ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কাস্পিয়ান সাগরে ইউক্রেনের হামলা ‘ইরানের ওপর আক্রমণ’: রাশিয়া


কাস্পিয়ান সাগরে ইউক্রেনের হামলা ‘ইরানের ওপর আক্রমণ’: রাশিয়া

কাস্পিয়ান সাগরে একটি জাহাজে আক্রমণকে ইরানের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত বলে ক্রেমলিন জানিয়েছে। ক্রেমলিনের মতে, এই ঘটনা দেখাচ্ছে যে, ইউক্রেন থেকে আসা হুমকি নির্মূল করা কতটা জরুরি।

রুশ প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ মন্তব্য করেছেন, ‘কিয়েভ কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজ উড়িয়ে দিয়েছে। এটি একটি আক্রমণ যা ইরানের ওপরই হয়েছে।’

গত শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ইউক্রেনীয় হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, এবিষয়ে বিস্ফোরণের ফলে তাদের একজন নাবিক নিহত হয়েছে এবং একজন আহত হয়েছেন। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বিষয়টি সামঞ্জস্য রেখে জানিয়েছেন, কিয়েভ শুধুমাত্র ইরানের সামরিক কার্গো চালানে ব্যবহৃত জাহাজ গুলোতেই হামলা চালিয়েছে।

আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

পেসকভ ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসবাদী হামলার’ অভিযোগ তোলেন এবং সেই হামলার ভৌগোলিক পরিধি বাড়ানোর অভিযোগে কিয়েভকে দায়ী করেন।

তিনি কিয়েভের বিরুদ্ধে জার্মানির ‘নর্ড স্ট্রিম’ পাইপলাইন উড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগও তোলেন, যা ইউক্রেন অস্বীকার করে আসছে। এছাড়া সিপিসি পাইপলাইন অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে কাজাখস্তানের স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করার অভিযোগও পেসকভ করেছেন।

পেসকভ উপস্থিতি নিয়ে বলেন, ‘এই হুমকিকে অবশ্যই নিষ্ক্রিয় এবং চূড়ান্তভাবে ধ্বংস করতে হবে।’

আরও পড়ুন: সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কম দামে বাংলাদেশে ইউরিয়া সার দিতে আগ্রহী রাশিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০২ পি.এম


কম দামে বাংলাদেশে ইউরিয়া সার দিতে আগ্রহী রাশিয়া

অন্যান্য দেশের বাজারের তুলনায় প্রতি মেট্রিক টনে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে বাংলাদেশকে ইউরিয়া সার দিতে চেয়ে রাশিয়া প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ান ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ভিয়াচেস্লাভ সেন্টিউরিন।

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা বাড়াতে তিনি এই আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দकर আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে রিপোর্টর্দলটির সৌজন্য সাক্ষাতকালে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব, খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষি সহযোগিতা, সার সরবরাহ এবং সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিভিন্ন মন্থনে কথা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাশিয়ার সহযোগিতার জন্য তিনি নিয়মিত গম ও মিউরিয়েট অব পটাশ (এমওপি) সার সরবরাহের প্রশংসা করেন।

তিনি সত্যিকার অর্থেই বলেছেন, রাশিয়া বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত বন্ধু। তিনি আশা ব্যক্ত করেছেন যে, আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে।

রাশিয়ার প্রতিনিধিদল জানায়, জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মাধ্যমে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) কাছে সরকার-টু-সরকার ভিত্তিতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার সরবরাহে তারা আগ্রহী।

প্রতিনিধিদল আরও জানায়, বাংলাদেশ বর্তমানে যেসব দেশ থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করে, তার তুলনায় প্রতি মেট্রিক টনে ১০ মার্কিন ডলার কম দামে সার সরবরাহের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেছে, যদি এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হয় তবে নির্ভরযোগ্য সার সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আমদানি ব্যয়ও কমবে।

বৈঠকে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এবং রাশিয়ার জেএসসি এফইসি প্রোডিনটর্গের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের তালিকায় সূর্যমুখী তেল, হলুদ, মটরশুঁটি, ছোলা, লাল মসুর ডাল ও সবুজ মসুর ডাল সরবরাহে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা এবং বাজার স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী রাশিয়ার বাণিজ্য সম্প্রসারণের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেছেন, পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা হবে।

বৈঠকে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে যে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানের খাইবার শেকানেই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বনাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


