০৬:৫৪ পি.এম
প্রায় এক যুগ আগে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি ছবির দৃশ্য নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে বলিউড অভিনেত্রী এবং বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতের। ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রিভলবার রানি’ সিনেমায় তাঁর এবং অভিনেতা-কমেডিয়ান বীর দাসের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ছিল।
সম্প্রতি এই দৃশ্য নিয়ে এক সাংবাদিক বিস্ফোরক দাবি করেছেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে। সাংবাদিক সিমি চান্দোক সিদ্ধার্থ কান্নানের পডকাস্টে অতিথি হয়ে দাবি করেছেন, সিনেমার একটি চুম্বনের দৃশ্যের শুটিং চলাকালীন ‘কাট’ বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুম্বন করতে থাকেন। এমনকি দাবি করা হয়েছে যে, এতে অভিনেতার ঠোঁট কেটে রক্তও বের হয়েছিল।
পডকাস্টে সিমি বলেন, ‘বীর দাসকে একদিন আমার পডকাস্টে আনতে হবে। ওই সময়ের কথা মনে করলে হয়তো কেঁদেই ফেলবে।’ কঙ্গনার ‘রিভলবার রানি’ সিনেমার একটি দৃশ্যে তাঁকে গভীরভাবে চুমু খাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু দৃশ্য শেষ হওয়ার পরও তিনি থামেননি। বেচারার ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: জুনিয়র মাস্টারশেফের সঞ্চালকের ভূমিকায় মেগান মার্কেল
তবে এই দাবি সিমি চান্দোকের ব্যক্তিগত বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। ঘটনাটির পক্ষে স্বাধীন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া কঙ্গনা রানাউত কিংবা বীর দাস—কেউই নতুন করে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।
তবে এই বিষয়টি একেবারে নতুন নয়। ২০২৩ সালেও একই অভিযোগ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। তখন ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে কঙ্গনা ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
তিনি লেখেন, ‘হৃতিক রোশনের পর এবার নাকি বেচারা বীর দাসেরও মানহানি করলাম? এটা আবার কবে হলো?’ পোস্টের সঙ্গে হাসি, জিভ বের করা এবং ফেসপাম ইমোজিও যুক্ত করেছিলেন তিনি। কঙ্গনার ওই প্রতিক্রিয়া থেকে স্পষ্ট, তিনি অভিযোগটিকে গুরুত্ব না দিয়ে রসিকতার সুরেই উড়িয়ে দিয়েছেন।
কাজের ক্ষেত্রে কঙ্গনাকে সর্বশেষ দেখা গেছে ‘ভারত ভাগ্যবিধাতা’ সিনেমায়। ১২ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটি ২০০৮ সালের মুম্বাইয়ের ২৬/১১ সন্ত্রাসী হামলার সময় কামা অ্যান্ড অ্যালব্লেস হাসপাতালের কর্মীদের সাহসিকতার সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। অন্যদিকে বীর দাস সম্প্রতি ‘হ্যাপি প্যাটেল: খতরনাক জাসুস’ ছবিতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন