মোঃ ওসমান গনি শেরপুর জেলা প্রতিনিধি,
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:২৭ পি.এম
শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বারোমারী গারো পাহাড়ের সাধু লিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসবের আলোর মিছিল।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে অনুষ্ঠিত এ মিছিলে প্রায় ৫০ হাজার তীর্থযাত্রী অংশ নেন। দুই হাতে দুটি করে মোমবাতি জ্বালিয়ে তাঁরা প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চার থেকে পাঁচ কিলোমিটার এলাকা প্রদক্ষিণ করেন।
এ বছর ‘মানবতার জননী ফাতেমা রাণী মা মারিয়া’ প্রতিপাদ্যে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দুই দিনব্যাপী ২৯তম বার্ষিক ফাতেমা রাণীর তীর্থোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে খ্রিস্টধর্মাবলম্বীরা বারোমারীতে সমবেত হয়েছেন।
তীর্থোৎসবের সমন্বয়কারী রেভারেন্ড ফাদার তরুণ বনোয়ারী জানান, উপজেলার সীমান্তবর্তী বারোমারী সাধু লিওর খ্রিস্টধর্মপল্লীতে ১৯৯৮ সালে পর্তুগালের ফাতেমা নগরের আদলে তীর্থস্থানটি গড়ে তোলা হয়। এটি রোমান ক্যাথলিক খ্রিস্টধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় আয়োজন। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের শেষ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার এখানে বার্ষিক তীর্থোৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে প্রার্থনার জন্য তীর্থস্থানে নির্মাণ করা হয়েছে ৪৮ ফুট উঁচু মা মারিয়ার মূর্তি। তীর্থোৎসব উপলক্ষে পাপ স্বীকার, মহাখ্রিস্টযাগ, মোমবাতি জ্বালিয়ে আলোক শোভাযাত্রা, সাক্রামেন্তের আরাধনা, নিরাময়, নিশিজাগরণ ও জীবন্ত ক্রুশের পথসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
আলোর মিছিল ও তীর্থোৎসবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মো. জহিরুল ইসলামসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতh করতে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পুলিশ, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার, ফায়ার সার্ভিস, গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকেরা দায়িত্ব পালন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেজনারায়ণ চন্দরপল ফিফটি ছুঁয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বড় কিছুর আশা দেখাচ্ছিলেন। কিন্তু শরীফুল ইসলাম তাকে সেটি হতে দিলেন না।
আজ মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনের ১১তম ওভারে বাংলাদেশকে সাফল্য এনে দেন শরীফুল। তিনি নাজমুল হোসেন শান্তর ক্যাচ বানিয়ে চন্দরপলকে (৫৬) ফিরিয়ে দেন।
চন্দরপল আগের দিনের শেষ বিকেলে জাস্টিন গ্রিভসকে নিয়ে দারুণভাবে সামাল দিয়েছিলেন। তবে আজ তিনি বেশি দূর এগোতে পারেননি।
দুজনের ৬৫ রানের জুটি ভাঙার পর ব্যাটিংয়ে নেমেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক রোস্টন চেজ।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৬১ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৫ উইকেটে ১৭৩ রান তুলেছে। তারা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ৯৯ রানে পিছিয়ে রয়েছে।
এক প্রান্ত থেকে শরীফুল এবং অন্য প্রান্ত থেকে তাইজুল ইসলাম বোলিং করে যাচ্ছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ব্যাটার জশ ইংলিস। তিনটি সংস্করণ, টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে অন্তত দুটি করে সেঞ্চুরি করার অনন্য কীর্তি গড়েছেন তিনি। ৩১ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে এই রেকর্ডটি গড়লেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চলমান টেস্ট সিরিজের প্রথম ম্যাচে ইংলিস নিজের দ্বিতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান। কেপটাউনে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) শুরু হওয়া ম্যাচের তৃতীয় দিনে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) শতকের দেখা পান তিনি।
দিনের খেলা শুরু করেছিলেন ৮৫ রানে অপরাজিত অবস্থায়। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৫ রান দূরে থাকা ইংলিস দিনের নবম ওভারে চার মেরে পূর্ণ করেন তিন অঙ্কের ঘর। তবে একই ওভারে আরেকটি বল খেলেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। সাইমন হার্মারের বলে উইকেটকিপার রায়ান রিকেলটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন এই ব্যাটার। ১১টি চার ও দুটি ছক্কায় ১৩৫ বলে ১০২ রান করেন তিনি।
এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ইংলিসের শতকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়টিতে। টেস্ট ও ওয়ানডেতে দুটি করে সেঞ্চুরির পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও দুটি শতক রয়েছে তার।
ইংলিসের দুর্দান্ত ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ৪২৯ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে ম্যাট রেনশ ৭৪, ক্যামেরন গ্রিন ৬৫ এবং অ্যালেক্স ক্যারি ৮০ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে সর্বোচ্চ চার উইকেট শিকার করেন সাইমন হার্মার। তিনটি উইকেট নেন মার্কো ইয়ানসেন।
তৃতীয় দিনের খেলা শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৪০ রান। ফলে সব মিলিয়ে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়িয়েছে ৪০ রানে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার দেবিদ্বারে মদপান করার পর অসুস্থ হয়ে দুই যুবকের মৃত্যু ঘটেছে, যাদের মধ্যে একজন কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা। এ ঘটনায় আরও চারজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে উপজেলার ধান্নারপাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি এতদিন গোপন ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগের কথা প্রচার করা হলেও পরে জানা যায়, অতিরিক্ত মদপানের বিষয়টি এর সাথে জড়িত।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন দেবিদ্বার পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের গুনাইঘর উত্তর পাড়ার বাচ্চু মিয়ার ছেলে সালাউদ্দিন (৩২), যিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য। অপরজন হলেন উপজেলার হাপুড়খাড়া গ্রামের আলম মিয়ার ছেলে বাসার খান (৩১)।
