শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪৫ পি.এম
বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে হেরে আকস্মিক বিদায়ের পর ব্রাজিল নতুন করে স্বপ্ন বোনা শুরু করেছে। ইতালিয়ান কোচ কার্লো আনচেলোত্তি যে স্কোয়াড ঢেলে সাজানোর আভাস দিয়েছিলেন, তার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা গেছে বিশ্বকাপের পর ঘোষিত প্রথম স্কোয়াডে। গড়ে ২৪.৪ বছর বয়সের ২৬ সদস্যের এই দলে ৮ জন নতুন মুখ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। নতুন চেহারার সেই ‘সেলেসাও’রা আজ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে পরবর্তী বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করছে।
বিশ্বকাপের ব্যর্থতার পর এটি ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক অ্যাসাইনমেন্ট। নেইমারের আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ফলে আনচেলোত্তির জন্য পরিবর্তন আনার পথ আরও সহজ হয়েছে। তিনি বিশ্বকাপের ১৫ জন ফুটবলারকে ছাড়াই দল সাজিয়েছেন। বাদ পড়েছেন আলিসন বেকার, লুকাস পাকেতা, মাতেউস কুনিয়া, কাসেমিরো ও ফাবিনিওদের মতো তারকা ফুটবলাররা।
ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী আক্রমণাত্মক ও গতিশীল ফুটবলের ধারা ফিরিয়ে আনতে দেশের ঘরোয়া ক্লাবগুলো থেকে ডাক পেয়েছেন ১০ জন ফুটবলার, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে অভিজ্ঞতার ভার বহন করতে রিয়াল মাদ্রিদ ও পিএসজির পরীক্ষিত তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মার্কিনিওস ও ব্রুনো গিমারেসদের স্কোয়াডে রেখেছেন আনচেলোত্তি।
নতুনদের ওপর আস্থা রেখে মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেস মন্তব্য করেন, ‘আমাদের দেশে প্রতিনিয়ত নতুন প্রতিভার বিকাশ ঘটছে। একটি শক্ত ভিত থাকা জরুরি, যাতে কোচ নতুনদের সুযোগ দিতে পারেন। আমরা অস্ট্রেলিয়াকে সমীহ করি এবং আশা করি একটি চমৎকার ম্যাচ উপহার দিতে পারব।’
অন্যদিকে, বিশ্বকাপে শেষ বত্রিশ থেকে বিদায় নেওয়া অস্ট্রেলিয়ার জন্যও এটি প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। চার দিন পর ব্রিসবেনে ব্রাজিলের বিপক্ষে তারা আরও একটি প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হবে। অধিনায়ক ম্যাট রায়ানসহ বিশ্বকাপের ১০ জন ফুটবলার নেই সকারু স্কোয়াডে, দলে যোগ হয়েছেন ৭ জন নতুন মুখ। ৯ বছর পর ব্রাজিলের মুখোমুখি হওয়া অস্ট্রেলিয়া এর আগের ৬ দেখায় মাত্র একবারই (২০০১ সালে ১-০ ব্যবধানে) জয় পেয়েছিল, যেখানে ৪টিতেই জয় ছিল ব্রাজিলের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে একদিনে রেকর্ডসংখ্যক ৭৮১ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন। যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্যে জানা গেছে, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ১০টি ছোট নৌকায় করে তারা চ্যানেল পাড়ি দেন।
এই ২৩ সেপ্টেম্বরের সংখ্যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ। এর আগে ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর যথাক্রমে ১৫০ ও ১৫৪ জন তিনটি করে ছোট নৌকায় চ্যানেল পাড়ি দেন। উল্লেখ্য, এর আগে টানা পাঁচ দিন কোনো ছোট নৌকায় পারাপারের ঘটনা নথিভুক্ত হয়নি।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১ জানুয়ারি থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছোট নৌকায় ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছেন মোট ১৮ হাজার ৫৬৫ জন। একই সময়ে ২০২২ সালে এই সংখ্যা ছিল ৩২ হাজার ১৮৮ জন। অর্থাৎ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরে আগমন ৪২ শতাংশ কমেছে। এই সংখ্যা সরকারি কার্যক্রমভিত্তিক প্রাথমিক তথ্য এবং পরবর্তীতে সংশোধিত হতে পারে।
২৩ সেপ্টেম্বরের আগমন গত বছরের ২০ ডিসেম্বরের পর একদিনে সর্বোচ্চ। ওই দিন ৮০৩ জন ১৩টি ছোট নৌকায় করে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছিলেন।
তবে একদিনে সবচেয়ে বেশি ছোট নৌকায় আগমনের রেকর্ড এখনো ২০২২ সালের ৩ সেপ্টেম্বরের। ওই দিন ১ হাজার ৩০৫ জন ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়েছিলেন।
ইংলিশ চ্যানেল বিশ্বের ব্যস্ততম ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথগুলোর একটি। আবহাওয়া উষ্ণ এবং সমুদ্র তুলনামূলক শান্ত থাকলে ছোট নৌকায় পারাপারের ঘটনা সাধারণত বেড়ে যায়।
যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির উপনেতা লুসি পাওয়েল বিবিসি রেডিওকে বলেন, ছোট নৌকায় পারাপার কমাতে সরকার অতিরিক্ত সম্পদ ও নতুন আইনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। তাঁর দাবি, সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের ফলে ছোট নৌকায় আসা মানুষের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
পাওয়েল আরও বলেন, ছোট নৌকায় পারাপার পুরোপুরি বন্ধ করার কোনো তাৎক্ষণিক উপায় নেই। তবে সরকার এ সংখ্যা কমাতে কাজ করছে এবং জনগণ দ্রুত ফল দেখতে চায়। তথ্যসূত্র: বিবিসি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং ও তার স্ত্রী ফেং লি ইউয়ানের সম্মানে একটি রাষ্ট্রীয় স্বাগত ভোজের আয়োজন করেন। এই ভোজের আয়োজন করা হয় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাতে হোয়াইট হাউসে।
শি চিন পিং ও ফেং লি ইউয়ান যখন হোয়াইট হাউসে পৌঁছান, তখন ট্রাম্প ও মেলানিয়া তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। দুই রাষ্ট্রপ্রধান এবং তাদের স্ত্রীরা একত্রে ছবি তোলেন এবং ভোজে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ভোজ শুরু হওয়ার পর, শি চিন পিং ও ট্রাম্প পৃথক ভাষণ প্রদান করেন।
শি চিন পিং তার ভাষণে চীন-মার্কিন সম্পর্কের উন্নয়নে আগ্রহী এবং সমর্থনকারী যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি মধ্যশরৎ উৎসবের শুভকামনাও ব্যক্ত করেন।
শি চিন পিং বলেন, চলতি বছরের মে মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সফলভাবে চীন সফর করেছেন। ছয় মাসেরও কম সময়ের মধ্যে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধানরা পরস্পরের দেশে সফর করেছেন, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের জন্য একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। তিনি আরও বলেন, এবারের সফরে অনেক নতুন ঐকমত্য অর্জিত হয়েছে, যা চীন-মার্কিন গঠনমূলক ও স্থিতিশীল সম্পর্কের ভিত্তি আরও সমৃদ্ধ করেছে এবং সম্পর্কের নতুন কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
শি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, দুই শতাধিক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্র স্বাধীনতা অর্জন করে এবং এর পরপরই চীনের দিকে দৃষ্টি দিয়েছিল। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক পণ্য বিনিময় ও অর্থনৈতিক পরিপূরকতার মাধ্যমে বাণিজ্যিক আদান-প্রদান শুরু হয় তখন।
তিনি বলেন, ৮০ বছরেরও বেশি আগে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জাপানি সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল। রক্ত ও অগ্নিপরীক্ষায় গড়ে ওঠা এই বন্ধুত্ব প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে যাবে। ৫০ বছরেরও বেশি আগে দীর্ঘদিনের বন্ধ দরজা খুলে দিয়েছিল টেবিল টেনিস কূটনীতি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রবীণ রাজনীতিকরা ‘ছোট একটি বল বড় একটি বলকে নাড়ায়’-এই রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে চীন-মার্কিন সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের মহান প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন। ২০ বছরেরও বেশি আগে রোনাল্ড সাকোলস্কি নামের এক মার্কিন নাগরিক চীনের মরুকরণ নিয়ন্ত্রণকর্মী ইন ইয়ু চেনকে বৃক্ষরোপণে সহায়তা করেছিলেন। তাদের গল্প বহু চীনা মানুষকে মুগ্ধ করেছিল এবং এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদানের একটি উদাহরণ হয়ে ওঠে।
শি চিন পিং বলেন, চীন-মার্কিন মানবিক ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও হৃদয়ের যোগাযোগ বাড়াতে সহায়ক। একইসঙ্গে এটি চীন-মার্কিন বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতার জন্য জনসমর্থনের দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেছে।
শি চিন পিং উল্লেখ করেন, আজ চীন-মার্কিন সম্পর্ক আবারও একটি নতুন ঐতিহাসিক সূচনাবিন্দুতে দাঁড়িয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আমেরিকাকে আবার মহান করার প্রস্তাব দিয়েছেন, আর চীনা জাতির মহান পুনরুত্থান বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ চীন। এই দুই লক্ষ্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং একে অপরের পরিপূরক হতে পারে।
তিনি বলেন, উভয়পক্ষের উচিত বড় দেশের দায়িত্বশীলতা প্রদর্শন করা এবং জনগণের প্রত্যাশা ও সময়ের প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বড় দেশগুলোর মধ্যে সঠিকভাবে সহাবস্থানের নতুন পথ অন্বেষণ করা। ইতিহাসের স্রোত বয়ে চলেছে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের সম্ভাবনাও বিস্তীর্ণ। উভয়পক্ষকে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে এবং চীন-মার্কিন ‘বন্ধুত্বের সুন্দর ফুলের’ যত্ন নিয়ে যৌথভাবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনা করতে হবে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, গত মে মাসে চীন সফরের সময় চীনা জনগণের উষ্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ তার মনে গভীর ও সুন্দর ছাপ ফেলেছিল। তিনি বলেন, আজ রাতে দুই দেশের বিভিন্ন খাতের ব্যক্তিরা একত্রিত হয়ে হাজার হাজার মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে শত বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা মৈত্রী উদযাপন করছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীন-উভয় দেশেরই সমৃদ্ধ সংস্কৃতি এবং জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদানের ইতিহাস রয়েছে। দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা ভিন্ন হলেও তাদের বন্ধুত্ব দীর্ঘদিন ধরে অটুট রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ট্রাম্প বলেন, আমি প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও লালন করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তা বয়ে আনতে ইচ্ছুক।
ভোজসভাটি বন্ধুত্বপূর্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। ভোজ চলাকালে মার্কিন শিল্পীরা চমৎকার সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) কর্তৃক জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের নবগঠিত ২৭ সদস্যের কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় ডিপিডিসির ট্রেনিং দপ্তরে এ সভার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনওসিএস নর্থ-এর প্রধান প্রকৌশলী মো. তারিকুল হক।
ডিপিডিসিতে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শে বিশ্বাসী তিনটি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন, যেগুলো হলো- অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স (অ্যাব), ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএব) এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল (সিবিএ)। এছাড়া অনুষ্ঠানে ফিন্যান্স, আইসিটি ও এইচআর-এর প্রতিনিধি নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