ইরানের খাইবার শেকানেই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বনাশ

সহজে পরিবহনযোগ্য এবং দ্রুত মোতায়েনযোগ্য, লক্ষ্যবস্তুতে অত্যন্ত নিখুঁত হওয়া এবং তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম খরচ; এইভাবে মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাগণ ইরানের তৈরি নতুন মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র 'খাইবার শেকান'কে বর্ণনা করেছেন। সাধারণত, নির্দিষ্ট গতিপথের কারণে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করা সহজ হলেও সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে একাধিক খাইবার শেকান সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে। এই ঘটনা প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোকে নিশানা করতে তেহরান তাদের সামরিক কৌশলে পরিবর্তন এনেছে। আঘাত হানার শেষ মুহূর্তে গতিপথ পরিবর্তন, গতির নিয়ন্ত্রণ এবং মাঝ আকাশে কৌশলগত চাল খাটাতে সক্ষম এই খাইবার শেকান ক্ষেপণাস্ত্রগুলো মার্কিন আকাশ প্রতিরক্ষা প্রাচীর ভেঙে দিতে পারদর্শী হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, কম খরচের ড্রোন এবং সাধারণ গতিপথের ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে তৈরি জটিল আক্রমণ কৌশলের অংশ হিসেবে ইরান এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে, যা মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধাঁধায় ফেলে দিচ্ছে।

এই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রথম উন্মোচন করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ২০২২ সালে। 'ফাতেহ' গোত্রের কঠিন জ্বালানি চালিত এই ক্ষেপণাস্ত্রের নাম সপ্তম শতাব্দীর খায়বারের যুদ্ধের ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতীক হিসেবে রাখা হয়েছে। সাধারণ তরল জ্বালানি ব্যবহার করা পুরনো ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর জন্য দীর্ঘ প্রাক-উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হওয়া, যা শত্রুপক্ষের স্যাটেলাইট বা রাডারে সহজেই ধরা পড়ে। কিন্তু কঠিন জ্বালানি ব্যবহারের ফলে খাইবার শেকান দীর্ঘ সময় ধরে প্রস্তুত রাখা যায় এবং ট্রাক বা অন্যান্য যান থেকে দ্রুত উৎক্ষেপণ করা সম্ভব, যা সহজেই অবস্থান পরিবর্তন করতে দেয়।

সাধারণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মহাকাশের উচ্চসীমা ছুঁয়ে নির্দিষ্ট পথ ধরে নিচে নেমে আসার কারণে সেগুলোর গতিপথ পূর্বনির্ধারণ করে ঠেকানো সম্ভব। তবে খাইবার শেকানের মূল শক্তি হলো এর বিচ্ছিন্নযোগ্য ওয়ারহেড। প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের বিস্ফোরকবাহী এই অংশটিতে একটি ছোট ইঞ্জিন যুক্ত রয়েছে, যা চূড়ান্ত মুহূর্তে গতিপথ পরিবর্তন করতে সক্ষম। এছাড়া, এই কৃত্রিম উপগ্রহ-পরিচালিত ক্ষেপণাস্ত্রটি চীনের বেইদু নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম ব্যবহার করে, ফলে আঘাত হানার সঠিকতা বেড়ে গেছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খাইবার শেকানের আরেকটি বড় সুবিধা হলো এর উৎপাদন খরচ। ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির জন্য খরচ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র প্যাট্রিয়ট, থাড কিংবা এসএম-৬ ইন্টারসেপ্টরের যথেষ্ট কম। উদাহরণ স্বরূপ, একটি এসএম-৬ বা প্যাট্রিয়টের পিএসি-৩ ইন্টারসেপটর ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের খরচ প্রায় ৪ থেকে ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়ে থাকে। এর ফলে পেন্টাগন মারাত্মক অর্থনৈতিক ও মজুদ সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে একটি সস্তা ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে গিয়ে। সেন্ট্রাল অ্যান্ড আন্তর্জাতিক গবেষণা কেন্দ্র (সিএসআইএস)-এর হিসাব অনুযায়ী, সম্প্রতি ব্যবহৃত হওয়া প্যাট্রিয়ট, থাড এবং এসএম সিরিজের ইন্টারসেপ্টরের মজুদ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সাবেক জেনারেল জোসেফ ভোটেটের মতে, ইরান প্রতিটি সামরিক হামলার তথ্য বিশ্লেষণ করে নিজেদের প্রযুক্তিকে আরও কার্যকর করে তুলছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সামনে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধামরাইয়ে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৩ পি.এম


ধামরাইয়ে হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান, জরিমানা

ঢাকার ধামরাইয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অভাবের কারণে উপজেলা প্রশাসন দুটি হাসপাতাল ও একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৯০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে ধামরাই উপজেলার কাওয়ালিপাড়া এলাকায় এই প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানটির নেতৃত্বে ছিলেন ধামরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন।

অভিযোগের অংশ হিসেবে, কাগজপত্র আপডেট না থাকার কারণে দি নিউ ইবনে সিনা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং একতা জেনারেল হাসপাতাল ও পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন এ সময় বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপডেট না করা হয়, তবে পরবর্তী অভিযানে সেসব প্রতিষ্ঠানে সিলগালা করে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া এ ধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে চলতে থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেতুর অভাবে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, ভোগান্তির শেষ নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৪ পি.এম


