বুধবার, ২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৬ পি.এম
পূর্ব ইউরোপের দেশ মলদোভা বর্তমানে চলমান তীব্র খরা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন সংঘাতের কারণে পানির মারাত্মক ঘাটতি ও বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে। এই পরিস্থিতি মোকাবেলার জন্য দেশজুড়ে পানি ও জ্বালানি খাতে আগামী ৬০ দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
মলদোভান পার্লামেন্টের ১০১টি আসনের মধ্যে ৫৪টি ভোটের মাধ্যমে এই জরুরি অবস্থার প্রস্তাব পাস করা হয়। আগামী শনিবার থেকে এই নির্দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে।
দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, মলদোভা অঞ্চলের প্রধান পানির উৎস ‘দিনিস্টার’ এবং ‘প্রুট’ নদীতে পানির পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে, যা একটি ভয়াবহ ‘হাইড্রোলজিক্যাল সংকট’ সৃষ্টি করেছে। স্বাভাবিক অবস্থায় ইউক্রেনের নোভোডনিস্ত্রোভস্ক জলাধার থেকে প্রতি সেকেন্ডে অন্তত ৬০ ঘনমিটার পানি প্রবাহের প্রয়োজন, কিন্তু বর্তমানে তা মাত্র ২২ ঘনমিটার পাওয়া যাচ্ছে। পানির সংকট মোকাবিলায় অপ্রয়োজনীয় কাজে পানি ব্যবহারে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে, জানিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী জর্জ হাইডার।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী ভাসিলে তোফান এই সংকটকে এক ‘পারফেক্ট স্টর্ম’ বা বহুমুখী বিপদের সংমিশ্রণ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, খরার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য ও ইউক্রেন যুদ্ধ এবং জ্বালানি শোধনাগারগুলোর ধ্বংসযজ্ঞের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শীতের ঠিক মুখে জ্বালানি ও পানির সংকট একত্রে উপস্থিত হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, উল্লেখ্য যে, ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোতে রাশিয়ার সাম্প্রতিক হামলার পর থেকেই প্রতিবেশী দেশ মলদোভার বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছে। নতুন এই জরুরি অবস্থার ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সংকট মোকাবিলায় বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণের আশা করছে দেশটির সরকার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মসজিদের দানবাক্সের তালা ভেঙে টাকা চুরির অভিযোগে মোসলেম (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এর আগে হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
আটক মোসলেম শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার চকপাড়া গ্রামের মৃত আকবর আলী ও মৃত পরিমনের ছেলে।
হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা আনসার কমান্ডার মো. আমিনুল ইসলাম জানান, মসজিদের দানবাক্সের তালা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয় এক ব্যক্তি। পরে তিনি বিষয়টি আনসার সদস্যদের জানালে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মোসলেমকে আটক করেন।
তিনি বলেন, “দানবাক্সটি তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। সেখানে কিছু পয়সা পড়ে ছিল। পরে বকশীগঞ্জ থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে তাকে নিয়ে যায়।”
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ তামিম বলেন, “ঘটনাটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর আনসার সদস্যরা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।”
বকশীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, “মসজিদের দানবাক্সের টাকা চুরির বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।”
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নতুন নির্দেশনা জারি করেছে হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়া পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পাসপোর্ট হারানো বা চুরি যাওয়ার পর অনলাইনে রিপোর্ট করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দ্বিতীয়বার বা পরবর্তী বার পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
গত ২১ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন-৪ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়। উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান স্বাক্ষরিত ওই পরিপত্রে হারানো, চুরি বা বিনষ্ট পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর জন্য মোট ১২টি নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার বিষয়টি অনতিবিলম্বে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে বা অনলাইনে রিপোর্ট করতে হবে। রিপোর্টের ভিত্তিতে অধিদপ্তর পাসপোর্টের স্ট্যাটাস হালনাগাদ করবে।
এছাড়া, নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করতে হবে। সংশ্লিষ্ট থানা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জিডির সঠিকতা যাচাই করে প্রতিবেদন পাসপোর্ট অধিদপ্তর বা সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে পাঠাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়া না গেলে জিডির কপি দিয়েই পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর আবেদন করা যাবে। এরপর অধিদপ্তর ‘লস্ট সার্কুলার’ জারি করে পুনঃইস্যুর কার্যক্রম সম্পন্ন করবে।