ডিইএব, ডিপিডিসি শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ডিপিডিসি ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী মো. মজিবর রহমান জুয়েলের সঞ্চালনায় সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন শ্রমিক দল তথা সিবিএ-এর সহ-সভাপতি মো. মকবিল হোসেন।
সভাপতি অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য প্রদান করেন এবং অ্যাবের সভাপতি ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিনকে সভাপতি, ডিইএব-এর আহ্বায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ মীর হোসেন পাটোয়ারীকে সিনিয়র সহ-সভাপতি, শ্রমিক দলের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক এবং ডিইএব-এর সদস্য সচিব প্রকৌশলী মো. ওবাইদুল আলমকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২৭ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন।
কমিটির অন্যান্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে রয়েছেন- অ্যাবের সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান মুরাদ (সহ-সভাপতি), বিল সুপারভাইজার ও শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন (সহ-সভাপতি), তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আবদুল মজিদ (সহ-সভাপতি), নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসান উল ইসলাম সরকার (সহ-সভাপতি), ডিজিএম (এইচআর) মো. নজরুল ইসলাম (সহ-সভাপতি), নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন (সহ-সভাপতি), নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদুল হক ফারুকী (সহ-সভাপতি), নির্বাহী প্রকৌশলী এএইচএম তারেক তুষার (সহ-সভাপতি), সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান টুটুল (সহ-সভাপতি), সিএস মো. সিরাজুল ইসলাম (সহ-সভাপতি), সিএস মো. আকরামুল হক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মজিবর রহমান জুয়েল (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), সহকারী হিসাবরক্ষক মো. রফিকুল্লাহ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), ফোরম্যান মো. মকবিল হোসেন (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), জেএএম (টেক) মো. আবুল হায়াত (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), স্টোরকিপার মো. হোসেন আলী (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক), ম্যানেজার (এইচআর) মো. জাহাঙ্গীর আলম (অর্থ সম্পাদক), অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক রনকুল হাসান (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), উপ-সহকারী প্রকৌশলী বিএম সাইফুল ইসলাম (দপ্তর সম্পাদক), ম্যানেজার (আইসিটি) মো. সাজাহান (তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক), উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. জিয়াউর রহমান (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক), জেএএম (আইসিটি) জেসমিন আক্তার (মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা) এবং লাইনম্যান মো. মনির হোসেন (সমাজকল্যাণ সম্পাদক)।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ মীর হোসেন পাটোয়ারী এবং সভাপতি প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিন।
বক্তারা জানান, আগামী দিনে ডিপিডিসিতে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি-দাওয়া আদায়ে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি ডিপিডিসিকে একটি গ্রাহকবান্ধব ও লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জন্য কাজ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জে ডেঙ্গুর সংক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এর ফলে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১ হাজার ৪৮ জনে পৌঁছেছে। এই সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যু ঘটেছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ২৫ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২০ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ৬৫ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬০ জন রোগী।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর সরকারি হাসপাতালগুলোতে মোট ৭৭৪ জন এবং বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ২৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৯৮৩ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
হাসপাতালভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ৬ জন, সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন, সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন এবং মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এছাড়া বেসরকারি মুন্নু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে ৫ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে।
সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ আব্দুল্লাহ আল আজিজ জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধের জন্য বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জ্বরসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার জন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