সেতুর অভাবে দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, ভোগান্তির শেষ নেই

 

ফেনীর সোনাগাজীর চর দরবেশ ইউনিয়নের আদর্শগ্রাম এবং নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের মাঝে অবস্থিত খালের ওপর কাঠের সাঁকোটি বর্ষাকালে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। সম্প্রতি তোলা ছবিতে দেখা যাচ্ছে। -কালের কণ্ঠ

দুটি জেলার দুটি উপজেলার দুটি ইউনিয়ন। দুই ইউনিয়নের মাঝে একটি খাল অবস্থিত।

শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মস্থলে যাওয়াসহ বিভিন্ন কারণে দুই পারের মানুষ প্রতিদিনই খাল পার হচ্ছে। খালের ওপর সাঁকো নির্মাণ করে এলাকাবাসী এই প্রয়োজন পূরণ করলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় একটি সেতুর দাবি তাঁদের দীর্ঘদিনের।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের আদর্শগ্রাম এবং নোয়াখালী কোম্পানিগঞ্জ মুছাপুর ইউনিয়নের আদর্শগ্রামের সংযোগস্থানটি দুই এলাকার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র সহজ মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেতু না থাকায় বর্ষাকালে যাতায়াত প্রকৃতপক্ষে বন্ধ হয়ে যায়।

শুকনো মৌসুমে মানুষ কোনোভাবে সাঁকো বা খাল পার হয়ে যাতায়াত করে। তবে বর্ষাকালে সেই উপায়ে সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে ওঠে।

এই সময় কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রয়োজন নিয়ে স্থানীয়দের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। একটি সেতুর অভাবে দুই ইউনিয়নের মেলবন্ধন মাত্র বাধাগ্রস্ত হচ্ছে না, বরং এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নও থমকে গেছে।

সূত্র জানায়, খালসংলগ্ন মুছাপুর অংশে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। অপরদিকে সোনাগাজীর চর দরবেশ আদর্শগ্রামে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু সেতু না থাকায় বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না। অনেক অভিভাবক দুর্ঘটনার ভয়ে সন্তানদের বিদ্যালয়ে পাঠানো বন্ধ করে দেন। সবচেয়ে ভয়াবহ সংকটে পড়তে হয় মুমূর্ষু রোগী এবং গর্ভবতী মায়েদের।

স্থানীয় বাসিন্দা আকমল হোসেন জানান, ‘আমাদের কষ্টের শেষ নেই। একটি ব্রিজের জন্য কত বছর ধরে আমরা অপেক্ষা করছি। কত সরকার এলোগেলো, আমাদের দুঃখের শেষ হলো না। আমরা আর কতদিন অবহেলিত জনপদের বাসিন্দা হিসেবে বেঁচে থাকব। অন্তত আমার জীবদ্দশায় এখানে যেন একটি সেতু দেখে যেতে পারি, সরকারের কাছে এই দাবি জানাচ্ছি।’

এলাকার মাদরাসা শিক্ষার্থী সিফাত বলেন, ‘জোয়ার এলে এখান দিয়ে পানি উঠে যায়। আমরা মাদরাসায় যেতে পারি না। আমাদের অনেক কষ্ট হয়। একটি সেতু হলে আমাদের অনেক উপকার হতো।’

ইকবাল হোসেন হেলাল নামের এক বাসিন্দা জানান, মুছাপুরে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় এই এলাকার শিক্ষার্থীরা আমাদের এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যায়। এখানে সীমান্তবর্তী খালে সেতু না থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে অনেক কষ্ট হয়। তাই একটি সেতু নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি।

আদর্শগ্রাম দারুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানার প্রিন্সিপ্যাল মাওলানা আবু তৈয়ব বলেন, সীমান্তবর্তী এলাকার খালের ওপর সেতু নেই। এর ফলে বর্ষাকালে শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারে না। এতে দিন দিন ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা কমে আসছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যেন তারা দ্রুত একটি সেতু নির্মাণের জন্য পদক্ষেপ নেন।

চর দরবেশ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ খালটি সোনাগাজী ও কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার সীমান্ত। একটি সেতু হলে দুই উপজেলার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি হবে। সেতু না থাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি এবং অন্যান্য নানা ক্ষেত্রে যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আরও বলেন, মুছাপুর গ্রামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না থাকায় এ এলাকার শিক্ষার্থীরা আদর্শগ্রাম গিয়ে পড়ালেখা করছে। সেতুর অভাবে তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এদিকে, প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত শিক্ষার্থী না থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়ার উপক্রম। তাই দুই উপজেলার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যেন দ্রুত সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নেন।

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিগ্যান চাকমা কালের কণ্ঠকে বলেন, আমরা ব্যাপারটি বিস্তারিতভাবে খোঁজখবর নেব। সরকারি বরাদ্দ পেলে ওই স্থানে দ্রুত সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%