পর বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের এটি প্রথম বাজেট। দেশটির ইতিহাসে এবার সবচেয়ে বড় বাজেট তৈরিতে সরকারের লক্ষ্য বিশাল নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রতিগুলো পূরণ করা। প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা।
এই বিশাল বাজেটে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি অর্থ সংগ্রহ করা হবে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণ এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তার মাধ্যমে। বাজেট ঘাটতি দাঁড়াতে পারে ২ লাখ ৫১ হাজার কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন
বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক-দুই উৎস থেকেও অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।
এই বিশাল বাজেটের মাধ্যমে সরকারের লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনা, ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাংলাদেশকে ‘ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির’ পথে এগিয়ে নেওয়া।
আরও পড়ুন: জামায়াত আমিরের দাবি, মেজর আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলায় জড়িত মাদক কারবারিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন