ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপুর্তিতে

বরিশালে ‘রহমাতুল্লাহ সমাজকল্যাণ সংস্থা’র সেলাই মেশিন বিতরণ


বরিশালে ‘রহমাতুল্লাহ সমাজকল্যাণ সংস্থা’র সেলাই মেশিন বিতরণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বরিশালে স্মরণসভা, দোয়া মাহফিল ও অসহায় নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) বরিশাল নগরীর বিডিএস ভবনের মিলনায়তনে ‘রহমাতুল্লাহ সমাজকল্যাণ সংস্থা’ (আরএসএস) এর আয়োজনে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বিপুলসংখ্যক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন: কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টে মাদক সেবনের প্রমাণ, ৫ জনের কারাদণ্ড

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মো. খলিল আহমেদ। তিনি বলেন, সবার আগে বাংলাদেশকে সামনে রেখে বর্তমান সরকার দেশের সাধারণ মানুষকে স্বাবলম্বী করে তুলতে চায়। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি পিছিয়ে থাকা নারী জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে সরকার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, তা বাস্তবায়নে সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বরিশাল জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশকে নতুনভাবে সাজানোর যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সরকারের ভালো উদ্যোগগুলো যারা বানচাল করতে চায়, তারা সমাজ ও গণতন্ত্রের শত্রু।

এদিকে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩১ দফার আলোকে দেশের পিছিয়ে পড়া নারী সমাজ ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং সন্ত্রাস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছেন। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিগত দিনে আমরা আন্দোলন-সংগ্রাম করে যেভাবে সফল হয়েছি, ঠিক একইভাবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্নও বাস্তবায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবা অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক ও বীর নুরুল আলম ফরিদ, মহানগর বিএনপির সদস্য জাহিদুর রহমান রিপন, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল আমিন এবং বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন রহমাতুল্লাহ সমাজকল্যাণ সংস্থার উদ্যোক্তা নাজমুস সাকিব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তারিক সুলাইমান ও ইলিয়াস আহমেদ।

আরও পড়ুন: বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকেরা বিএনপির রাজনীতিতে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
গণগবেষণার ফলাফল বিষয়ক আলোচনা সভা

কলাপাড়ায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে কৃষি পেশায় ভয়াবহ সংকট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৩ এম


কলাপাড়ায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে কৃষি পেশায় ভয়াবহ সংকট

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালী ইউনিয়নে স্থাপিত মেগাপ্রকল্পের কয়লাচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কারণে কৃষি পেশায় ভয়াবহ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। কৃষিজমি ও উন্মুক্ত জলাশয় হারিয়ে যাওয়ার ফলে এই এলাকার জনগণকে তাঁদের চিরাচরিত স্বাধীন পেশা ছাড়তে বাধ্য হতে হয়েছে। বর্তমানে কোনো উপায় না পেয়ে এই মানুষগুলো স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাও খুব অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ধানখালী ইউনিয়নের পরিবেশগত ও আর্থ-সামাজিক জীবনযাত্রার ওপর মেগা উন্নয়ন প্রকল্পের প্রভাব নিয়ে অনুষ্ঠিত গণগবেষণায় এ চিত্র ফুটে উঠেছে। স্থানীয় জনগণের নিজস্ব উদ্যোগে পরিচালিত গণগবেষণার তথ্যের ভিত্তিতে ‘আমাদের মাটি, আমাদের জীবন’ শীর্ষক একটি গণগবেষণাপত্রে এই সংকটের চিত্র উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা প্রান্তজনের বাস্তবায়নে এবং প্রকাশিত এই গণগবেষণায় একশন এইড বাংলাদেশ সহায়তা করেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, চিরায়ত স্বাধীন পেশা কৃষিতে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নের অঞ্চলটি নিয়ে ৪৫৭ জন উত্তরদাতার ওপর পরিচালিত জরিপে বলা হয়েছে, সেখানে কৃষি ছিল প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। জরিপে অংশ নেয়া ১৬১ জন কৃষক জানিয়েছেন, তারা এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নের পূর্বে পেশায় সচল ছিলেন এবং ছিলেন স্বাবলম্বী। কিন্তু মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়নের পর কৃষি পেশায় টিকে আছেন মাত্র ৫১ জন। অন্যদিকে বাকি ১১০ জন পেশা হারিয়েছেন। এই মানুষগুলো সরাসরি তাঁদের আয়ের মূল উৎস এবং স্বাধীন পেশা কৃষিকাজ হারিয়েছেন।

জরিপে উত্তরদাতাদের মধ্যে গৃহিনীর সংখ্যা ৯৮ জন থেকে বেড়ে ১৫২ জন হয়েছে। কিন্তু যাঁদের সংখ্যা বেড়েছে, তাঁরা আগে কৃষিকাজ করতেন। একইভাবে, প্রকল্পের আগে উত্তরদাতাদের মধ্যে ৪৯ জন দিনমজুর ছিলেন, পরে তাঁদের সংখ্যা বেড়ে ৭১ জন হয়েছে। কর্মসংস্থানের অভাবে বেকার ৭ জনের জায়গায় বেড়ে ৩২ জন হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের পরে এসব পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতায় ধ্বস নেমেছে এবং সামাজিক সংকট বেড়ে গেছে। ঐ নির্দিষ্ট জনগণ প্রকল্পের আগে ভালো বা খুব ভালো আছেন বলে জানিয়েছিলেন ৬৭ দশমিক ৮৪ শতাংশ। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পরে ভালো বা খুব ভালো আছেন বলে মতামত দিয়েছেন মাত্র ১০ দশমিক ০৭ শতাংশ। ৭১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বলেছেন, বর্তমানে তাঁদের খারাপ বা খুব খারাপ অবস্থা। একই সঙ্গে পরিবেশগত বিপর্যয় এবং বহুমাত্রিক ঝুঁকি, সুপেয় পানির সংকট এবং জলাশয়ের মরণদশা, বিশুদ্ধ বায়ুর অভাব, ক্ষতিগ্রস্ত জীববৈচিত্র এবং বাস্তুসংস্থানের সংকট বেড়ে চলেছে। বলা হয়েছে, বাস্তুতন্ত্র ভেঙে পড়েছে। মেগা প্রকল্পের আগে ধানখালীর নদী কিংবা খালে ইলিশসহ ত্রিশের অধিক প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত যা এখন নাই বললেই চলে। একইভাবে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি, জনস্বাস্থ্য সংকট, বহুমাত্রিক রোগবালাই, এবং নারীদের ওপর লিঙ্গভিত্তিক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই গণগবেষণা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন এলাকায় পরিচালিত হয়েছে। এর প্রভাবকে জীবনমুখী পর্যবেক্ষণের ফলাফল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গবেষণায় ধানখালীর ৮টি ওয়ার্ডের প্রথম পর্যায়ে ৪৫৭টি ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ৩৯৬টি পরিবারের ওপর বিস্তারিত সামাজিক ও পরিবেশগত জরিপ চালানো হয়েছে। এছাড়া উঠান বৈঠক ও মূল তথ্যদাতার সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন ‘পায়রা’ অনুষ্ঠিত গণগবেষণার ফলাফল বিষয়ক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া পরিবেশ ও জনসুরক্ষা মঞ্চের কার্যনির্বাহী সদস্য মেজবাহউদ্দিন মাননু। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আরিফুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা টেনমং, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মোকসেদুল আলম, সমাজসেবা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাছলিমা আখতার, কলাপাড়া থানার এসআই আব্দুল হামিদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, গণগবেষক মেহেদী হাসান এবং হালিমা আয়েশা। বিষয়ের উপর পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন একশন এইড বাংলাদেশের এসোসিয়েট প্রোগ্রাম অফিসার মারজিয়া জাহান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রান্তজনের মাঠ সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ মাহমুদ। এই অনুষ্ঠানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষ, সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ, গণগবেষকবৃন্দ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন।