অসুস্থ চারজনের মধ্যে আছেন ধান্নারপাড় এলাকার আতিক (৩৩), শাহীন শাহ (২৮), মোহাম্মদ নাঈম (২৮) এবং এলাহাবাদ গ্রামের অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই রাতে নাঈমের মামার বাড়িতে সালাউদ্দিন, বাসার খানসহ কয়েকজন মদপান করেন। কিছুক্ষণ পরই তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরদিন প্রতিবেশীরা সালাউদ্দিনকে নিজ ঘরে অসুস্থ অবস্থায় দেখতে পেয়ে দরজা ভেঙে তাঁকে উদ্ধার করেন। দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৪ অক্টোবর তার মৃত্যু ঘটে।
অন্যদিকে, অসুস্থ বাসার খানকেও প্রথমে দেবিদ্বার ও পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করার পর ২৫ অক্টোবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে। দুই যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অন্য অসুস্থরা গোপনে চিকিৎসা নিতে ঢাকায় যান বলে জানা গেছে।
কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মাহমুদুল হাসান তামিম বলেন, ‘নিহত সালাউদ্দিন জেলা ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কথা জানানো হলেও পরে অতিরিক্ত মদপানের কারণে মৃত্যুর বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। পরিবার বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করছে।’
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। এ বিষয়ে নিহতদের পরিবারের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।
দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘মৃত্যুর ঘটনা সত্য। মাদকসংশ্লিষ্ট বিষয় হওয়ায় সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার আশঙ্কায় পরিবার হয়তো বিষয়টি গোপন রেখেছে। মরদেহ দাফনের পর সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অশোক বিক্রম চাকমাও সাংবাদিকদের মাধ্যমে বিষয়টি জেনেছেন বলে জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের মানুষের প্রশংসা অর্জন করছেন, ইসলামী নীতি ও ঈমানী দৃঢ়তা বজায় রেখে এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও সামনে মাথা নত না করার জন্য। সম্প্রতি টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কার্যালয় ‘কান্তে’-তে উষ্ণ অভ্যর্থনা গ্রহণকালে তিনি জাপানের পতাকার সামনে মাথা নোয়াননি। স্বাগতিক প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বিনয়ের সাথে মাথা নত করে অভিবাদন জানালেও, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আত্মমর্যাদা ও ইসলামী মূল্যবোধ বজায় রেখে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে তা গ্রহণ করেন।
এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে প্রশংসার ঢল বইছে। ইসলামী আকীদা ও তৌহিদী চেতনায় বিশ্বাসী বাংলাদেশী নাগরিকরা এটি এক আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও সামনে মাথা নত না করার অদম্য ঈমানী অবস্থানের প্রতীক হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, এই দৃশ্য অতীতের স্মৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছে পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার কথা, যিনি পূর্বে জাপান সফরকালে স্বাগতিক নেতাদের ও ভিনদেশের পতাকার সামনে নিচু হয়ে মাথা নত করে রুকু সদৃশ ভঙ্গিতে অভিবাদন জানিয়ে ইসলামী আকিদা ও দেশীয় জাতীয় আত্মমর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করেছিলেন। অতীতে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে সরকারপ্রধানদের অতিরিক্ত নতজানু আচরণ জাতিকে হতাশ করেছে, কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাথা উঁচু করে দেশের স্বকীয়তা ও অহংকার বজায় রেখেছেন।
ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও সাধারণ নাগরিকরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর এই নীতিগত অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, “একেই বলে মুসলিম। একজন প্রকৃত মুসলিম এক আল্লাহ ছাড়া কারও কাছে মাথা নত করে না। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেখে শিক্ষা নেওয়া উচিত।”
অন্য একজন ব্যবহারকারী মন্তব্য করেছেন, “জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানানো প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। তবে সম্মান দেখাতে গিয়ে রুকু বা সিজদার ন্যায় ভঙ্গি করে কোনো সৃষ্টি বা প্রতীকের সামনে মাথা নোয়ানো ইসলামী শরিয়তে স্পষ্ট শিরক ও তাওহীদের পরিপন্থী। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে সঠিক কাজটাই করেছেন।”
আরেকজন মন্তব্য করেছেন, “ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অন্য কেউ হলে হয়তো বিদেশিদের খুশি করার জন্য খানিকটা হলেও মাথা নত করত। কিন্তু তিনি একজন মুসলমান ও স্বাধীন দেশের প্রতিনিধি হিসেবে মর্যাদার সাথে নিজ অবস্থান ধরে রেখেছেন। আপনাকে পেয়ে বাংলাদেশ আজ গর্বিত।”
বিশ্লেষকদের মতে, জাপানে চারদিনের সরকারি সফল সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সাথে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ও শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময়ের পাশাপাশি জাতীয় মর্যাদা সমুন্নত রেখেছেন। একপাক্ষিক নতজানু কূটনীতির বিপরীতে স্বকীয়তা ও ধর্মীয় অনুভূতির সম্মান বজায় রাখার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেছেন—আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি কারও সামনে মাথা নোয়াবে না, কেবল মহান সৃষ্টিকর্তার সামনেই নত হবে। তোষামোদ বা অতিরিক্ত বিনয়ের নামে আত্মমর্যাদাহীন আচরণ বাদ দিয়ে তাঁর এই মাথা উঁচু করে চলার নীতি দেশবাসীর মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