যদি জিডি যাচাইয়ে প্রমাণিত হয় যে ভিসা পাওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা ট্রাভেল এজেন্সির কাছে পাসপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে এবং তা অবৈধভাবে আটকে রাখা হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাওয়া সম্ভব না হলে আগের পাসপোর্ট বাতিল (রিভোক) করে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করা যাবে।
হারানো বা চুরি হওয়া পাসপোর্টের তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ ইমিগ্রেশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (আইএমএস) তা হালনাগাদ করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী ইন্টারপোলকেও এ বিষয়ে অবহিত করা হবে।
বিদেশে অবস্থানকালে পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে অনলাইনে রিপোর্ট করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ দূতাবাস, হাইকমিশন বা কনস্যুলেটকে জানাতে হবে। সংশ্লিষ্ট মিশন ‘লস্ট সার্কুলার’ জারি করে পাসপোর্ট পুনঃইস্যুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
নতুন পাসপোর্ট ইস্যুর ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। হারানো, চুরি বা বিনষ্ট পাসপোর্টের পরিবর্তে নতুন পাসপোর্ট ইস্যু হলে এর ডেটা পেজে ‘পাসপোর্ট হারানোর বিষয়টি লেখা থাকবে। একই সঙ্গে ডাটাবেজে আগের পাসপোর্টের হারানো বা বাতিল হওয়ার তথ্য হালনাগাদ করতে হবে।
পুনঃইস্যুর সময় আবেদনকারীর মৌলিক পরিচয়গত তথ্য, নাম, জন্মতারিখ, পিতার নাম ও মাতার নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন করা যাবে না। তবে আইন ও বিধি অনুযায়ী অনুমোদিত সংশোধনের বিষয় আলাদাভাবে বিবেচনা করা যাবে। পরিপত্রে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত পাসপোর্টের ক্ষেত্রেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাসপোর্টের শনাক্তযোগ্য অংশ আবেদনকারীর কাছে থাকলে তা সমর্পণের ভিত্তিতে পুনঃইস্যু করা যাবে।
তবে সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়ে গেলে এবং পরিচয় শনাক্ত করার মতো কোনো অংশ প্রদর্শন করা সম্ভব না হলে হারানো পাসপোর্টের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। কোনো পাসপোর্ট হারানো বা চুরি হিসেবে রিপোর্ট করার পর সেটি বাতিল করা হলে পরবর্তীতে পাওয়া গেলেও তা পুনরায় সক্রিয় করা বা বিদেশ ভ্রমণে ব্যবহার করা যাবে না।
এ ধরনের পাসপোর্ট পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় এবং পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে জানাতে হবে। বিদেশে অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ মিশনকে অবহিত করতে হবে।
পাসপোর্ট হারানো বা চুরির ক্ষেত্রে জরিমানার বিষয়েও নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমবার পাসপোর্ট হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হলে নির্ধারিত পাসপোর্ট ফি’র বাইরে অতিরিক্ত কোনো দণ্ড ফি দিতে হবে না। তবে পরবর্তীতে প্রত্যেকবার হারানো, চুরি বা বিনষ্ট হওয়ার ঘটনায় নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।
পরিপত্রে বলা হয়েছে, এ-সংক্রান্ত আগের সব পরিপত্র, আদেশ ও নির্দেশনা সমন্বয় ও সংশোধন করে নতুন পরিপত্রটি জারি করা হয়েছে। এটি জারির তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন-৪ শাখার স্মারক নম্বর ১১৯৭-এর মাধ্যমে এ পরিপত্র জারি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ নির্বাচনে হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপক অগ্রগতি তাকে জাতীয় জনপ্রিয় ভোটে জয় এনে দেয়। এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সম্ভাব্য বড় ধরনের পুনর্বিন্যাস নিয়ে আলোচনা শুরু করে। তবে দুই বছর পর সেই আলোচনা কার্যত থেমে গেছে।
গত এক মাসে পরিচালিত উচ্চমানের জাতীয় জরিপগুলোর গড় হিসাবে, কংগ্রেস নির্বাচনে সম্ভাব্য হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে রিপাবলিকানদের চেয়ে ৩৫ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। তথাকথিত ‘জেনেরিক কংগ্রেশনাল ব্যালট’-এ ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন ৬৪ শতাংশ, আর রিপাবলিকানদের ২৯ শতাংশ। এই জরিপে ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, কংগ্রেস নির্বাচনে তারা কোন দলকে সমর্থন করবেন।
২০২৪ সালের তুলনায় এটি হবে বড় ধরনের পরিবর্তন। ওই নির্বাচনের আগে একই জরিপ প্রতিষ্ঠানগুলোর চূড়ান্ত জরিপে হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে কমলা হ্যারিস ট্রাম্পের চেয়ে গড়ে মাত্র ৭ শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন।
হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের দিকে যদি এ ধরনের বড় মাত্রার ঝুঁকে পড়া অব্যাহত থাকে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী মানচিত্রে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। এর ফলে দীর্ঘদিনের রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা, দলটির নতুন করে আঁকা নির্বাচনী আসনের সীমানা এবং রিপাবলিকানদের অন্যতম প্রধান ঘাঁটি টেক্সাসও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। একই সঙ্গে ২০২৪ সালে ট্রাম্পকে বিজয় এনে দেওয়া ভোটার জোটও আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
সাম্প্রতিক নিউইয়র্ক টাইমস/সিয়েনা জাতীয় জরিপে পাওয়া জনমিতিক প্রবণতা যদি সারা দেশের বিভিন্ন কংগ্রেশনাল আসনে প্রয়োগ করা হয়, তাহলে হিস্পানিক ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের অগ্রগতি এমন এক ডজনেরও বেশি আসনে রিপাবলিকানদের বিপাকে ফেলতে পারে। এসব আসনে ২০২৪ সালে ট্রাম্প দুই অঙ্কের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন। এসব আসনে রিপাবলিকানদের সাফল্য অনেকাংশেই হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল।
সম্ভাব্য বড় ধরনের ডেমোক্র্যাটিক জোয়ারের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠতে পারে টেক্সাস ও ফ্লোরিডা। এসব রাজ্যে রিপাবলিকানদের আঁকা নির্বাচনী সীমানা ভেদ করে ডেমোক্র্যাটরা কতটা এগোতে পারে, তার ওপর দলটির কংগ্রেসে বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের সম্ভাব্য চিত্র অনেকটাই নির্ভর করতে পারে। হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থনের ওপর নির্ভরশীল আসনগুলোতে সম্ভাব্য পরিবর্তন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ২০২৪ সালে দুই অঙ্কের ব্যবধানে জয় পেয়েছিলেন—এমন হিস্পানিক-অধ্যুষিত বহু হাউস আসনে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। তবে এসব হিসাব নির্দিষ্ট প্রার্থীদের ওপর পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে নয়; সর্বশেষ নিউইয়র্ক টাইমস/সিয়েনা জাতীয় জরিপে পাওয়া জনমিতিক পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।
টেক্সাস:
• ২৮তম কংগ্রেশনাল ডিস্ট্রিক্ট: ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে আনুমানিক ৩১ পয়েন্ট পরিবর্তন
• ১৫তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৫ পয়েন্ট
• ৩৪তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৪ পয়েন্ট
• ২৩তম ডিস্ট্রিক্ট: ১৮ পয়েন্ট
• ৩৫তম ডিস্ট্রিক্ট: ১৬ পয়েন্ট
• ৯ম ডিস্ট্রিক্ট: ১৬ পয়েন্ট
ফ্লোরিডা:
• ২৬তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৫ পয়েন্ট
• ২৮তম ডিস্ট্রিক্ট: ২৫ পয়েন্ট
• ২৭তম ডিস্ট্রিক্ট: ২১ পয়েন্ট
• ২২তম ডিস্ট্রিক্ট: ১৩ পয়েন্ট
• ১২তম ডিস্ট্রিক্ট: ১২ পয়েন্ট
• ১৪তম ডিস্ট্রিক্ট: ১১ পয়েন্ট
• ৭ম ডিস্ট্রিক্ট: ১১ পয়েন্ট
সূত্র: ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল; ২০২৬ সালের হিসাব করা হয়েছে ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পরিচালিত নিউইয়র্ক টাইমস/সিয়েনা জাতীয় জরিপের ভিত্তিতে। সূত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লন্ডনে অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে, বাফটার আয়োজনে হলিউডের প্রখ্যাত অভিনেতা টম ক্রুজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর পরিবর্তে চলচ্চিত্র নির্মাণে মানুষের দক্ষতা ও প্রেক্ষাগৃহের গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করেছেন। তার বক্তব্যের পর প্রায় ছয় মিনিটের সময় ধরে দর্শকরা করতালি দিয়ে তার বক্তব্যকে সমর্থন জানান।
‘বাফটা : লাইফ ইন পিকচার্স’ অনুষ্ঠানে, টম ক্রুজ তার অভিনয়জীবন নিয়ে স্মৃতিচারণা করছিলেন। যখন অনুষ্ঠান সঞ্চালক এডিথ বোম্যান চলচ্চিত্রশিল্পে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করেন, তখন ‘টপ গান’ ও ‘মিশন: ইম্পসিবল’ খ্যাত এই অভিনেতা সিনেমা তৈরিতে মানুষের ভূমিকা এবং প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখার অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
ক্রুজ বলেন, ‘প্রযুক্তি যতই আসুক না কেন, মানুষের মতো আর কিছু হতে পারে না।’ তরুণ দর্শকসহ অনেকেই প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে ব্লকবাস্টার সিনেমা দেখছেন, যা প্রমাণ করে যে মানুষ এখনো আসল মানবিক অভিজ্ঞতা পেতে চায়। চলচ্চিত্র নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি বলেন, সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির এই দক্ষ কারিগরদের তিনি হারাতে চান না। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে অভিনয়শিল্পীদের ধর্মঘট চলাকালীন এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে সুরক্ষার দাবি তুলেছিলেন টম ক্রুজ।
বাফটার এই আয়োজনটি টম ক্রুজের নতুন সিনেমা ‘ডিগার’-এর প্রচারণার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয়। আলেহান্দ্রো গঞ্জালেজ ইনারিতু পরিচালিত ছবিটি আগামী ২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে। ছবিতে ক্রুজকে একজন তেল ব্যবসায়ীর চরিত্রে দেখা যাবে, যিনি নিজের তৈরি একটি পরিবেশগত দুর্যোগ মোকাবেলার চেষ্টা করেন। ক্রুজ সিনেমাটিকে তার অভিনয় জীবনের অন্যতম মৌলিক ও মর্মস্পর্শী কাজ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