এ বিষয়ে উল্লেখ্য, কলাপাড়ার ধানখালীতে ১৩২০ মেগাওয়াট পায়রা (বিসিপিসিএল) এবং একই উৎপাদন ক্ষমতার পটুয়াখালী (আরএনপিএল) দুটি বিদ্যুত প্লান্ট সচল রয়েছে। আরো একটি (আশুগঞ্জ) বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এসব জমি অধিগ্রহণের ফলে সরাসরি অন্তত ৬৮৫ পরিবার গৃহহারা হয়েছে। ফলে এসব পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এছাড়া পরোক্ষভাবে অন্তত দেড় হাজার কৃষক ও জেলে পরিবার কর্মসংস্থান হারিয়েছে এবং ক্ষতির কবলে পড়েছে। বর্তমানে প্রকল্প এলাকার মানুষ এসব ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য সামাজিক আন্দোলন করছেন। তাঁরা সরকারের এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার প্রত্যয়ে

তালতলীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৪ এম


তালতলীতে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

পরিবেশ সুরক্ষা এবং সবুজ ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চারা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসে রোপন করা হয়েছে। ইনতেফা কীটনাশক কোম্পানির উদ্যোগে সোমবার (০৩ আগস্ট) তালতলী ছালেহিয়া ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে ফলজ চারা বিতরণ ও রোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উপলক্ষে তালতলী ছালেহিয়া ইসলামীয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হারুন অর রশীদ, তালতলী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, ইনতেফা কীটনাশক কোম্পানির প্রতিনিধি রফিকুল ইসলামসহ মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েতের জিলিব আল-শুয়েখে ব্যাপক অভিযান, আটক ১,২৫৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৯ এম


কুয়েতের জিলিব আল-শুয়েখে ব্যাপক অভিযান, আটক ১,২৫৩ জন

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে রাজধানীর জিলিব আল-শুয়েখ এলাকায় বৃহৎ আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। সরকারি বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানের উদ্দেশ্য হলো অপরাধ দমন, আবাসন ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং এলাকার সামগ্রিক নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, রেসিডেন্সি (আকামা) ও শ্রম আইন লঙ্ঘন এবং বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত মোট ১ হাজার ২৫৩ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় অবৈধভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে, এবং ১ হাজার ২০০টি অবৈধ আবাসন ইউনিটের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের মতে, এর ফলে ফারওয়ানিয়া গভর্নরেটের এলাকায় বিদ্যুতের লোড প্রায় ৬০ শতাংশ কমেছে। এর পাশাপাশি ১ হাজার ৪৩২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ২০টি অবৈধ পয়োনিষ্কাশন সংযোগ বন্ধ করা হয়েছে।

সরকারী সংস্থাগুলো ৬ হাজার ৫১১টি স্থানে পরিদর্শন করে ১ হাজার ৪৭১টি অনিয়মকারী প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে ১৮৮টি প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে এবং ২৫৬টি বাণিজ্যিক আইন লঙ্ঘনের মামলা দায়ের করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া ৩৬ জন শিশু ও তাদের মায়েদের প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে ৭৮৪ জনকে চিকিৎসা এবং বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া ৬১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, জিলিব আল-শুয়েখে চলমান এই অভিযান সফলভাবে অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি, দেশের অন্যান্য যেসব এলাকায় অনুরূপ আইন লঙ্ঘন ও অবৈধ কার্যক্রম রয়েছে, সেখানেও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি, এখনো শুরু হয়নি কাজ! ছাতিয়াইন-রতনপুর সড়ক নিয়ে ক্ষোভ এলাকাবাসীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ শরীফ উদ্দিন

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ এম


নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতি, এখনো শুরু হয়নি কাজ! ছাতিয়াইন-রতনপুর সড়ক নিয়ে ক্ষোভ এলাকাবাসীর

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন-রতনপুর সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের জন্য অপেক্ষা করছে। বর্ষাকালে এটি কাদা ও বড় বড় গর্তে চলাচলের জন্য অযোগ্য হয়ে পড়ছে। এর ফলে প্রতিদিন হাজারো মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এস. এম. ফয়সাল নির্বাচনের আগে এই সড়ক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উন্নয়নকাজ শুরু হয়নি বলে তাদের দাবি।

এলাকাবাসী জানান, সড়কটির বেহাল অবস্থার কারণে শিক্ষার্থী, রোগী, চাকরিজীবী এবং সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হয়ে যাচ্ছেন। বর্ষাকালে কাদা এবং পানি জমে যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য হচ্ছে, "নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন দেখতে চাই। এ ব্যাপারে শুধু আশ্বাস নয়, দ্রুত সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু হোক।"

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%